eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৮৫১

‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের রচয়িতা -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন <strong>মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক কাজগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ বই।</p>

<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন ভাষাতত্ত্বের একজন দিকপাল।</li>
<li>বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ নিয়ে তাঁর গভীর পাণ্ডিত্য ছিল, যা এই বইটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে বইটির শিরোনামটি একবার ভালো করে দেখে নিলেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
৫৮৫২

‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘বাঁধন হারা’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এটি নজরুলের লেখা প্রথম প্রকাশিত <strong>উপন্যাস</strong>।</li>
<li>১৯২১ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>গল্পটি মূলত পত্রোপন্যাস বা চিঠিপত্রের মাধ্যমে এগিয়েছে, যা সে সময়ের বাংলা সাহিত্যে বেশ নতুন একটি ধারা ছিল।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নে ‘বাঁধন হারা’ নিয়ে কোনো প্রশ্ন এলে চোখ বন্ধ করে একে <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে দাগিয়ে দেবেন।</p>
৫৮৫৩

‘বাঁধন হারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পত্রোপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রোপন্যাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>‘বাঁধন হারা’ বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি, যা পুরোপুরি <strong>চিঠিপত্রের</strong> মাধ্যমে এগিয়েছে।</li>
<li>যে উপন্যাসের কাহিনী বা ঘটনাপ্রবাহ বিভিন্ন চরিত্রের লেখা চিঠির আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে, তাকেই বলা হয় <strong>পত্রোপন্যাস</strong>।</li>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম এই উপন্যাসে বিভিন্ন চরিত্রের আবেগ ও চিন্তাগুলোকে চিঠির আকারে ফুটিয়ে তুলেছেন, তাই এটি একটি সার্থক পত্রোপন্যাস।</li>
</ul>
৫৮৫৪

‘বাঁধনহারা’ কাজী নজরুল ইসলামের কোন শেণির রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'বাঁধনহারা'</strong> হলো তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। এটি মূলত একটি পত্রোপন্যাস, যেখানে চিঠিপত্রের আদান-প্রদানের মাধ্যমে গল্পের কাহিনী এগিয়েছে।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> কাজী নজরুল ইসলাম।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> পত্রোপন্যাস (উপন্যাস)।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৭ সালে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>

<p>নজরুল মূলত কবিতা ও গানের জন্য বেশি পরিচিত হলেও, তাঁর এই গদ্যধর্মী কাজটি বাংলা সাহিত্যের একটি অনন্য সৃষ্টি। তাই যখনই 'বাঁধনহারা'-র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে এটিকে <strong>উপন্যাস</strong> হিসেবে মনে রাখবেন!</p>
৫৮৫৫

‘বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়াইয়া পড়িয়া থাকে’ - উক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন রচনার অংশবিশেষ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
যৌবনের কথা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>যৌবনের কথা</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের এই বিখ্যাত প্রবন্ধটি মূলত তারুণ্যের শক্তি ও উদ্দীপনাকে নিয়ে লেখা।</p>

<p>এই উক্তিটি কেন গুরুত্বপূর্ণ:</p>
<ul>
<li>নজরুল এখানে যৌবনকে কেবল বয়সের মাপকাঠিতে দেখেননি, বরং একে দেখেছেন একটি <strong>সৃজনশীল ও প্রগতিশীল শক্তি</strong> হিসেবে।</li>
<li>তার মতে, যারা জরাজীর্ণ অতীত, মিথ্যা সংস্কার এবং স্থবিরতাকে আঁকড়ে ধরে রাখে, তারাই আসলে বার্ধক্যের প্রতীক।</li>
<li>যৌবন মানেই হলো নতুনকে বরণ করে নেওয়া এবং সত্যের পথে নির্ভীকভাবে এগিয়ে চলা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নজরুল এখানে বুঝিয়েছেন যে, বয়স বাড়লেই মানুষ বৃদ্ধ হয় না; বরং যখন কেউ নতুন কিছু করার সাহস হারিয়ে ফেলে এবং পুরনো ধ্যান-ধারণায় আটকে থাকে, তখনই তার মধ্যে বার্ধক্য ভর করে।</p>
৫৮৫৬

‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ -এর সম্পাদক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আহমদ শরীফ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা একাডেমি সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’-এর সম্পাদক হলেন <strong>আহমদ শরীফ</strong>। বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ অভিধানটি প্রণয়নের ক্ষেত্রে তিনি প্রধান সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই অভিধানটি বাংলা ভাষার শব্দভাণ্ডারকে সহজবোধ্য ও সংক্ষিপ্ত আকারে উপস্থাপন করার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>আহমদ শরীফ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত গবেষক এবং ভাষাবিদ ছিলেন, যার সম্পাদনায় এই অভিধানটি একটি নির্ভরযোগ্য রেফারেন্স হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
৫৮৫৭

