eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫১১৬

বাংলা গদ্যের জনক কালে বলা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো, তার আগে বাংলা গদ্যের ভাষা ছিল বেশ জটিল এবং সংস্কৃত ঘেঁষা। বিদ্যাসাগর মশাই প্রথম বাংলা গদ্যকে সহজ, সাবলীল এবং পড়ার উপযোগী করে তোলেন।</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতিচিহ্নের (কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি) সঠিক ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li>তার লেখা 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' এবং 'শকুন্তলা' বাংলা গদ্যের শৈলীকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল।</li>
<li>সহজ ভাষায় মনের ভাব প্রকাশের যে রীতি আমরা আজ দেখি, তার ভিত্তিপ্রস্তর তিনিই স্থাপন করেছিলেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে আধুনিক ও প্রাঞ্জল রূপ দেওয়ার কৃতিত্ব পুরোপুরি তার, তাই তাকেই বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।</p>
৫১১৭

বাংলা গদ্যের জনক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
৫১১৮

বাংলা গীতি কবিতার জনক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গীতি কবিতার জনক হলেন <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>। তাকে বাংলা সাহিত্যের 'ভোরের পাখি' বলা হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে গীতি কবিতার ধারা বা লিরিকধর্মী কবিতার প্রবর্তন করেন বিহারীলাল চক্রবর্তী।</li>
<li>তার রচিত <strong>'সারদামঙ্গল'</strong> কাব্যগ্রন্থটি বাংলা গীতি কবিতার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও বিহারীলালকে তার কাব্যগুরু হিসেবে স্বীকার করতেন, কারণ বিহারীলালের হাত ধরেই বাংলা কবিতায় আত্মকেন্দ্রিক ও ভাবপ্রধান গীতি কবিতার সার্থক বিকাশ ঘটে।</li>
</ul>
৫১১৯

বাংলা গীতিকবিতায় ‘ভোরের পাখি’ কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
৫১২০

বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয় কাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ছোটগল্পের জনক বলা হয় <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে ছোটগল্পের যে আধুনিক রূপ বা শৈল্পিক উৎকর্ষ আমরা দেখি, তার ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন তিনিই।</p>

<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর <strong>'সাধনা'</strong> পত্রিকা সম্পাদনার সময় থেকেই ছোটগল্প রচনায় মনোনিবেশ করেন।</li>
<li>তাঁর লেখা <strong>'দেনাপাওনা'</strong>, <strong>'পোস্টমাস্টার'</strong> বা <strong>'ছুটি'</strong>-এর মতো গল্পগুলো বাংলা ছোটগল্পের ধারাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
<li>সাহিত্যের এই শাখায় তাঁর অসামান্য অবদানের কারণেই তাঁকে বাংলা ছোটগল্পের জনক হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৫১২১

বাংলা নাট্যসাহিত্যে ‘নাট্যচার্য’ কার উপাধি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা নাট্যসাহিত্যে <strong>সেলিম আল দীন</strong>-কে ‘নাট্যচার্য’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। এই উপাধিটি তাঁর নামের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে কারণ:</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা নাটকের প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন এক শৈলী ও আঙ্গিক তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>তাঁর রচিত নাটকগুলোতে লোকজ সংস্কৃতি এবং দর্শনের এক অনন্য মেলবন্ধন দেখা যায়।</li>
<li>বাংলা নাট্যচর্চায় তাঁর অসামান্য অবদান এবং গবেষণাধর্মী কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই বিশেষ সম্মানে ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা নাটকের আধুনিকায়ন ও একে বিশ্বমানের উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার কারিগর হিসেবেই তিনি নাট্যচার্য হিসেবে সমাদৃত।</p>
৫১২২

