<p>‘জিন্দাবাদ’ শব্দটি মূলত <strong>ফারসী</strong> ভাষা থেকে এসেছে। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দের মতোই এটি ফারসী ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।</p>
<ul>
<li>‘জিন্দা’ শব্দের অর্থ হলো <strong>জীবিত</strong> বা বেঁচে থাকা।</li>
<li>‘বাদ’ প্রত্যয়টি এখানে কোনো কিছুর জয় বা দীর্ঘস্থায়িত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>মূলত ফারসী শব্দ ‘জিন্দা’ (Zinda) এবং ‘বাদ’ (Bad) মিলে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা বাংলা ভাষায় কোনো ব্যক্তি বা আদর্শের জয়ধ্বনি দিতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত <strong>‘টুপি’</strong> শব্দটি মূলত একটি <strong>পর্তুগিজ</strong> শব্দ। পর্তুগিজরা যখন প্রথম বাংলায় আসে, তখন তাদের ব্যবহৃত পোশাক-আশাক ও বিভিন্ন উপকরণের নাম আমাদের ভাষায় মিশে যায়। ‘টুপি’ শব্দটিও সেই সূত্রেই আমাদের দৈনন্দিন ভাষার অংশ হয়ে গেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা বাংলায় আসার পর তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমাদের ভাষায় স্থায়ী হয়ে গেছে।</li>
<li>এর মধ্যে ‘টুপি’, ‘পাউরুটি’, ‘সাবান’, ‘আলমারি’ এবং ‘চাবি’—এই শব্দগুলো খুবই পরিচিত।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘টুপি’ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে। ‘চকমক’ শব্দটি মূলত তুর্কী ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>তুর্কী শব্দগুলো সাধারণত দৈনন্দিন জীবনের বিভিন্ন বস্তু বা বিশেষণের সাথে সম্পর্কিত হয়।</li>
<li>‘চকমক’ ছাড়াও তুর্কী ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো— <strong>বেগম, চাকর, বাবুর্চি, কাঁচি, বারুদ</strong>।</li>
</ul>
<p>এভাবে শব্দগুলো মনে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব সহজেই সঠিক উত্তরটি খুঁজে পাওয়া যায়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপানি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>‘রিকসা’ শব্দটি মূলত জাপানি শব্দ <strong>‘রিকিশা’</strong> (Jinrikisha) থেকে এসেছে।</li>
<li>জাপানি ভাষায় ‘জিন’ (Jin) অর্থ মানুষ, ‘রিকি’ (Riki) অর্থ শক্তি এবং ‘শা’ (Sha) অর্থ গাড়ি। অর্থাৎ, মানুষের শক্তিতে চালিত গাড়িই হলো রিকসা।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এটি বহুল প্রচলিত একটি শব্দ হলেও এর উৎপত্তি জাপানি ভাষা থেকেই হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ইসলামি পরিভাষায় আমরা সাধারণত আরবি শব্দ ব্যবহার করি, কিন্তু 'নামায' শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>আরবিতে এর প্রতিশব্দ হলো 'সালাত'।</li>
<li>উপমহাদেশে ফারসি ভাষার ব্যাপক প্রভাব থাকায় আমরা দৈনন্দিন জীবনে 'নামায' শব্দটিই বেশি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সালাত হলো আরবি শব্দ আর নামায হলো ফারসি শব্দ। তাই পরীক্ষার জন্য এই পার্থক্যটুকু মনে রাখলেই চলবে!</p>
৩০৯৬
আরবি শব্দ ‘মালুম’ -এর পূর্বে ‘বে’ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ হল ‘বেমালুম’ -এখানে ‘বে’ কোন প্রকার উপসর্গ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত ‘বে’ একটি অত্যন্ত পরিচিত <strong>ফারসি উপসর্গ</strong>।</li>
<li>‘বে’ উপসর্গটি সাধারণত ‘না’ বা ‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যেমন: ‘মালুম’ শব্দের অর্থ জানা, আর তার আগে ‘বে’ যুক্ত হয়ে ‘বেমালুম’ (যা জানা নেই বা সম্পূর্ণভাবে) শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত অন্যান্য ফারসি উপসর্গের মধ্যে ‘দর’, ‘না’, ‘বদ’, ‘কম’ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য, যা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে নিয়মিত ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘বদ’ উপসর্গটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</p>
<p>সহজ কিছু কৌশলে এটি মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘বদ’ উপসর্গটি সাধারণত খারাপ বা মন্দ অর্থ প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক প্রচলিত ফারসি উপসর্গের মধ্যে ‘বদ’ একটি অন্যতম প্রধান উদাহরণ।</li>
<li>‘বদ’ দিয়ে গঠিত আরও কিছু শব্দ হলো: বদনাম, বদমাশ, বদখত, বদহজম।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোনো শব্দের শুরুতে ‘বদ’ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি একটি <strong>ফারসি</strong> উপসর্গ।</p>
৩০৯৮
