<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে কিছু কবিতা লিখেছিলেন। এই কবিতাগুলো তিনি যে ছদ্মনামে প্রকাশ করতেন, সেটিই হলো <strong>ভানুসিংহ</strong>।</p>
<ul>
<li><strong>মূল নাম:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</li>
<li><strong>ছদ্মনাম:</strong> ভানুসিংহ</li>
<li><strong>সংগ্রহ:</strong> এই কবিতাগুলো পরবর্তীতে 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি' নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভানুসিংহ নামটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজেরই দেওয়া একটি সাহিত্যিক পরিচয়, যা তিনি তরুণ বয়সে ব্যবহার করতেন।</p>
১. ভানুসিংহ কার ছদ্মনাম - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। ২. প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম - বীরবল। ৩. কিশোর কবি কার উপাধি? - সুকান্ত ভট্টাচার্য। ৪. কে শিশু সাহিত্যিক হিসেবে সমাদৃত? - হাবিবুর রহমান। ৫. বাংলা সাহিত্যে স্বভাব কবি হিসেবে পরিচিত - গোবিন্দচন্দ্র দাস। ৬. সমাজ ও সমাধান গ্রন্থটি কার লেখা? - মোহাম্মদ আকরাম খাঁ। ৭. বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মহিলা কবি কে? - সুফিয়া কামাল। ৮. বাংলার নারী শিক্ষা প্রসারের অগ্রদূত - বেগম রোকেয়া। ৯. বাংলা সাহিত্যে "সাহিত্য বিশারদ" কার উপাধি? - আব্দুল করিম। ১০. বাংলা সাহিত্যে ছন্দের জাদুকর বলা হয় - সত্যেন্দ্রনাথ দত্তকে। ১১. বাংলা সাহিত্যে ভোরের পাখি বলা হয় - বিহারীলাল চক্রবর্তীকে। ১২. পল্লীকবি উপাধি কার? - জসীমউদ্দিন। ১৩. বাংলা কবিতার আধুনিক প্রবর্তক কে? - মাইকেল মধুসূদন দত্ত। ১৪. অপরাজেয় কথাশিল্পী কার ছদ্মনাম? - শরৎচন্দ্র চট্টপাধ্যায়। ১৫. সাহিত্য সম্রাট বলা হয় কাকে? - বঙ্কিমচন্দ্র চট্টপাধ্যায়কে।
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে বেশ কিছু পদাবলী লিখেছিলেন, যা তিনি বৈষ্ণব কবিদের অনুকরণে তৈরি করেছিলেন। এই কবিতাগুলো তিনি <strong>'ভানুসিংহ'</strong> ছদ্মনামে প্রকাশ করতেন।</p>
<ul>
<li><strong>ভানু</strong> শব্দের অর্থ হলো সূর্য।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেকে এই নামে পরিচয় দিয়ে অনেক বিখ্যাত কবিতা ও গান রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তাঁর এই ছদ্মনামটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ পরিচিত এবং এটি মূলত তাঁর কিশোর বয়সের সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণনগর রাজসভা</strong>। ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি, যিনি মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার সভাকবি হিসেবে পরিচিত ছিলেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ভারতচন্দ্র তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong> মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্রের অনুরোধেই রচনা করেছিলেন।</li>
<li>এই কাব্য রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ মহারাজ তাঁকে <strong>'রায়গুণাকর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
<li>তাই ইতিহাসের পাতায় তিনি কৃষ্ণনগর রাজসভার কবি হিসেবেই সবচেয়ে বেশি সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি।</p>
<ul>
<li>তিনি নদীয়ার রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের রাজসভার সভাকবি হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'অন্নদামঙ্গল'</strong> তিনি রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের পৃষ্ঠপোষকতায় রচনা করেছিলেন।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নাম ভারতচন্দ্রের কাব্যচর্চার সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে, তাই এই তথ্যটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
<p>ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা হলো <strong>'কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি'</strong>। এটি লিখেছেন প্রখ্যাত কবি <strong>মাহবুব উল আলম চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করো:</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ছাত্রহত্যার প্রতিবাদে তাৎক্ষণিকভাবে এই কবিতাটি রচিত হয়েছিল।</li>
<li>এটি কেবল একটি কবিতাই নয়, বরং ভাষা আন্দোলনের প্রথম প্রতিবাদী দলিল হিসেবেও স্বীকৃত।</li>
<li>কবিতাটি সেই উত্তাল সময়ে জনমনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল এবং আন্দোলনের চেতনাকে আরও বেগবান করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের প্রথম কবিতা হিসেবে এটিই ইতিহাসের পাতায় অমর হয়ে আছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>স্মৃতিস্তম্ভ</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা <strong>'স্মৃতিস্তম্ভ'</strong> কবিতাটি আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত। এই কবিতায় ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং আন্দোলনের স্মৃতিকে অত্যন্ত চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তাই ভাষা আন্দোলন নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে এই কবিতাটির নাম সবার আগে মনে রাখা জরুরি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কবর</strong>। এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি নাটক।</p>
<ul>