বাংলা বিরাম চিহ্নের স্রষ্টা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক বা স্রষ্টা হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল ও পাঠযোগ্য করে তোলার জন্য তিনি এই চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তাঁর <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong> গ্রন্থে তিনি প্রথম বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের তেমন কোনো নিয়ম ছিল না, যার ফলে বাক্য পড়তে বেশ অসুবিধা হতো।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের ধারণা নিয়ে বাংলা ভাষার উপযোগী করে সেগুলোর প্রচলন করেন।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দিতে এবং বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে তাঁর এই অবদান অনস্বীকার্য।</p>
৫১২৩

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটিই সঠিক, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> চর্যাপদ বাংলা ভাষার আদি রূপ বা প্রাচীনতম সাহিত্যের একমাত্র লিখিত দলিল হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> এর রচনাকাল আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকের সময়।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা আমাদের বাংলা ভাষার শেকড় চিনতে সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের পাতায় সবচেয়ে পুরনো এবং নির্ভরযোগ্য প্রমাণ হলো এই চর্যাপদ।</p>
৫১২৪

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
৫১২৫

বাংলা ভাষা কোন মূল ভাষার অন্তর্গত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইন্দো-ইউরোপীয়
৫১২৬

বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক পত্রিকার নাম হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। ১৮৩৯ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সংবাদ প্রভাকর</strong> ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সফল দৈনিক সংবাদপত্র।</li>
<li>এর আগে অনেক পত্রিকা প্রকাশিত হলেও সেগুলো মূলত সাপ্তাহিক বা মাসিক ছিল, কিন্তু দৈনিক হিসেবে এটিই প্রথম।</li>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের হাত ধরে এটি তৎকালীন সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
৫১২৭

বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সম্বাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র হলো <strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong>। ১৮৩৯ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় এটি প্রথম সাপ্তাহিক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, ১৮৩৯ সালের ২ জুন থেকে এটি নিয়মিত দৈনিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হতে থাকে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠাতা:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।</li>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮৩৯ সাল।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটিই ছিল বাংলা ভাষার প্রথম সফল দৈনিক সংবাদপত্র, যা তৎকালীন সমাজ ও সাহিত্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছিল।</li>
</ul>
৫১২৮

বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সমাচার দর্পন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হলো <strong>সমাচার দর্পন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>মার্শম্যানের সম্পাদনায় এটি বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।</li>
<li>যদিও এর আগে 'দিকদর্শন' নামে একটি মাসিক পত্রিকা বের হয়েছিল, কিন্তু সেটিকে সংবাদপত্র হিসেবে গণ্য করা হয় না। তাই নিয়মিত সংবাদপত্র হিসেবে <strong>সমাচার দর্পন</strong>-ই প্রথম।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ সংবাদপত্র হিসেবে এর নামই সবার আগে আসে।</p>
৫১২৯

বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দিগদর্শন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকেই এর নাম আসে।</p>

<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮১৮ সালে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি ছিল মূলত স্কুল বুক সোসাইটির মুখপত্র, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে চালু করা হয়েছিল।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বাংলা সাময়িকপত্রের পথচলা শুরু হয়েছিল যে পত্রিকা দিয়ে, সেটিই হলো <strong>দিগদর্শন</strong>।</li>
</ul>
৫১৩০

বাংলা ভাষায় প্রথম আধুনিক সনেট রচনা করেছেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম আধুনিক সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তনের কৃতিত্ব হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্তের</strong>। তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের সনেট রীতি অনুসরণ করে বাংলায় এই নতুন ধারার সূচনা করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্ত ১৮৬৬ সালে তাঁর বিখ্যাত <strong>'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'</strong> কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে সনেটের জনক হিসেবে তিনিই প্রথম এই শৈল্পিক কাঠামোটি সফলভাবে প্রয়োগ করেন।</li>
<li>তাঁর সনেটের গঠনশৈলী মূলত দুটি অংশে বিভক্ত: প্রথম ৮ লাইন (অষ্টক) এবং পরের ৬ লাইন (ষটক), যা আধুনিক বাংলা কবিতার মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।