eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫১০১

বাংলা একাডেমী রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে <strong>২০১০ সালে</strong>। এই পুরস্কারটি মূলত রবীন্দ্রচর্চা ও গবেষণায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রদান করা হয়।</p>

<p>সহজ মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তনের সালটি হলো <strong>২০১০</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের গবেষণাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চালু করা একটি সম্মানজনক পুরস্কার।</li>
</ul>
৫১০২

বাংলা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি আদি নিদর্শন, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত, যা বাংলা ভাষার প্রাচীনতম রূপ।</li>
<li><strong>ভাষার বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' বা প্রাচীন বাংলা নামে পরিচিত, যা আধুনিক বাংলা ভাষার একদম শুরুর দিকের ধাপ।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা আমাদের সাহিত্যের ইতিহাসের প্রাচীনতম দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

সহজ কথায়, বাংলা ভাষার জন্মলগ্ন বা শুরুর দিকের সাহিত্যিক প্রমাণ হিসেবে চর্যাপদই অপ্রতিদ্বন্দ্বী।
৫১০৩

বাংলা কবিতায় অমিত্রাক্ষর ছন্দ ও সনেটের প্রবর্তন করেন -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে তিনি একাই বিপ্লব ঘটিয়েছিলেন। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা কাব্যে দীর্ঘকাল ধরে চলে আসা পয়ার ছন্দের একঘেয়েমি ভেঙে তিনি ইংরেজি ব্ল্যাঙ্ক ভার্স বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন। এতে কবিতার চরণের শেষে মিল রাখার বাধ্যবাধকতা থাকে না, ফলে ভাব প্রকাশের স্বাধীনতা অনেক বেড়ে যায়।</li>
<li><strong>সনেট:</strong> ইতালীয় কবি পেত্রার্কের অনুকরণে তিনি বাংলা সাহিত্যে প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সার্থক রূপকার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার কাঠামোকে আধুনিক ও বিশ্বমানের করে তোলার পেছনে মধুসূদনের এই দুটি অবদানই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৫১০৪

বাংলা কবিতায় আধনিকতার প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা কবিতায় আধুনিকতার প্রবর্তক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা কাব্যে প্রথমবারের মতো <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ</strong> প্রবর্তন করেন, যা বাংলা কবিতার চিরাচরিত ধারায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনে।</li>
<li>তিনিই প্রথম সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতার সার্থক প্রয়োগ ঘটান।</li>
<li>তার লেখনীতেই বাংলা সাহিত্য মধ্যযুগীয় গণ্ডি পেরিয়ে পাশ্চাত্য আধুনিকতার ছোঁয়া পায়, যা বাংলা কবিতাকে বিশ্বমানের করে তোলে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতার কাঠামো ও শৈলীতে যে আধুনিক ও সাহসী রূপান্তর আমরা দেখি, তার মূল কারিগর হলেন মধুসূদন দত্ত।</p>
৫১০৫

বাংলা কবিতায় ছন্দ রচনায় এবং ছন্দ উদ্ভাবনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যে তাকে <strong>'ছন্দের জাদুকর'</strong> বলা হয়, কারণ তিনি ছন্দের কারুকার্যে ছিলেন অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</p>

<p>কেন তিনি ছন্দের জাদুকর, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>তিনি বাংলা কবিতায় নতুন নতুন ছন্দের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন।</li>
<li>বিদেশি ভাষার ছন্দকে বাংলা কবিতার কাঠামোতে দারুণভাবে খাপ খাইয়ে নিয়েছেন।</li>
<li>তার কবিতায় শব্দের ঝংকার এবং ছন্দের সাবলীল গতি পাঠককে মুগ্ধ করে, যা অন্য কবিদের তুলনায় অনেক বেশি বৈচিত্র্যময়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ছন্দের জগতকে সমৃদ্ধ করে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কারণেই তাকে ছন্দ উদ্ভাবনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী ধরা হয়।</p>
৫১০৬

বাংলা কবিতার অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা কবিতার অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হলেন <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেট এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের জনক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্তকে ধরা হয়।</li>
<li>তিনি তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong>-এ প্রথম এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ করেন।</li>
<li>এই ছন্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো পঙক্তির শেষে মিল না থাকা, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কাব্যে আধুনিকতার ছোঁয়া আনতে এবং ছন্দের বাঁধন ভেঙে মুক্ত প্রবাহ তৈরি করতে তিনি এই অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তন করেন।</p>
৫১০৭

বাংলা কাব্য সাহিত্যের আধুনিকতার জনক---

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
৫১০৮

বাংলা কাব্যে ‘ভোরের পাখি ‘ বলা হয় -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তীকে</strong> ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>উনি বাংলা গীতিকবিতার ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাকে ‘ভোরের পাখি’ বলে আখ্যায়িত করেছিলেন, কারণ ভোরের পাখি যেমন অন্ধকার শেষে নতুন দিনের আলো নিয়ে আসে, বিহারীলালও তেমনি বাংলা কবিতায় আধুনিকতার নতুন সুর নিয়ে এসেছিলেন।</li>
<li>তার কাব্যশৈলী এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ তাকে সমসাময়িক কবিদের থেকে আলাদা করে তুলেছিল, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে এক অনন্য উচ্চতায় বসিয়েছে।</li>
</ul>
৫১০৯

