eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫১৪৬

বাংলা ভাষার অভিধান প্রথম কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফাদার ম্যানোয়েল
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান রচনার কৃতিত্ব মূলত <strong>ফাদার ম্যানোয়েল দা আসসুম্পসাঁও</strong>-এর। তিনি পর্তুগিজ ধর্মযাজক ছিলেন এবং ১৭৪৩ সালে পর্তুগাল থেকে তার এই বিখ্যাত অভিধানটি প্রকাশিত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>অভিধানটির নাম ছিল <strong>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</strong>।</li>
<li>এটি মূলত পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা ভাষার ইতিহাসে এটিই প্রথম মুদ্রিত অভিধান হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৫১৪৭

বাংলা ভাষার অভিধান প্রথম কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফাদার মনোএল
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান রচনার কৃতিত্ব হলো <strong>ফাদার মনোএল দা আসসুম্পসাঁও</strong>-এর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ মিশনারি <strong>ফাদার মনোএল</strong> পর্তুগিজ-বাংলা শব্দকোষ বা অভিধানটি রচনা করেন।</li>
<li>এই অভিধানটির নাম ছিল <em>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</em>।</li>
<li>এটিই ছিল বাংলা ভাষার ওপর লেখা প্রথম মুদ্রিত অভিধান, যা মূলত পর্তুগিজদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।</li>
</ul>

<p>তাই ইতিহাসের পাতায় বাংলা অভিধানের জনক হিসেবে ফাদার মনোএলের নামই সবার আগে আসে।</p>
৫১৪৮

বাংলা ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার আদি গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি আদি গ্রন্থ, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ রচিত হয়েছে আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</li>
<li><strong>ভাষার রূপ:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা হলো 'সন্ধ্যা ভাষা', যা প্রাচীন বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রাচীনতম ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকের একমাত্র নির্ভরযোগ্য দলিল হলো এই <strong>চর্যাপদ</strong>।</p>
৫১৪৯

বাংলা ভাষার ছন্দ কত প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার ছন্দ মূলত <strong>তিন</strong> প্রকার। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা কবিতার গঠনশৈলীকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই তিনটি ছন্দ হলো:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি দ্রুত লয়ের ছন্দ, যা সাধারণত ছড়া বা লোকগীতিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মধ্যম লয়ের ছন্দ, যেখানে মাত্রার হিসাব খুব নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ধীর লয়ের ছন্দ, যা সাধারণত গম্ভীর বা দীর্ঘ কবিতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ছন্দের এই তিনটি ধরনই বাংলা কবিতার মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>।</p>
৫১৫০

বাংলা ভাষার ছন্দ প্রধানত কত প্রকার?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
৩ প্রকার
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার ছন্দ প্রধানত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা কবিতার গঠনশৈলী মূলত এই তিনটি ধারার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। ছন্দগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি দ্রুত লয়ের ছন্দ, যেখানে প্রতিটি ধ্বনি বা অক্ষর সমান গুরুত্ব পায়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মাঝারি লয়ের ছন্দ, যেখানে মাত্রার হিসাব বা পরিমাপের ওপর জোর দেওয়া হয়।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ধীর লয়ের ছন্দ, যা মূলত বাংলা কবিতার ধ্রুপদী বা ধীরস্থির ছন্দের রূপ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ছন্দের এই তিনটি ভাগই বাংলা সাহিত্যের ছন্দ প্রকরণের মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>।</p>
৫১৫১

বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান সংকলন করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান সংকলনের কৃতিত্ব হলো <strong>রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ</strong>-এর। তিনি ১৮১৭ সালে 'বঙ্গভাষাভিধান' নামে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা অভিধানের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৮১৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ প্রথম এই কাজটি হাতে নেন।</li>
<li>তার এই সংকলনটিই বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ</strong>।</p>
৫১৫২

বাংলা ভাষার প্রথম ঔপন্যাসিক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্যারীচাঁদ মিত্র
৫১৫৩

