<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কবীন্দ্র পরমেশ্বর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কবীন্দ্র পরমেশ্বর মূলত মহাভারতের অনুবাদের জন্য বিখ্যাত।</p>
<ul>
<li><strong>কবীন্দ্র পরমেশ্বর:</strong> তিনি সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের আদেশে মহাভারতের কাহিনী অবলম্বনে 'পাণ্ডববিজয়' বা 'কবীন্দ্র মহাভারত' রচনা করেছিলেন।</li>
<li><strong>অন্যান্যরা:</strong> কৃত্তিবাস ওঝা রামায়ণের অনুবাদক হিসেবে পরিচিত, নিত্যানন্দ আচার্য রামায়ণের অনুবাদ করেছেন এবং চন্দ্রাবতী রামায়ণের একটি বিশেষ সংস্করণ (চন্দ্রাবতীর রামায়ণ) রচনা করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই রামায়ণের অনুবাদক হিসেবে কবীন্দ্র পরমেশ্বরের নাম আসে না, কারণ তিনি মহাভারতের অনুবাদক হিসেবেই বেশি পরিচিত।</p>
<p>রামায়ণের রচয়িতা হিসেবে মহর্ষি বাল্মীকিকে আমরা চিনি, যিনি আদি জীবনে <strong>রত্নাকর দস্যু</strong> নামে পরিচিত ছিলেন। এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>পুরাণ মতে, দস্যুবৃত্তি ছেড়ে তপস্যা করার পর রত্নাকর দস্যু 'বাল্মীকি' নাম ধারণ করেন।</li>
<li>সংস্কৃত ভাষায় রামায়ণের মূল রচয়িতা তিনিই।</li>
<li>সাহিত্য ও ইতিহাসের পাতায় রত্নাকর দস্যুর এই রূপান্তরটি একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও শিক্ষণীয় ঘটনা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>রত্নাকর দস্যু</strong>।</p>
<p>রামায়ণের রচয়িতা হলেন <strong>বাল্মিকী</strong>। এটি একটি মহাকাব্য, যা সংস্কৃত ভাষায় রচিত। বাল্মিকী মুনিকে 'আদিকবি' বলা হয়, কারণ তিনিই প্রথম শ্লোক বা ছন্দের মাধ্যমে এই মহাকাব্যটি রচনা করেছিলেন।</p>
<ul>
<li>রামায়ণের মূল কাহিনী শ্রীরামচন্দ্রের জীবন ও আদর্শকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে।</li>
<li>বাল্মিকী মুনি এই মহাকাব্যটি ২৪,০০০ শ্লোকের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছিলেন।</li>
<li>ভারতীয় সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রাচীন গ্রন্থ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়</strong>।</p>
<p>বিষয়টা আসলে খুব সহজ। এটি চর্যাপদের একটি বিখ্যাত পঙক্তি। প্রাচীন বাংলা ভাষার রূপ ও শব্দচয়ন বোঝার জন্য এই লাইনটি গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সরাসরি শব্দের অর্থগুলো এভাবে কাজ করে:</p>
<ul>
<li><strong>রুক্ষ</strong> বা <strong>রুখের</strong> মানে হলো গাছ।</li>
<li><strong>তেস্তুলি</strong> মানে হলো তেঁতুল।</li>
<li><strong>কুমীরে খাই</strong> মানে হলো কুমিরে খায়।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, আক্ষরিক অর্থেই গাছের তেঁতুল কুমিরে খাচ্ছে—এমন একটি অদ্ভুত বা অসম্ভব পরিস্থিতির কথা এখানে বলা হয়েছে। তাই এই পঙক্তিটির অর্থ সরাসরি <strong>গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়</strong> হিসেবেই গণ্য করা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় 'রূপসী বাংলার কবি'। এর কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ এবং গ্রামবাংলার রূপ অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামই হলো <strong>'রূপসী বাংলা'</strong>।</li>
<li>বাংলার সাধারণ দৃশ্যপটকে তিনি যেভাবে মায়াবী ও রহস্যময় করে তুলে ধরেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে অনন্য।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'রূপসী বাংলার কবি'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>-কে বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! জীবনানন্দ দাশকে কেন 'রূপসী বাংলার কবি' বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>তিনি তাঁর কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ এবং সাধারণ জনজীবনের রূপকে অত্যন্ত মায়াবী ও নিবিড়ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নামই হলো <strong>'রূপসী বাংলা'</strong>, যেখানে তিনি বাংলার চিরায়ত সৌন্দর্যকে অমর করে রেখেছেন।</li>
<li>বাংলার গ্রাম, ধানসিঁড়ি নদী আর শঙ্খচিলের মতো অনুষঙ্গগুলো তাঁর লেখায় এমনভাবে মিশে আছে যে, তাঁকে বাংলার রূপের জাদুকর বা রূপসী বাংলার কবি হিসেবেই সবাই চেনে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নক্সী কাঁথার মাঠ</strong>। জসীমউদ্দীনের এই কালজয়ী কাব্যগ্রন্থের মূল চরিত্র হলো রূপাই।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>নক্সী কাঁথার মাঠ</strong> কাব্যগ্রন্থটি মূলত রূপাই এবং সাজুর প্রেম ও বিরহের করুণ কাহিনী নিয়ে রচিত।</li>
<li>রূপাই এই কাব্যের প্রধান পুরুষ চরিত্র, যে তার অসাধারণ লাঠি খেলার দক্ষতার জন্য গ্রামজুড়ে পরিচিত ছিল।</li>
<li>পল্লীকবি জসীমউদ্দীন তার এই কাব্যে রূপাইয়ের জীবন ও গ্রামীণ পটভূমিকে অত্যন্ত জীবন্তভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রূপাইয়ের নাম শুনলেই আমাদের মনে পড়বে <strong>নক্সী কাঁথার মাঠ</strong>-এর সেই গ্রামবাংলার চিরচেনা দৃশ্যপট।</p>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত নারীবাদী সায়েন্স ফিকশন বা উপন্যাস হলো <strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> (Sultana's Dream)। এটি মূলত ১৯০৫ সালে ইংরেজিতে লেখা একটি কালজয়ী রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>সুলতানার স্বপ্ন</strong> হলো রোকেয়া সাখাওয়াতের সবচেয়ে আলোচিত ও জনপ্রিয় সাহিত্যকর্ম।</li>
