<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ‘ব্যথার দান’ হলো আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এটি মূলত একটি গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। নজরুল ইসলামের সাহিত্যকর্মের তালিকা মনে রাখার সময় এই তথ্যটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি তার সৃজনশীল যাত্রার শুরুর দিকের একটি কাজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, ব্রজবুলি কোনো নির্দিষ্ট কাব্য বা নাটক নয়, বরং এটি একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা।</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কবিরা মৈথিলি এবং বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে এই বিশেষ ভাষাটি তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য এই ভাষাটি বিশেষভাবে ব্যবহৃত হতো।</li>
<li>মহাকবি বিদ্যাপতি এই ভাষায় প্রচুর পদ রচনা করেছেন বলে একে অনেক সময় 'মৈথিলি-বাংলা' মিশ্রিত ভাষা বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি মূলত কবিদের ব্যবহৃত একটি বিশেষ <strong>সাহিত্যিক মাধ্যম বা ভাষা</strong>, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষা থেকে কিছুটা আলাদা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>এক রকম কৃত্রিম কবিভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্রজবুলি আসলে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা নয়।</li>
<li>মধ্যযুগের কবিরা রাধা-কৃষ্ণের পদাবলি রচনার জন্য বাংলা ও মৈথিলি ভাষার সংমিশ্রণে এই বিশেষ কাব্যভাষাটি তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু এটি কবিরা নিজেদের প্রয়োজনমতো সাহিত্য রচনার জন্য তৈরি করেছিলেন, তাই ভাষাবিদদের কাছে এটি একটি <strong>কৃত্রিম কবিভাষা</strong> হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এটি কোনো অঞ্চলের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ভাষা ছিল না, বরং এটি ছিল কবিদের সৃষ্টি করা এক শৈল্পিক মাধ্যম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাপতি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য বিদ্যাপতি একটি বিশেষ কৃত্রিম ভাষার আশ্রয় নিয়েছিলেন, যা মূলত মৈথিলি ও বাংলা ভাষার সংমিশ্রণ।</li>
<li>এই বিশেষ ভাষাটিই ইতিহাসে <strong>'ব্রজবুলি'</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>বিদ্যাপতি মিথিলার অধিবাসী হলেও তাঁর পদাবলি বাংলা সাহিত্যে এতটাই জনপ্রিয় হয়েছিল যে, পরবর্তীকালে অনেক কবি এই ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করতে উৎসাহিত হন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রজবুলি ভাষার জনক বা স্রষ্টা হিসেবে বিদ্যাপতিই সর্বজনস্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>একরকম কৃত্রিম কবিভাষা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মাথায় রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ব্রজবুলি কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা নয়। এটি মূলত মধ্যযুগের কবিরা বৈষ্ণব পদাবলি রচনার জন্য তৈরি করেছিলেন।</li>
<li>কবি বিদ্যাপতি মৈথিলী ভাষার সাথে বাংলার সংমিশ্রণ ঘটিয়ে এই বিশেষ কাব্যভাষাটি গড়ে তোলেন।</li>
<li>যেহেতু এটি সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন ব্যবহারের ভাষা ছিল না, বরং শুধুমাত্র কাব্য রচনার প্রয়োজনে কবিরা এটি ব্যবহার করতেন, তাই একে <strong>কৃত্রিম কবিভাষা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ব্রজবুলি হলো সাহিত্যের প্রয়োজনে তৈরি একটি শৈল্পিক ও কৃত্রিম ভাষার রূপ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধুসূদনের</strong>। ‘ব্রজাঙ্গনা’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি অনন্য সৃষ্টি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>‘ব্রজাঙ্গনা’</strong> একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম, যা রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলির আদলে রচিত।</li>
<li>তার অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন ‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ বা ‘মেঘনাদবধ কাব্য’-এর মতোই এটি তার কাব্যপ্রতিভার এক চমৎকার নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন, বাংলা সাহিত্যে সনেট বা অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক মধুসূদনই এই কাব্যটি লিখেছিলেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর লেখা চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আখেটিক খণ্ডে ভাড়ুদত্ত চরিত্রটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li>ভাড়ুদত্ত হলো কালকেতু উপাখ্যানের একজন ধূর্ত ও চতুর চরিত্র।</li>