নিমরাজি, ফিরোজ শব্দ দুটির নিম ও ফি উপসর্গ দুটি বাংলা ভাষায় এসেছে কোন ভাষা থেকে ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের দৈনন্দিন ভাষায় ব্যবহৃত অনেক উপসর্গই ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>নিম</strong> (যেমন: নিমরাজি) এবং <strong>ফি</strong> (যেমন: ফিরোজ, ফি-বছর) উভয়ই ফারসি ভাষার উপসর্গ।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে এই ধরনের উপসর্গগুলোকে 'বিদেশি উপসর্গ' বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যে শব্দগুলোর শুরুতে 'নিম' বা 'ফি' থাকে, সেগুলো সাধারণত ফারসি শব্দ থেকেই বাংলা ভাষায় জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘হিংসুক’ শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>হিংসা + উক</strong>। এটি খুব সহজেই বোঝা যায় যদি আমরা শব্দটির মূল অংশ বিশ্লেষণ করি:</p>
<ul>
<li>এখানে মূল শব্দটি হলো <strong>হিংসা</strong>, যা একটি বিশেষ্য পদ।</li>
<li>এর সাথে <strong>উক</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে ‘হিংসুক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে যখন ‘উক’ প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন তা সাধারণত স্বভাব বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি হিংসা করে, তাকেই আমরা বলি হিংসুক। তাই মূল শব্দ ‘হিংসা’-এর সাথে ‘উক’ প্রত্যয় যোগ করলেই শব্দটি পূর্ণতা পায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হিংসা</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় বলতে গেলে, ‘দ্বেষ’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো কারো প্রতি তীব্র বিদ্বেষ বা শত্রুতার মনোভাব। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যখন কারো ভালো সহ্য করতে পারি না বা কারো প্রতি মনে মনে ক্ষোভ পুষে রাখি, সেই মানসিক অবস্থাকেই মূলত <strong>হিংসা</strong> বা দ্বেষ বলা হয়। তাই শব্দার্থের বিচারে এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাস্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দগুলোর অর্থের দিকে তাকালেই পার্থক্যটা বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>'বিলাপ' শব্দটির অর্থ হলো কান্না বা শোক প্রকাশ করা।</li>
<li>অন্যদিকে, 'হাস্য' মানে হলো হাসি বা আনন্দ প্রকাশ করা।</li>
</ul>
<p>যেহেতু বিলাপ মানে দুঃখের বহিঃপ্রকাশ, তাই এর বিপরীত অবস্থা বা অনুভূতি হিসেবে <strong>হাস্য</strong> শব্দটিই সবচেয়ে মানানসই। কোনো কিছু মনে রাখার জন্য শুধু শব্দ দুটির বিপরীতমুখী আবেগ (দুঃখ বনাম আনন্দ) খেয়াল রাখলেই চলবে।</p>
৩১০২
‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।’ গানটির রচয়িতা ও সুরকার হলেন শিল্পী-
<p>‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়’—এই কালজয়ী গানটির রচয়িতা ও সুরকার হলেন <strong>আব্দুল লতিফ</strong>।</p>
<p>গানটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি গান।</li>
<li>আব্দুল লতিফ নিজেই এই গানের কথা লিখেছেন এবং এর সুরও তিনি নিজেই করেছেন।</li>
<li>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে এই গানটি সাধারণ মানুষের মনে দারুণ প্রভাব ফেলেছিল এবং আন্দোলনের চেতনাকে আরও বেগবান করেছিল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বেহেস্ত</strong>। কারণ বিষয়টি খুব সহজ, আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত অনেক শব্দ আমরা আরবি মনে করলেও আসলে সেগুলো ভিন্ন ভাষার।</p>
<ul>
<li><strong>বেহেস্ত</strong> শব্দটি মূলত ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।</li>
<li>ফারসি ভাষায় এর অর্থ হলো স্বর্গ বা জান্নাত।</li>
<li>অন্যদিকে, আল্লাহ, ঈমান এবং হালাল—এই শব্দগুলো সরাসরি আরবি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধর্মীয় পরিভাষার অনেক শব্দই ফারসি থেকে বাংলায় এসেছে, যার মধ্যে <strong>বেহেস্ত</strong> অন্যতম। তাই এটি আরবি শব্দ নয়।</p>
৩১০৪
নিম্নোক্ত কোন উপন্যাসে চাকমা অঞ্চলের জীবন কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে এবং চাকমা অঞ্চলের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্ণফুলী</strong>। এই উপন্যাসটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক অদ্বৈত মল্লবর্মণ রচনা করেছেন।</p>
<p>কেন এটি সঠিক উত্তর, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li><strong>কর্ণফুলী</strong> উপন্যাসে লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রা, তাদের সংস্কৃতি এবং দৈনন্দিন সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটির বিশেষত্ব হলো, এতে চাকমা অঞ্চলের স্থানীয় ভাষার প্রয়োগ ও আঞ্চলিক শব্দের ব্যবহার করা হয়েছে, যা কাহিনীটিকে অত্যন্ত জীবন্ত ও বাস্তবসম্মত করে তুলেছে।</li>
<li>এই উপন্যাসের পটভূমি মূলত কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে, যা চাকমা জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।</li>
</ul>
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।