<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম মনে রাখার বিষয়টি বেশ মজার, আর প্রমথ চৌধুরীর ক্ষেত্রে এটি খুবই জনপ্রিয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>'সবুজপত্র'</strong>-এ নিয়মিত লিখতেন এবং সেখানে তিনি <strong>'বীরবল'</strong> ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তাই যখনই 'বীরবল' নামটি দেখবেন, সরাসরি প্রমথ চৌধুরীর কথা মনে করবেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়, আর ‘বীরবল’ নামটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে প্রমথ চৌধুরীর নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে <strong>চলিত রীতির</strong> প্রবর্তক।</li>
<li>তিনি তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>‘সবুজপত্র’</strong>-এ ‘বীরবল’ ছদ্মনামে নিয়মিত লিখতেন।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক মহলে তিনি ‘বীরবল’ নামেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই নামটি মনে রাখা খুব জরুরি। প্রমথ চৌধুরী মানেই বীরবল—এই সহজ সমীকরণটি মাথায় রাখলেই চলবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি সবচেয়ে পরিচিত নামগুলোর একটি।</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> তাঁর সাহিত্যিক কর্মকাণ্ডে ‘বীরবল’ ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন।</li>
<li>তাঁর সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা <strong>‘সবুজপত্র’</strong>-এ তিনি এই নামেই নিয়মিত লিখতেন, যা বাংলা সাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগের সূচনা করেছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবন্ধ</strong>। প্রমথ চৌধুরী, যিনি 'বীরবল' ছদ্মনামে লিখতেন, তাঁর এই গ্রন্থটি মূলত চিন্তাশীল ও মননশীল প্রবন্ধের একটি সংকলন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যকর্মের মূল বৈশিষ্ট্যই হলো <strong>প্রবন্ধ</strong> বা চলিত ভাষার গদ্য।</li>
<li>তাঁর লেখাগুলো সাধারণত সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে বিশ্লেষণধর্মী হয়, যা প্রবন্ধের সংজ্ঞাকেই পূর্ণ করে।</li>
<li>তাই যখনই 'বীরবলের হালখাতা' বা এই জাতীয় কোনো গ্রন্থের নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি একটি <strong>প্রবন্ধ সংকলন</strong>।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে <strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দের</strong> প্রবর্তক হিসেবে মাইকেল মধুসূদন দত্ত বিখ্যাত।</li>
<li>তার এই বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থটি মূলত পত্রকাব্য, যেখানে পৌরাণিক নারীদের জবানবন্দি তুলে ধরা হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ কৌশল: মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টিগুলোর মধ্যে <strong>মেঘনাদবধ কাব্য</strong> এবং <strong>বীরাঙ্গনা কাব্য</strong>—এই দুটি নাম সবসময় একসাথে মনে রাখার চেষ্টা করবেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার ছোঁয়া এবং নতুন ধারার কাব্য রচনার ক্ষেত্রে মাইকেল মধুসূদন দত্তের নামই সবার আগে আসে, তাই বীরাঙ্গনা কাব্যটিও তার অনবদ্য সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রকাব্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের <strong>'বীরাঙ্গনা-কাব্য'</strong> মূলত পৌরাণিক নারীদের লেখা পত্রের সংকলন।</li>
<li>এই কাব্যে মোট ১১টি পত্র বা চিঠি রয়েছে, যেখানে নারীরা তাদের প্রেম বা বিরহের কথা তাদের প্রিয়জনকে চিঠির মাধ্যমে জানিয়েছেন।</li>
<li>যেহেতু পুরো কাব্যটি চিঠির আদলে বা পত্র আকারে লেখা, তাই একে বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও শ্রেষ্ঠ <strong>পত্রকাব্য</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিঠির মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশের শৈল্পিক রূপই হলো এই কাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য।</p>
৫৮৮৮
‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সূত্রপাত করে কোন পত্রিকা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শিখা</strong>। ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল এই পত্রিকাটি।</p>
<ul>
<li>১৯২৬ সালে আবুল হুসেন ও কাজী আব্দুল ওদুদসহ একদল প্রগতিশীল চিন্তাবিদ ঢাকায় <strong>‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’</strong> প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>এই সংগঠনের মুখপত্র হিসেবেই প্রকাশিত হয় <strong>‘শিখা’</strong> পত্রিকা।</li>
<li>পত্রিকাটির মূল স্লোগান ছিল <strong>‘স্বয়ং ধিয়ো যো নঃ প্রচোদয়াৎ’</strong>, যার অর্থ হলো—আমাদের বুদ্ধিকে জাগ্রত করো।</li>
<li>ধর্মীয় গোঁড়ামি ও কুসংস্কারমুক্ত মুক্তচিন্তার চর্চা করাই ছিল এই পত্রিকার প্রধান লক্ষ্য, যা ইতিহাসে ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলন নামে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নূরজাহান বেগম</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘বেগম’ পত্রিকাটি মূলত নারীদের জন্য প্রকাশিত একটি বিখ্যাত সাপ্তাহিক পত্রিকা।</li>