<li>সে কালকেতুর রাজ্যে এসে নানা ধরনের ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশলের আশ্রয় নেয়।</li>
<li>মূলত কালকেতুর উত্থান ও তার শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন জটিলতা বোঝাতে কবি এই চরিত্রটিকে ব্যবহার করেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘ভাড়ুদত্ত’ নামটি দেখবেন, সরাসরি চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের কালকেতু উপাখ্যানের কথা মনে রাখবেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন খুব কম বয়সী ছিলেন, তখন তিনি এই ছদ্মনামে কবিতা লিখতেন। তাঁর এই ছদ্মনামটি ব্যবহারের পেছনের গল্পটা বেশ মজার:</p>
<ul>
<li>তিনি তাঁর তরুণ বয়সে বৈষ্ণব পদাবলির অনুকরণে কিছু পদ রচনা করেছিলেন।</li>
<li>সেই পদগুলো তিনি ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলি’ নামে প্রকাশ করেন।</li>
<li>পাঠকদের বিভ্রান্ত করতে এবং নিজের পরিচয় গোপন রাখতে তিনি ‘ভানু সিংহ’ নামটি ব্যবহার করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্য জগতে ‘ভানু সিংহ’ বললেই আমরা সরাসরি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বুঝি।</p>
৫৯০৫
'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' বাংলা সাহিত্যের কোন যুগের নিদর্শন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আধুনিক যুগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' মূলত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা একটি কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাংলা সাহিত্যের <strong>আধুনিক যুগের</strong> অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>যদিও এই পদাবলীগুলো বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে লেখা, কিন্তু এগুলো ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়, যা বাংলা সাহিত্যের আধুনিক সময়কালকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সৃষ্টি এবং আধুনিক সময়ে রচিত, তাই এটি নিঃসন্দেহে আধুনিক যুগের নিদর্শন।</p>
<p>‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’র রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন খুব কম বয়সী ছিলেন, তখন তিনি বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>তিনি এই কবিতাগুলো লিখেছিলেন <strong>‘ভানুসিংহ’</strong> ছদ্মনামে।</li>
<li>শুরুতে অনেকেই মনে করেছিলেন এটি কোনো প্রাচীন কবির লেখা, কিন্তু পরবর্তীতে জানা যায় এটি তরুণ রবীন্দ্রনাথের এক অসাধারণ সৃষ্টি।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ নামটির সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নাম সরাসরি যুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার সেন</strong>।</p>
<p>ভাষাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুকুমার সেন এই চমৎকার মন্তব্যটি করেছিলেন। তার মতে, ভাষা কেবল আমাদের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম বা বাহন নয়, বরং ভাষা আমাদের চিন্তাভাবনা তৈরি করতেও সাহায্য করে। অর্থাৎ, আমরা যেভাবে চিন্তা করি, তা অনেকাংশেই ভাষার কাঠামোর ওপর নির্ভর করে। তাই ভাষাকে তিনি চিন্তার 'প্রসূতি' বা জন্মদাতা হিসেবে অভিহিত করেছেন।</p>
<p>‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ বইটির রচয়িতা হলেন <strong>সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত বাংলা ভাষার গঠন ও বিবর্তনের ওপর ভিত্তি করে রচিত একটি আধুনিক ব্যাকরণ।</li>
<li>ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ভাষাতত্ত্বের ওপর গভীর গবেষণার মাধ্যমে এই বইটি লিখেছিলেন, যা বাংলা ব্যাকরণকে নতুন রূপ দিয়েছিল।</li>
<li>পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি প্রায়ই আসে, তাই লেখকের নাম এবং বইয়ের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫৯১০
‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে’ বলেছেন-
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বাংলা গদ্যের চলিত রীতির প্রবর্তক হিসেবে তিনি সবসময় মুখের ভাষাকেই সাহিত্যের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছেন।</p>
<p>তার এই বিখ্যাত উক্তিটির মূল কথা হলো:</p>
<ul>
<li>ভাষা প্রাকৃতিকভাবে মানুষের মুখ থেকে জন্ম নেয়, তাই একে জোর করে কৃত্রিমভাবে কলমের মুখে (অর্থাৎ ব্যাকরণের কঠিন নিয়মে) আটকে রাখা যায় না।</li>
<li>যদি আমরা মুখের ভাষাকে উপেক্ষা করে কৃত্রিম ভাষা চাপিয়ে দিতে যাই, তবে তা হাস্যকর হয়ে দাঁড়ায়—ঠিক যেমন মুখে কালি পড়ার মতো অবস্থা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রমথ চৌধুরী মনে করতেন, সাহিত্যের ভাষা হতে হবে জীবন্ত এবং মানুষের মুখের ভাষার কাছাকাছি। তাই তিনি সবসময় চলিত ভাষার ব্যবহারের পক্ষে ছিলেন।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।