<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। কারণ তিনি বাংলা গদ্যকে প্রথম শৈল্পিক রূপ দেন এবং এর শৃঙ্খলিত ও সাবলীল রূপকার হিসেবে আবির্ভূত হন।</p>
<p>তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য জটিল ও দুর্বোধ্য রূপ থেকে বেরিয়ে এসে সহজ, সুন্দর ও গতিশীল হয়ে ওঠে। বিশেষ করে 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'বোধোদয়' গ্রন্থগুলোর মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যের ভিত শক্ত করেন, তাই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যে গৃহবিবাদ করে</strong>। খুব সহজ কথায়, ঘরের ভেতরের মানুষ হয়েও যারা গোপনে শত্রুর সাথে হাত মেলায় বা নিজের পরিবারের ক্ষতি করে, তাদের বোঝাতেই <strong>’ঘরের শত্রু বিভীষণ’</strong> বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। যেমনটি রামায়ণে বিভীষণ নিজে ঘরের লোক হয়েও লঙ্কার বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ</strong>।</p>
<p>‘টীকা ভাষ্য’ কথাটির সাধারণ অর্থ হলো কোনো জটিল বিষয় বা রচনার সহজ ও বিস্তারিত <strong>ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ</strong> করা। কোনো কঠিন গ্রন্থ, পংক্তি বা বিষয়ের পেছনের ভাব সহজে বুঝিয়ে দিতেই মূলত টিকা বা ভাষ্য ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক</strong>। বাংলা বর্ণমালায় কন্ঠ বা জিহ্বামূল থেকে উচ্চারিত ধ্বনিগুলোকে কন্ঠ্য ধ্বনি বলা হয়। 'ক' বর্গীয় ধ্বনিগুলো (ক, খ, গ, ঘ, ঙ) উচ্চারণের সময় জিহ্বার মূল নরম তালু বা কন্ঠের পেছনের অংশ স্পর্শ করে উচ্চারিত হয়। তাই 'ক' একটি কন্ঠ্য ধ্বনি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>।</p>
<p>সুলতানি ও মুঘল আমলজুড়ে দীর্ঘ সময় ধরে ভারতবর্ষের রাজদরবার, প্রশাসনিক কাজ এবং দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে ফারসি ব্যবহৃত হতো। মুসলিম শাসকরা শাসনকাজের সুবিধার্থে এবং তৎকালীন সময়ে মধ্যপ্রাচ্য ও মধ্য এশিয়ার সাথে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফারসি ভাষাকেই বেছে নিয়েছিলেন। তাই সে যুগে সরকারি সমস্ত নথিপত্র ও সাহিত্যচর্চায় এই ভাষারই প্রধান্য ছিল।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গৌড়ীয় প্রাকৃত থেকে</strong>। বিষয়টি খুব সহজে মনে রাখতে পারেন ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর ভাষা তত্ত্বের ঐতিহাসিক মতবাদ অনুযায়ী। তিনি গবেষণা করে দেখিয়েছেন যে, বাংলা ভাষা সরাসরি সংস্কৃত বা অন্য কোনো ভাষা থেকে আসেনি, বরং প্রাকৃত ভাষার একটি বিশেষ রূপ <strong>গৌড়ীয় প্রাকৃত</strong> থেকেই মূলত আমাদের বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমিত উচ্চারণ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় বলতে গেলে, চলিত রীতি সবসময় মুখরচক, গতিশীল এবং এর একটা নির্দিষ্ট <strong>প্রমিত উচ্চারণ</strong> বা রূপ রয়েছে যা সবার কাছে সহজে বোধগম্য। অন্যদিকে, গাম্ভীর্য বা তৎসম শব্দের বহুল ব্যবহার হলো সাধু ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য। তাই চলিত ভাষার ক্ষেত্রে প্রমিত উচ্চারণ বা সুনির্দিষ্ট রূপটিই সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করী</strong>। কারণ 'হাতি' শব্দের একটি জনপ্রিয় এবং পরিচিত প্রতিশব্দ হলো করী। এর পাশাপাশি হাতি বোঝাতে হস্তী, গজ, দ্বিরদ ইত্যাদি শব্দও ব্যবহার করা হয়। অন্য অপশনগুলোর মধ্যে কুরঙ্গ মানে হরিণ, ভুজঙ্গ মানে সাপ এবং কেশরী মানে সিংহ। তাই খুব সহজেই আমরা বুঝতে পারছি সঠিক উত্তরটি কী হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কোনোটিই নয়</strong>। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অটবি</strong> ও <strong>বিটপী</strong>—উভয় শব্দটির অর্থই হলো বন বা অরণ্য, তাই এরা সমার্থক শব্দ।</li>
