<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রত্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সংশয়</strong> মানে হলো কোনো কিছু নিয়ে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>প্রত্যয়</strong> মানে হলো দৃঢ় বিশ্বাস বা নিশ্চয়তা।</li>
</ul>
<p>যখন আমাদের মনে কোনো বিষয়ে গভীর বিশ্বাস থাকে, তখন সেখানে কোনো সংশয় বা সন্দেহের অবকাশ থাকে না। তাই বিপরীতার্থক শব্দ হিসেবে 'সংশয়'-এর ঠিক উল্টো অর্থ প্রকাশ করে 'প্রত্যয়'।</p>
<p><strong>বক্তব্য</strong> শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>বচ্ + তব্য</strong>। এটি বোঝার জন্য নিচের সহজ নিয়মটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, 'বচ্' ধাতুর সাথে 'তব্য' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'চ' পরিবর্তিত হয়ে 'ক্ত' রূপ ধারণ করে।</li>
<li>অর্থাৎ, বচ্ + তব্য = বক্তব্য।</li>
<li>এখানে 'তব্য' প্রত্যয়টি সাধারণত উচিত বা যোগ্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই 'বক্তব্য' মানে যা বলার যোগ্য বা যা বলা উচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধাতুর মূল রূপটি মনে রাখলেই এই ধরনের সন্ধি বা প্রত্যয় নির্ণয় করা একদম পানির মতো সহজ হয়ে যায়!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের এই অংশটি মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের সাথে বিভক্তির সম্পর্ক নিয়ে কাজ করে।</p>
<ul>
<li><strong>রূপতত্ত্ব</strong> বা Morphology-তে শব্দ কীভাবে তৈরি হয় এবং শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে কারক বা বচন কীভাবে গঠিত হয়, তা বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।</li>
<li>কারক নির্ণয়ের জন্য শব্দের সাথে বিভক্তির যোগসূত্র প্রয়োজন, আর এই বিভক্তি ও শব্দ গঠনের যাবতীয় নিয়মকানুন রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারক যেহেতু শব্দের রূপ পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত, তাই এটি সরাসরি রূপতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত।</p>
<p>বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর সঠিক চিহ্নটি হলো <strong>কমা (,)</strong>। বাংলা ব্যাকরণ ও যতিচিহ্নের নিয়ম অনুযায়ী, ঠিকানা লেখার সময় প্রতিটি অংশের পর কমা ব্যবহার করা হয় যাতে ঠিকানাটি পড়তে সুবিধা হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ঠিকানার বিভিন্ন অংশকে আলাদা করতে কমা ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>যেমন: ১২/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।</li>
<li>এখানে ১২/এ হলো বাড়ির নম্বর, যার ঠিক পরেই কমা বসিয়ে পরের অংশ থেকে আলাদা করা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদিত্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>সূর্যকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে অন্যতম হলো আদিত্য। ব্যাকরণ বা শব্দভাণ্ডারের ক্ষেত্রে এই নামগুলো মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li><strong>আদিত্য</strong> শব্দটি সরাসরি সূর্যের একটি পৌরাণিক ও বৈজ্ঞানিক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সূর্যকে আরও অনেক নামে ডাকা হয়, যেমন—ভানু, ভাস্কর, সবিতা বা দিনমণি।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই এমন প্রশ্ন আসবে, তখন মনে রাখবেন যে আদিত্য মানেই হলো সূর্যের তেজ বা দীপ্তি প্রকাশকারী সত্তা।</li>
</ul>
<p>তাই অন্য অপশনগুলোর দিকে না তাকিয়ে সরাসরি <strong>আদিত্য</strong>-কে বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৪৭৩২
”ভিক্ষুক টা যে পেছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!” -এ বাক্যের “কী” এর অর্থ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিরক্তি</strong>। কারণ, যখন আমরা কোনো কিছুতে খুব বিরক্ত হই বা অসহ্য বোধ করি, তখন মনের সেই ভাব প্রকাশ করতে বাক্যের শুরুতে 'কী' ব্যবহার করি।</p>
<ul>
<li>বাক্যটিতে ভিক্ষুকের বারবার পিছু নেওয়ার কারণে বক্তা যে অস্বস্তি বা বিরক্তি বোধ করছেন, তা-ই এখানে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>সাধারণত কোনো কিছুর আধিক্য বা অসহ্য অবস্থা বোঝাতে আমরা বলি, "কী জ্বালা!", "কী বিপদ!"—এগুলো মূলত বিরক্তি বা অতিষ্ঠ হওয়ার বহিঃপ্রকাশ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আগুন নিভে গেছে</strong>। সাধারণত 'The fire is out' বলতে বোঝায় যে আগুন আর জ্বলছে না বা নিভে গেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি ভাষায় <strong>'out'</strong> শব্দটি যখন আগুনের সাথে ব্যবহৃত হয়, তখন এর অর্থ দাঁড়ায় আগুন নিভে যাওয়া বা শেষ হয়ে যাওয়া।</li>