‘বাংলা গদ্যের জনক’ বলা হয় কাকে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে</strong>। এর কারণটা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে বিদ্যাসাগর মশাইয়ের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল ও শৈল্পিক রূপ দিয়েছিলেন।</li>
<li>তার লেখা 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' এবং 'শকুন্তলা'র মতো বইগুলো বাংলা গদ্যকে সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী ও সাবলীল করে তোলে।</li>
<li>বাংলা বর্ণমালার আধুনিকীকরণ এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তিনি বাংলা গদ্যের ভিত শক্ত করেছিলেন, তাই তাকেই বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।</li>
</ul>
৫৮৫৮

‘বাংলা নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম’ কোন জেলায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রংপুর</strong>। বেগম রোকেয়ার জন্মস্থান নিয়ে বিভ্রান্ত হওয়ার কিছু নেই, বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালে তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার <strong>রংপুর</strong> জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তিনি নারী শিক্ষার প্রসারে এবং সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে আজীবন কাজ করে গেছেন, তাই তাকে নারী জাগরণের অগ্রদূত বলা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, তার জন্মস্থান রংপুর জেলাকে কেন্দ্র করেই তার শৈশব ও প্রাথমিক জীবন অতিবাহিত হয়েছিল।</p>
৫৮৫৯

‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কে রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ বইটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে তাঁর গবেষণামূলক কাজগুলোর মধ্যে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বাংলা ভাষার একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত।</li>
<li>তাঁর এই বিখ্যাত গ্রন্থটি বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশ বুঝতে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি মৌলিক আকর গ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
৫৮৬০

‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থের রচয়িতার নাম -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. সুনীতিকুমার চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। এটি বাংলা ভাষাতত্ত্বের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং কালজয়ী গবেষণামূলক গ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>এই বইটি মূলত বাংলা ভাষার উৎপত্তি এবং এর বিবর্তনের ইতিহাস নিয়ে লেখা।</li>
<li>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ছিলেন ভাষাতত্ত্বের একজন দিকপাল, তাই বাংলা ভাষার গঠন নিয়ে তাঁর এই কাজটি আজও গবেষকদের কাছে প্রধান রেফারেন্স হিসেবে গণ্য হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় যখনই ‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ নিয়ে প্রশ্ন আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>-এর নামটাই মনে রাখবেন।</li>
</ul>
৫৮৬১

‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলা সাহিত্যের কথা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের ওপর লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে রচিত।</li>
<li>ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন একজন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ও সাহিত্যিক, যার গবেষণালব্ধ জ্ঞান এই বইটিকে বাংলা সাহিত্যের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অপরিহার্য পাঠ্য করে তুলেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও বইয়ের শিরোনামটি একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</li>
</ul>
৫৮৬২

‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগন্থটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রহমান
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রহমান</strong>। আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান এই কবি তাঁর লেখনীতে দেশপ্রেম ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রহমান মূলত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মানুষের স্বপ্নের কথা তাঁর কবিতায় বারবার তুলে ধরেছেন।</li>
<li>তাঁর কাব্যগ্রন্থগুলোর নামকরণে প্রায়ই দেশ ও মানুষের প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ পায়, যার একটি চমৎকার উদাহরণ হলো এই বইটি।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখার ক্ষেত্রে তাঁদের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের সাথে কবির মূল ভাবধারার মিল খুঁজে নিলে বিষয়টি দীর্ঘস্থায়ী হয়।</li>
</ul>
৫৮৬৩

‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রাহমান</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তাঁর কবিতায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম এবং সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট খুব স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে’ নামটি থেকেই বোঝা যায়, এটি মূলত আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে নিয়ে লেখা একটি অসাধারণ সৃষ্টি।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই কবির নাম এবং কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
৫৮৬৪

‘বাংলাদেশে’ কবিতাটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অমিয় চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলাদেশে’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>অমিয় চক্রবর্তী</strong>। তিনি বাংলা সাহিত্যের একজন বিশিষ্ট আধুনিক কবি এবং রবীন্দ্র-পরবর্তী ধারার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>অমিয় চক্রবর্তী তাঁর কবিতায় দেশপ্রেম এবং প্রকৃতির এক অনন্য রূপ ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>তাঁর সাহিত্যকর্মের গভীরতা এবং আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে বাংলা সাহিত্যে এক স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির নাম এবং তাঁর বিখ্যাত কবিতার শিরোনামগুলো একটি তালিকার মাধ্যমে বারবার রিভিশন দিলে খুব সহজেই মনে থাকবে।</li>
</ul>
৫৮৬৫

‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নির্মলেন্দু গুণ
ব্যাখ্যা:
<p>‘বাংলার মাটি বাংলার জল’ কবিতাটি বিখ্যাত কবি <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>-এর লেখা। এটি মূলত তার দেশপ্রেম ও মাটি-মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নির্মলেন্দু গুণ তার কাব্যিক ভাষায় বাংলার প্রকৃতি ও মাটির কথা খুব চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলেন।</li>
<li>তার লেখায় সবসময়ই বাংলাদেশের অস্তিত্ব ও সংগ্রামের ছাপ স্পষ্ট থাকে, যা এই কবিতার মূল উপজীব্য।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।