<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান রচনার কৃতিত্ব মূলত <strong>ফাদার ম্যানোয়েল দা আসসুম্পসাঁও</strong>-এর। তিনি পর্তুগিজ ধর্মযাজক ছিলেন এবং ১৭৪৩ সালে পর্তুগাল থেকে তার এই বিখ্যাত অভিধানটি প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>অভিধানটির নাম ছিল <strong>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</strong>।</li>
<li>এটি মূলত পর্তুগিজ ভাষাভাষীদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা ভাষার ইতিহাসে এটিই প্রথম মুদ্রিত অভিধান হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান রচনার কৃতিত্ব হলো <strong>ফাদার মনোএল দা আসসুম্পসাঁও</strong>-এর। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ মিশনারি <strong>ফাদার মনোএল</strong> পর্তুগিজ-বাংলা শব্দকোষ বা অভিধানটি রচনা করেন।</li>
<li>এই অভিধানটির নাম ছিল <em>'Vocabulario em idioma Bengalla, e Portuguez'</em>।</li>
<li>এটিই ছিল বাংলা ভাষার ওপর লেখা প্রথম মুদ্রিত অভিধান, যা মূলত পর্তুগিজদের বাংলা শেখানোর উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>তাই ইতিহাসের পাতায় বাংলা অভিধানের জনক হিসেবে ফাদার মনোএলের নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>বাংলা ভাষার আদি গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি আদি গ্রন্থ, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ রচিত হয়েছে আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, যা বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।</li>
<li><strong>ভাষার রূপ:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা হলো 'সন্ধ্যা ভাষা', যা প্রাচীন বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রাচীনতম ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে গণ্য হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের একদম শুরুর দিকের একমাত্র নির্ভরযোগ্য দলিল হলো এই <strong>চর্যাপদ</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার ছন্দ মূলত <strong>তিন</strong> প্রকার। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা কবিতার গঠনশৈলীকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। এই তিনটি ছন্দ হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি দ্রুত লয়ের ছন্দ, যা সাধারণত ছড়া বা লোকগীতিতে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মধ্যম লয়ের ছন্দ, যেখানে মাত্রার হিসাব খুব নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হয়।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ধীর লয়ের ছন্দ, যা সাধারণত গম্ভীর বা দীর্ঘ কবিতার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছন্দের এই তিনটি ধরনই বাংলা কবিতার মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>তিন</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার ছন্দ প্রধানত <strong>৩ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা কবিতার গঠনশৈলী মূলত এই তিনটি ধারার ওপর ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। ছন্দগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি দ্রুত লয়ের ছন্দ, যেখানে প্রতিটি ধ্বনি বা অক্ষর সমান গুরুত্ব পায়।</li>
<li><strong>মাত্রাবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি মাঝারি লয়ের ছন্দ, যেখানে মাত্রার হিসাব বা পরিমাপের ওপর জোর দেওয়া হয়।</li>
<li><strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ:</strong> এটি ধীর লয়ের ছন্দ, যা মূলত বাংলা কবিতার ধ্রুপদী বা ধীরস্থির ছন্দের রূপ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ছন্দের এই তিনটি ভাগই বাংলা সাহিত্যের ছন্দ প্রকরণের মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>৩ প্রকার</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম অভিধান সংকলনের কৃতিত্ব হলো <strong>রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ</strong>-এর। তিনি ১৮১৭ সালে 'বঙ্গভাষাভিধান' নামে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>বাংলা অভিধানের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, ১৮১৭ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের উদ্যোগে রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ প্রথম এই কাজটি হাতে নেন।</li>
<li>তার এই সংকলনটিই বাংলা ভাষার প্রথম পূর্ণাঙ্গ অভিধান হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'-এর আবিষ্কারক হলেন <strong>ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে তিনি চর্যাপদের পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> দীর্ঘ সময় হারিয়ে যাওয়া এই অমূল্য সম্পদটি খুঁজে পাওয়ার মাধ্যমেই বাংলা ভাষার প্রাচীন রূপ সম্পর্কে আমরা জানতে পারি।</li>
<li><strong>প্রকাশনা:</strong> পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে তিনি এটি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা' নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে প্রকাশ করেন।</li>