<li>তাই 'The fire is out' মানে হলো আগুন এখন আর নেই বা এটি পুরোপুরি নিভে গেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নাটকে</strong>। এর কারণটা খুব সহজ। নাটক মূলত সংলাপ বা কথোপকথনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়।</p>
<ul>
<li>নাটকের চরিত্রগুলো যখন একে অপরের সাথে কথা বলে, তখন তা স্বাভাবিক ও প্রাণবন্ত হওয়া জরুরি।</li>
<li>সাধুভাষা বেশ গুরুগম্ভীর এবং কৃত্রিম, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন কথোপকথনের সাথে একদমই মানানসই নয়।</li>
<li>নাটকে চরিত্রের মুখে সাধুভাষার প্রয়োগ করলে তা শুনতে অস্বাভাবিক ও নাটকীয়তা নষ্টকারী মনে হয়।</li>
</ul>
<p>তাই নাটকের সংলাপকে সাবলীল ও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলার জন্য চলিত ভাষাই সবচেয়ে উপযোগী মাধ্যম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বহিরঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দের অর্থের দিকে তাকালেই এর রহস্য পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li><strong>অন্তরঙ্গ</strong> শব্দটি এসেছে 'অন্তঃ' বা ভেতর থেকে, যার অর্থ হলো খুব কাছের বা ঘনিষ্ঠ।</li>
<li>এর বিপরীত হিসেবে আমরা এমন কিছু খুঁজি যা বাইরের বা দূরবর্তী বোঝায়।</li>
<li><strong>বহিরঙ্গ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'বহিঃ' বা বাহির থেকে, যার অর্থ হলো বাইরের অংশ বা বাহ্যিক।</li>
</ul>
<p>তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায়, অন্তরের বিপরীত যেহেতু বাহির, তাই অন্তরঙ্গ এর বিপরীত শব্দ হবে বহিরঙ্গ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>সন্ধি মূলত দুটি ধ্বনির মিলন। বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য, বিশেষণ বা ক্রিয়াপদ সাধারণত সন্ধিবদ্ধ হতে পারে।</li>
<li>কিন্তু <strong>অব্যয়</strong> পদের নিজস্ব কোনো পরিবর্তন বা রূপান্তর হয় না।</li>
<li>যেহেতু অব্যয় পদ অপরিবর্তনীয়, তাই এর সাথে অন্য কোনো পদের সন্ধি ঘটার সুযোগ নেই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সন্ধি হওয়ার জন্য পদের রূপ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয়, যা অব্যয়ের ক্ষেত্রে একেবারেই অসম্ভব। তাই মনে রাখবেন, অব্যয় পদ কখনোই সন্ধিতে অংশ নেয় না।</p>
<p>কারো পেশা বা পরিচয় জানতে চাইলে ইংরেজিতে প্রশ্ন করার নিয়মটা খুব সহজ। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>What is your father?</strong>।</p>
<ul>
<li>যখন আমরা কারো পেশা সম্পর্কে জানতে চাই, তখন সাধারণত <strong>What + be verb (is/are) + subject</strong> এই কাঠামোটি ব্যবহার করি।</li>
<li>এখানে 'father' একজন ব্যক্তি, তাই তার সাথে <strong>is</strong> বসেছে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ সেখানে প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন (Auxiliary verb-এর ব্যবহার) অনুসরণ করা হয়নি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারো পেশা জিজ্ঞেস করতে <strong>What is your father?</strong> বলাই সবচেয়ে সঠিক ও প্রচলিত নিয়ম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আলসেমির লক্ষণ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো হাতের ওপর ঘাস বা দুর্বা জন্মানো।</li>
<li>বাস্তবে কোনো মানুষ যদি দীর্ঘক্ষণ এক জায়গায় হাত ফেলে অলসভাবে বসে থাকে, তবেই এমনটা হওয়া সম্ভব বলে কল্পনা করা হয়।</li>
<li>তাই কোনো কাজ না করে দীর্ঘ সময় অলস বসে থাকাকেই বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্ষণজন্মা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে বিশেষ কোনো শুভ বা মহৎ মুহূর্তে যাদের জন্ম হয়, তাদের এক কথায় <strong>ক্ষণজন্মা</strong> বলা হয়।</li>
<li>এটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ, যা অসাধারণ বা প্রতিভাবান ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই শব্দটির বানান এবং অর্থ মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডাইনী</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দ রয়েছে যেগুলোর কোনো পুরুষবাচক রূপ হয় না। এই ধরনের শব্দগুলোকে বলা হয় নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>ডাইনী</strong> একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ, যার কোনো পুরুষবাচক প্রতিশব্দ নেই।</li>
<li>বাংলা ভাষায় এমন আরও কিছু শব্দ আছে যাদের ক্ষেত্রে পুরুষবাচক রূপ ব্যবহার করা হয় না, যেমন: সধবা, কুলটা, অসূর্যস্পর্শা ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন শব্দ দেখলে সরাসরি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করবেন, কারণ এদের কোনো পুরুষবাচক রূপ ব্যাকরণগতভাবে স্বীকৃত নয়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।