<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বসন্ত</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর এই বিখ্যাত গীতি-আলেখ্যটি কাজী নজরুল ইসলামকে উৎসর্গ করেছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের মধ্যে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল।</li>
<li>১৯২৩ সালে যখন নজরুল ইসলাম কারাবন্দি ছিলেন, তখন রবীন্দ্রনাথ তাঁর প্রতি সম্মান জানিয়ে <strong>বসন্ত</strong> নাটকটি তাঁকে উৎসর্গ করেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দুই কবির বন্ধুত্বের এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৫২৬৭
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঝরা পালক</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এই কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়।</p>
<ul>
<li><strong>ঝরা পালক</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>শ্যামলী</strong> এবং <strong>পূরবী</strong> অন্যতম বিখ্যাত দুটি কাজ।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হিসেবে 'ঝরা পালক' নামটি মাথায় গেঁথে রাখা, যা ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
৫২৬৮
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পান কোন সালে ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৩</strong> সাল। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই প্রথম অ-ইউরোপীয় ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে এই সম্মানজনক পুরস্কারটি অর্জন করেছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'গীতাঞ্জলি'</strong>-র ইংরেজি অনুবাদের জন্য তিনি এই স্বীকৃতি পান।</li>
<li>সালটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: ১৯১৩ সালটি ছিল বিশ্বসাহিত্যের ইতিহাসে এক মাইলফলক, যা আমাদের মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নোবেল জয়ের বছরটি হলো <strong>১৯১৩</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদ-সিন্ধু</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম।</li>
<li>এটি মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা নিয়ে রচিত একটি মহাকাব্যিক গদ্য আখ্যান।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেন তাঁর অসাধারণ লেখনশৈলী ও ভাষার জাদুতে এই করুণ কাহিনীকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারবালার ট্র্যাজেডি নিয়ে লেখা এই বিখ্যাত বইটি মীর মশাররফ হোসেনের এক অনন্য সৃষ্টি, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আজও সমানভাবে সমাদৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাদম্বরী দেবীকে</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কবি বিহারীলাল চক্রবর্তী ছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগুরু। তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘সাধের আসন’</strong> উৎসর্গ করেছিলেন জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী এবং রবীন্দ্রনাথের অত্যন্ত প্রিয়ভাজন কাদম্বরী দেবীকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের বিষয়টি বেশ মজার এবং মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> তাঁর প্রবন্ধ ও সাহিত্য রচনায় <strong>'বীরবল'</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা <strong>'সবুজপত্র'</strong>-এর সম্পাদক ছিলেন, যেখানে তাঁর লেখাগুলো এই ছদ্মনামেই প্রকাশিত হতো।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই আপনি কোনো সাহিত্যিক আলোচনায় 'বীরবল' নামটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি প্রমথ চৌধুরীরই অন্য নাম!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর প্রমথ চৌধুরী তাঁর তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত রচনার জন্য <strong>'বীরবল'</strong> ছদ্মনামটি বেছে নিয়েছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক।</li>
<li>তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকার নাম ছিল <strong>'সবুজপত্র'</strong>।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে তাঁর বিখ্যাত প্রবন্ধগুলো লিখেছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং কালজয়ী একটি সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li><strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream) মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞান বা সায়েন্স ফিকশন।</li>