<li>এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন বেগম সুফিয়া কামাল, কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে এর সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে একে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন <strong>নূরজাহান বেগম</strong>।</li>
<li>তিনি সাংবাদিকতার জগতে নারীদের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত, তাই ‘বেগম’ পত্রিকার নাম শুনলেই তাঁর কথাটিই সবার আগে মনে রাখা উচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ রাজা রামমোহন রায়কে আধুনিক ভারতের জনক বলা হয় এবং তিনি বেদান্ত দর্শনের প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>রাজা রামমোহন রায় উপনিষদ ও বেদান্ত দর্শনের বাংলা অনুবাদের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে জ্ঞান পৌঁছে দিয়েছিলেন।</li>
<li>তাঁর লেখা <strong>‘বেদান্তগ্রন্থ’</strong> (যা অনেক সময় ‘বেদান্তগ্রহ’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়) এবং <strong>‘বেদান্তসার’</strong> মূলত অদ্বৈত বেদান্ত দর্শনের মূল কথাগুলো সহজ বাংলায় ব্যাখ্যা করার জন্য রচিত হয়েছিল।</li>
<li>তিনি ১৮১৫ সালে ‘বেদান্তগ্রন্থ’ এবং ১৮১৬ সালে ‘বেদান্তসার’ প্রকাশ করেন, যা তৎকালীন সমাজে ধর্মীয় কুসংস্কার দূর করতে বড় ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনসামঙ্গল কাব্যে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান ধারা হলো মঙ্গলকাব্য, যার মধ্যে <strong>মনসামঙ্গল</strong> কাব্যটি নাগদেবী মনসাকে কেন্দ্র করে রচিত।</li>
<li>এই কাব্যের মূল উপজীব্যই হলো দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচার করা।</li>
<li>বেহুলা ও লখিন্দরের অমর প্রেমের কাহিনী এবং লখিন্দরের সর্পদংশনে মৃত্যুর পর বেহুলার অসীম সাহসিকতার গল্পটি মূলত দেবী মনসার পূজা প্রচলনের উদ্দেশ্যেই এই কাব্যে বর্ণিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই বেহুলা-লখিন্দরের নাম শুনবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>মনসামঙ্গল</strong> কাব্যের অংশ।</p>
৫৮৯২
‘বেহুলা-লখিন্দরের’ কাহিনি পাওয়া যায় কোন মঙ্গলকাব্যে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনসামঙ্গল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>মনসামঙ্গল</strong> কাব্য মূলত দেবী মনসার মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য রচিত।</li>
<li>এই কাব্যের মূল উপজীব্য হলো চাঁদ সওদাগরের সাথে দেবী মনসার দ্বন্দ্ব এবং লখিন্দরের সর্পদংশনে মৃত্যুর পর বেহুলার অসামান্য ত্যাগ ও স্বামীর প্রাণ ফিরে পাওয়ার হৃদয়স্পর্শী কাহিনি।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেহুলা-লখিন্দরের অমর প্রেমের আখ্যানটি মনসামঙ্গল কাব্যের সাথেই অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে।</li>
</ul>
<p>বৈষ্ণব পদাবলীতে রসের সংখ্যা হলো <strong>পঞ্চ রস</strong>। পদাবলী সাহিত্যে ভক্তির গভীরতা ও সম্পর্কের ভিন্নতা অনুযায়ী এই পাঁচটি রসকে প্রধান হিসেবে ধরা হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য রসগুলোর নাম নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>শান্ত রস:</strong> ঈশ্বর বা আরাধ্য দেবের প্রতি শান্ত ভাব।</li>
<li><strong>দাস্য রস:</strong> প্রভুর প্রতি সেবকের মনোভাব।</li>
<li><strong>সখ্য রস:</strong> বন্ধুর সাথে বন্ধুর সম্পর্ক।</li>
<li><strong>বাৎসল্য রস:</strong> সন্তানের প্রতি অভিভাবকের স্নেহ।</li>
<li><strong>মধুর রস:</strong> প্রেমিকের প্রতি প্রেমিকার গভীর অনুরাগ।</li>
</ul>
<p>এই পাঁচটি রসই মূলত বৈষ্ণব পদাবলীর মূল ভিত্তি, যা ভক্ত ও ভগবানের সম্পর্কের বিভিন্ন পর্যায়কে ফুটিয়ে তোলে।</p>
৫৮৯৪
‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগন্থের অন্তর্গত?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মানসী</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যজীবনের সন্ধিক্ষণে রচিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li>‘মানসী’ কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথের কবি প্রতিভার পূর্ণ বিকাশের প্রথম সোপান হিসেবে এই কাব্যগ্রন্থকে বিবেচনা করা হয়।</li>
<li>‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি এই কাব্যগ্রন্থের প্রেম ও প্রকৃতি পর্যায়ের অন্যতম সেরা সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মানসী কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমেই রবীন্দ্রনাথের রোমান্টিক কাব্যধারার প্রকৃত রূপ ফুটে ওঠে, যেখানে এই কবিতা দুটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। কাজী নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকা দেখলে আমরা পাই:</p>
<ul>
<li>‘ব্যথার দান’ হলো নজরুলের লেখা প্রথম প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ।</li>
<li>এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>নজরুলের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের এই সৃষ্টিটি মূলত তার বিদ্রোহী ও রোমান্টিক চেতনার এক অনন্য সংমিশ্রণ।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তরটি দাগানো সম্ভব!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।