eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫২৯৬

ভাষা-আন্দোলন ভিত্তিক ‘কবর’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা মুনীর চৌধুরীর এই বিখ্যাত নাটকটি বাংলা সাহিত্যের একটি মাইলফলক। এটি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ কৌশলটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>মুনীর চৌধুরী</strong> কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় ১৯৫৩ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে উপজীব্য করে লেখা এটিই ছিল প্রথম পূর্ণাঙ্গ নাটক।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখতে শুধু মনে রাখুন—<strong>ভাষা আন্দোলন + কারাগার = মুনীর চৌধুরীর ‘কবর’</strong>।</li>
</ul>

<p>এই নাটকটি তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে, যা আমাদের ভাষা সংগ্রামের ইতিহাসের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>
৫২৯৭

ভোরের পাখি কার ছদ্মনাম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা সাহিত্যে বিহারীলাল চক্রবর্তীকে <strong>'ভোরের পাখি'</strong> বলা হয়, কারণ:</p>

<ul>
<li>তিনি বাংলা গীতিকবিতার ধারায় এক নতুন ভোরের সূচনা করেছিলেন।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই তাকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>তার কবিতায় প্রকৃতি ও মানবমনের যে স্নিগ্ধতা ফুটে ওঠে, তা যেন ভোরের পাখির মতোই মিষ্টি ও প্রাণবন্ত।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে বিহারীলাল চক্রবর্তী বললেই আমাদের মাথায় সবার আগে 'ভোরের পাখি' নামটিই চলে আসে।</p>
৫২৯৮

মঙ্গলকাব্যের কবি নন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দাশু রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দাশু রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>

<p>মঙ্গলকাব্য মূলত মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি বিশেষ ধারা। এই ধারার কবিদের তালিকাটি নির্দিষ্ট কিছু নামের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। দাশু রায় মূলত মধ্যযুগের কবি নন, তিনি ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি, যিনি তাঁর <strong>পাঁচালি</strong> রচনার জন্য পরিচিত।</p>

<ul>
<li>মঙ্গলকাব্যের প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন কানাহরি দত্ত, মানিক দত্ত এবং ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।</li>
<li>দাশু রায় মঙ্গলকাব্য ধারার সাথে যুক্ত নন, তাই তিনি এই তালিকার বাইরের একজন কবি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মঙ্গলকাব্যের সময়কাল এবং দাশু রায়ের সাহিত্যিক ধারার মধ্যে পার্থক্য থাকায় তিনিই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
৫২৯৯

মঙ্গলকাব্যের ব্যক্তিত্বময়ী নারীচরিত্র---

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ফুল্লরা
ব্যাখ্যা:
<p>মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ব্যক্তিত্বময়ী নারীচরিত্র হলো <strong>ফুল্লরা</strong>। চণ্ডীমঙ্গলের আখেটিক খণ্ডে তার চরিত্রটি অত্যন্ত জীবন্ত ও বাস্তবসম্মতভাবে ফুটে উঠেছে।</p>

<ul>
<li><strong>স্বকীয়তা:</strong> ফুল্লরা কেবল একজন সাধারণ গৃহবধূ নন, বরং তার চরিত্রে ফুটে উঠেছে অসীম ধৈর্য, স্বামীর প্রতি গভীর ভালোবাসা এবং দারিদ্র্যের মধ্যেও মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার অদম্য সাহস।</li>
<li><strong>বাস্তবতা:</strong> তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের একজন সাধারণ নারীর জীবনসংগ্রাম, কষ্ট এবং সংসারের প্রতি তার যে মমত্ববোধ, তা ফুল্লরার চরিত্রের মাধ্যমে লেখক মুকুন্দরাম চক্রবর্তী অসাধারণ দক্ষতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li><strong>ব্যক্তিত্ব:</strong> কলিঙ্গ দেশের বনবাসের কঠিন পরিস্থিতিতেও সে যেভাবে নিজের সংসার আগলে রেখেছে, তা তাকে মঙ্গলকাব্যের অন্যান্য নারীচরিত্র থেকে আলাদা ও অনন্য করে তুলেছে।</li>
</ul>
৫৩০০

