<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিনয় মুখোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যে ছদ্মনামের ব্যবহার বেশ পুরনো, আর 'যাযাবর' নামটি শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিখ্যাত বই 'দৃষ্টিপাত'-এর কথা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিনয় মুখোপাধ্যায়</strong> তাঁর সাহিত্যিক জীবনে এই ছদ্মনামটি গ্রহণ করেছিলেন।</li>
<li>তাঁর লেখা <strong>'দৃষ্টিপাত'</strong> বইটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং এই ছদ্মনামের মাধ্যমেই তিনি পাঠকদের কাছে পরিচিতি পান।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, তাই মনে রাখার জন্য 'যাযাবর' = 'বিনয় মুখোপাধ্যায়'—এই জোড়াটি মাথায় গেঁথে নিন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে ‘যুগসন্ধিকালের কবি’ বলা হয়। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>তিনি মধ্যযুগের শেষ এবং আধুনিক যুগের শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন।</li>
<li>তাঁর কবিতায় একদিকে যেমন মধ্যযুগীয় ধারার প্রভাব দেখা যায়, অন্যদিকে আধুনিক যুগের নাগরিক সচেতনতা ও সমসাময়িক সমাজচিত্রও ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এই দুই যুগের সেতুবন্ধন তৈরি করার কারণেই তাঁকে এই বিশেষ অভিধায় ভূষিত করা হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তাকে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' বলা হয় কারণ তিনি মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগের সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করেছেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>মধ্যযুগের বৈশিষ্ট্য:</strong> তার কবিতায় ঈশ্বরভক্তি ও শ্লেষাত্মক রসবোধের এক অদ্ভুত সংমিশ্রণ দেখা যায়, যা মধ্যযুগীয় ধারার শেষ প্রতিনিধি।</li>
<li><strong>আধুনিক যুগের সূচনা:</strong> একই সাথে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার বিষয়বস্তু ও আঙ্গিকে নতুনত্বের ছোঁয়া এনেছিলেন।</li>
<li><strong>সহজ যুক্তি:</strong> তিনি এমন এক সময়ে সাহিত্যচর্চা করেছেন যখন বাংলা সাহিত্য পুরনো প্রথা ভেঙে নতুন আধুনিকতার দিকে পা বাড়াচ্ছিল। তাই দুই যুগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে থাকা এই কবিই আমাদের কাছে 'যুগসন্ধিক্ষণের কবি' হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>‘রক্তকরবী’ নাটকটির রচয়িতা হলেন <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও প্রতীকী নাটক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নাটকগুলোর মধ্যে ‘রক্তকরবী’ অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ।</li>
<li>এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>নাটকটিতে যক্ষপুরীর প্রেক্ষাপটে মানুষের যন্ত্রনির্ভরতা ও শোষণের বিরুদ্ধে মানবিকতার জয়গান গাওয়া হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা কুইজে এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটকের সঠিক পটভূমি হলো <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ</strong>। মুনীর চৌধুরী রচিত এই ঐতিহাসিক নাটকের মূল বিষয়বস্তু হলো ১৭৬১ সালে সংঘটিত এই ভয়াবহ যুদ্ধ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>নাটকটির নাম থেকেই বোঝা যায় এটি একটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় ১৭৬১ সালের <strong>পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ</strong> ছিল অত্যন্ত বিধ্বংসী, যা এই নাটকের মূল উপজীব্য।</li>
<li>মুনীর চৌধুরী এই নাটকে যুদ্ধের ভয়াবহতা এবং মানবিক বিপর্যয়ের চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>‘রচনার শিল্পগুণ’ প্রবন্ধটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের</strong> লেখা। তিনি বাংলা গদ্যের শৈলী ও শিল্পমান নিয়ে যে গভীর বিশ্লেষণ করেছেন, তার অন্যতম নিদর্শন হলো এই প্রবন্ধটি।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্র ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক এবং গদ্যরীতির একজন প্রধান রূপকার।</li>
<li>সাহিত্যের নান্দনিক দিক ও রচনার গঠনশৈলী নিয়ে তার নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ছিল অত্যন্ত স্বচ্ছ, যা এই প্রবন্ধটিতে স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>তাই সাহিত্য সমালোচনামূলক এই ধরনের প্রবন্ধের কথা আসলেই বঙ্কিমচন্দ্রের নাম সবার আগে চলে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পোস্টমাস্টার</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা কালজয়ী ছোটগল্প 'পোস্টমাস্টার'-এর মূল চরিত্রগুলোর মধ্যে রতন অন্যতম।</p>
<p>গল্পটি পড়ার সময় এই বিষয়গুলো খেয়াল রাখলে সহজেই মনে থাকবে:</p>
<ul>
<li>রতন হলো গ্রামের একটি অনাথ কিশোরী, যে পোস্টমাস্টারের ঘরের কাজ করত।</li>
<li>পোস্টমাস্টারের একাকী জীবনে রতন ছিল তার একমাত্র সঙ্গী ও সেবিকা।</li>
<li>গল্পের শেষে পোস্টমাস্টারের চলে যাওয়া এবং রতনের অসহায়ত্বের করুণ চিত্রটিই এই চরিত্রের প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রতন চরিত্রটি পোস্টমাস্টার গল্পের আবেগ ও মানবিক সম্পর্কের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।</p>
<p>‘রসুল বিজয়’ কাব্যের রচয়িতা হলেন <strong>শেখ চাঁদ</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্য।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>শেখ চাঁদ</strong> ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিশিষ্ট কবি।</li>
