<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাতা</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, যে শব্দগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে সরাসরি আমাদের মুখে প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ বলা হয়। যেমন—সংস্কৃত 'পত্র' থেকে প্রাকৃত হয়ে আজকের 'পাতা' শব্দটি এসেছে। তাই এটি একটি খাঁটি তদ্ভব শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সতীন</strong>। কারণ এটি একটি <strong>নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ</strong>, যার কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না।</p>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো জন্মগতভাবেই স্ত্রীবাচক এবং যাদের কোনো আলাদা পুরুষবাচক শব্দ পাওয়া যায় না, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলে। যেমন: সতীন, সধবা, এয়ো, কুলটা ইত্যাদি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপমিত কর্মধারয়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার শর্টকাট কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>উপমান কর্মধারয়:</strong> এখানে সাধারণ ধর্ম বা তুলনার বিষয়টি সরাসরি উল্লেখ থাকে (যেমন: ভ্রমর-এর মতো কৃষ্ণকেশ = ভ্রমরকৃষ্ণ)।</li>
<li><strong>উপমিত কর্মধারয়:</strong> এখানে উপমেয় এবং উপমানের তুলনা করা হয় ঠিকই, কিন্তু মাঝখানের <strong>সাধারণ ধর্মের কোনো উল্লেখ থাকে না</strong> (যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ)। এখানে তুলনা করা বোঝাতেই শেষ করা হয়, সাধারণ ধর্ম বা রূপ কী তা বলা হয় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুসুম</strong>।</p>
<p>‘পঙ্কজ’ একটি বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ শব্দ, যার ব্যাসবাক্য হলো ‘পঙ্কে জন্মে যা’ (পঙ্ক মানে পাঁক বা কাদা)। পাঁকে বা কাদায় জন্মায় এমন অনেক কিছুর জন্যই এটি ব্যবহার করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘কুসুম’ শব্দটির অর্থ ফুল, যা অনেক সময় পদ্ম বা পঙ্কজ অর্থেও ব্যবহৃত হয়। সহজ কথায়, পঙ্কে জন্মে যা অর্থাৎ কুসুম বা পদ্ম—এভাবেই খুব সহজে এটি মনে রাখা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিষেধ</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে 'বিধি' শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছুর নিয়ম, বিধান বা করার অনুমতি। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'নিষেধ', যার অর্থ কোনো কিছু করতে মানা করা বা বারণ করা। তাই বিধি-র বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে নিষেধ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সহজলভ্য</strong>।</p>
<p>'উজানের কৈ' বাগধারাটির বিশেষ অর্থ রয়েছে। কৈ মাছ সাধারণত স্রোতের প্রতিকূলে বা উজানে চলাফেরা করে, যা ধরা বেশ কঠিন। কিন্তু যখন কৈ মাছ উজানে বা স্রোতের অনুকূলে সহজে পাওয়া যায়, তখন তাকে খুব সহজেই ধরা সম্ভব হয়। এই সহজলভ্য বিষয় থেকেই বোঝানো হয়েছে যা খুব সহজেই পাওয়া যায় বা হাতের কাছেই মিলে যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নিক্কন</strong>।</p>
<p>খুব সহজ কথায়, নূপুরের জটমটে বা মধুর শব্দকে এককথায় <strong>নিক্কন</strong> বলা হয়। এটি বাংলা ভাষার একটি সুন্দর এককথায় প্রকাশ, যা বিভিন্ন কাব্য বা সাহিত্যিক বাক্যে নূপুরের শব্দের পরিবর্তে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রুগ্ণ</strong>।</p>
<p>বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'রোগ' শব্দের সঙ্গে 'ন' যুক্ত হয়ে যখন বিশেষণ পদ গঠন করা হয়, তখন মূর্ধন্য <strong>ণ</strong>-এর নিচে ফলা হিসেবে যুক্ত বর্ণ বসে। তাই সঠিক বানানটি হবে <strong>রুগ্ণ</strong> (র-ু-গ-ণ-ফলা), যেখানে 'ণ' এর নিচে 'ন' বা অন্য কোনো বর্ণ না হয়ে মূর্ধন্য ণ-এর সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমা</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা লেখায় বার ও মাসের নামের পর কমা বসানোর নিয়ম রয়েছে। যেমন—<strong>শুক্রবার, ১২ই কার্তিক</strong>। তাই তারিখ লেখার সময় স্পষ্টতা বজায় রাখতে কমা যতি চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$\sqrt{\text{বচ্}} + \text{তি}$</strong>।</p>
<p>খুব সহজ একটা নিয়ম মাথায় রাখলে এটা আর ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অনেক সময় 'বচ্' ধাতুর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যোগ হয়ে শব্দের শুরুতে পরিবর্তন আসে।</li>
<li>এখানে 'বচ্' ধাতুর সঙ্গে 'তি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে প্রকৃতি-প্রত্যয় সাধিত হয়েছে, যার পদাংশ বিশ্লেষণ করলে আমরা পাই: $\sqrt{\text{বচ্}} + \text{তি}$।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষান্তরকরণ</strong>। কারণ খুব সহজভাবে বলতে গেলে, এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় রূপান্তর করাকেই অনুবাদ বলা হয়। অর্থাৎ, মূল ভাষার ভাব বা অর্থ অপরিবর্তিত রেখে যখন তা অন্য কোনো ভাষায় প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে এক কথায় <strong>ভাষান্তরকরণ</strong> বলা হয়।</p>
৪৩১৮
‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, বাংলা ভাষার প্রথম বৈজ্ঞানিক ও ঐতিহাসিক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত <strong>‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’</strong> ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়, যার অমর রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট ভাষাতাত্ত্বিক ড. <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভদ্র</strong>।</p>
<p>'ইতর' শব্দটির সাধারণ অর্থ নিচ, অসৎ বা ছোটলোক। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'ভদ্র' শব্দটি, যার অর্থ শিষ্ট, ভালো বা মার্জিত স্বভাবের। তাই ইতর শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে ভদ্র-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানপত্র</strong>। কারণ, কাউকে সম্মান জানাতে, শুভেচ্ছা প্রকাশ করতে বা তার গুণকীর্তন করে যে বিশেষ পত্র বা স্মারক প্রদান করা হয়, তাকেই মানপত্র বলা হয়। এটি মূলত কোনো ব্যক্তি বা গুণীজনকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।