মঙ্গলযুগের সর্বশেষ কবির নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর
ব্যাখ্যা:
<p>মঙ্গলযুগের সর্বশেষ কবি হলেন <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য।</li>
<li>এই ধারার কবিদের মধ্যে ভারতচন্দ্রই ছিলেন শেষ বড় মাপের কবি, যিনি তার বিখ্যাত <strong>অন্নদামঙ্গল</strong> কাব্যের মাধ্যমে মঙ্গলকাব্যের ধারাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যান।</li>
<li>তার সময়কালকে মধ্যযুগের শেষ পর্যায় হিসেবে ধরা হয়, তাই তাকেই মঙ্গলযুগের সর্বশেষ কবি বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মঙ্গলকাব্যের দীর্ঘ ধারার সমাপ্তি ঘটেছিল ভারতচন্দ্রের হাত ধরেই। তাই যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি এলে চোখ বন্ধ করে <strong>ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
৫৩০১

মধযুগের কবি নন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জয়নন্দী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জয়নন্দী</strong>। কারণটা বেশ সহজ, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস অনুযায়ী জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, বরং তিনি ছিলেন প্রাচীন যুগের কবি।</p>

<ul>
<li><strong>জয়নন্দী:</strong> তিনি মূলত প্রাচীন যুগের কবি, যিনি 'রামচরিত' কাব্যের রচয়িতা সন্ধ্যাকর নন্দীর সমসাময়িক বা তার কাছাকাছি সময়ের একজন কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li><strong>অন্যান্য কবি:</strong> বড়ু চন্ডীদাস, গোবিন্দ দাস এবং জ্ঞান দাস—এই তিনজনই বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের পদাবলী সাহিত্যের বিখ্যাত কবি।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের সময়কাল সাধারণত ১৩৫০ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত ধরা হয়, যেখানে জয়নন্দীর সাহিত্যিক কর্মকাণ্ড এর অনেক আগের সময়ের। তাই তিনি মধ্যযুগের কবি নন।</p>
৫৩০২

মধুসূদন দত্ত রচিত ‘পত্রকাব্য’ হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বীরাঙ্গনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরাঙ্গনা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম এবং একমাত্র সার্থক <strong>পত্রকাব্য</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই কাব্যে পৌরাণিক নারীরা তাদের প্রিয়জনদের কাছে পত্র বা চিঠি লিখেছেন।</li>
<li>যেহেতু পুরো কাব্যটি চিঠির আকারে সাজানো, তাই একে পত্রকাব্য বলা হয়।</li>
<li>মধুসূদন দত্তের এই অনন্য সৃষ্টিতে মোট ১১টি পত্র বা কবিতা রয়েছে।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন: <strong>পত্রকাব্য = বীরাঙ্গনা</strong>। এটি ওভিদ (Ovid) রচিত 'হেরোইডস' (Heroides) কাব্যের অনুকরণে লেখা হয়েছে।</p>
৫৩০৩

মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পত্রকাব্য
৫৩০৪

মধুসূদন দত্ত রচিত ইতিহাস-আশ্রিত নাটক হচ্ছে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকুমারী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটিই একমাত্র ঐতিহাসিক নাটক।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের নাটকগুলোর মধ্যে <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong> রাজস্থানের ইতিহাসের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি বা বিয়োগান্তক নাটক হিসেবেও পরিচিত।</li>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো রাজস্থানের রাজকুমারী কৃষ্ণকুমারীর আত্মাহুতির করুণ কাহিনী, যা ইতিহাস থেকে নেওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
৫৩০৫

মধুসূদন দত্ত রচিত গীতিধর্মী রচনা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ব্রজাঙ্গনা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজাঙ্গনা</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি বিশেষ স্থান দখল করে আছে। কেন এটি গীতিধর্মী, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>

<ul>
<li><strong>ব্রজাঙ্গনা</strong> কাব্যটি মূলত রাধা-কৃষ্ণের বিরহ ও প্রেম নিয়ে রচিত, যা গীতি কবিতার প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত এই কাব্যে বৈষ্ণব পদাবলীর ভাবধারাকে নিজের মতো করে ফুটিয়ে তুলেছেন, যেখানে কবির ব্যক্তিগত আবেগ ও সুরের মূর্ছনা প্রাধান্য পেয়েছে।</li>
<li>যেহেতু এই কাব্যের প্রতিটি পঙক্তিতে সংগীতের মতো একটি লয় ও আবেগ কাজ করে, তাই একে নির্দ্বিধায় <strong>গীতিধর্মী রচনা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানে কবির মনের গভীর আবেগ ও সুরের প্রাধান্য থাকে, সেটিই গীতিধর্মী। আর মধুসূদনের লেখনীতে সেই শৈল্পিক ছোঁয়া <strong>ব্রজাঙ্গনা</strong> কাব্যেই সবচেয়ে বেশি ফুটে উঠেছে।</p>
৫৩০৬