বাংলা কাব্যে সর্ব প্রথম কে প্রচুর পরিমাণ আরবি ও ফার্সি শব্দের ব্যবহার করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা কাব্যে প্রচুর পরিমাণে আরবি ও ফার্সি শব্দের সার্থক ও শৈল্পিক ব্যবহার করে নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>নজরুল তার বিদ্রোহী সত্তা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে আরও সমৃদ্ধ করতে চেয়েছিলেন।</li>
<li>তিনি কেবল শব্দ ব্যবহারই করেননি, বরং আরবি ও ফার্সি শব্দগুলোকে বাংলা ছন্দের সাথে এমনভাবে মিশিয়ে দিয়েছিলেন যে তা বাংলা কবিতায় এক নতুন গাম্ভীর্য ও তেজ তৈরি করে।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'অগ্নি-বীণা'</strong> এবং <strong>'বিষের বাঁশী'</strong>-তে এই শব্দের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা যায়, যা বাংলা সাহিত্যকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা কবিতায় মুসলিম ঐতিহ্যের শব্দগুলোকে আধুনিক ও শক্তিশালী রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে নজরুলই ছিলেন অগ্রপথিক।</p>
৫১১০

বাংলা গদ্য চলিত রীতির প্রবর্তক -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>-র নাম সবার আগে আসে। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে চলিত ভাষাকে মান্য রূপ দেওয়ার পেছনে প্রমথ চৌধুরীর অবদান সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের প্রধান বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।</li>
<li>তার এই সাহসী পদক্ষেপের কারণেই বাংলা গদ্য আধুনিক ও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে, তাই তাকেই চলিত রীতির জনক বা প্রবর্তক বলা হয়।</li>
</ul>
৫১১১

বাংলা গদ্য সাহিত্য কোন লেখকের রচনা রীতিকে “আলালি ভাষা” আখ্যা দেয়া হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্য সাহিত্যে <strong>প্যারীচাঁদ মিত্রের</strong> রচনা রীতিকে "আলালি ভাষা" বলা হয়। এর পেছনের কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস <em>'আলালের ঘরের দুলাল'</em>-এ তৎসম শব্দের বদলে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা বা চলিত ভাষাকে ব্যবহার করেছিলেন।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে গদ্যে সাধু ভাষার কঠিন ও গুরুগম্ভীর রীতির প্রচলন ছিল। তিনি সেই গণ্ডি ভেঙে সহজ-সরল ও কথ্য ভাষার প্রয়োগ ঘটিয়ে বাংলা গদ্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেন।</li>
<li>তাঁর এই বিশেষ শৈলীটিই সাহিত্য মহলে <strong>"আলালি ভাষা"</strong> নামে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে সাহিত্যের মর্যাদা দেওয়ার কারণেই তাঁর এই লিখন পদ্ধতিকে আলালি ভাষা বলা হয়।</p>
৫১১২

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হলেন <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে সাধু ভাষার কৃত্রিমতা দূর করে মুখের ভাষাকে গদ্যের বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সবচেয়ে সাহসী ও অগ্রগামী।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত <strong>'সবুজপত্র'</strong> পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষাকে একটি মার্জিত ও শৈল্পিক রূপ দেন।</li>
<li>তাঁর এই বলিষ্ঠ ভূমিকার কারণেই তাঁকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বা জনক বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, প্রমথ চৌধুরীর হাত ধরেই বাংলা গদ্য তার আভিজাত্য বজায় রেখে সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি পৌঁছাতে পেরেছে।</p>
৫১১৩

বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্ন ব্যবহার করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার প্রবর্তনের কৃতিত্ব পুরোপুরি <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের</strong>। তিনি বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খল ও পাঠযোগ্য করে তোলার জন্য যতিচিহ্নের সঠিক প্রয়োগ শুরু করেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপকার হিসেবে বিদ্যাসাগরকে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তিনি তার বিভিন্ন গ্রন্থে কমা, সেমিকোলন ও দাড়ি ব্যবহারের মাধ্যমে বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করার রীতি চালু করেন।</li>
<li>তার এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা গদ্য পড়ার সময় বাক্যের বিরতি ও ভাব বুঝতে সুবিধা হয়।</li>
</ul>
৫১১৪

বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে তাকেই গণ্য করা হয়, কারণ তিনি বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল ও মার্জিত রূপ দিয়েছিলেন।</p>

<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের আগে বাংলা গদ্য ছিল বেশ অগোছালো এবং জটিল।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের (যেমন: কমা, সেমিকোলন) সঠিক ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li>তার হাত ধরেই বাংলা ভাষা সাধারণ মানুষের পাঠোপযোগী এবং প্রাঞ্জল হয়ে ওঠে, যা আধুনিক বাংলা গদ্যের ভিত্তি তৈরি করে।</li>
</ul>
৫১১৫

বাংলা গদ্যের জনক কাকে বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।