<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ছোটগল্প <strong>‘প্রাগৈতিহাসিক’</strong>-এর প্রধান দুটি চরিত্র হলো ‘ভিখু’ ও ‘পাঁচী’। এই গল্পটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও বাস্তববাদী সৃষ্টি। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গল্পের নাম:</strong> প্রাগৈতিহাসিক।</li>
<li><strong>মূল চরিত্র:</strong> ভিখু (একজন পঙ্গু ও হিংস্র প্রকৃতির মানুষ) এবং পাঁচী (তার সঙ্গী)।</li>
<li><strong>বিষয়বস্তু:</strong> আদিম প্রবৃত্তির তাড়নায় মানুষের বেঁচে থাকার লড়াই।</li>
</ul>
<p>মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখায় মানুষের অবচেতন মন এবং জীবনের কঠোর বাস্তবতার যে প্রতিফলন দেখা যায়, এই চরিত্র দুটি তার দারুণ উদাহরণ।</p>
<p>‘ভোর হল দোর খোল/ খুকুমনি ওঠরে’—এই জনপ্রিয় ছড়াটির রচয়িতা হলেন আমাদের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>এটি নজরুলের লেখা অত্যন্ত পরিচিত একটি শিশুতোষ ছড়া।</li>
<li>ভোরবেলা শিশুদের ঘুম থেকে জাগানোর জন্য এই ছড়াটি প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।</li>
<li>কবিতাটির ছন্দ ও সহজবোধ্য ভাষা নজরুলের লেখনীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>‘ভ্রান্তিবিলাস’ মূলত উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক <em>'The Comedy of Errors'</em>-এর বাংলা অনুবাদ।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই ইংরেজি সাহিত্যের এই নাটকটিকে অত্যন্ত সহজ ও সাবলীল বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনার পাশাপাশি এই ধরনের অনুবাদমূলক কাজগুলো বাংলা সাহিত্যকে অনেক সমৃদ্ধ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘ভ্রান্তিবিলাস’-এর নাম আসবে, চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের কথা মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>‘মগ্নচৈতন্য শিস’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>সেলিনা হোসেন</strong>। বাংলা সাহিত্যে সেলিনা হোসেনের লেখনশৈলী অত্যন্ত শক্তিশালী এবং তিনি মূলত সমসাময়িক সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে কাজ করার জন্য পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>সেলিনা হোসেনের উপন্যাসে প্রায়ই ইতিহাস ও ঐতিহ্যের মিশেল দেখা যায়।</li>
<li>‘মগ্নচৈতন্য শিস’ তার অন্যতম একটি উল্লেখযোগ্য সৃষ্টি, যা পাঠকদের কাছে বেশ সমাদৃত।</li>
<li>সাহিত্যিক হিসেবে তার এই বিশেষ উপন্যাসটি বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন হিসেবে আসে, তাই নামটি মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়—প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ।</p>
<ul>
<li><strong>প্রাচীন যুগ:</strong> এই সময়ের একমাত্র নিদর্শন হলো চর্যাপদ।</li>
<li><strong>মধ্যযুগ:</strong> এই সময়েই মূলত দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন কাব্য রচিত হয়, যা 'মঙ্গলকাব্য' নামে পরিচিত। যেমন—মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল বা ধর্মমঙ্গল।</li>
<li><strong>আধুনিক যুগ:</strong> এই যুগে গদ্যের বিকাশ ঘটে এবং সাহিত্যের ধারা অনেক বেশি বৈচিত্র্যময় হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>সুতরাং, মঙ্গলকাব্যগুলো যেহেতু শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য থেকে শুরু করে ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের অন্নদামঙ্গল পর্যন্ত বিস্তৃত, তাই এগুলো নিঃসন্দেহে বাংলা সাহিত্যের <strong>মধ্যযুগের</strong> অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>‘মধুমালতী’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ হামজা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের একটি উল্লেখযোগ্য রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ হামজা মূলত আরাকান রাজসভার কবি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা ‘মধুমালতী’ কাব্যটি মূলত হিন্দি কবি মঞ্ঝনের ‘মধুমালতী’ অবলম্বনে রচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই কবির নাম এবং কাব্যের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ হামজা</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার অন্যতম কবি হলেন সৈয়দ হামজা। তাঁর সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কিছু বিষয়:</p>
<ul>
<li>‘মধুমালতী’ কাব্যটি মূলত একটি অনুবাদধর্মী কাব্য, যা তিনি ফারসি কবি শেখ চাতর-এর কাহিনী অবলম্বনে রচনা করেছেন।</li>
<li>সৈয়দ হামজা আঠারো শতকের একজন বিশিষ্ট কবি ছিলেন।</li>
<li>তাঁর কাব্যশৈলীতে তৎকালীন সমাজ ও সংস্কৃতির এক চমৎকার প্রতিফলন দেখা যায়, যা তাঁকে বাংলা সাহিত্যে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ‘মধুমালতী’ নাম শুনলেই মনে রাখবেন এটি <strong>সৈয়দ হামজা</strong>-র অমর সৃষ্টি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিজয় গুপ্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম প্রধান নিদর্শন হলো ‘মনসামঙ্গল’ কাব্য।</p>
<ul>
<li>বিজয় গুপ্ত ছিলেন হোসেন শাহের সমসাময়িক একজন কবি।</li>
<li>তিনি বরিশালের ফুলশ্রী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তার লেখা ‘মনসামঙ্গল’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এটি ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে রচিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মনসা দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য বিজয় গুপ্তের এই কাব্যটিই সবচেয়ে বেশি পরিচিত ও স্বীকৃত। তাই পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি মনে রাখা জরুরি।</p>
