eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৪৩১

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সময়কাল -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৬১ - ১৯৪১
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ও মৃত্যু সাল মনে রাখা খুব সহজ। তিনি ১৮৬১ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। এই সময়কালটি মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল অবলম্বন করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>জন্ম:</strong> ১৮৬১ সাল (এটি মনে রাখুন এভাবে যে, তিনি ঊনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ের শেষের দিকে জন্মেছিলেন)।</li>
<li><strong>মৃত্যু:</strong> ১৯৪১ সাল (তিনি বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে পরলোকগমন করেন)।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৬১ - ১৯৪১</strong>। এই সময়কালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই দীর্ঘ সময়েই তিনি তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলো উপহার দিয়েছেন।</p>
৫৪৩২

রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসেন কত সালে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1926
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন <strong>১৯২৬</strong> সালে। এই ঘটনাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত স্মরণীয় মুহূর্ত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমন্ত্রণে প্রথমবার ঢাকা সফরে আসেন <strong>১৯২৬</strong> সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।</li>
<li>সে সময় তিনি কার্জন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দিয়েছিলেন।</li>
<li>তার এই সফরটি তৎকালীন ঢাকার সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল।</li>
</ul>
৫৪৩৩

রবীন্দ্রনাথ যে নাটকটি শরৎচন্দ্রকে উৎসর্গ করেন -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কালের যাত্রা
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিখ্যাত নাটক <strong>'কালের যাত্রা'</strong> শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে উৎসর্গ করেছিলেন। এই উৎসর্গপত্রটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এর মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ শরৎচন্দ্রের প্রতি তাঁর গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছিলেন।</p>

<ul>
<li><strong>নাটকের নাম:</strong> কালের যাত্রা।</li>
<li><strong>উৎসর্গকারী:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।</li>
<li><strong>যাকে উৎসর্গ করা হয়:</strong> শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, রবীন্দ্রনাথের শেষ দিকের সৃষ্টিগুলোর মধ্যে 'কালের যাত্রা' অন্যতম, যা তিনি তাঁর সমসাময়িক জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্রকে সম্মান জানিয়ে উৎসর্গ করেছিলেন।</p>
৫৪৩৪

রবীন্দ্রনাথ রচিত 'কাবুলীওয়ালা' গল্পে কাবুলীওয়ালার নিজ দেশ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আফগানিস্তান
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী ছোটগল্প 'কাবুলীওয়ালা'-র মূল চরিত্র রহমতের বাড়ি ছিল আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে। গল্পের নাম থেকেই বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়।</p>

<ul>
<li>গল্পের নাম 'কাবুলীওয়ালা' মানেই হলো কাবুলের বাসিন্দা।</li>
<li>ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী কাবুল শহরটি <strong>আফগানিস্তান</strong> রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>গল্পের কাহিনীতে রহমত তার নিজ দেশ আফগানিস্তানের কথা এবং তার মেয়ের কথা বারবার উল্লেখ করেছে, যা আমাদের এই বিষয়টি নিশ্চিত করে।</li>
</ul>
৫৪৩৫

রবীন্দ্রনাথের ‘ক্ষুধিত পাষাণ’ এর একটি চরিত্র -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মেহের আলি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মেহের আলি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত ছোটগল্প ‘ক্ষুধিত পাষাণ’-এর প্রেক্ষাপট ও রহস্যময় পরিবেশের সাথে এই চরিত্রটি ওতপ্রোতভাবে জড়িত।</p>

<ul>
<li>গল্পের মূল রহস্যময় আবহ তৈরিতে মেহের আলির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li>সে একজন উন্মাদ বা পাগল প্রকৃতির চরিত্র, যে সারাক্ষণ চিৎকার করে বলে বেড়ায়, <strong>“তফাত যাও, তফাত যাও!”</strong>।</li>
<li>গল্পের ভৌতিক বা অতিলৌকিক পরিবেশের সাথে তার এই সতর্কবার্তা পাঠককে গল্পের গভীরে নিয়ে যায়, যা এই চরিত্রটিকে অবিস্মরণীয় করে রেখেছে।</li>
</ul>
৫৪৩৬

রবীন্দ্রনাথের ‘গীতাঞ্জলি' কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদ করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যগ্রন্থের ইংরেজি অনুবাদের নাম হলো ‘Song Offerings’। এই বিখ্যাত অনুবাদটি স্বয়ং <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong> নিজেই করেছিলেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li>১৯১২ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন ইংল্যান্ডে যান, তখন তিনি তাঁর নিজের কবিতার ইংরেজি অনুবাদগুলো সাথে নিয়ে গিয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর এই ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমেই তিনি বিশ্বসাহিত্যে পরিচিতি পান এবং ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।</li>
<li>তাই মনে রাখবেন, গীতাঞ্জলির ইংরেজি রূপান্তর কোনো বিদেশি অনুবাদক নয়, বরং কবি নিজেই সম্পন্ন করেছিলেন।</li>
</ul>
৫৪৩৭

রবীন্দ্রনাথের 'বলাকা' কাব্যে ব্যবহৃত ছন্দের নাম :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুক্তক ছন্দ
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বলাকা' কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তক ছন্দ</strong>।</p>

