<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র</strong>। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় উপন্যাস ‘শ্রীকান্ত’ পড়লে আপনি রাজলক্ষ্মী চরিত্রটির সাথে পরিচিত হবেন। শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখনীতে রাজলক্ষ্মী চরিত্রটি অত্যন্ত জীবন্ত ও মানবিক হয়ে উঠেছে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের উপন্যাসের নারীরা সাধারণত খুব আবেগপ্রবণ এবং মমতাময়ী হয়।</li>
<li>‘শ্রীকান্ত’ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রই হলো রাজলক্ষ্মী।</li>
<li>শরৎচন্দ্রকে বলা হয় ‘নারীর মনের শিল্পী’, তাই এমন গভীর চরিত্র সৃষ্টি করা তাঁর পক্ষেই সম্ভব হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রামরাম বসু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>১৮০১ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর বাংলা গদ্যের চর্চা শুরু হয়।</li>
<li>এই ধারার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন রামরাম বসু।</li>
<li>তিনি ১৮০১ সালেই <strong>‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’</strong> গ্রন্থটি রচনা করেন, যা বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের শুরুর দিকের ইতিহাসের কথা মনে করলেই রামরাম বসুর নাম এবং এই বইটির কথা মাথায় চলে আসে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকান্ত ভট্টাচার্য</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি'। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'ছাড়পত্র'-এর অন্যতম জনপ্রিয় কবিতা হলো 'রানার'। এই কবিতায় তিনি একজন ডাকহরকরার জীবনসংগ্রাম ও দায়িত্ববোধের কথা অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। তাই যখনই 'রানার' কবিতার কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে সুকান্ত ভট্টাচার্যের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>‘রামায়ণ’ এর প্রথম বাংলা অনুবাদক হলেন <strong>কৃত্তিদাস ওঝা</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাঁর এই অনুবাদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং জনপ্রিয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় রামায়ণের কাহিনীকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য কৃত্তিদাস ওঝা পঞ্চদশ শতাব্দীতে এই অনুবাদটি সম্পন্ন করেন।</li>
<li>তাঁর এই অনুবাদটি <strong>‘কৃত্তিবাসী রামায়ণ’</strong> নামে পরিচিত, যা আজও বাংলার ঘরে ঘরে সমাদৃত।</li>
<li>মূল সংস্কৃত রামায়ণ বাল্মীকি লিখলেও, বাংলায় এর প্রথম সার্থক অনুবাদক হিসেবে কৃত্তিদাস ওঝার নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কিশোরগঞ্জ</strong>। বাংলা সাহিত্যের প্রথম নারী কবি হিসেবে পরিচিত চন্দ্রাবতী মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান কবি ছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>চন্দ্রাবতীর জন্মস্থান বর্তমান বাংলাদেশের <strong>কিশোরগঞ্জ</strong> জেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাতুয়ার গ্রামে।</li>
<li>তিনি বিখ্যাত কবি দ্বিজ বংশীদাসের কন্যা ছিলেন।</li>
<li>কিশোরগঞ্জের নরসুন্দা নদীর তীরেই তাঁর শৈশব ও বেড়ে ওঠা, যা তাঁর সাহিত্যকর্মেও গভীর প্রভাব ফেলেছিল।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, চন্দ্রাবতী মানেই কিশোরগঞ্জের গর্ব।</p>
৫৯৭৬
‘রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়” - কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রূপসী বাংলা</strong>। জীবনানন্দ দাশের কবিতায় 'রূপসা' কোনো সাধারণ নদী নয়, বরং এটি সমগ্র বাংলার রূপ ও প্রকৃতির এক প্রতীকী নাম।</p>
<ul>
<li>কবি এখানে রূপসা নদীকে উপলক্ষ করে পুরো বাংলার চিরচেনা রূপকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
<li>কবিতার গভীর অর্থ অনুযায়ী, এই নদীটি বাংলার শাশ্বত সৌন্দর্য এবং গ্রামবাংলার ঐতিহ্যের ধারক।</li>
<li>তাই রূপসা এখানে কেবল একটি ভৌগোলিক নদী নয়, বরং এটি কবির ভালোবাসার <strong>রূপসী বাংলা</strong>-র প্রতিচ্ছবি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় 'রূপসী বাংলার কবি'।</p>
<ul>
<li>তাঁর কবিতার মূল উপজীব্যই হলো বাংলার প্রকৃতি, যা এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি ছত্রে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>১৯৩৪ সালে রচিত এই কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রকৃতি-নির্ভর সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তাই যখনই 'রূপসী বাংলা'র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশের নাম মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত বাংলার প্রকৃতি ও রূপের এক অনন্য আখ্যান।</li>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় ‘রূপসী বাংলার কবি’।</li>
<li>তার কবিতায় বাংলার নদী, মাঠ, ধানক্ষেত এবং প্রকৃতির যে নিখুঁত চিত্র ফুটে উঠেছে, তা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় সম্পদ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘রূপসী বাংলা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশের নাম মনে রাখলেই হবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত আমাদের প্রিয় বাংলার প্রকৃতি ও রূপের এক অনন্য আখ্যান। এই কাব্যগ্রন্থের প্রতিটি পঙক্তিতে বাংলার নদী, মাঠ আর প্রকৃতির যে মায়া ফুটে উঠেছে, তা কেবল জীবনানন্দ দাশের পক্ষেই সম্ভব ছিল।</p>
