<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কিংবদন্তি</strong>। কারণ, বাংলা ভাষায় যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই এসেছে, সেগুলোকে তৎসম শব্দ বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কিংবদন্তি</strong> শব্দটি সরাসরি সংস্কৃত থেকে এসেছে, তাই এটি তৎসম।</li>
<li>অন্যদিকে, হাতি (হস্ত), চাঁদ (চন্দ্র) এবং তেঁতুল (তিত্তিড়ী) শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে, তাই এগুলো তদ্ভব শব্দ।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় তৎসম শব্দ চেনার জন্য শব্দের গঠন খেয়াল করলেই হয়; যেসব শব্দে সাধারণত যুক্তবর্ণ থাকে বা সংস্কৃতের হুবহু রূপ বজায় থাকে, সেগুলোই তৎসম হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অধিকরণে ৭মী</strong>।</p>
<ul>
<li>বাক্যে ‘উদ্যম বিহনে’ পদটি দিয়ে কোনো কিছু করার সময় বা অবস্থা বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, সময়, স্থান বা কোনো বিশেষ অবস্থ বোঝালে অধিকরণ কারক হয়।</li>
<li>আর এই পদের শেষে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত থাকায় এটি স্পষ্টতই <strong>৭মী বিভক্তি</strong>।</li>
</ul>
৪৭১৪
বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এর এক কথায় প্রকাশ কর-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরপ্রসূ</strong>। বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশের নিয়ম অনুযায়ী, যে নারী বীর সন্তান প্রসব করেন, তাকে খুব সুন্দরভাবে <strong>বীরপ্রসূ</strong> বলা হয়। এটি মনে রাখা একদম সহজ, কারণ 'বীর' মানে সাহসী সন্তান এবং 'প্রসূ' মানে যে প্রসব করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>$\sqrt{দিপ} + শানচ$</strong>। কারণ ‘দীপ্যমান’ শব্দটি নিষ্পন্ন করতে মূল ধাতু হিসেবে <strong>$\sqrt{দিপ}$</strong> এবং বর্তমান কালবাচক অর্থে কৃৎ প্রত্যয় হিসেবে <strong>$শানচ$</strong> যুক্ত হয়েছে। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী এই প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দগুলো বর্তমান কৃৎ-এর চমৎকার উদাহরণ, যা খুব সহজেই এভাবে মনে রাখা যায়।</p>
৪৭১৬
‘ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপতত্ত্বে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের <strong>রূপতত্ত্ব</strong> বা Morphology অংশে মূলত শব্দের গঠন এবং শব্দের অভ্যন্তরীণ পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করা হয়।</li>
<li>ক্রিয়ার কাল (যেমন: বর্তমান, অতীত, ভবিষ্যৎ) এবং পুরুষ (যেমন: উত্তম পুরুষ, মধ্যম পুরুষ, নাম পুরুষ) সরাসরি ক্রিয়াপদের রূপ পরিবর্তনের সাথে যুক্ত।</li>
<li>যেহেতু ক্রিয়াপদের রূপ বা গঠন পরিবর্তনের বিষয়টি রূপতত্ত্বের আওতাভুক্ত, তাই ক্রিয়ার কাল ও পুরুষও এখানেই আলোচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের রূপ বা গঠন নিয়ে কাজ করলেই তা <strong>রূপতত্ত্বের</strong> অংশ হয়ে যায়।</p>
৪৭১৭
শরীর>শরীল- শব্দটিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধরণের নিয়ম প্রযোজ্য?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষমীভবন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! যখন দুটি সমবর্ণ বা কাছাকাছি উচ্চারণযুক্ত ধ্বনির একটির পরিবর্তন ঘটে ভিন্ন ধ্বনিতে পরিণত হয়, তখন তাকে বিষমীভবন বলে।</p>
<ul>
<li>শব্দটির মূল রূপ ছিল: <strong>শরীর</strong> (এখানে দুটি 'র' আছে)।</li>
<li>পরিবর্তিত রূপ হলো: <strong>শরীল</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকা দুটি একজাতীয় ধ্বনির (র...র) মধ্যে একটি ধ্বনি (দ্বিতীয় 'র') বদলে অন্য ধ্বনিতে (ল) রূপান্তরিত হয়ে উচ্চারণকে সহজ ও আলাদা করেছে। তাই এটি বিষমীভবনের চমৎকার একটি উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুঃ+যোগ</strong>। খুব সহজে মনে রাখার একটা দারুণ ট্রিক হলো—সন্ধির নিয়মে বিসর্গের পর যদি অন্তস্থ জ (য), র, ল বা কোনো বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ বা পঞ্চম বর্ণ থাকে, তবে বিসর্গ উঠে গিয়ে বিসর্গের স্থানে ও-কার বা ‘র্’ (রেফ) যুক্ত হয়।</p>
<ul>
<li>বিসর্গ সন্ধির নিয়মানুযায়ী <strong>দুঃ</strong> এর সাথে <strong>যোগ</strong> যুক্ত হয়ে বিসর্গটি ‘র্’ (রেফ) এ রূপান্তরিত হয়েছে।</li>
<li>তাই সঠিক রূপটি হলো <strong>দুর্যোগ</strong>।</li>
</ul>
