<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতি + আবর্তন</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই এটি মনে রাখার নিয়ম:</p>
<ul>
<li>এখানে ই-কার বা ঈ-কারের পরে ভিন্ন স্বরধ্বনি (আ) থাকলে ই বা ঈ-এর জায়গায় য-ফলা (্য) হয়।</li>
<li>সন্ধি করার সময় <strong>প্রতি</strong> শব্দের 'তি' এর ই-কার এবং <strong>আবর্তন</strong> শব্দের 'আ' মিলে 'ব্যা' বা 'ত্যা' রূপ নেয়।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী, প্রতি + আবর্তন মিলে তৈরি হয় <strong>প্রত্যাবর্তন</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চালান</strong>। ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিভাষায় কোনো পণ্য বিক্রি বা সরবরাহের পর তার বিবরণ এবং দাম উল্লেখ করে যে তালিকা বা বিল তৈরি করা হয়, তাকে ইংরেজি পরিভাষায় 'Invoice' এবং বাংলায় <strong>চালান</strong> বলা হয়।</p>
৪৬৯৮
“Look before you leap”-বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো</strong>।</p>
<p>"Look before you leap" একটি জনপ্রিয় ইংরেজি প্রবাদ। এর ভাবানুবাদ হলো—কোনো কাজ করার আগে বা সামনে এগোনোর পূর্বে তার ভালো-মন্দ দিক ভালোভাবে চিন্তা করে নেওয়া উচিত। ঠিক একইভাবে, বাংলা প্রবাদ <strong>“দেখে পথ চলো, বুঝে কথা বলো”</strong> বা “ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না” একই ভাব প্রকাশ করে। তাই এটিই সঠিক অনুবাদ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দীনতা প্রশংসনীয় নয়</strong>।</p>
<p>বাক্য শুদ্ধিকরণের নিয়ם অনুযায়ী, 'দীন' শব্দের সাথে 'তা' যুক্ত করলে সঠিক রূপ হয় 'দীনতা'। আবার 'দৈন্য' নিজেই একটি ভাববাচক শব্দ, তাই এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' যুক্ত করে 'দৈন্যতা' লেখা ব্যাকরণগতভাবে ভুল (এটি গুরুচণ্ডালী দোষ বা বাহুল্য দোষ)। তাই শুদ্ধ রূপ হিসেবে 'দীনতা' ব্যবহারই নিয়মসম্মত।</p>
৪৭০০
ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন –
<p>ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন <strong>আবুল বরকত</strong>। তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে আয়োজিত মিছিলে পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>আবুল বরকত ১৯৫২ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সম্মান শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।</li>
<li>২১ ফেব্রুয়ারির সেই ঐতিহাসিক দিনে তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে পুলিশের গুলিতে আহত হন এবং ওইদিন রাতেই হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।</li>
<li>তার এই আত্মত্যাগ বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা অর্জনে এক অনন্য ভূমিকা পালন করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাঙ্গামাটি জেলায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্যে <strong>রাঙ্গামাটি</strong> হলো আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা।</li>
<li>চাকমা জনগোষ্ঠী মূলত এই পার্বত্য এলাকাতেই বসবাস করে এবং জনমিতিক তথ্যানুযায়ী তাদের সবচেয়ে বড় অংশটি রাঙ্গামাটি জেলাতেই স্থায়ীভাবে বসবাস করছে।</li>
<li>তাই চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা রাঙ্গামাটি জেলায়ই সর্বাধিক।</li>
</ul>
৪৭০২
বাংলা সাহিত্য চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>।</p>
<p>বাঙালি কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার প্রচলন করেন। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট শৈলী দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে বাংলায় এই ধারার সূচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত সনেটগুলোর মধ্যে 'বঙ্গভাষা' অন্যতম, যা বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হওয়ার সঠিক সালটি হলো <strong>১৯০৭</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পণ্ডিত <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong> নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>সালটি ছিল <strong>১৯০৭</strong> খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তিনি এটি ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা’ নামে প্রকাশ করেন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য সালটি মনে রাখুন: <strong>১৯০৭</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাব্যনাটক</strong>। সৈয়দ শামসুল হকের লেখা 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাটক। এটি কবিতার ছন্দে রচিত হলেও এতে নাটকের মতো চরিত্র, সংলাপ ও দৃশ্যপট রয়েছে, যা পড়ার সময় নাটকের আমেজ দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধের গ্রামীণ আবহকে খুব সুন্দর ফুটিয়ে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option A: ঈশ্বচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>কারণ, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয় তাঁর লেখা 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' ও 'শকুন্তলা' গ্রন্থের মাধ্যমে বাংলা গদ্যকে সুবিন্যস্ত, গতিশীল ও প্রাঞ্জল করে তোলেন। তাঁর হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার শৈশব পেরিয়ে আধুনিক ও পরিশীলিত রূপ লাভ করে, যার কারণে তাঁকেই মূলত বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষণস্থায়ী</strong>।</p>
<p>তাসের ঘর খুব সহজেই সামান্য বাতাসে বা একটু নড়াচড়াতেই ভেঙে পড়ে। ঠিক তেমনি কোনো কিছু যদি খুব অল্প সময় টিকে থাকে বা সহজেই ধ্বংস হয়ে যায়, তবে তাকে তুলনা করার জন্য <strong>'তাসের ঘর'</strong> বা ক্ষণস্থায়ী বলা হয়।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণ ও যতিচিহ্নের ব্যবহারে কমা (Comma)-কে বলা হয় <strong>পাদচ্ছেদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>পাদচ্ছেদ</strong> বলতে বোঝায় বাক্যের মধ্যে অল্প বিরতি নেওয়ার জন্য যে চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>ইংরেজি 'Comma' চিহ্নের কাজ হলো বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে সামান্য সময় থামানো, আর বাংলা ব্যাকরণে এই কাজটিই করে <strong>পাদচ্ছেদ (,)</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কমা মানেই হলো পাদচ্ছেদ, যা বাক্যের প্রবাহকে সুন্দর ও অর্থবহ করে তোলে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্যগৃহ</strong>।</p>
<p>যে সমাসে ব্যাসবাক্যের কোনো প্রয়োজন হয় না বা ব্যাসবাক্য করলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকেই নিত্য সমাস বলে। <strong>অন্যগৃহ</strong> একটি নিত্য সমাস, যার কোনো স্বাভাবিক ব্যাসবাক্য হয় না; এটিকে ভাঙতে হলে 'অন্য' শব্দটি ব্যবহার করে বোঝাতে হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দ্যুতি</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই বিষয়টি মনে রাখতে পারেন এভাবে:</p>
<ul>
<li>'অগ্নি' শব্দের মানে হলো আগুন।</li>
<li>হুতাশন, কৃশানু এবং বায়ুসখা—সবগুলোই আগুনের খুব পরিচিত সমার্থক শব্দ।</li>
<li>পক্ষান্তরে, <strong>দ্যুতি</strong> শব্দের অর্থ হলো আলো, দীপ্তি বা প্রভা। তাই এটি আগুনের সমার্থক শব্দ নয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় ১৯২২ সালে অর্ধসাপ্তাহিক <strong>'ধুমকেতু'</strong> পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে নজরুলের বিখ্যাত কবিতা 'আনন্দময়ীর আগমনে'-র ইতিহাস, যার কারণে তাঁকে রাজদ্রোহের অভিযোগে কারাবরণও করতে হয়েছিল।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।