<li>এই উপন্যাসে তিনি এমন এক স্বপ্নের জগতের বর্ণনা দিয়েছেন যেখানে নারীরা সমাজ পরিচালনা করেন এবং পুরুষরা অন্দরমহলে থাকেন।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই এটি মনে রাখা খুব জরুরি।</li>
</ul>
<p>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের বিখ্যাত উপন্যাস হলো <strong>পদ্মরাগ</strong>। এটি মূলত ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থটি নারীদের অধিকার, শিক্ষা এবং সামাজিক অবস্থানের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়ার সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>পদ্মরাগ</strong> একটি অন্যতম সামাজিক উপন্যাস।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—রোকেয়ার নারীবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটেছে এই <strong>পদ্মরাগ</strong> গ্রন্থে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘মতিচুর’ মূলত নারী জাগরণ ও সমাজ সংস্কারমূলক প্রবন্ধের একটি সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘মতিচুর’ কোনো কাল্পনিক গল্প বা নাটক নয়, বরং এটি রোকেয়া সাখাওয়াতের চিন্তাশীল ও যুক্তিনির্ভর লেখার সমষ্টি।</li>
<li>এই বইটিতে তিনি তৎকালীন সমাজের কুসংস্কার এবং নারীর অধিকার নিয়ে অত্যন্ত বলিষ্ঠ ভাষায় আলোচনা করেছেন, যা প্রবন্ধ সাহিত্যের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি কালজয়ী <strong>প্রবন্ধ গ্রন্থ</strong> হিসেবেই স্বীকৃত।</li>
</ul>
৫৪৫৬
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘সুলতানার স্বপ্ন’ কোন ধরনের গ্রন্থ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ‘সুলতানার স্বপ্ন’ বা ‘Sultana's Dream’ মূলত একটি নারীবাদী কল্পবিজ্ঞানধর্মী উপন্যাস।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি কাল্পনিক গল্পের আদলে লেখা, যেখানে নারীদের শাসিত একটি স্বপ্নের জগতের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।</li>
<li>সাহিত্যের গঠনশৈলী এবং কাহিনি বিন্যাসের দিক থেকে এটিকে একটি সার্থক <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম দিকের নারীবাদী সায়েন্স ফিকশন বা কল্পবিজ্ঞানমূলক উপন্যাস হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ ফয়জুল্লাহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ শেখ ফয়জুল্লাহ মূলত মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি, যিনি তাঁর <strong>'গোরক্ষ বিজয়'</strong> কাব্যের জন্য বিখ্যাত।</p>
<ul>
<li>শেখ ফয়জুল্লাহর সাহিত্যকর্ম প্রধানত নাথ সাহিত্য ও ধর্মীয় আখ্যানের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>অন্যদিকে, রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার কবিদের তালিকায় কোরেশী মাগন ঠাকুর, দোনা গাজী চৌধুরী এবং শাহ বারিদ খানের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</li>
<li>তাই সাহিত্যের ধারা অনুযায়ী শেখ ফয়জুল্লাহ রোমান্টিক কাব্যের কবি নন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পদ্মাবতী</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভার অবদান ছিল অপরিসীম। এই রাজসভার রাজকর্মচারী মাগন ঠাকুরের অনুরোধে কবি আলাওল তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>পদ্মাবতী</strong> রচনা করেন।</p>
<ul>
<li><strong>পদ্মাবতী</strong> কাব্যটি মূলত হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীর 'পদুমাবৎ' অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।</li>
<li>আরাকান রাজসভার পৃষ্ঠপোষকতায় কবি আলাওল এই মহাকাব্যটি লিখেছিলেন, যা সে সময়ের বাংলা সাহিত্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</li>
</ul>
<p>এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন D: কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল ব্যবহার করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>রোহিনী:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'কৃষ্ণকান্তের উইল'</strong>-এর প্রধান নারী চরিত্র।</li>
<li><strong>বিনোদিনী:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী উপন্যাস <strong>'চোখের বালি'</strong>-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।</li>
<li><strong>কিরণময়ী:</strong> শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অন্যতম আলোচিত উপন্যাস <strong>'চরিত্রহীন'</strong>-এর প্রধান নারী চরিত্র।</li>
</ul>
<p>এই তিনটি চরিত্রই বাংলা সাহিত্যের তিনটি ভিন্ন ধারার উপন্যাসের প্রতিনিধিত্ব করে। তাই এই তিনটি নাম একত্রে থাকলে চোখ বন্ধ করে <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন</strong> সেটটি বেছে নিতে পারেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।