<p>উপকণ্ঠ শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য হলো <strong>কণ্ঠের সমীপে</strong>। এটি একটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে <strong>'উপ'</strong> উপসর্গটি যখন কোনো শব্দের শুরুতে বসে এবং সেটি ছোট বা নিকটবর্তী বোঝায়, তখন সমাস করার সময় ব্যাসবাক্যে <strong>'সমীপে'</strong> শব্দটি যোগ করতে হয়।</li>
<li>যেমন: কণ্ঠের কাছে বা কণ্ঠের কাছাকাছি বোঝাতে আমরা 'উপ' যোগ করে 'উপকণ্ঠ' শব্দটি তৈরি করি।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী, কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অর্থের কু-প্রভাব</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'তামার বিষ' বাগধারাটি মূলত মানুষের ওপর টাকার নেতিবাচক বা খারাপ প্রভাব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>যখন কারো হাতে প্রচুর টাকা আসে এবং সেই টাকার কারণে তার স্বভাব বা চরিত্রে খারাপ পরিবর্তন দেখা দেয়, তখনই আমরা বলি তার ওপর 'তামার বিষ' ধরেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, টাকা বা সম্পদের কারণে মানুষের নৈতিক অবক্ষয় হওয়াকেই এই বাগধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড</strong>। কারণ তিনিই প্রথম ইউরোপীয় পন্ডিত যিনি বাংলা ভাষার ওপর একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন।</p>
<ul>
<li>তার রচিত এই ব্যাকরণগ্রন্থটির নাম ছিল <strong>'A Grammar of the Bengal Language'</strong>।</li>
<li>এটি ১৭৭৮ সালে হুগলি থেকে প্রিন্স প্রেসের মাধ্যমে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে নাথিনিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের নাম সবার আগে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>২০টি</strong>। খুব সহজেই এটি মনে রাখতে পারেন কারণ বাংলা ভাষায় মোট তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা নির্দিষ্ট করা আছে ২০টি। পরীক্ষার হলে এই সংখ্যাটি সরাসরি মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দাগানো সম্ভব।</p>
৪৭২৩
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
<p>উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহকে প্রধানত <strong>৪ ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমাদের ভাষার শব্দভাণ্ডার মূলত এই চারটি উৎস থেকেই এসেছে:</p>
<ul>
<li><strong>তৎসম শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে সরাসরি আসা শব্দ।</li>
<li><strong>তদ্ভব শব্দ:</strong> সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসা শব্দ।</li>
<li><strong>দেশি শব্দ:</strong> বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ব্যবহৃত শব্দ।</li>
<li><strong>বিদেশি শব্দ:</strong> বিভিন্ন সময়ে আসা বিদেশি ভাষার শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই ৪টি মূল উৎস থেকেই বাংলা ভাষার বিশাল শব্দভাণ্ডার গড়ে উঠেছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ৪ ভাগে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের উৎস আমাদের দৈনন্দিন ইতিহাসের সাথে জড়িয়ে আছে।</p>
<ul>
<li>‘ইংরেজি’ শব্দটি মূলত পর্তুগিজ শব্দ <strong>'Inglês'</strong> থেকে এসেছে।</li>
<li>বাংলায় পর্তুগিজ ভাষার প্রভাব অনেক বেশি, কারণ পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় হিসেবে বাংলায় বাণিজ্য করতে এসেছিল।</li>
<li>তাই ‘ইংরেজি’ ছাড়াও আলমারি, চাবি, বালতি বা সাবানের মতো অনেক পরিচিত শব্দ আমরা পর্তুগিজ ভাষা থেকেই সরাসরি গ্রহণ করেছি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুচক্রী মামা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! মহাভারতের শকুনি মামার চরিত্রের কথা মনে করলেই এর অর্থ পরিষ্কার হয়ে যায়। শকুনি মামা সবসময় কূটকৌশল আর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে পাণ্ডবদের বিপদে ফেলার চেষ্টা করতেন। তাই বাংলা ভাষায় যখনই কাউকে 'শকুনি মামা' বলা হয়, তখন মূলত এমন কাউকে বোঝানো হয় যে:</p>
<ul>
<li>সবসময় ষড়যন্ত্র বা চক্রান্তে লিপ্ত থাকে।</li>
<li>নিজের স্বার্থ হাসিলের জন্য মানুষকে ভুল পথে চালিত করে।</li>
<li>কৌশলে অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি কুটিল বুদ্ধির মাধ্যমে ঝামেলা পাকায়, তাকেই আমরা শকুনি মামা বা কুচক্রী মামা বলে থাকি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।