<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমুদ্র</strong>। খুব সহজে মনে রাখার জন্য মনে রাখবেন, 'অর্ণব' শব্দের অর্থ হলো জলধি, পারাবার বা সমুদ্র। বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মুখস্থ রাখার সময় এই নামগুলো প্রায়ই একসাথে পাওয়া যায়। তাই 'অর্ণব' দেখলেই চোখ বন্ধ করে সমুদ্র দাগিয়ে দেওয়া যায়!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>(Option A: মানব)</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল বা প্রকৃতি হলো <strong>মনু</strong> (সংস্কৃত শব্দ)।</li>
<li>এর সাথে সংস্কৃত <strong>অ (ষ্ণ্য)</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'মানব' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>যেহেতু প্রকৃতি এবং প্রত্যয় দুটিই সংস্কৃত নিয়ম মেনে এসেছে, তাই এটি একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: প্রাচীন</strong>।</p>
<p>'অর্বাচীন' শব্দের অর্থ হলো যা নতুন, আধুনিক বা বর্তমানকালের। এর ঠিক উল্টো বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে 'প্রাচীন' শব্দটি, যার অর্থ হলো অনেক পুরনো বা প্রাচীনকালের। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীতার্থক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নথি</strong>। কারণ এটি একটি খাঁটি পারিভাষিক শব্দ, যা ইংরেজি 'File' শব্দের বাংলা পরিভাষা হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অন্যদিকে কলেজ, রেডিও এবং অক্সিজেন শব্দগুলো সরাসরি বিদেশি ভাষা থেকে আমাদের ভাষায় চলে এসেছে, এগুলো পারিভাষিক শব্দ নয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পৃপ</strong>। কারণ 'পৃপ' পাখি শব্দের কোনো সমার্থক শব্দ নয়, এটি মূলত ভিন্নার্থক একটি শব্দ। পক্ষান্তরে, 'বিহগ', 'বিহঙ্গ' এবং 'গরুড়'—এগুলো সবই পাখির সুপরিচিত সমার্থক শব্দ।</p>
৪৩২৬
’ঢাকের কাঠি’ এই বাগধারাটির সাথে কোন বাগধারাটির মিল আছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খয়ের খাঁ</strong>।</p>
<p>খয়ের খাঁ এবং ঢাকের কাঠি—দুটি বাগধারার অর্থই হলো <strong>'চাটুকার' বা 'তোষামোদকারী'</strong>। কোনো বিশেষ মতলবে বা স্বার্থে যারা সবসময় অন্যের প্রশংসা বা তেলিয়ে কথা বলে, তাদের বোঝাতেই এই দুটি বাগধারা সমার্থক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত বহু শব্দই সরাসরি প্রাচীন ভারতীয় ভাষা থেকে এসেছে। 'ব্যাকরণ' শব্দটিও ঠিক তেমনি একটি শব্দ, যা মূল <strong>সংস্কৃত</strong> ভাষা থেকে পরিবর্তিত না হয়ে সরাসরি আমাদের বাংলা ভাষায় যুক্ত হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষট্ + ঋতু</strong>। খুব সহজ একটা ব্যঞ্জনসন্ধির নিয়মের মাধ্যমে এটা মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, বর্গের প্রথম বর্ণ (ক, চ, ট, ত, প) এর পরে যদি স্বরধ্বনি থাকে, তবে সেই প্রথম বর্ণটি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বর্ণে পরিণত হয়।</li>
<li>উল্টোভাবে ভাবলে, 'ড়' ধ্বনির জায়গায় মূল শব্দে 'ট্' থাকে।</li>
<li>তাই 'ষড়ঋতু' শব্দটিকে ভাঙলে পাই: <strong>ষট্ + ঋতু</strong>।</li>
</ul>
৪৩২৯
বাক্যে কোন যতি চিহ্নের প্রয়োগে থামার প্রয়োজন নেই?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাইফেন</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে একমাত্র হাইফেন বা সংযোগ চিহ্নের ক্ষেত্রেই পড়ার সময় কোথাও থামার বা বিরতি নেওয়ার কোনো প্রয়োজন হয় না। এটি কেবল দুটি শব্দকে জুড়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>√বচ্ + তব্য</strong>। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'বক্তব্য' শব্দটি তৈরি হয়েছে <strong>√বচ্</strong> ধাতুর সঙ্গে <strong>তব্য</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>এখানে √বচ্ ধাতুর চ-কার অনেক সময় ক-এ রূপান্তরিত হয় এবং এর অর্থ দাঁড়ায় 'যা বলা উচিত' বা 'বক্তব্য বিষয়'।</li>
<li>তাই নিয়ম মেনে সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয়টি হলো: <strong>√বচ্ + তব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়ীভাব সমাস</strong>। খুব সহজে মনে রাখার টেকনিক হলো, যে সমাসে পূর্বপদে অব্যয় (এখানে 'উপ' একটি অব্যয়) যুক্ত হয়ে অর্থের প্রাধান্য পায় এবং পুরো পদটি অব্যয়ের অর্থ প্রকাশ করে, সেটাই অব্যয়ীভাব সমাস।</p>
<p>‘ভাষা’-র ক্ষুদ্র অর্থ বা সাদৃশ্যে ‘উপ’ অব্যয় যোগে <strong>‘উপভাষা’</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে। তাই এটি নির্দ্বিধায় অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ভূধর</strong>।</p>
<p>কারণ 'ভূধর' শব্দটির অর্থ হলো পাহাড় বা পর্বত (ভূ বা পৃথিবীকে যে ধারণ করে), যা পৃথিবীর সমার্থক শব্দ নয়। অন্যদিকে, অবনী, ধরিত্রী এবং ধরণি—সবগুলোই সরাসরি পৃথিবীর বিভিন্ন সুন্দর নাম বা সমার্থক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।</strong></p>
<p>শব্দগত দিক থেকে বিচার করলে, 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'য্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সঠিক বানানটি গঠিত হয় <strong>দারিদ্র্য</strong>। অন্যদিকে 'দারিদ্র্যতা' বা 'দরিদ্র্যতা' শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এগুলো অনাবশ্যক দ্বিত্বদোষে দুষ্ট। তাই শুদ্ধ রূপ হিসেবে সবসময় 'দারিদ্র্য' ব্যবহার করতে হবে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুচক্রী লোক</strong>।</p>
<p>মহাভারতের শকুনি চরিত্রের কথা তো আমরা সবাই জানি, যিনি নানা রকম চক্রান্ত আর কুটিল বুদ্ধির মাধ্যমে মহাভারতের যুদ্ধের বীজ বুনেছিলেন। তাঁর এই বৈশিষ্ট্যের কারণেই সমাজে অতীব চালাক, ক্ষতিকর ও ষড়যন্ত্রকারী মানুষদের রূপক অর্থে <strong>'শকুনি মামা'</strong> বলা হয়ে থাকে। তাই খুব সহজেই মনে রাখতে পারো—শকুনি মামা মানেই হলো একদল চতুর ও কুচক্রী মানুষ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।