<p>এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'বলাকা' কাব্যে রবীন্দ্রনাথ প্রথাগত ছন্দের ধরাবাঁধা নিয়ম ভেঙে এক ধরনের গতিময়তা তৈরি করেছেন।</li>
<li>এখানে ছন্দের পর্বগুলো দৈর্ঘ্যে সমান নয়, বরং ভাবের প্রয়োজনে ছোট-বড় হয়েছে।</li>
<li>এই বিশেষ ছন্দশৈলীকেই বলা হয় <strong>মুক্তক ছন্দ</strong>, যা মূলত রবীন্দ্রনাথের নিজস্ব উদ্ভাবন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কবিতার ভাব যখন ছন্দের শৃঙ্খল ভেঙে মুক্ত হয়ে ছুটে চলে, তখনই তাকে আমরা মুক্তক ছন্দ বলি। 'বলাকা'র কবিতায় এই গতির ছন্দই প্রধান বৈশিষ্ট্য।</p>
৫৪৩৮

রবীন্দ্রনাথের ‘সোনার তরী’ কবিতা কোন ছন্দে রচিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাত্রাবৃত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সোনার তরী’ কবিতাটি মূলত <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দে রচিত। এই ছন্দটি বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর ধ্বনি বা মাত্রার বিন্যাস।</p>

<ul>
<li>মাত্রাবৃত্ত ছন্দে প্রতিটি শব্দের মাত্রা গণনা করা হয় এবং এখানে ধ্বনির পরিমাপ বা লয় খুব সুনির্দিষ্ট থাকে।</li>
<li>‘সোনার তরী’ কবিতার প্রতিটি পঙক্তি পড়ার সময় আমরা এক ধরনের ধীরস্থির ও সুষম ছন্দ অনুভব করি, যা মাত্রাবৃত্তের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>সহজ কথায়, এই ছন্দে মুক্তদল ও বদ্ধদল উভয়ই নির্দিষ্ট মাত্রায় গণনা করা হয়, যা কবিতার গাম্ভীর্য ও সুরকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>

<p>তাই রবীন্দ্রনাথের এই কালজয়ী সৃষ্টিটি ছন্দবিচারে নিখুঁতভাবে <strong>মাত্রাবৃত্ত</strong> ছন্দের অন্তর্ভুক্ত।</p>
৫৪৩৯

রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
৫৪৪০

রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘শেষের কবিতা’ একটি :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>‘শেষের কবিতা’</strong> নাম শুনে অনেকেই একে কবিতা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু আসলে এটি একটি কালজয়ী <strong>উপন্যাস</strong>।</p>

<ul>
<li>বইটির নামের সাথে ‘কবিতা’ শব্দটি থাকলেও, এটি মূলত অমিত ও লাবণ্যের প্রেমকাহিনি নিয়ে লেখা একটি গদ্যধর্মী আখ্যান।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ নিজেই একে উপন্যাস হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যেখানে তিনি আধুনিক প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি সার্থক <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
</ul>
৫৪৪১

রশীদ হায়দারের 'খাঁচায়' উপন্যাসের পটভূমি হলো :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা:
<p>রশীদ হায়দারের <strong>'খাঁচায়'</strong> উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো <strong>মুক্তিযুদ্ধ</strong>। এই উপন্যাসে লেখক ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোর বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছেন।</p>

<ul>
<li>উপন্যাসটিতে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সাধারণ মানুষের জীবনের টানাপোড়েন ও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মূলত অবরুদ্ধ সময়ের মানসিক যন্ত্রণা এবং বেঁচে থাকার লড়াইকে কেন্দ্র করেই এই উপন্যাসের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই মনে রাখা যায়, রশীদ হায়দারের এই কালজয়ী সৃষ্টিটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অনন্য দলিল।</p>
৫৪৪২

রশীদ হায়দারের 'খাঁচায়' উপন্যাসের পটভূমি হলো :

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
৫৪৪৩

রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>। রাজা রামমোহন রায় ১৮৩৩ সালে এই বিখ্যাত ব্যাকরণ গ্রন্থটি রচনা করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম সার্থক ব্যাকরণ গ্রন্থ।</li>
<li>বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে নিয়ে আসার জন্য তিনি এটি লিখেছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই নামটা মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
৫৪৪৪

রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গৌড়ীয় ব্যাকরণ
ব্যাখ্যা:
<p>রাজা রামমোহন রায়ের লেখা বিখ্যাত বাংলা ব্যাকরণটির নাম হলো <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>। এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৩৩ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> তিনি চেয়েছিলেন ইংরেজি শিক্ষিত বাঙালিদের জন্য বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল নিয়মের মধ্যে নিয়ে আসতে।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> সংস্কৃত ব্যাকরণের আদলে লেখা হলেও, এতে বাংলা ভাষার নিজস্ব গঠন ও প্রকৃতিকে তিনি দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
৫৪৪৫

রানার' কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকান্ত ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>

<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি'। তাঁর লেখা <strong>'রানার'</strong> কবিতাটি মূলত একজন ডাকপিওনের জীবনের কঠিন বাস্তবতাকে তুলে ধরে। এই কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'ছাড়পত্র'</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>

<ul>
<li>কবি: সুকান্ত ভট্টাচার্য</li>
<li>কাব্যগ্রন্থ: ছাড়পত্র</li>
<li>মূল বিষয়: ডাকপিওনের নিরলস পরিশ্রম ও দায়িত্ববোধ</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—<strong>'রানার'</strong> মানেই <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।