<p>‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক কাজগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বই।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাতত্ত্বের একজন দিকপাল।</li>
<li>বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল, যা এই বইটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির শিরোনামটি একবার ভালো করে দেখে নিলেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘বাঁধন হারা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এটি নজরুলের লেখা প্রথম প্রকাশিত <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>১৯২১ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গল্পটি মূলত পত্রোপন্যাস বা চিঠিপত্রের মাধ্যমে এগিয়েছে, যা সে সময়ের বাংলা সাহিত্যে বেশ নতুন একটি ধারা ছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে ‘বাঁধন হারা’ নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে একে <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে দাগিয়ে দেবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রোপন্যাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘বাঁধন হারা’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা পুরোপুরি <strong>চিঠিপত্রের</strong> মাধ্যমে এগিয়েছে।</li>
<li>যে উপন্যাসের কাহিনী বা ঘটনাপ্রবাহ বিভিন্ন চরিত্রের লেখা চিঠির আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে, তাকেই বলা হয় <strong>পত্রোপন্যাস</strong>।</li>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম এই উপন্যাসে বিভিন্ন চরিত্রের আবেগ ও চিন্তাগুলোকে চিঠির আকারে ফুটিয়ে তুলেছেন, তাই এটি একটি সার্থক পত্রোপন্যাস।</li>
</ul>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'বাঁধনহারা'</strong> হলো তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এটি মূলত একটি পত্রোপন্যাস, যেখানে চিঠিপত্রের আদান-প্রদানের মাধ্যমে গল্পের কাহিনী এগিয়েছে।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> পত্রোপন্যাস (উপন্যাস)।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৭ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>নজরুল মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, তাঁর এই গদ্যধর্মী কাজটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। তাই যখনই 'বাঁধনহারা'-র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে এটিকে <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে মনে রাখবেন!</p>
৫৮৫৫
‘বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়াইয়া পড়িয়া থাকে’ - উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন রচনার অংশবিশেষ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌবনের কথা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত প্রবন্ধটি মূলত তারুণ্যের শক্তি ও উদ্দীপনাকে নিয়ে লেখা।</p>
<p>এই উক্তিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ:</p>
<ul>
<li>নজরুল এখানে যৌবনকে কেবল বয়সের মাপকাঠিতে দেখেননি, বরং একে দেখেছেন একটি <strong>সৃজনশীল ও প্রগতিশীল শক্তি</strong> হিসেবে।</li>
<li>তার মতে, যারা জরাজীর্ণ অতীত, মিথ্যা সংস্কার এবং স্থবিরতাকে আঁকড়ে ধরে রাখে, তারাই আসলে বার্ধক্যের প্রতীক।</li>
<li>যৌবন মানেই হলো নতুনকে বরণ করে নেওয়া এবং সত্যের পথে নির্ভীকভাবে এগিয়ে চলা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুল এখানে বুঝিয়েছেন যে, বয়স বাড়লেই মানুষ বৃদ্ধ হয় না; বরং যখন কেউ নতুন কিছু করার সাহস হারিয়ে ফেলে এবং পুরনো ধ্যান-ধারণায় আটকে থাকে, তখনই তার মধ্যে বার্ধক্য ভর করে।</p>
৫৮৫৬
‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ -এর সম্পাদক কে?
<p>‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’-এর সম্পাদক হলেন <strong>আহমদ শরীফ</strong>। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ অভিধানটি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তিনি প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই অভিধানটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সহজবোধ্য ও সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>আহমদ শরীফ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক এবং ভাষাবিদ ছিলেন, যার সম্পাদনায় এই অভিধানটি একটি নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে বিদ্যাসাগর মশাইয়ের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল ও শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।</li>
<li>তার লেখা 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' এবং 'শকুন্তলা'র মতো বইগুলো বাংলা গদ্যকে সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী ও সাবলীল করে তোলে।</li>
<li>বাংলা বর্ণমালার আধুনিকীকরণ এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যের ভিত শক্ত করেছিলেন, তাই তাকেই বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।</li>
</ul>
৫৮৫৮
‘বাংলা নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম’ কোন জেলায়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রংপুর</strong>। বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার <strong>রংপুর</strong> জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে আজীবন কাজ করে গেছেন, তাই তাকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, তার জন্মস্থান রংপুর জেলাকে কেন্দ্র করেই তার শৈশব ও প্রাথমিক জীবন অতিবাহিত হয়েছিল।</p>
<p>‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বইটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক কাজগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত।</li>
<li>তাঁর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বুঝতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মৌলিক আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
৫৮৬০
‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থের রচয়িতার নাম -
<p>‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা ভাষাতত্ত্বের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কালজয়ী গবেষণামূলক গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই বইটি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি এবং এর বিবর্তনের ইতিহাস নিয়ে লেখা।</li>
<li>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ভাষাতত্ত্বের একজন দিকপাল, তাই বাংলা ভাষার গঠন নিয়ে তাঁর এই কাজটি আজও গবেষকদের কাছে প্রধান রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই ‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ নিয়ে প্রশ্ন আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন।</li>
</ul>
<p>‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক, যার গবেষণালব্ধ জ্ঞান এই বইটিকে বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অপরিহার্য পাঠ্য করে তুলেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
<p>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রহমান</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান এই কবি তাঁর লেখনীতে দেশপ্রেম ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রহমান মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মানুষের স্বপ্নের কথা তাঁর কবিতায় বারবার তুলে ধরেছেন।</li>
<li>তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণে প্রায়ই দেশ ও মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পায়, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই বইটি।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের সাথে কবির মূল ভাবধারার মিল খুঁজে নিলে বিষয়টি দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>
<p>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রাহমান</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট খুব স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ নামটি থেকেই বোঝা যায়, এটি মূলত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই কবির নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>‘বাংলাদেশে’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি এবং রবীন্দ্র-পরবর্তী ধারার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অমিয় চক্রবর্তী তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম এবং প্রকৃতির এক অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের গভীরতা এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার শিরোনামগুলো একটি তালিকার মাধ্যমে বারবার রিভিশন দিলে খুব সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
<p>‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ কবিতাটি বিখ্যাত কবি <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>-এর লেখা। এটি মূলত তার দেশপ্রেম ও মাটি-মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নির্মলেন্দু গুণ তার কাব্যিক ভাষায় বাংলার প্রকৃতি ও মাটির কথা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলেন।</li>
<li>তার লেখায় সবসময়ই বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও সংগ্রামের ছাপ স্পষ্ট থাকে, যা এই কবিতার মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।