<p>মধ্যযুগের শেষ কবি হিসেবে <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর কারণ হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগ মূলত ভারতচন্দ্রের কাব্য রচনার মাধ্যমেই সমাপ্তি ঘটে।</li>
<li>তিনি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর কবি, যার লেখা 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি মধ্যযুগের সাহিত্যের ধারায় এক নতুন ও আধুনিকতার ছোঁয়া নিয়ে আসে।</li>
<li>ভারতচন্দ্রের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিক যুগের পদধ্বনি শোনা যায়, তাই তাকে মধ্যযুগের শেষ এবং শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে অভিহিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ১৭৬০ সালে মৃত্যুবরণ করেন। সাহিত্যিক ইতিহাস অনুযায়ী তাঁর জীবনকাল ছিল ১৭১২ থেকে ১৭৬০ সাল পর্যন্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্রের জন্ম: ১৭১২ সাল।</li>
<li>ভারতচন্দ্রের মৃত্যু: <strong>১৭৬০</strong> সাল।</li>
</ul>
<p>তিনি মূলত তাঁর অমর সৃষ্টি 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যের জন্য বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। ১৭৬০ সালে তাঁর মৃত্যু বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের সমাপ্তি নির্দেশ করে।</p>
৫৩১৪
মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?
<p>বিজয়গুপ্তের লেখা বিখ্যাত মঙ্গলকাব্যটির নাম হলো <strong>পদ্মপুরাণ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্য।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>বিজয়গুপ্তের এই কাব্যটি <strong>'পদ্মপুরাণ'</strong> নামেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
<li>অনেক সময় কবি নিজেই তার কাব্যের নাম হিসেবে 'পদ্মপুরাণ' উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>মনসা দেবীকে 'পদ্মা' নামে ডাকা হয় বলেই এই কাব্যের নাম রাখা হয়েছে পদ্মপুরাণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য রচিত এই কাব্যটিই বিজয়গুপ্তের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।</p>
৫৩১৫
মনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ কোন শ্রেণির নাটক?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐতিহাসিক</strong>। কারণ মনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকটি মূলত ১৭৬১ সালে সংঘটিত ঐতিহাসিক <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধকে</strong> কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।</p>
<ul>
<li>নাটকটির মূল পটভূমি হলো আহমদ শাহ আবদালি এবং মারাঠা শক্তির মধ্যকার সেই রক্তক্ষয়ী লড়াই।</li>
<li>লেখক এখানে ইতিহাসের বাস্তব ঘটনাকে নাট্যরূপ দিয়েছেন, যেখানে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>যেহেতু এটি কোনো কাল্পনিক বা সামাজিক গল্প নয়, বরং ইতিহাসের একটি নির্দিষ্ট সময় ও ঘটনাকে ভিত্তি করে লেখা, তাই এটি একটি সার্থক <strong>ঐতিহাসিক নাটক</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জাহান্নাম হতে বিদায়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শওকত ওসমানের লেখা এই বইটি মূলত একটি <strong>উপন্যাসিকা</strong> বা ছোট আকারের উপন্যাস, মহাকাব্যিক উপন্যাস নয়।</p>
<ul>
<li><strong>জাহান্নাম হতে বিদায়</strong> উপন্যাসে মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে একটি নির্দিষ্ট সময়ের চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মহাকাব্যিক উপন্যাসের যে বিশাল ব্যাপ্তি, চরিত্র ও ঘটনার বৈচিত্র্য থাকে, তার তুলনায় এটি অনেক বেশি সংহত ও সংক্ষিপ্ত।</li>
<li>অন্যদিকে, সংশপ্তক বা গায়ত্রী সন্ধ্যার মতো উপন্যাসগুলো বিশাল ক্যানভাসে রচিত, যা মহাকাব্যিক উপন্যাসের বৈশিষ্ট্য বহন করে।</li>
</ul>
<p>তাই গঠনশৈলী ও কলেবরের দিক থেকে এটি মহাকাব্যিক উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত নয়।</p>
৫৩১৭
মাইকেল মধুদূদন দত্তের ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ কী ধরনের রচনা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাকাব্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মহাকাব্যের কিছু নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য থাকে যা মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই বিখ্যাত রচনায় পুরোপুরি ফুটে উঠেছে।</p>
<ul>
<li><strong>বিশাল কলেবর:</strong> ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ মোট ৯টি সর্গে বিভক্ত, যা একটি মহাকাব্যের প্রধান লক্ষণ।</li>
<li><strong>বীরত্বগাথা:</strong> রামায়ণের কাহিনী অবলম্বনে এখানে বীরত্ব, যুদ্ধ এবং ট্র্যাজেডির এক বিশাল পটভূমি তৈরি করা হয়েছে।</li>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> বাংলা সাহিত্যে প্রথমবার এই ছন্দের সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়ে কবি একে মহাকাব্যের মর্যাদা দিয়েছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো বিশাল কাহিনী যখন মহিমান্বিত ভাষায় এবং নির্দিষ্ট কাঠামোর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়, তখনই তাকে <strong>মহাকাব্য</strong> বলা হয়। আর এই মানদণ্ডে ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ মহাকাব্যগুলোর একটি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যশোর</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে, তবে বিষয়টি বেশ সহজ।</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার (বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা) <strong>সাগরদাঁড়ি</strong> গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত এই গ্রামটি ঐতিহাসিকভাবে যশোর জেলার অংশ হিসেবেই পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখলেই হবে যে, কবির শৈশব ও জন্মস্থান হলো যশোরের সাগরদাঁড়ি।</p>
৫৩১৯
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ' প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপায়ণ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এ যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ ব্যবহার করেছেন, তার মূল ভিত্তি হলো <strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ</strong>।</li>