<li><strong>হেম</strong> ও <strong>সুবর্ণ</strong>—দুটোই সোনার সমার্থক শব্দ।</li>
<li><strong>তটিনী</strong> ও <strong>ঝরনা</strong>—নদী বা স্রোতস্বিনী অর্থে এই শব্দগুলোও প্রায় সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>যেহেতু প্রথম তিনটি অপশনের প্রতিটি শব্দযুগলই একে অপরের সমার্থক, তাই সঠিক উত্তর হবে <strong>'কোনোটিই নয়'</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: বৈয়াকরণ</strong>। কারণ ব্যাকরণ জানেন বা যিনি ব্যাকরণ শাস্ত্রের পন্ডিত, তাঁকে এক কথায় <strong>বৈয়াকরণ</strong> বলা হয়। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রমিত শব্দ, যা বানান ও অর্থ উভয় ক্ষেত্রেই পরীক্ষাকেন্দ্রিক এবং প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।</p>
৪৩০১
’ইউনেস্কো’ কত সালে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৯৯</strong> সাল।</p>
<p>১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর প্যারিস সাধারণ সম্মেলনে দিনটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এরপর থেকে প্রতি বছর সারা বিশ্বে ২১ ফেব্রুয়ারি অত্যন্ত মর্যাদার সাথে দিনটি উদযাপিত হয়ে আসছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্ণব</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা ব্যাপার হলো, 'অর্ণব' শব্দটির অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর, যা সূর্যের সমার্থক শব্দ নয়। অন্যদিকে তপন, প্রভাকর এবং অর্ক—এই তিনটি শব্দই সূর্যের বিভিন্ন নাম বা সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ—মানুষ আগে কথা বলতে বা মনের ভাব প্রকাশ করতে শিখেছে, আর সেটাই হলো ভাষা। মানুষ ভাষা ব্যবহার করার অনেক পরে তার নিয়মকানুন বা শৃঙ্খলাবদ্ধ রূপ হিসেবে ব্যাকরণের সৃষ্টি করেছে। তাই সবসময় ভাষা আগে আসে এবং ব্যাকরণ পরে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি</strong>।</p>
<p>খুব সহজে বোঝার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ঘর ভরার কাজটি কিসের দ্বারা বা কি দিয়ে করা হয়েছে? উত্তর হলো — <strong>‘ফুল’</strong> দিয়ে।</li>
<li>কোনো কিছু দিয়ে বা উপকরণের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন বোঝালে সেটি <strong>করণ কারক</strong> হয়।</li>
<li>ফুলে (ফুল + এ) শব্দটিতে শেষে <strong>‘এ’</strong> (বা য়) যুক্ত আছে, যা সপ্তমীর বিভক্তির নির্দেশক। তাই এটি <strong>করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চক্ষুষ্মান</strong>। নিয়ম অনুযায়ী, 'চক্ষু' শব্দের সাথে 'মাতুপ' (বান) প্রত্যয় যুক্ত হলে 'ব' স্থানে 'ম' হয় এবং 'ষ' এর আগমন ঘটে। তাই শুদ্ধ রূপটি হবে <strong>চক্ষুষ্মান</strong>, যার অর্থ চোখওয়ালা বা দৃষ্টিশক্তি আছে যার।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।