<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৃজ্ + তি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী ‘সৃষ্টি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘সৃজ’ ধাতুর সাথে ‘তি’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</p>
<ul>
<li>এখানে মূল ধাতু হলো <strong>সৃজ্</strong>।</li>
<li>এর সাথে <strong>তি</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘সৃজ্ + তি’ মিলে ‘সৃষ্টি’ শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, ধাতুর শেষের ‘জ’ ধ্বনিটি অনেক সময় সন্ধি বা প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার সময় ‘ষ’ বা ‘ট’ এর প্রভাবে পরিবর্তিত রূপ ধারণ করে, যা এখানে ‘সৃষ্টি’ হিসেবে প্রকাশ পেয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর মূল রূপটি মনে রাখলে এই ধরনের প্রশ্ন খুব সহজেই সমাধান করা যায়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য বিশ্লেষণ করলে।</p>
<p>সহজ কৌশলটি হলো:</p>
<ul>
<li>নীলাম্বর শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>নীল যে অম্বর</strong>।</li>
<li>এখানে 'নীল' শব্দটি বিশেষণ এবং 'অম্বর' (আকাশ) শব্দটি বিশেষ্য।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষণ ও বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে <strong>কর্মধারয় সমাস</strong> বলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আকাশটি কেমন? আকাশটি নীল। যেহেতু এখানে বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সম্পর্ক তৈরি হয়েছে, তাই এটি চোখ বন্ধ করে কর্মধারয় সমাস।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপাদান কারকে ৭মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>অপাদান কারক:</strong> যখন কোনো কিছু থেকে উৎপন্ন, বিচ্যুত, গৃহীত, জাত বা আরম্ভ হওয়া বোঝায়, তখন তাকে অপাদান কারক বলে। এখানে তিল থেকে তেল উৎপন্ন হচ্ছে, তাই এটি অপাদান।</li>
<li><strong>৭মী বিভক্তি:</strong> শব্দের শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত থাকলে তাকে ৭মী বিভক্তি বলা হয়। এখানে 'তিল' শব্দের সাথে 'এ' যুক্ত হয়ে 'তিলে' হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তিল থেকে তেল তৈরি হওয়ার প্রক্রিয়াটিই হলো <strong>অপাদান কারক</strong> এবং শব্দের শেষে 'এ' কার থাকায় এটি <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</p>
<p>বাংলা বর্ণমালায় যুক্তবর্ণ চেনা খুব সহজ। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ষ্ণ = ষ + ণ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'ষ্ণ' যুক্তবর্ণটি ভাঙলে আমরা পাই মূর্ধন্য-ষ (ষ) এবং মূর্ধন্য-ণ (ণ)।</li>
<li>উচ্চারণ এবং গঠনের দিক থেকে এটি মূর্ধন্য-ষ এর সাথে মূর্ধন্য-ণ এর মিলন।</li>
<li>যেমন: 'উষ্ণ' বা 'তৃষ্ণা' শব্দগুলো লিখলে খেয়াল করবেন, সেখানে ষ এবং ণ এর ব্যবহার রয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই সবসময় মনে রাখবেন, <strong>ষ্ণ</strong> মানেই হলো <strong>ষ + ণ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে এসেছিল, তখন তাদের ব্যবহৃত এই শব্দগুলো আমাদের ভাষার সাথে মিশে গেছে। তাই পরীক্ষার খাতায় 'পেয়ারা' দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>এই বাক্যটির সঠিক রূপ হলো <strong>বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ</strong>। এর পেছনের ব্যাকরণগত কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>বানান শুদ্ধি:</strong> 'বিদ্বান' শব্দটি সঠিক, কারণ এটি 'বিদ' ধাতুর সাথে 'বৎ' প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়। অন্যদিকে, 'মূর্খ' শব্দে 'ূ' কার ব্যবহার করা হয়।</li>
<li><strong>তুলনামূলক শব্দ:</strong> বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'অপেক্ষা' শব্দটি যখন তুলনার জন্য ব্যবহৃত হয়, তখন 'শ্রেষ্ঠতর' বা 'উত্তমতর' না লিখে শুধু 'শ্রেষ্ঠ' বা 'উত্তম' লিখলেই চলে। কারণ 'অপেক্ষা' শব্দটি নিজেই এখানে তুলনার কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্মারকলিপি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘Memorandum’ শব্দটি মূলত কোনো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা দাবি কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে তুলে ধরার জন্য ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলায় কোনো বিষয় স্মরণ করিয়ে দেওয়ার জন্য বা স্মারক হিসেবে যে লিখিত দলিল দেওয়া হয়, তাকেই আমরা <strong>স্মারকলিপি</strong> বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো দাবি বা প্রস্তাবের লিখিত রূপই হলো স্মারকলিপি।</li>
</ul>
৪৭৪৮
সাধু ও চলিত রীতির শব্দ একই বাক্যে ব্যবহার করলে তাকে কি বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুরুচণ্ডালী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ—বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণকে ব্যাকরণের ভাষায় গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সাধু ভাষার ক্রিয়া বা সর্বনাম পদ (যেমন: 'করিয়াছি', 'তাহারা') এবং চলিত ভাষার রূপ (যেমন: 'করেছি', 'তারা') যখন একই বাক্যে মিশিয়ে ফেলা হয়, তখন বাক্যের স্বাভাবিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়।</li>