</ul>
<p>তাই চর্যাপদ বললেই আমাদের মনে রাখতে হবে <strong>ডক্টর হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>-র নাম, যিনি এই ঐতিহাসিক আবিষ্কারের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো <strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong>। এটি ১৮৩৯ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong> ১৮৩১ সালে সাপ্তাহিক হিসেবে যাত্রা শুরু করলেও, ১৮৩৯ সালের ২ জুন থেকে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত, যিনি তৎকালীন বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় এক অনন্য নাম।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখবেন, সাপ্তাহিক হিসেবে অন্য পত্রিকা আগে থাকলেও, দৈনিক পত্রিকার তালিকায় <strong>সম্বাদ প্রভাকর</strong>-ই সবার আগে।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮৩১ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় এটি প্রথমে সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে যাত্রা শুরু করে।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৮৩৯ সালে এটি বাংলা ভাষার প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>বাংলা সাংবাদিকতার ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর আগে কোনো পত্রিকা নিয়মিত দৈনিক আকারে প্রকাশিত হতো না।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সাহিত্যের যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় 'প্রথম দৈনিক পত্রিকা' হিসেবে <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>-এর নামটাই সবার আগে আসবে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃত হলেন <strong>শাহ মুহম্মদ সগীর</strong>। তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চতুর্দশ-পঞ্চদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে তিনি তাঁর সাহিত্যকর্ম সম্পন্ন করেন।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের মধ্যে তিনিই প্রথম যিনি মৌলিক ও ধ্রুপদী ধারার কাব্য রচনা করে পথপ্রদর্শক হিসেবে কাজ করেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবিদের অবদানের কথা উঠলেই সবার আগে শাহ মুহম্মদ সগীরের নাম আসে, কারণ তাঁর লেখনীর মাধ্যমেই বাংলা কাব্যধারায় এক নতুন ধারার সূচনা হয়েছিল।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িক পত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এটি ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে <strong>দিগদর্শন</strong> হলো মাইলফলক।</li>
<li>এটি জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞান ও শিক্ষা ছড়িয়ে দেওয়া।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা সাময়িক পত্রের কথা এলেই সবার আগে <strong>দিগদর্শন</strong>-এর নাম মনে রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এটি ১৮১৮ সালে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<ul>
<li><strong>দিগদর্শন</strong> ছিল মূলত স্কুল বুক সোসাইটির পাঠ্যপুস্তক হিসেবে ব্যবহৃত একটি শিক্ষামূলক মাসিক পত্রিকা।</li>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে জ্ঞানচর্চা প্রসারে এই পত্রিকাটির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, এটিই বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য হলো <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এটি রচনা করেন। এর পেছনে মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা কাব্যে প্রথমবারের মতো ছন্দ ও মিলের প্রথাগত শৃঙ্খল ভেঙে এটি রচিত হয়েছে।</li>
<li><strong>মহাকাব্যের বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে মহাকাব্যের প্রয়োজনীয় সব গুণাবলি যেমন—দেবতা, বীরত্ব, যুদ্ধ এবং বিশাল পটভূমি নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>পাশ্চাত্য প্রভাব:</strong> হোমারের 'ইলিয়াড' বা মিল্টনের 'প্যারাডাইস লস্ট'-এর মতো ধ্রুপদী মহাকাব্যের গঠনশৈলী অনুসরণ করে এটি বাংলা ভাষায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গঠনশৈলী, ভাষার ব্যবহার এবং মহাকাব্যিক গাম্ভীর্যের দিক থেকে এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক মহাকাব্য।</p>
<p>বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি প্রাচীন নিদর্শন, তা সহজে বোঝার উপায় নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ আনুমানিক সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের আদি রূপ।</li>
<li><strong>ভাষার বৈশিষ্ট্য:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' বা প্রাচীন বাংলা নামে পরিচিত, যা আধুনিক বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা ভাষার অস্তিত্বের সবচেয়ে পুরনো প্রমাণ হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি উৎস বা শুরুর দিকের সাহিত্যিক দলিল হিসেবে <strong>চর্যাপদ</strong>-ই অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।