<li>তার রচিত ‘রসুল বিজয়’ কাব্যটি মূলত ইসলামি আখ্যান বা ধর্মীয় কাহিনি অবলম্বনে লেখা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই কাব্যটি তার অমর সৃষ্টি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য কবির নামের সাথে কাব্যের নাম মিলিয়ে একটি ছোট ছন্দ বা কি-ওয়ার্ড তৈরি করে নিতে পারেন, এতে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনোয়ার পাশা</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এই উপন্যাসটি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>আনোয়ার পাশা</strong> ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।</li>
<li>তিনি ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোতে নিজের চোখে দেখা অবরুদ্ধ ঢাকার বাস্তব চিত্র এবং পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা এই উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>উপন্যাসটির নাম ‘রাইফেল রুটি আওরাত’ মূলত তিনটি প্রতীকী শব্দের সমষ্টি—যেখানে রাইফেল দিয়ে যুদ্ধ, রুটি দিয়ে ক্ষুধা বা বেঁচে থাকার সংগ্রাম এবং আওরাত দিয়ে নারী নির্যাতনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই মুক্তিযুদ্ধের সাহিত্যের কথা উঠলেই এই কালজয়ী উপন্যাসের লেখক হিসেবে <strong>আনোয়ার পাশা</strong>-র নাম সবার আগে আসে।</p>
<p>‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের আখ্যানকেন্দ্র হলো <strong>বিশ্ববিদ্যালয়</strong>। এই উপন্যাসে লেখক আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের উত্তাল দিনগুলোর প্রেক্ষাপটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ এবং সেখানকার শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের জীবনসংগ্রাম ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল পটভূমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।</li>
<li>এখানে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের করুণ চিত্র এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমাজের মানসিক দোদুল্যমানতা ও যুদ্ধের ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বাস্তবতাকে অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা হলেন <strong>আনোয়ার পাশা</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত।</p>
<ul>
<li>এই উপন্যাসটি মূলত ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকার জীবনযাত্রা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার এক জীবন্ত দলিল।</li>
<li>লেখক আনোয়ার পাশা নিজেই এই উপন্যাসের মাধ্যমে যুদ্ধের ভয়াবহতা ও সাধারণ মানুষের সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখা খুব সহজ—মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা এই কালজয়ী উপন্যাসের নাম শুনলেই যেন <strong>আনোয়ার পাশা</strong>-র নাম মাথায় চলে আসে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আনোয়ার পাশা</strong>।</p>
<p>বিষয়টা মনে রাখা খুব সহজ। ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যা আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা। এই উপন্যাসটি সম্পর্কে কিছু তথ্য মনে রাখলে আর ভুল হবে না:</p>
<ul>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>লেখক <strong>আনোয়ার পাশা</strong> ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি শহীদ হন।</li>
<li>উপন্যাসের নামটির অর্থ হলো—রাইফেল, রুটি এবং নারী, যা যুদ্ধের সময়কার অস্থির জীবন ও বেঁচে থাকার লড়াইকে ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তিযুদ্ধের দলিলে এই উপন্যাসের নাম এবং লেখকের নাম ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপন্যাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ:</p>
<ul>
<li>আনোয়ার পাশা রচিত <strong>‘রাইফেল রোটি আওরাত’</strong> বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।</li>
<li>এই উপন্যাসে ১৯৭১ সালের অবরুদ্ধ ঢাকার জীবনযাত্রা এবং পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত, যা তৎকালীন বাস্তবতাকে উপন্যাসের আঙ্গিকে তুলে ধরেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>উপন্যাস</strong> দাগিয়ে দিতে পারেন!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জসীমউদদীন</strong>। পল্লীকবি জসীমউদদীনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘রাখালী’ একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জসীমউদদীনকে বলা হয় <strong>পল্লীকবি</strong>, কারণ তার লেখায় গ্রামবাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জীবন খুব সুন্দরভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘রাখালী’ কাব্যটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়, যা তার কাব্যপ্রতিভার এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য জসীমউদদীনের অন্যান্য বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যেমন— ‘নকশী কাঁথার মাঠ’ বা ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’-এর সাথে ‘রাখালী’ নামটিও মাথায় গেঁথে রাখুন।</li>
</ul>
<p>‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>। ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সময় কারাবন্দী থাকা অবস্থায় তিনি এই কালজয়ী জবানবন্দীটি লিখেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি মূলত একটি আত্মজৈবনিক ও রাজনৈতিক দলিল, যেখানে তিনি ব্রিটিশ বিচারকের সামনে নিজের আদর্শ ও দেশপ্রেমের কথা তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>১৯২২ সালে ‘ধূমকেতু’ পত্রিকায় রাজদ্রোহমূলক কবিতা ছাপানোর দায়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।</li>
<li>আদালতে দেওয়া তার এই সাহসী বক্তব্যটিই পরবর্তীতে ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ নামে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে এটি কেবল একটি প্রবন্ধ নয়, বরং পরাধীনতার শৃঙ্খল ভাঙার এক অকুতোভয় কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।