<p>‘বাংলার মিল্টন’ বলা হয় <strong>হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>-কে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মহাকবি জন মিল্টনের মহাকাব্যিক রচনার শৈলী এবং গাম্ভীর্য বাংলা সাহিত্যে সফলভাবে ফুটিয়ে তোলার জন্য হেমচন্দ্রকে এই উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে।</li>
<li>তাঁর বিখ্যাত মহাকাব্য <strong>‘বৃত্রসংহার’</strong>-এর বিশালতা ও কাব্যিক উৎকর্ষের কারণেই মূলত তাঁকে এই বিশেষ সম্মানে ডাকা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক পরিচয়ের ক্ষেত্রে এই নামটির সাথে ‘বাংলার মিল্টন’ উপাধিটি সরাসরি যুক্ত করে মনে রাখলে আর ভুল হবে না।</p>
৫৮৬৭
‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই আমি পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ কবিতার কবি কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের <strong>'রূপসী বাংলা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এই কবিতাটি পড়ার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে খুব সহজে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় <strong>'রূপসী বাংলার কবি'</strong>।</li>
<li>তার কবিতায় বাংলার প্রকৃতি, নদী, মাঠ এবং গ্রামবাংলার এক গভীর মায়া ফুটে ওঠে, যা এই পঙক্তিটির মূল সুর।</li>
<li>তিনি বাংলার রূপকে এতটাই আপন করে নিয়েছিলেন যে, পৃথিবীর অন্য কোনো রূপ খোঁজার প্রয়োজন তার আর বোধ হয়নি।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই বাংলার নিসর্গ বা প্রকৃতির এমন গভীর অনুরাগের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নিতে পারেন এটি জীবনানন্দ দাশের অনন্য সৃষ্টি।</p>
৫৮৬৮
‘বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি তাই পৃথিবীর রূপ খুঁজিতে যাই না আর’ এ পঙক্তিটি কার লেখা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি জীবনানন্দ দাশের <strong>'রূপসী বাংলা'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কবি এখানে বাংলার প্রকৃতির রূপের মাঝে এতটাই মুগ্ধ যে, তার কাছে পৃথিবীর অন্য কোনো রূপ আর নতুন করে খোঁজার প্রয়োজন পড়ে না। সহজ কথায়, বাংলার রূপের মধ্যেই তিনি পৃথিবীর সব সৌন্দর্য খুঁজে পেয়েছেন।</p>
<ul>
<li><strong>কবি:</strong> জীবনানন্দ দাশ।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থ:</strong> রূপসী বাংলা।</li>
<li><strong>মূলভাব:</strong> বাংলার প্রকৃতির প্রতি কবির গভীর ভালোবাসা ও মুগ্ধতা।</li>
</ul>
<p>‘বিচারপতি তোমার বিচার করবে যারা’— কালজয়ী এই গানটির গীতিকার ও সুরকার হলেন প্রখ্যাত সংগীত ব্যক্তিত্ব <strong>সলিল চৌধুরী</strong>।</p>
<p>গানটি নিয়ে কিছু মজার তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি প্রতিবাদী গণসংগীত, যা সাধারণ মানুষের মনের কথা তুলে ধরে।</li>
<li>সলিল চৌধুরী তাঁর অসাধারণ সুর ও কথার বুননে এই গানটিকে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন যে, আজও এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>গানটির গভীর অর্থ এবং সহজবোধ্য সুর একে সব প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আসাদ চৌধুরী</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আসাদ চৌধুরীর কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>‘বিত্ত নাই বেসাত নাই’</strong> একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও পরিচিত নাম। এটি মূলত তাঁর কাব্যিক ধারার একটি অনন্য সৃষ্টি। পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য নিচের কৌশলটি অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>কবি আসাদ চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের তালিকায় এটি প্রথম সারিতে থাকে।</li>
<li>তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কাজের সাথে এই নামটি বারবার পড়লে খুব সহজেই মনে গেঁথে যাবে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, সাহিত্য অংশে কবি ও তাঁদের বিখ্যাত রচনার নামগুলো নিয়মিত চর্চা করলে এ ধরনের প্রশ্নের উত্তর খুব দ্রুত দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মিথিলা</strong>। বিদ্যাপতিকে মূলত মিথিলার রাজসভার কবি হিসেবেই সবাই চেনে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের সহজ তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাপতি ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহের সভাকবি।</li>
<li>তিনি মূলত মৈথিলি ভাষায় পদাবলি লিখে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান, তাই তাকে 'মৈথিলি কোকিল' বলা হয়।</li>
<li>তার কাব্যচর্চার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল মিথিলার রাজদরবার, যা তাকে বাংলা ও মৈথিলি সাহিত্যের ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>‘বিদ্যাসুন্দর’ কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন। এই গ্রন্থের অনুবাদক হলেন <strong>সাবিরিদ খান</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে সাবিরিদ খান ছিলেন অন্যতম, যিনি বিদ্যাসুন্দর আখ্যানটি বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।</li>
<li>এটি মূলত সংস্কৃত কাব্য ‘চৌরপঞ্চাশিকা’ অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু নামটির সাথে কাব্যটির নাম মিলিয়ে নিলেই হবে: <strong>সাবিরিদ খান - বিদ্যাসুন্দর</strong>।</li>
</ul>
<p>‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২১ সালে এই কালজয়ী কবিতাটি রচনা করেন।</li>