মধ্যযুগের কোন অবাঙালি কবি বাংলা কবিতা লিখে বিখ্যাত হয়েছেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বিদ্যাপতি মূলত মিথিলার কবি ছিলেন, অর্থাৎ তার মাতৃভাষা ছিল মৈথিলি।</li>
<li>তিনি বাংলা ভাষায় সরাসরি না লিখে মৈথিলি ও বাংলার মিশ্রণে এক বিশেষ ভাষা তৈরি করেছিলেন, যাকে বলা হয় <strong>ব্রজবুলি</strong>।</li>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে তার রচিত পদগুলো এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, তিনি অবাঙালি হওয়া সত্ত্বেও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একজন অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে আছেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ব্রজবুলি ভাষার জনক হিসেবেই তিনি বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</p>
৫৩০৭

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্ম প্রচারকের প্রভাব অপরিসীম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা:
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে <strong>শ্রীচৈতন্যদেব</strong>-এর প্রভাব অপরিসীম। এর মূল কারণ হলো তাঁর প্রবর্তিত বৈষ্ণব ধর্ম ও ভক্তি আন্দোলন।</p>

<ul>
<li><strong>ভক্তিবাদের জোয়ার:</strong> শ্রীচৈতন্যদেবের প্রেম ও ভক্তির বাণী তৎকালীন বাংলা সাহিত্যকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল।</li>
<li><strong>পদাবলী সাহিত্য:</strong> তাঁর জীবন ও আদর্শকে কেন্দ্র করে প্রচুর পরিমাণে পদাবলী ও জীবনী সাহিত্য রচিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের ভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ করেছে।</li>
<li><strong>সাংস্কৃতিক জাগরণ:</strong> তাঁর সংকীর্তন ও মানবিক দর্শনের ফলে বাংলা ভাষায় ধর্মচর্চা সাধারণ মানুষের কাছে সহজবোধ্য হয়ে ওঠে, যা সাহিত্যের বিকাশে বড় ভূমিকা রাখে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনই মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যকে এক নতুন প্রাণশক্তি দিয়েছিল, যার ফলে বৈষ্ণব পদাবলী বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হয়ে ওঠে।</p>
৫৩০৮

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক-এর প্রভাব অপরিসীম?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শ্রীচৈতন্যদেব
ব্যাখ্যা:
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে <strong>শ্রীচৈতন্যদেব</strong>-এর প্রভাব অপরিসীম। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির জোয়ার এসেছিল।</li>
<li>তাঁর জীবন ও আদর্শকে ঘিরে অসংখ্য জীবনীকাব্য রচিত হয়েছে, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করে।</li>
<li>তাঁর প্রবর্তিত সংকীর্তন ও প্রেমধর্মের প্রভাব তৎকালীন কবিদের লেখায় এমনভাবে মিশে গিয়েছিল যে, পুরো মধ্যযুগীয় সাহিত্যই তাঁর ভাবধারায় প্রভাবিত হয়ে পড়ে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রীচৈতন্যদেবের আবির্ভাবের পর বাংলা সাহিত্যের মোড় ঘুরে গিয়েছিল, তাই তাঁকেই এই প্রভাবের মূল কেন্দ্রবিন্দু ধরা হয়।</p>
৫৩০৯

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলমান কবি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শাহ মুহাম্মদ সগীর
ব্যাখ্যা:
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে প্রথম মুসলমান কবি হলেন <strong>শাহ মুহাম্মদ সগীর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তিনি সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের রাজত্বকালে (চতুর্দশ শতাব্দীর শেষভাগ) তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ইউসুফ-জুলেখা'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনিই প্রথম মুসলিম কবি যিনি বাংলা ভাষায় কাব্যচর্চা শুরু করেছিলেন।</li>
<li>তার এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের পদচারণার সূচনা করে।</li>
</ul>
৫৩১০

মধ্যযুগের বাংলাভঅষা ও সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা:
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও প্রধান নিদর্শন হলো <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ:</p>

<ul>
<li><strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong> কাব্যটি বড়ু চণ্ডীদাস কর্তৃক রচিত, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মধ্যযুগের শুরুর দিকের একমাত্র নির্ভরযোগ্য দলিল।</li>
<li>১৯০৯ সালে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>এটি রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত একটি আখ্যান কাব্য, যা বাংলা ভাষার বিবর্তনের ধারা বুঝতে আমাদের দারুণ সাহায্য করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের সাহিত্যের আদি রূপ বা শুরুর বিন্দু হিসেবে <strong>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন</strong>-কেই সর্বজনস্বীকৃতভাবে ধরা হয়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।