<p>আহসান হাবীবের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>রাত্রিশেষ</strong>। এটি ১৯৪৭ সালে প্রকাশিত হয়। বাংলা সাহিত্যে আধুনিক ধারার কবি হিসেবে তিনি অত্যন্ত পরিচিত। তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম, যা তাকে পাঠক মহলে আলাদা পরিচিতি দেয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, কারণ অনেক সময় প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় কবির প্রথম বা শেষ কাব্যগ্রন্থ সম্পর্কে প্রশ্ন আসে। তাই <strong>রাত্রিশেষ</strong> নামটি মনে রাখলে সহজেই উত্তরটি দাগানো সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও</strong>। উনিশ শতকের শুরুর দিকে বাংলার নবজাগরণের ইতিহাসে ডিরোজিওর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলন:</strong> ডিরোজিও হিন্দু কলেজের তরুণ ছাত্রদের মধ্যে যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার প্রসার ঘটান।</li>
<li><strong>ডিরোজিওর প্রভাব:</strong> তাঁর অনুসারীরা 'ইয়ংবেঙ্গল' বা 'নব্যবঙ্গ' গোষ্ঠী নামে পরিচিত ছিলেন, যারা তৎকালীন কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।</li>
<li><strong>ঐতিহাসিক গুরুত্ব:</strong> তিনি কেবল একজন শিক্ষকই ছিলেন না, বরং আধুনিক ভারতের মুক্তচিন্তার অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে আজও সমাদৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যুক্তিবাদী ও আধুনিক শিক্ষার প্রসারে ডিরোজিওর নেতৃত্বই ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলনের মূল ভিত্তি তৈরি করেছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>উনিশ শতকের শুরুর দিকে হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক <strong>হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর</strong> অনুসারী একদল মেধাবী বাঙালি ছাত্র পাশ্চাত্য শিক্ষা ও যুক্তিবাদী চিন্তাধারায় উদ্বুদ্ধ হয়েছিলেন।</li>
<li>তাদের এই প্রগতিশীল ও আধুনিক চিন্তাধারার কারণেই তাদের <strong>'ইয়ং বেঙ্গল'</strong> বা 'নব্যবঙ্গ' গোষ্ঠী বলা হতো।</li>
<li>মূলত, তারা প্রচলিত কুসংস্কারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মুক্তচিন্তা ও দেশপ্রেমের যে চর্চা শুরু করেছিলেন, তা-ই ছিল ইয়ংবেঙ্গল আন্দোলনের মূল ভিত্তি।</li>
</ul>
৬১৮৪
ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর গ্রন্থ লিখেছেন কে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক্লিনটন বি সিলি</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যকর্ম এবং তাঁর জীবন নিয়ে ইংরেজি ভাষায় গবেষণাধর্মী কাজ করার জন্য ক্লিনটন বি সিলি বিশেষভাবে পরিচিত। তাঁর লেখা বিখ্যাত গ্রন্থটির নাম হলো <strong>"A Poet Apart: A Literary Biography of the Bengali Poet Jibanananda Das"</strong>।</p>
<ul>
<li>ক্লিনটন বি সিলি একজন আমেরিকান শিক্ষাবিদ, যিনি বাংলা সাহিত্যের প্রতি গভীর অনুরাগের কারণে জীবনানন্দ দাশের ওপর এই গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সম্পন্ন করেন।</li>
<li>জীবনানন্দ দাশের কবিতার ইংরেজি অনুবাদ এবং তাঁর জীবনদর্শনকে আন্তর্জাতিক পাঠকদের কাছে পৌঁছে দিতে এই বইটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাঁটাতারে প্রজাপতি</strong>। সেলিনা হোসেনের সাহিত্যকর্মের মধ্যে এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস, যেখানে তিনি তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ইলা মিত্রের সংগ্রামী জীবন ও আদর্শকে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>উপন্যাস:</strong> কাঁটাতারে প্রজাপতি।</li>
<li><strong>মূল উপজীব্য:</strong> ইলা মিত্রের জীবনসংগ্রাম ও তেভাগা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট।</li>
<li><strong>লেখক:</strong> সেলিনা হোসেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, ইলা মিত্রের জীবনের যে কঠিন বাস্তবতা এবং তার প্রতিবাদের ভাষা, তা সেলিনা হোসেন এই উপন্যাসে খুব চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। তাই ইলা মিত্রের নাম শুনলেই সাহিত্যিক হিসেবে সেলিনা হোসেনের এই বিশেষ উপন্যাসটির কথা মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ১৮৩১ সালে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশ করেন।</li>