<li>এই অসামঞ্জস্যপূর্ণ মিশ্রণকেই ব্যাকরণে <strong>গুরুচণ্ডালী দোষ</strong> হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বাক্যে শুদ্ধতা বজায় রাখতে যেকোনো একটি রীতি (হয় সাধু, নয়তো চলিত) অনুসরণ করাই হলো নিয়ম।</p>
<p>চলিত রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ সবসময় <strong>সংক্ষিপ্ত</strong> বা চলিত রূপ ব্যবহার করা হয়। এর কারণ হলো, চলিত রীতি মূলত মানুষের মুখের ভাষার ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে, যা বেশ গতিশীল ও সহজবোধ্য।</p>
<ul>
<li>সাধু রীতিতে আমরা বলি 'করিতেছে', কিন্তু চলিত রীতিতে তা হয়ে যায় <strong>'করছে'</strong>।</li>
<li>সাধু রীতিতে সর্বনাম হয় 'তাহারা', যা চলিত রীতিতে সংক্ষেপে হয় <strong>'তারা'</strong>।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, ভাষার সাবলীলতা ও দ্রুততা বজায় রাখার জন্য চলিত রীতিতে শব্দগুলোকে ছোট বা সংক্ষিপ্ত করে ফেলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ত্রিবিন্দু</strong>। কোনো উদ্ধৃতি বা লেখার মাঝখান থেকে অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে মূল ভাব ঠিক রাখতে আমরা সাধারণত এই চিহ্নটি ব্যবহার করি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>লেখার মাঝে কোনো অংশ বাদ দিলে সেখানে তিনটি ডট বা <strong>...</strong> চিহ্ন বসানো হয়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে একেই বলা হয় <strong>ত্রিবিন্দু</strong>।</li>
<li>এটি মূলত পাঠককে বোঝায় যে, এখানে কিছু তথ্য সংক্ষেপ করা হয়েছে বা বাদ দেওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘আমড়াগাছি করা’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>অযথা তোষামোদ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাগধারাটি মূলত কাউকে খুশি করার জন্য অতিরিক্ত প্রশংসা বা তেল মারার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন কেউ কোনো স্বার্থ হাসিলের জন্য বা কাউকে খুশি করার জন্য অহেতুক তোষামোদ বা চাটুকারিতা করে, তখনই আমরা এই মজার বাগধারাটি ব্যবহার করি।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে এই ধরনের তোষামোদ বোঝাতে চোখ বন্ধ করে <strong>অযথা তোষামোদ</strong> অপশনটি বেছে নিতে পারেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুই শব্দের সংযোগ দেখাতে</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ হাইফেন মূলত দুটি শব্দকে একীভূত করে একটি নতুন অর্থ তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>যখন দুটি আলাদা শব্দ মিলে একটি একক ধারণা বা বিশেষ কোনো পদ তৈরি করে, তখন তাদের মাঝে হাইফেন ( - ) বসে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ: 'মা-বাবা', 'চা-কফি', বা 'বই-খাতা'—এখানে প্রতিটি শব্দ আলাদা হলেও হাইফেনের মাধ্যমে তারা একটি জোড়া হিসেবে কাজ করছে।</li>
<li>বাক্যের ভেতরে শব্দের পারস্পরিক সম্পর্ক বা সংযোগ বোঝাতে এটি সবচেয়ে কার্যকর বিরামচিহ্ন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাবিয়া করিও কাজ</strong>।</p>
<p>ইংরেজি প্রবাদ <strong>'Look before you leap'</strong>-এর আক্ষরিক অর্থ হলো লাফ দেওয়ার আগে দেখে নেওয়া। কিন্তু ভাবার্থের দিক থেকে এটি আমাদের শেখায় যে, কোনো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তার ফলাফল সম্পর্কে ভালোভাবে চিন্তা করা উচিত। তাই বাংলা প্রবাদের সাথে মিলিয়ে এর সবচেয়ে উপযুক্ত অনুবাদ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ভাবিয়া করিও কাজ</strong> — অর্থাৎ যেকোনো কাজ করার আগে তার পরিণাম সম্পর্কে ভেবে নেওয়া।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, হুট করে কোনো কাজ না করে আগে ভালোমতো চিন্তা-ভাবনা করাই হলো এই প্রবাদের মূল শিক্ষা।</p>
<p>‘সর্বনাশ’ বা কোনো কিছু পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাওয়া বোঝাতে <strong>ভরাডুবি</strong> বাগধারাটি সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>বিষয়টা এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>ভরাডুবি</strong> মানে হলো কোনো নৌকার সব মালামালসহ ডুবে যাওয়া।</li>
<li>বাস্তব জীবনে যখন কারো সব আশা বা সম্পদ একবারে নষ্ট হয়ে যায়, তখন আমরা রূপক অর্থে বলি তার সবকিছুর ‘ভরাডুবি’ হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বড় ধরনের বিপর্যয় বা সর্বস্বান্ত হওয়া বোঝাতেই এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভবিষ্যত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>'ভূত' বলতে আমরা সাধারণত যা ঘটে গেছে বা অতীত সময়কে বুঝি।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো দিকটি হলো সামনের সময় বা যা এখনো ঘটেনি।</li>
<li>তাই সময়ের বিচারে 'ভূত' বা অতীতের বিপরীত শব্দ হিসেবে 'ভবিষ্যত' সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।