<li><strong>নাট্যকার:</strong> এই নাটকটি লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক <strong>মুনীর চৌধুরী</strong>।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> নাটকটি ভাষা আন্দোলনের শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীকী রূপ হিসেবে পরিচিত, যা তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে নাট্যরূপ দিতে <strong>কবর</strong> নাটকটিই সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী কাজ হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত মুনীর চৌধুরীর কালজয়ী নাটক হলো <strong>কবর</strong>। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় তিনি এই নাটকটি লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহীদদের স্মরণে এবং ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করে এটি রচিত।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও প্রভাবশালী নাটক, যা সরাসরি ভাষা আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।</li>
<li><strong>সহজ মনে রাখার উপায়:</strong> ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই মুনীর চৌধুরী এই নাটকটির নাম দিয়েছিলেন <strong>কবর</strong>, যা সেই সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
৫২৯১
ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত জহির রায়হানের গ্রন্থটির নাম কী?
<p>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জহির রায়হানের কালজয়ী উপন্যাস হলো <strong>আরেক ফাল্গুন</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>আরেক ফাল্গুন</strong> উপন্যাসে ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলোর বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>জহির রায়হান অত্যন্ত নিপুণভাবে তৎকালীন ছাত্রসমাজ ও সাধারণ মানুষের আবেগকে এই গ্রন্থে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত, যা আমাদের ভাষা সংগ্রামের ইতিহাসকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।</li>
</ul>
৫২৯২
ভাষা আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত মুনীরি চৌধুরীর নাটক কোনটি?
<p>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত মুনীর চৌধুরীর কালজয়ী নাটকটি হলো <strong>কবর</strong>। এই নাটকটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল সময়ে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় মুনীর চৌধুরী এই নাটকটি রচনা করেন।</li>
<li><strong>মূল বিষয়বস্তু:</strong> নাটকটিতে ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগের চিত্র এবং তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর অমানবিক আচরণের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ ফুটে উঠেছে।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এটি বাংলা নাট্যসাহিত্যে ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাটক হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও শহীদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা মুনীর চৌধুরীর একমাত্র নাটকই হলো <strong>কবর</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আরেক ফাল্গুন</strong>। ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ একটি উপন্যাস।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>আরেক ফাল্গুন</strong> উপন্যাসটি লিখেছেন প্রখ্যাত লেখক <strong>জহির রায়হান</strong>।</li>
<li>১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের উত্তাল দিনগুলো এবং এর পরবর্তী প্রভাবকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসের কাহিনি আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের চেতনাকে ধারণ করা উপন্যাসগুলোর মধ্যে এটি সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলন নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে <strong>আরেক ফাল্গুন</strong>-এর কথা মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষার উন্নয়ন ও গবেষণার জন্য ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় <strong>বাংলা একাডেমি</strong>। এর পেছনের মূল কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ভাষা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান দাবি ছিল বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেওয়া।</li>
<li>এই দাবিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে এবং বাংলা ভাষার চর্চা ও গবেষণাকে এগিয়ে নিতে একটি কেন্দ্রীয় প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন ছিল।</li>
<li>সেই লক্ষ্যেই তৎকালীন সরকার বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়, যা আজ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রধান অভিভাবক হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভাষার অধিকার আদায়ের আন্দোলনের ফসল হিসেবেই এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়েছে।</p>
<p>ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা ভাষার ব্যাকরণ চর্চায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই বইটি ১৯৩৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা ভাষার বৈজ্ঞানিক ও ভাষাতাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক।</li>
<li>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ভাষাতত্ত্বের একজন দিকপাল, তাই তার লেখা এই ব্যাকরণটি আজও শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।