৫৯১৯
‘মনরে কৃষি-কাজ জাননা এমন মানব-জমিন রইল পতিত আবাদ করলে ফলত সোনা’ গানটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা হলেন <strong>রামপ্রসাদ সেন</strong>। তিনি মূলত শাক্ত পদাবলির জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।</p>
<p>গানটির মূল ভাবটি খুব চমৎকার:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>'মানব-জমিন'</strong> বলতে মানুষের মন বা জীবনকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>রামপ্রসাদ সেন খুব সহজ ভাষায় বুঝিয়েছেন যে, মানুষ যদি তার মনরূপ জমিতে ভক্তি ও সাধনার <strong>'কৃষি-কাজ'</strong> ঠিকমতো করতে পারে, তবেই সেখানে পরমার্থিক বা আধ্যাত্মিক <strong>'সোনা'</strong> ফলানো সম্ভব।</li>
<li>অর্থাৎ, অলসভাবে সময় নষ্ট না করে নিজের মনকে সৎকাজে ও সাধনায় নিয়োজিত করার আহ্বানই এই গানের মূল কথা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষবৃক্ষ</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস ‘বিষবৃক্ষ’-এর অন্যতম প্রধান নারী চরিত্র হলো মনোরমা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে নগেন্দ্র, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী এবং মনোরমাকে কেন্দ্র করেই।</li>
<li>মনোরমা চরিত্রটি এই উপন্যাসে একজন বুদ্ধিমতী ও বিচক্ষণ নারী হিসেবে চিত্রিত হয়েছে, যে পুরো গল্পের মোড় পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।</li>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের তুলনায় ‘বিষবৃক্ষ’-এর মনোরমা চরিত্রটি তার স্বতন্ত্র ব্যক্তিত্ব ও সাহসিকতার জন্য পাঠকদের কাছে বেশ পরিচিত।</li>
</ul>
৫৯২১
‘মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য’ - নজরুলের কোন কবিতার চরণ ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্রোহী</strong>। কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতার শুরুতেই কবি নিজেকে এমন এক অনন্য রূপে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে একদিকে যেমন কোমল সুরের বাঁশরী আছে, অন্যদিকে আছে ধ্বংসের প্রতীক রণতুর্য।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির প্রথম স্তবকেই কবি লিখেছেন: <em>"মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতুর্য"</em>।</li>
<li>এই চরণের মাধ্যমে কবি মূলত নিজের চরিত্রের দ্বৈত সত্তাকে ফুটিয়ে তুলেছেন—তিনি যেমন সৃষ্টির পূজারি, তেমনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন যোদ্ধা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কবির এই বিদ্রোহী সত্তার পরিচয় দিতেই তিনি বাঁশরী ও রণতুর্যকে একই সাথে নিজের হাতে তুলে নিয়েছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বন্দে আলী মিয়ার লেখা <strong>‘ময়নামতীর চর’</strong> মূলত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এর নামকরণের মধ্যেই এক ধরণের কাব্যিক আমেজ রয়েছে, যা গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবনকে কবিতার ছন্দে ফুটিয়ে তুলেছে। তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি কাব্য হিসেবেই স্বীকৃত।</p>
<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> বন্দে আলী মিয়া।</li>
<li><strong>ধরন:</strong> কাব্য বা কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li><strong>মূল বৈশিষ্ট্য:</strong> গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির নান্দনিক বর্ণনা।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকগাথা বা লোকসাহিত্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong> ছিলেন মূল সংগ্রাহক।</li>
<li>তিনি অত্যন্ত পরিশ্রম করে গ্রাম-বাংলার মানুষের মুখ থেকে এই অমূল্য সম্পদগুলো সংগ্রহ করেছিলেন।</li>
<li>পরবর্তীতে সংগৃহীত এই গীতিকাগুলো <strong>ড. দীনেশচন্দ্র সেন</strong> সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন, যার ফলে এটি বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>তাই সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে-র নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। তিনি তাঁর 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' কাব্যগ্রন্থে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে এই পদটি রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর যখন তরুণ বয়সে বৈষ্ণব কবিদের স্টাইল অনুসরণ করে কবিতা লিখতেন, তখন তিনি 'ভানুসিংহ' ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।</li>
<li>এই পঙক্তিটি মূলত রাধার বিরহ ও আকুলতার বহিঃপ্রকাশ, যা রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত নিপুণভাবে তাঁর নিজস্ব কাব্যশৈলীতে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>'প্রাণ'</strong> নামক কবিতার অংশ। কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>'কড়ি ও কোমল'</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</p>
<ul>
<li>কবিতাটির মূল ভাব হলো পৃথিবীর সৌন্দর্য ও জীবনের প্রতি কবির গভীর মমতা।</li>
<li>তিনি এই সুন্দর পৃথিবীতে বেঁচে থাকার আকুতি প্রকাশ করেছেন, যা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি লাইন।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।