<li>এটি ১৯০৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসে রোকেয়া এমন এক স্বপ্নের জগতের বর্ণনা দিয়েছেন, যেখানে নারীরাই সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্দরমহলে থাকেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নারী জাগরণের অগ্রদূত হিসেবে বেগম রোকেয়ার এই বইটি তাঁর চিন্তাধারার এক অনন্য প্রতিফলন। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে চোখ বন্ধ করে <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> উত্তরটি বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত ১৯২৪ সালে প্রকাশিত একটি নারীবাদী উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের অবস্থা এবং তাদের স্বাবলম্বী হওয়ার সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ</strong> বেগম রোকেয়ার একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এটি একটি সামাজিক উপন্যাস, যা নারীদের শিক্ষা ও আত্মমর্যাদা নিয়ে লেখা।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের অন্যান্য বিখ্যাত বই যেমন—<strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> বা <strong>অবরোধবাসিনী</strong>-এর সাথে এটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত একটি নারীবাদী উপন্যাস, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজের নারীদের শিক্ষা ও স্বাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মরাগ</strong> বেগম রোকেয়ার একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এটি ১৯২৪ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য হলো নারীর অধিকার ও মুক্তি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখা জরুরি যে বেগম রোকেয়ার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream) এবং <strong>অবরোধবাসিনী</strong> অন্যতম।</p>
<p>বেগম রোকেয়ার লেখালেখির জগতে তার পরিচিতি ছিল বেশ চমকপ্রদ। তিনি তার সাহিত্যকর্ম প্রকাশের সময় নিজের নামের পরিবর্তে স্বামীর নাম ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তার সাহিত্যিক পরিচয় হিসেবে <strong>মিসেস আর. এস. হোসেন</strong> নামটি বেছে নিয়েছিলেন।</li>
<li>এখানে <strong>আর. এস.</strong> বলতে তার স্বামী সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেনের নামের আদ্যক্ষরকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>তৎকালীন রক্ষণশীল সমাজে নারীদের লেখালেখিকে সহজভাবে গ্রহণ করা হতো না বলেই তিনি ছদ্মনামের আশ্রয় নিয়েছিলেন, যা পরবর্তীতে তার এক অনন্য পরিচিতি হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
৫২৭৮
বেনামে রচিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের গ্রন্থ কোনটি?
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বেনামে রচিত গ্রন্থটি হলো <strong>ব্রজবিলাস</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই তাঁর সমাজ সংস্কারমূলক অনেক লেখা বা বিতর্কিত বিষয়গুলো সরাসরি নিজের নামে প্রকাশ না করে ছদ্মনামে বা বেনামে প্রকাশ করতেন।</li>
<li>তৎকালীন সমাজ ও ধর্মের কুসংস্কার নিয়ে লেখা এই <strong>ব্রজবিলাস</strong> গ্রন্থটি তিনি বেনামেই প্রকাশ করেছিলেন, যাতে সরাসরি বিতর্কের মুখে পড়তে না হয়।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ বই তাঁর নিজের নামে থাকলেও, এই বিশেষ বইটি বেনামে প্রকাশের কারণেই এটি আলাদাভাবে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>বৈষ্ণব পদাবলির আদি রচয়িতা হলেন <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পদাবলি সাহিত্যের ধারায় বিদ্যাপতিকে 'মৈথিলি কোকিল' বলা হয় এবং তিনিই প্রথম এই ধারার পদ রচনা শুরু করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদ লিখলেও তার প্রভাব বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলির ওপর অপরিসীম।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির সূচনাপর্বে তার অবদানকে স্বীকৃতি দিয়েই তাকে এই ধারার আদি রচয়িতা হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদাবলির ঐতিহ্যের মূলে বিদ্যাপতির পদগুলোই প্রথম ভিত্তি স্থাপন করেছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবুলি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বৈষ্ণব পদাবলি মূলত মধ্যযুগের কবিদের সৃষ্টি, যারা রাধা-কৃষ্ণের লীলা বর্ণনায় এক বিশেষ কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা ব্যবহার করতেন।</p>
<ul>
<li><strong>ব্রজবুলি</strong> কোনো আঞ্চলিক কথ্য ভাষা নয়, বরং এটি মৈথিলি ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে তৈরি একটি কাব্যভাষা।</li>
<li>মহাকবি বিদ্যাপতি এই ভাষার প্রধান রূপকার, যা পরবর্তীকালে বাংলা বৈষ্ণব পদাবলি রচনায় ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বৈষ্ণব পদাবলির পদগুলো পড়ার সময় আমরা যে মিষ্টি ও ছন্দময় ভাষার স্বাদ পাই, সেটিই হলো ব্রজবুলি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।