<ul>
<li><strong>কবি:</strong> জীবনানন্দ দাশ।</li>
<li><strong>কাব্যগ্রন্থ:</strong> রূপসী বাংলা।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় 'রূপসী বাংলার কবি'। তাই এই কাব্যগ্রন্থের নাম শুনলেই সরাসরি তাঁর কথা মাথায় আসাটাই স্বাভাবিক।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জীবনানন্দ দাশ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থটি মূলত বাংলার প্রকৃতি ও রূপের এক অনন্য আখ্যান।</p>
<ul>
<li>জীবনানন্দ দাশকে বলা হয় ‘রূপসী বাংলার কবি’।</li>
<li>তার এই কাব্যগ্রন্থে তিনি বাংলার নদী, মাঠ, ফসলের ঘ্রাণ এবং নিসর্গকে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে অদ্বিতীয়।</li>
<li>এই কাব্যগ্রন্থটি কবির মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়, যা তাকে বাংলা কবিতার ইতিহাসে অমর করে রেখেছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘রূপসী বাংলা’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে জীবনানন্দ দাশের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। 'রেইনকোট' গল্পটি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী একটি ছোটগল্প। এই গল্পের লেখক সম্পর্কে মনে রাখার কিছু সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong> তার বাস্তবধর্মী ও গভীর জীবনবোধের গল্পের জন্য পরিচিত।</li>
<li>মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহরের সাধারণ মানুষের মানসিক অবস্থা এবং 'রেইনকোট'কে কেন্দ্র করে যে প্রতীকী আবহ তৈরি হয়েছে, তা কেবল ইলিয়াসের লেখনীতেই সম্ভব হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই গুরুত্বপূর্ণ গল্পটি তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ <strong>'দোজখের ওম'</strong>-এর অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'রেইনকোট' গল্পের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>-এর নাম মনে রাখবেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিখ্যাত উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং আলোচিত নারী চরিত্র হলো রোহিণী।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে গোবিন্দলাল, ভ্রমর এবং রোহিণীকে কেন্দ্র করে।</li>
<li>রোহিণীর চরিত্রের টানাপোড়েন এবং তার পরিণতিই এই উপন্যাসের ট্র্যাজেডির মূল ভিত্তি।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী নারী চরিত্র হিসেবে রোহিণী সবসময়ই পাঠকদের কাছে আলাদাভাবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র হলো রোহিণী।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখার জন্য এই সহজ কৌশলটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের উপন্যাসের নাম শুনলেই মাথায় আসে <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>।</li>
<li>এই উপন্যাসের পুরো কাহিনী আবর্তিত হয়েছে <strong>রোহিণী</strong> নামক চরিত্রটিকে কেন্দ্র করেই।</li>
<li>রোহিণীর রূপ, তার ভুল সিদ্ধান্ত এবং পরিণতির মাধ্যমেই উপন্যাসের মূল দ্বন্দ্বগুলো ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কৃষ্ণকান্তের উইল</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের অন্যতম প্রধান এবং আকর্ষণীয় চরিত্র হলো রোহিণী।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ পয়েন্ট:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল কাহিনী আবর্তিত হয়েছে গোবিন্দলাল, ভ্রমর এবং এই রোহিণী চরিত্রকে কেন্দ্র করেই।</li>
<li>রোহিণীর চারিত্রিক জটিলতা এবং তার জীবনের পরিণতিই এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান উপজীব্য।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আলোচিত নারী চরিত্র হিসেবে রোহিণী সবসময়ই পাঠকদের কাছে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত পঙক্তিটি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের একটি ব্যঙ্গাত্মক কবিতার অংশ। তিনি মূলত তাঁর সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতি এবং ভণ্ডামিকে তীক্ষ্ণ শ্লেষ ও ছড়ার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতেন। এই লাইনটির মাধ্যমে তিনি তৎকালীন তথাকথিত শাস্ত্রজ্ঞদের অসারতা এবং লোক দেখানো পাণ্ডিত্যকে বিদ্রূপ করেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>কবি পরিচিতি:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বাংলা সাহিত্যে 'যুগসন্ধির কবি' বলা হয়।</li>
<li><strong>লেখার বৈশিষ্ট্য:</strong> তাঁর লেখায় সমাজ সচেতনতা এবং হাস্যরসের এক দারুণ সংমিশ্রণ দেখা যায়।</li>
<li><strong>মনে রাখার টিপস:</strong> যখনই কোনো ছড়াকারে সমাজকে ব্যঙ্গ করা বা শাস্ত্রের অসারতা নিয়ে কথা বলা হয়, তখন চোখ বন্ধ করে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের কথা মনে করাটা বেশ কার্যকর একটি কৌশল।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।