বাংলা ভাষার প্রথম কাব্য সংকলন চর্যাপদ-এর আবিষ্কারক-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'-এর আবিষ্কারক হলেন <strong>ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> দীর্ঘ সময় হারিয়ে যাওয়া এই অমূল্য সম্পদটি খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমেই বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ সম্পর্কে আমরা জানতে পারি।</li>
<li><strong>প্রকাশনা:</strong> পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তিনি এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।</li>
</ul>

<p>তাই চর্যাপদ বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে <strong>ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>-র নাম, যিনি এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন।</p>
৫১৫৪

বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সম্বাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো <strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong>। এটি ১৮৩৯ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong> ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, ১৮৩৯ সালের ২ জুন থেকে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, যিনি তৎকালীন বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক অনন্য নাম।</li>
</ul>

<p>তাই মনে রাখবেন, সাপ্তাহিক হিসেবে অন্য পত্রিকা আগে থাকলেও, দৈনিক পত্রিকার তালিকায় <strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong>-ই সবার আগে।</p>
৫১৫৫

বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংবাদ প্রভাকর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>১৮৩১ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় এটি প্রথমে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর আগে কোনো পত্রিকা নিয়মিত দৈনিক আকারে প্রকাশিত হতো না।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা সাহিত্যের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'প্রথম দৈনিক পত্রিকা' হিসেবে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>-এর নামটাই সবার আগে আসবে।</p>
৫১৫৬

বাংলা ভাষার প্রথম মুসলমান কবির নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত হলেন <strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong>। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে তিনি তাঁর সাহিত্যকর্ম সম্পন্ন করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রথম যিনি মৌলিক ও ধ্রুপদী ধারার কাব্য রচনা করে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদানের কথা উঠলেই সবার আগে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম আসে, কারণ তাঁর লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা কাব্যধারায় এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছিল।</p>
৫১৫৭

বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দিগদর্শন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এটি ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে <strong>দিগদর্শন</strong> হলো মাইলফলক।</li>
<li>এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞান ও শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা সাময়িক পত্রের কথা এলেই সবার আগে <strong>দিগদর্শন</strong>-এর নাম মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৫১৫৮

বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দিগদর্শন
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এটি ১৮১৮ সালে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>

<ul>
<li><strong>দিগদর্শন</strong> ছিল মূলত স্কুল বুক সোসাইটির পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ব্যবহৃত একটি শিক্ষামূলক মাসিক পত্রিকা।</li>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞানচর্চা প্রসারে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৫১৫৯

বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক মহাকাব্য -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মেঘনাদবধ কাব্য
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এটি রচনা করেন। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা কাব্যে প্রথমবারের মতো ছন্দ ও মিলের প্রথাগত শৃঙ্খল ভেঙে এটি রচিত হয়েছে।</li>
<li><strong>মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে মহাকাব্যের প্রয়োজনীয় সব গুণাবলি যেমন—দেবতা, বীরত্ব, যুদ্ধ এবং বিশাল পটভূমি নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>পাশ্চাত্য প্রভাব:</strong> হোমারের 'ইলিয়াড' বা মিল্টনের 'প্যারাডাইস লস্ট'-এর মতো ধ্রুপদী মহাকাব্যের গঠনশৈলী অনুসরণ করে এটি বাংলা ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গঠনশৈলী, ভাষার ব্যবহার এবং মহাকাব্যিক গাম্ভীর্যের দিক থেকে এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক মহাকাব্য।</p>
৫১৬০

বাংলা ভাষার প্রাচীন নিদর্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চর্যাপদ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি প্রাচীন নিদর্শন, তা সহজে বোঝার উপায় নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ আনুমানিক সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের আদি রূপ।</li>
<li><strong>ভাষার বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' বা প্রাচীন বাংলা নামে পরিচিত, যা আধুনিক বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা ভাষার অস্তিত্বের সবচেয়ে পুরনো প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি উৎস বা শুরুর দিকের সাহিত্যিক দলিল হিসেবে <strong>চর্যাপদ</strong>-ই অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।