eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫২৬৬

বিশ্বকবি তার কোন কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বসন্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্ত</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর এই বিখ্যাত গীতি-আলেখ্যটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের মধ্যে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল।</li>
<li>১৯২৩ সালে যখন নজরুল ইসলাম কারাবন্দি ছিলেন, তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে <strong>বসন্ত</strong> নাটকটি তাঁকে উৎসর্গ করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দুই কবির বন্ধুত্বের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৫২৬৭

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঝরা পালক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঝরা পালক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়।</p>

<ul>
<li><strong>ঝরা পালক</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শ্যামলী</strong> এবং <strong>পূরবী</strong> অন্যতম বিখ্যাত দুটি কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'ঝরা পালক' নামটি মাথায় গেঁথে রাখা, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
৫২৬৮

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পান কোন সালে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1913
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৩</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম অ-ইউরোপীয় ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি অর্জন করেছিলেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এই স্বীকৃতি পান।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: ১৯১৩ সালটি ছিল বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক, যা আমাদের মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয়ের বছরটি হলো <strong>১৯১৩</strong>।</p>
৫২৬৯

বিষাদ-সিন্ধু' গ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>

<ul>
<li><strong>বিষাদ-সিন্ধু</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম।</li>
<li>এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে রচিত একটি মহাকাব্যিক গদ্য আখ্যান।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেন তাঁর অসাধারণ লেখনশৈলী ও ভাষার জাদুতে এই করুণ কাহিনীকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কারবালার ট্র্যাজেডি নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত বইটি মীর মশাররফ হোসেনের এক অনন্য সৃষ্টি, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আজও সমানভাবে সমাদৃত।</p>
৫২৭০

বিহারীলাল চক্রবর্তী ‘সাধের আসন’ কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাদম্বরী দেবীকে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাদম্বরী দেবীকে</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগুরু। তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘সাধের আসন’</strong> উৎসর্গ করেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী এবং রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন কাদম্বরী দেবীকে।</p>

<ul>
<li><strong>কবি:</strong> বিহারীলাল চক্রবর্তী।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থ:</strong> সাধের আসন।</li>
<li><strong>উৎসর্গপত্র:</strong> কাদম্বরী দেবী।</li>
</ul>

<p>সাহিত্যিকদের এই ধরনের উৎসর্গগুলো মনে রাখার জন্য তাদের ব্যক্তিগত সম্পর্কের জায়গাগুলো খেয়াল রাখলে খুব সহজেই মনে থাকে।</p>
৫২৭১

বীরবল কার ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রথম চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের বিষয়টি বেশ মজার এবং মনে রাখা খুব সহজ।</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> তাঁর প্রবন্ধ ও সাহিত্য রচনায় <strong>'বীরবল'</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা <strong>'সবুজপত্র'</strong>-এর সম্পাদক ছিলেন, যেখানে তাঁর লেখাগুলো এই ছদ্মনামেই প্রকাশিত হতো।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখনই আপনি কোনো সাহিত্যিক আলোচনায় 'বীরবল' নামটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি প্রমথ চৌধুরীরই অন্য নাম!</p>
৫২৭২

বীরবল’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর প্রমথ চৌধুরী তাঁর তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য <strong>'বীরবল'</strong> ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক।</li>
<li>তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকার নাম ছিল <strong>'সবুজপত্র'</strong>।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগুলো লিখেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
৫২৭৩

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত রচিত উপন্যাস কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুলতানার স্বপ্ন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কালজয়ী একটি সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li><strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream) মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান বা সায়েন্স ফিকশন।</li>
<li>এটি ১৯০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসে রোকেয়া এমন এক স্বপ্নের জগতের বর্ণনা দিয়েছেন, যেখানে নারীরাই সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্দরমহলে থাকেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়ার এই বইটি তাঁর চিন্তাধারার এক অনন্য প্রতিফলন। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে চোখ বন্ধ করে <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</p>
৫২৭৪

