eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৫৯৮৬

‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ বইয়ের লেখকের নাম কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মেজর রফিকুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>‘লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে’ বইটির লেখক হলেন <strong>মেজর রফিকুল ইসলাম</strong>। তিনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন।</p>

<p>বইটি সম্পর্কে কিছু জরুরি তথ্য মনে রাখা সহজ:</p>
<ul>
<li>এই বইটি মূলত বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা।</li>
<li>মেজর রফিকুল ইসলাম সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তাই তার লেখায় যুদ্ধের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানতে আগ্রহী পাঠকদের কাছে এটি একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় বই।</li>
</ul>
৫৯৮৭

‘লাইলী-মজনু’ কাব্যের উপাখ্যান কোন দেশের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ইরান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘লাইলী-মজনু’ মূলত একটি ফারসি রোমান্টিক মহাকাব্য।</p>

<ul>
<li>এই অমর প্রেমের কাহিনীটি বিশ্বসাহিত্যে অমর করে রেখেছেন বিখ্যাত ফারসি কবি <strong>নিজামী গঞ্জভী</strong>।</li>
<li>যেহেতু কবি নিজামী গঞ্জভী পারস্যের (বর্তমান ইরান) অধিবাসী ছিলেন এবং তিনি ফারসি ভাষায় এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন, তাই এই উপাখ্যানের মূল উৎস বা প্রেক্ষাপট হিসেবে <strong>ইরানকেই</strong> ধরা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ফারসি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হওয়ায় এর ভৌগোলিক ও সাংস্কৃতিক উৎস ইরান।</p>
৫৯৮৮

‘লায়লী মজুন’ কাব্যের অনুবাদক হলেন -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দৌলত উজির বাহরাম খান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দৌলত উজির বাহরাম খান</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের কবি <strong>দৌলত উজির বাহরাম খান</strong> ফারসি কবি জামির বিখ্যাত কাব্য 'লায়লী-মজনু' বাংলায় অনুবাদ করেন।</li>
<li>তিনি চট্টগ্রামের অধিপতি লস্কর উজিরের পৃষ্ঠপোষকতায় এই কাব্যটি রচনা করেছিলেন।</li>
<li>সাহিত্যিকদের নাম মনে রাখার জন্য এটি একটি ক্লাসিক প্রশ্ন, যা প্রায়ই বিভিন্ন ভর্তি পরীক্ষা ও বিসিএস পরীক্ষায় দেখা যায়।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই 'লায়লী-মজনু' কাব্যের অনুবাদকের কথা আসবে, সরাসরি <strong>দৌলত উজির বাহরাম খান</strong>-কে মনে রাখবেন।</p>
৫৯৮৯

‘লাল সালু’ উপন্যাসটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘লাল সালু’ উপন্যাসটির সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হলো <strong>লাল সালু</strong>।</li>
<li>এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ</strong>।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই প্রশ্ন আসে, তাই মনে রাখবেন—ধর্মীয় ভণ্ডামির বিরুদ্ধে লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের স্রষ্টা মূলত সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।</li>
</ul>
৫৯৯০

‘লাল সালু’ উপন্যাসের লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘লাল সালু’ নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>

<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong> ১৯৪৮ সালে এই কালজয়ী উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহার।</li>
<li>মজিদ চরিত্রটি এই উপন্যাসের প্রাণ, যা বাংলা সাহিত্যে এক অনন্য সংযোজন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গ্রামীণ জীবনের জটিলতা আর মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্বের অসাধারণ চিত্রায়নই এই উপন্যাসটিকে বাংলা সাহিত্যে অমর করে রেখেছে। তাই ‘লাল সালু’ মানেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর নাম মনে রাখা সবচেয়ে সহজ বুদ্ধি!</p>
৫৯৯১

‘লালসালু’ উপন্যাসটি কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘লালসালু’ নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>

<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ</strong> ১৯৪৮ সালে এই কালজয়ী উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, ধর্ম নিয়ে ভণ্ডামি এবং শোষণের চিত্র।</li>
<li>মজিদ চরিত্রটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও আলোচিত একটি চরিত্র, যা এই উপন্যাসের প্রাণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গ্রামীণ জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব এবং ধর্মের অপব্যবহার নিয়ে লেখা এই অসাধারণ উপন্যাসটির স্রষ্টা হলেন সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ।</p>
৫৯৯২

‘লালসালু’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>‘লালসালু’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন <strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong>। বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই উপন্যাসটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ</strong> বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের জনক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>তাঁর এই বিখ্যাত উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও ধর্মের অপব্যবহারের চিত্র খুব নিখুঁতভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নাম ও উপন্যাসের নাম একসাথে মনে রাখা জরুরি।</li>
</ul>
৫৯৯৩

‘লালসালু’ উপন্যাসটির লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘লালসালু’ নিয়ে কিছু সহজ তথ্য মনে রাখলে বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে:</p>

<ul>
<li><strong>সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ</strong> ১৯৪৮ সালে এই কালজয়ী উপন্যাসটি রচনা করেন।</li>
<li>উপন্যাসটির মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহার।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাসের ধারায় এটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘লালসালু’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে মনে রাখবেন এর রচয়িতা হলেন সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ।</p>
৫৯৯৪