<li>কবিতাটি প্রথম <em>বিজলী</em> পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>তাঁর এই অসামান্য সৃষ্টির কারণেই তিনি বিশ্বজুড়ে <strong>‘বিদ্রোহী কবি’</strong> হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে অন্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে ওঠার প্রতীক হিসেবে এই কবিতাটি আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী।</p>
৫৮৭৪
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
<p>‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ <strong>অগ্নিবীণা</strong>-এর অন্তর্গত। ১৯২২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা করেছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অগ্নিবীণা</strong> কাব্যগ্রন্থটি নজরুলের বিদ্রোহী চেতনার প্রথম ও প্রধান প্রকাশ।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতাই হলো বিখ্যাত <strong>‘বিদ্রোহী’</strong>।</li>
<li>এটি প্রকাশের পর থেকেই নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।</li>
</ul>
<p>‘বিদ্রোহী’ কবিতাটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এবং প্রভাবশালী একটি কবিতা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এই কবিতাটি ১৯২১ সালে লেখা হয় এবং এটি নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘অগ্নি-বীণা’</strong>-র অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>কবিতাটিতে কবির বিদ্রোহী সত্তা এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদের সুর ফুটে উঠেছে, যার কারণে নজরুলকে <strong>‘বিদ্রোহী কবি’</strong> হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে নতুন ধারার উন্মেষ ঘটাতে এই কবিতার প্রভাব অপরিসীম।</li>
</ul>
<p>‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রাহমান</strong>। এটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তাঁর কাব্যশৈলীতে নাগরিক জীবনের যন্ত্রণা ও সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>‘বিধ্বস্ত নীলিমা’ তাঁর কাব্যিক প্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন, যা পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য কবির নামের সাথে এই কাব্যগ্রন্থের নামটি কয়েকবার মিলিয়ে পড়লে খুব সহজেই মনে থাকবে।</p>
৫৮৭৭
‘বিমলা-কুমুদিনী’ কোন দুটি উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঘরে-বাইরে, যোগাযোগ</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এই দুটি বিখ্যাত উপন্যাসের মূল নারী চরিত্র হলো যথাক্রমে বিমলা ও কুমুদিনী। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>ঘরে-বাইরে:</strong> এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো বিমলা, যে তার ঘরের গণ্ডি পেরিয়ে বাইরের জগতের সাথে পরিচিত হয়।</li>
<li><strong>যোগাযোগ:</strong> এই উপন্যাসের প্রধান নারী চরিত্র হলো কুমুদিনী, যার জীবনের টানাপোড়েন ও সম্পর্কের জটিলতা এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
<p>রবীন্দ্রনাথের উপন্যাসের চরিত্রগুলো মনে রাখতে চাইলে চরিত্রগুলোর নাম এবং তাদের চারপাশের পরিস্থিতির সাথে ছোট একটি গল্পের মতো সম্পর্ক তৈরি করে নিলে তা দীর্ঘস্থায়ী হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>
<ul>
<li><strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong> ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যশিল্পী।</li>
<li>তার অমর সৃষ্টি <strong>‘বিষাদ-সিন্ধু’</strong> মূলত কারবালার ঐতিহাসিক বিয়োগান্তক ঘটনা অবলম্বনে রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।</li>
<li>এটি তিনটি খণ্ডে বিভক্ত—মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব এবং এজিদ বধ পর্ব।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারবালার ট্র্যাজেডি নিয়ে লেখা বাংলা সাহিত্যের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী বইটি মীর মশাররফ হোসেনেরই লেখা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মীর মশাররফ হোসেন</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী এই উপন্যাসটি নিয়ে মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>বিষাদসিন্ধু</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাসগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা কারবালার ঐতিহাসিক ট্র্যাজেডি নিয়ে লেখা।</li>
<li>এটি ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>মীর মশাররফ হোসেনের এই অমর সৃষ্টিটি বাংলা গদ্য সাহিত্যে এক অনন্য উচ্চতা তৈরি করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কারবালার করুণ কাহিনী এবং মহরমের শোকাবহ ঘটনা নিয়ে রচিত এই বিশাল কর্মটির নাম শুনলেই আমাদের মীর মশাররফ হোসেনের কথা মনে রাখতে হবে।</p>
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সৃষ্টি <strong>'বিসর্জন'</strong> হলো একটি সার্থক <strong>কাব্যনাটক</strong>। এই নাটকটি মূলত তাঁর 'রাজর্ষি' উপন্যাসের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এটি একটি নাটকীয় আখ্যান যা ছন্দে ও কাব্যিক ভাষায় রচিত।</li>
<li>এর মূল উপজীব্য হলো ধর্মীয় গোঁড়ামি ও মানবিকতার দ্বন্দ্ব।</li>
<li>সাহিত্যিক বিচারে এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ <strong>কাব্যনাটক</strong> হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।