<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম ঔপন্যাসিক হলেন <strong>প্যারীচাঁদ মিত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্যারীচাঁদ মিত্র তাঁর ছদ্মনাম <strong>'টেকচাঁদ ঠাকুর'</strong> ব্যবহার করে ১৮৫৮ সালে <strong>'আলালের ঘরের দুলাল'</strong> উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>এটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তৎকালীন চলিত ভাষারীতি বা 'আলালী ভাষা' প্রবর্তনের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিলেন, যা তাকে বাংলা উপন্যাসের জনক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনার কৃতিত্ব রাজা রামমোহন রায়ের। যদিও এর আগে বিদেশিরা বাংলা ব্যাকরণ লিখেছিলেন, কিন্তু বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ রচনার ক্ষেত্রে তিনিই ছিলেন পথিকৃৎ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাজা রামমোহন রায়</strong> ১৮৩৩ সালে <strong>'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'</strong> নামে এই বইটি রচনা করেন।</li>
<li>এটিই ছিল বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম পূর্ণাঙ্গ ব্যাকরণ গ্রন্থ।</li>
<li>বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খলভাবে ব্যাকরণের নিয়মে বাঁধার প্রথম সাহসী উদ্যোগ ছিল এটি।</li>
</ul>
৫১৩৩
বাংলা ভাষায় বহুল প্রচলিত অভিধান ‘চলন্তিকা’ এর প্রণেতা কে?
<p>বাংলা ভাষায় বহুল প্রচলিত ও জনপ্রিয় অভিধান <strong>‘চলন্তিকা’</strong>-এর প্রণেতা হলেন <strong>রাজশেখর বসু</strong>। তিনি মূলত ‘পরশুরাম’ ছদ্মনামে সাহিত্যচর্চা করতেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>রাজশেখর বসু</strong> ১৯৩০ সালে এই অভিধানটি প্রথম প্রকাশ করেন।</li>
<li>এটি মূলত সাধারণ পাঠকদের কথা মাথায় রেখে তৈরি করা হয়েছিল, যাতে খুব সহজেই শব্দের অর্থ ও বানান খুঁজে পাওয়া যায়।</li>
<li>বাংলা অভিধানের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>বাংলা গদ্যে বিরাম চিহ্নের সার্থক ব্যবহার এবং প্রবর্তনের কৃতিত্ব পুরোপুরি <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের</strong>। বাংলা ভাষাকে সুশৃঙ্খল ও পাঠযোগ্য করে তোলার জন্য তিনি এই চিহ্নগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>১৮৪৭ সালে প্রকাশিত তার <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong> গ্রন্থে তিনি প্রথম বিরাম চিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহার করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের তেমন কোনো নিয়ম ছিল না, যা পড়ার সময় বেশ জটিলতা তৈরি করত।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের ব্যবহার বাংলা সাহিত্যে স্থায়ী রূপ দেন।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা ভাষার আধুনিক গদ্যরীতির জনক হিসেবে বিরাম চিহ্নের প্রবর্তক হিসেবে তাঁর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ হলো <strong>কথোপকথন</strong>। এটি ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরির সম্পাদনায় শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে প্রকাশিত হয়।</p>
<ul>
<li><strong>কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:</strong> এটি মূলত তৎকালীন কথোপকথনের ভাষা বা কথ্যরীতির ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি পাঠ্যপুস্তক।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বাংলা গদ্যের বিকাশের শুরুর দিকে পাঠ্যপুস্তক হিসেবে এটিই প্রথম ছাপা হয়েছিল, তাই একেই প্রথম মুদ্রিত গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হলো <strong>কথোপকথন</strong>। উইলিয়াম কেরি ১৮০১ সালে এটি রচনা করেন।</p>
<ul>