<li>অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো এর প্রতিটি চরণের পর্বগুলো সুনির্দিষ্ট এবং এর চাল ধীর ও গম্ভীর।</li>
<li>মধুসূদন এই ছন্দের প্রবাহকে স্তবকের সীমানা ছাড়িয়ে পরবর্তী চরণে প্রবাহিত হতে দিয়েছেন (যাকে বলা হয় 'এনজ্যাম্বমেন্ট' বা পর্বান্তর), যা বাংলা সাহিত্যে নতুন এক গাম্ভীর্য তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, অক্ষরবৃত্তের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করেই তিনি সংস্কৃত ছন্দের আদলে এই নতুন রূপটি তৈরি করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি হলো <strong>বীরাঙ্গনা</strong> কাব্য। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য, যা তিনি ওভিডের 'হেরোইডস' (Heroides) অবলম্বনে রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>বীরাঙ্গনা</strong> কাব্যটি মূলত ১১টি পত্রের সমষ্টি, যেখানে পৌরাণিক নারীদের মনের কথা ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেট এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত, আর তাঁর এই কাব্যটি সেই ধারার এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই আসে যে, এটি কোন ধরনের কাব্য—উত্তর হবে <strong>পত্রকাব্য</strong>।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই মাইকেল মধুসূদন দত্তের কাব্য নিয়ে প্রশ্ন আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বীরাঙ্গনা</strong>-কে বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরাঙ্গনা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং একমাত্র পত্রকাব্য। এই কাব্যটি সম্পর্কে সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রকাব্য কী:</strong> পত্রকাব্য হলো এমন একটি কাব্যগ্রন্থ যেখানে বিভিন্ন চরিত্রের লেখা চিঠির মাধ্যমে কাহিনী বা আবেগ প্রকাশ করা হয়।</li>
<li><strong>কেন এটি বিশেষ:</strong> মাইকেল মধুসূদন দত্ত এই কাব্যে পৌরাণিক নারীদের জবানিতে তাদের মনের কথা চিঠির আকারে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> মধুসূদনের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে 'বীরাঙ্গনা' কাব্যটি মূলত ১১টি পত্রের সমষ্টি, যা অমিত্রাক্ষর ছন্দে লেখা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিঠির মাধ্যমে লেখা কাব্যগ্রন্থ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>বীরাঙ্গনা</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
৫৩২২
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ কোন ধরনের নাটক?
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘একেই কি বলে সভ্যতা’ হলো একটি <strong>সামাজিক প্রহসন</strong>। এই নাটকটি লেখার পেছনে মূল উদ্দেশ্য ছিল তৎকালীন সমাজের কিছু কুসংস্কার এবং তথাকথিত আধুনিকতার নামে চলা অনাচারকে ব্যঙ্গ করা।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি <strong>প্রহসনমূলক নাটক</strong>, যেখানে সমাজের অসংগতিগুলোকে হাস্যরসের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত এই নাটকের মাধ্যমে তৎকালীন তরুণ সমাজের নৈতিক অবক্ষয় এবং মদ্যপানের কুফলকে অত্যন্ত তীক্ষ্ণভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>যেহেতু এটি সমাজের বাস্তব চিত্রকে ব্যঙ্গ করে লেখা, তাই একে সাহিত্যিক ভাষায় <strong>সামাজিক প্রহসন</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৫৩২৩
মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ কোন ধরনের কাব্য?
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের ‘বীরাঙ্গনা কাব্য’ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম <strong>পত্রকাব্য</strong>। এই কাব্যটি সম্পর্কে সহজভাবে মনে রাখার কিছু বিষয় হলো:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র বা চিঠি রয়েছে, যা পৌরাণিক নারীদের জবানিতে লেখা।</li>
<li>কবি এখানে ওভিডের ‘হেরোইডস’ (Heroides) কাব্যের অনুকরণে পত্রাকারে কাব্যটি সাজিয়েছেন।</li>
<li>চিঠির মাধ্যমে চরিত্রগুলোর মনের গভীর আবেগ ও দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠায় একে পত্রকাব্য বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু পুরো কাব্যটি বিভিন্ন চরিত্রের লেখা চিঠির সমষ্টি বা পত্রের আকারে রচিত, তাই এটি বাংলা সাহিত্যে <strong>পত্রকাব্য</strong> হিসেবেই পরিচিত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যশোর</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান নিয়ে অনেকের মনেই দ্বিধা থাকে, তবে বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি তৎকালীন যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে <strong>সাগরদাঁড়ি</strong> গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>বর্তমানে সাগরদাঁড়ি গ্রামটি প্রশাসনিকভাবে যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় উত্তর দেওয়ার সময় চোখ বন্ধ করে <strong>যশোর</strong>-কেই বেছে নেবেন। এটিই ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত ও সঠিক তথ্য।</p>
৫৩২৫
মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশ প্রেমের প্রবল প্রকাশ ঘটেছে-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সনেটে</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেমের গভীরতা সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে তার সনেটগুলোতে, বিশেষ করে 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী'তে।</p>
<p>বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত যখন প্রবাসে ছিলেন, তখন তার হৃদয়ে জন্মভূমির প্রতি তীব্র টান অনুভব করেন।</li>
<li>এই আবেগ থেকেই তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের অনুকরণে বাংলায় সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা রচনা করেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত সনেট <strong>'কপোতাক্ষ নদ'</strong> এর সবচেয়ে বড় উদাহরণ, যেখানে তিনি সুদূর ফ্রান্সে বসেও শৈশবের স্মৃতি ও দেশের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই বলা যায়, তার সনেটগুলোই তার দেশপ্রেমের সবচেয়ে শক্তিশালী ও শৈল্পিক মাধ্যম।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।