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা:
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত ১৯২৪ সালে প্রকাশিত একটি নারীবাদী উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের অবস্থা এবং তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ</strong> বেগম রোকেয়ার একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা নারীদের শিক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিয়ে লেখা।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত বই যেমন—<strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> বা <strong>অবরোধবাসিনী</strong>-এর সাথে এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫২৭৫

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পদ্মরাগ
ব্যাখ্যা:
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত একটি নারীবাদী উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ</strong> বেগম রোকেয়ার একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এটি ১৯২৪ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো নারীর অধিকার ও মুক্তি।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখা জরুরি যে বেগম রোকেয়ার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream) এবং <strong>অবরোধবাসিনী</strong> অন্যতম।</p>
৫২৭৬

বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন রচিত গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পদ্মরাগ
৫২৭৭

বেগম রোকেয়ার লেখা কী নামে প্রকাশিত হতো?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মিসেস আর. এস. হোসেন
ব্যাখ্যা:
<p>বেগম রোকেয়ার লেখালেখির জগতে তার পরিচিতি ছিল বেশ চমকপ্রদ। তিনি তার সাহিত্যকর্ম প্রকাশের সময় নিজের নামের পরিবর্তে স্বামীর নাম ব্যবহার করতেন।</p>

<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তার সাহিত্যিক পরিচয় হিসেবে <strong>মিসেস আর. এস. হোসেন</strong> নামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>এখানে <strong>আর. এস.</strong> বলতে তার স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের নামের আদ্যক্ষরকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে নারীদের লেখালেখিকে সহজভাবে গ্রহণ করা হতো না বলেই তিনি ছদ্মনামের আশ্রয় নিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার এক অনন্য পরিচিতি হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
৫২৭৮

বেনামে রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্রজবিলাস
ব্যাখ্যা:
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামে রচিত গ্রন্থটি হলো <strong>ব্রজবিলাস</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই তাঁর সমাজ সংস্কারমূলক অনেক লেখা বা বিতর্কিত বিষয়গুলো সরাসরি নিজের নামে প্রকাশ না করে ছদ্মনামে বা বেনামে প্রকাশ করতেন।</li>
<li>তৎকালীন সমাজ ও ধর্মের কুসংস্কার নিয়ে লেখা এই <strong>ব্রজবিলাস</strong> গ্রন্থটি তিনি বেনামেই প্রকাশ করেছিলেন, যাতে সরাসরি বিতর্কের মুখে পড়তে না হয়।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ বই তাঁর নিজের নামে থাকলেও, এই বিশেষ বইটি বেনামে প্রকাশের কারণেই এটি আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫২৭৯

বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
<p>বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হলেন <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পদাবলি সাহিত্যের ধারায় বিদ্যাপতিকে 'মৈথিলি কোকিল' বলা হয় এবং তিনিই প্রথম এই ধারার পদ রচনা শুরু করেছিলেন।</p>

<ul>
<li>বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ লিখলেও তার প্রভাব বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির ওপর অপরিসীম।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির সূচনাপর্বে তার অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েই তাকে এই ধারার আদি রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদাবলির ঐতিহ্যের মূলে বিদ্যাপতির পদগুলোই প্রথম ভিত্তি স্থাপন করেছিল।</p>
৫২৮০

বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্রজবুলি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবুলি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বৈষ্ণব পদাবলি মূলত মধ্যযুগের কবিদের সৃষ্টি, যারা রাধা-কৃষ্ণের লীলা বর্ণনায় এক বিশেষ কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা ব্যবহার করতেন।</p>

<ul>
<li><strong>ব্রজবুলি</strong> কোনো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি মৈথিলি ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি একটি কাব্যভাষা।</li>
<li>মহাকবি বিদ্যাপতি এই ভাষার প্রধান রূপকার, যা পরবর্তীকালে বাংলা বৈষ্ণব পদাবলি রচনায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদাবলির পদগুলো পড়ার সময় আমরা যে মিষ্টি ও ছন্দময় ভাষার স্বাদ পাই, সেটিই হলো ব্রজবুলি।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।