<li><strong>কেন এটি গুরুত্বপূর্ণ:</strong> তৎকালীন সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা এবং দৈনন্দিন জীবনের কথোপকথন কীভাবে বইয়ের ভাষায় উঠে আসতে পারে, তার প্রথম সফল উদাহরণ এটি।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> বাংলা গদ্যের বিকাশে শ্রীরামপুর মিশনের অবদান সবচেয়ে বেশি, আর সেই ধারার একদম শুরুর দিকের কাজ হলো এই <strong>কথোপকথন</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন C: কথোপকথন</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থের নাম হলো <strong>কথোপকথন</strong>। এটি ১৮০১ সালে উইলিয়াম কেরি কর্তৃক রচিত ও প্রকাশিত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>১৮০১ সালে শ্রীরামপুর মিশন প্রেস থেকে এটি প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>এই বইটি মূলত তৎকালীন সাধারণ মানুষের মুখের ভাষার আদলে লেখা, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে একটি মাইলফলক।</li>
<li>বাংলা গদ্যের আদি নিদর্শন হিসেবে এটি ইতিহাসের পাতায় বিশেষ স্থান দখল করে আছে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের সার্থক প্রচলন করেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত বিদ্যাসাগর মশাই যখন বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও গদ্যশৈলী নিয়ে কাজ করছিলেন, তখন তিনি ইংরেজি যতিচিহ্নের আদলে বাংলা ভাষায় কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ি ইত্যাদি চিহ্নের ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li>তার আগে বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের তেমন কোনো সুশৃঙ্খল নিয়ম ছিল না।</li>
<li>বিদ্যাসাগরের এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা বাক্য গঠন এবং পড়ার ছন্দ অনেক বেশি স্পষ্ট ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ দিতে তার এই অবদান অনস্বীকার্য।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সার্থক নাটকের মর্যাদা পায় <strong>ভাদ্রার্জুন</strong>। এটি ১৮৫২ সালে তারাচরণ শিকদার রচনা করেন। নাটকটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>ভাদ্রার্জুন</strong> নাটকটি মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর রচয়িতা ছিলেন তারাচরণ শিকদার, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যের শুরুর দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা নাটকের যাত্রার শুরুতে এই নাটকটিই প্রথম আধুনিক নাটকের কাঠামো মেনে রচিত হয়েছিল।</p>
<p>বাংলা ভাষায় রচিত প্রাচীনতম গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ আনুমানিক সপ্তম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ে রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের সবচেয়ে পুরনো নিদর্শন।</li>
<li><strong>আবিষ্কার:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li><strong>ভাষা:</strong> এর ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' বা আলো-আঁধারি ভাষা নামে পরিচিত, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা ভাষার আদি রূপ এবং প্রাচীনতম সাহিত্যিক ঐতিহ্যের ধারক হিসেবে <strong>চর্যাপদ</strong>-কেই একমাত্র স্বীকৃত গ্রন্থ ধরা হয়।</p>
<p>বাংলা ভাষায় রচিত সবচেয়ে প্রাচীন গ্রন্থ হলো <strong>চর্যাপদ</strong>। এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের সাধন সংগীতের সংকলন। কেন এটি সবচেয়ে প্রাচীন, তা খুব সহজে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> চর্যাপদ রচিত হয়েছিল আনুমানিক ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে, যা বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li><strong>ভাষার রূপ:</strong> এতে ব্যবহৃত ভাষা 'সন্ধ্যা ভাষা' নামে পরিচিত, যা প্রাচীন বাংলা ভাষার বিবর্তনের প্রথম ধাপ।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> ১৯০৭ সালে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজদরবার থেকে এটি আবিষ্কার করেন, যা বাংলা ভাষার প্রাচীনত্বের অকাট্য প্রমাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের পাতায় চর্যাপদই হলো সেই প্রথম ভিত্তিপ্রস্তর, যার ওপর দাঁড়িয়ে আজকের আধুনিক বাংলা ভাষা ও সাহিত্য গড়ে উঠেছে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।