'লালসালু' উপন্যাসে কোন অঞ্চলের জীবনের চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>নোয়াখালী</strong>। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস 'লালসালু' মূলত তৎকালীন গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার ও ধর্মব্যবসাকে কেন্দ্র করে লেখা।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের প্রধান চরিত্র <strong>মজিদ</strong> জীবিকার সন্ধানে নোয়াখালী থেকে মহব্বতপুর গ্রামে আসে।</li>
<li>লেখক উপন্যাসের পটভূমি হিসেবে নোয়াখালীর মানুষের ধর্মভীরুতা এবং সেই সুযোগে গড়ে ওঠা ভণ্ড পীরতন্ত্রের চিত্র নিখুঁতভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>উপন্যাসের ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গিতে নোয়াখালীর আঞ্চলিক জীবনের গভীর ছাপ স্পষ্ট।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উপন্যাসের মূল প্রেক্ষাপট এবং মজিদের আদি নিবাস—উভয় দিক থেকেই নোয়াখালী অঞ্চলটিই এখানে প্রধান হিসেবে উঠে এসেছে।</p>
৫৯৯৫

‘লালসালু’ উপন্যাসে কোন গ্রামটির উল্লেখ রয়েছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মহব্বতনগর
ব্যাখ্যা:
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর কালজয়ী উপন্যাস ‘লালসালু’-এর মূল প্রেক্ষাপট হলো <strong>মহব্বতনগর</strong> গ্রাম। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র মজিদ এই গ্রামেই এসে আস্তানা গেড়েছিল এবং তার ধর্মীয় প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে পুরো গ্রামকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে এই <strong>মহব্বতনগর</strong> গ্রামকে কেন্দ্র করেই।</li>
<li>মজিদের আগমন, শস্যহীন ও অভাবী মানুষের সরলতাকে পুঁজি করে মাজার তৈরি এবং তার আধিপত্য—সবই এই গ্রামের পটভূমিতে ঘটেছে।</li>
</ul>
৫৯৯৬

‘লালসালু’ সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর কোন জাতীয রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহর লেখা <strong>'লালসালু'</strong> বাংলা সাহিত্যের একটি কালজয়ী উপন্যাস। এই উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার এবং ধর্মের অপব্যবহারকে লেখক অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<ul>
<li><strong>লেখক:</strong> সৈয়দ ওয়ালিউল্লাহ।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯৪৮ সাল।</li>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> গ্রামীণ সমাজের ভণ্ডামি ও শোষণের চিত্র।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এটুকুই যথেষ্ট যে, এটি লেখকের প্রথম এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় <strong>উপন্যাস</strong>।</p>
৫৯৯৭

‘লোকরহস্য’ প্রবন্ধের রচয়িতা কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সাহিত্যকর্মের কথা বললে আমরা সাধারণত তাঁর উপন্যাসগুলো নিয়ে বেশি আলোচনা করি, কিন্তু তিনি একজন অসাধারণ প্রাবন্ধিকও ছিলেন। তাঁর প্রবন্ধ সংকলনগুলোর মধ্যে 'লোকরহস্য' অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি বই।</p>

<ul>
<li><strong>বইয়ের নাম:</strong> লোকরহস্য।</li>
<li><strong>লেখক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> বঙ্কিমচন্দ্রের ব্যঙ্গাত্মক ও সমাজ সচেতনতামূলক প্রবন্ধগুলোর একটি অন্যতম নিদর্শন হলো এই 'লোকরহস্য'। এটি তাঁর সাহিত্যিক পরিচয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।</li>
</ul>
৫৯৯৮

‘লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা না আমার’ চরণটির রচয়িতা -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাসন রাজা
ব্যাখ্যা:
<p>এই বিখ্যাত গানটির রচয়িতা হলেন <strong>হাসন রাজা</strong>। মরমী সাধক হাসন রাজার দর্শনে পার্থিব জগতের নশ্বরতা এবং আধ্যাত্মিক চেতনার এক দারুণ মেলবন্ধন দেখা যায়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>হাসন রাজার গানে সাধারণত নিজের ঘরবাড়ি বা এই পৃথিবীর প্রতি বৈরাগ্য ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘লোকে বলে বলেরে ঘরবাড়ি ভালা না আমার’—এই লাইনটি তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি, যা শুনলেই হাসন রাজার নাম মনে রাখা সহজ।</li>
</ul>
৫৯৯৯

‘শবপোড়া’ শব্দটিতে কী দোষ দেখা যায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গুরুচণ্ডালী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গুরুচণ্ডালী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটলে তাকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলা হয়।</li>
<li>‘শব’ শব্দটি তৎসম বা সাধু ভাষার শব্দ, কিন্তু ‘পোড়া’ শব্দটি চলিত রূপ।</li>
<li>সাধু রীতির শব্দ ‘শব’ এর সাথে চলিত রীতির ‘পোড়া’ যুক্ত হওয়ায় এখানে সাধু ও চলিত রীতির মিশ্রণ ঘটেছে, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, একই শব্দে সাধু ও চলিত ভাষার অসামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবহারই হলো গুরুচণ্ডালী দোষ।</p>
৬০০০

‘শহীদ জননী’ নামে খ্যাত -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাহানারা ইমাম</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। কেন তাকে ‘শহীদ জননী’ বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে জাহানারা ইমামের বড় ছেলে শাফী ইমাম রুমী দেশের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।</li>
<li>সন্তান হারানোর গভীর বেদনা বুকে নিয়েও তিনি দমে যাননি, বরং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন।</li>
<li>তার এই অসামান্য ত্যাগ এবং দেশপ্রেমের কারণেই জাতি তাকে শ্রদ্ধার সাথে <strong>‘শহীদ জননী’</strong> উপাধিতে ভূষিত করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘শহীদ জননী’ নামটি আসবে, চোখের সামনে ভেসে উঠবে জাহানারা ইমামের সেই সাহসী ও সংগ্রামী প্রতিচ্ছবি।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।