<li>শুরুতে এটি সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে বের হলেও, ১৮৩৯ সাল থেকে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</li>
<li>ঈশ্বরগুপ্তের সাহিত্যিক প্রতিভার বড় একটি অংশ এই পত্রিকার মাধ্যমেই বিকশিত হয়েছিল, তাই তাঁর নাম শুনলেই 'সংবাদ প্রভাকর'-এর কথা মাথায় রাখা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন মেদিনীপুর জেলার (বর্তমানে পশ্চিম মেদিনীপুর) <strong>বীরসিংহ গ্রামে</strong> জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তাঁর বাবার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মায়ের নাম ভগবতী দেবী।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই বীরসিংহ গ্রামের নামটির সাথে বিদ্যাসাগরের নামটা একবারে গেঁথে নিন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বীরসিংহ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তৎকালীন হুগলি জেলার (বর্তমান পশ্চিম মেদিনীপুর) <strong>বীরসিংহ</strong> গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>তাঁর নামের সাথে গ্রামের নাম মিলিয়ে মনে রাখাটা বেশ সুবিধাজনক, কারণ তিনি বাংলা বর্ণমালার সংস্কারক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর জন্মস্থান বীরসিংহ গ্রামটি তাঁর অমর কীর্তির মতোই বিখ্যাত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতারপঞ্চবিংশতি</strong>।</p>
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্মের তালিকাটি বেশ সুনির্দিষ্ট। এই প্রশ্নের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়ার সহজ উপায় হলো তাঁর বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থগুলোর নাম মনে রাখা:</p>
<ul>
<li><strong>বেতারপঞ্চবিংশতি</strong> হলো বিদ্যাসাগরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মৌলিক ও অনুবাদধর্মী কাজ, যা তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশ করেন।</li>
<li>এটি মূলত হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসী' গ্রন্থের ভাবানুবাদ।</li>
<li>বাংলা গদ্যের শৈলী ও ভাষাকে মার্জিত ও সাবলীল করার ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি এক মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক অবদানের বিচারে <strong>বেতারপঞ্চবিংশতি</strong>-ই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, বিদ্যাসাগর মশাইয়ের লেখা অধিকাংশ বই মূলত অনুবাদ বা অন্য কোনো গ্রন্থের অবলম্বনে তৈরি। কিন্তু তাঁর মৌলিক রচনার সংখ্যা খুবই কম।</p>
<ul>
<li><strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> হলো বিদ্যাসাগরের লেখা একটি শোকগাথা বা জীবনীমূলক গ্রন্থ, যা তিনি তাঁর ব্যক্তিগত শোক থেকে লিখেছিলেন।</li>
<li>অন্যান্য অনেক বিখ্যাত বই যেমন <em>বেতালপঞ্চবিংশতি</em> বা <em>সীতার বনবাস</em> মূলত সংস্কৃত বা হিন্দি সাহিত্যের অনুবাদ বা ভাবানুবাদ।</li>
<li>তাই মৌলিক রচনার কথা বললে বিদ্যাসাগরের নিজস্ব সৃষ্টি হিসেবে <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>-এর নামই সবার আগে আসে।</li>
</ul>
৬১৯১
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কবে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেয়া হয়?
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেওয়া হয় <strong>১৮৩৯</strong> সালে। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত কলেজে পড়ার সময় তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও মেধার কারণে সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপকগণ তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করেন।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে তাঁর অগাধ পাণ্ডিত্যের স্বীকৃতি হিসেবে এই উপাধিটি তাঁর নামের সঙ্গে চিরস্থায়ীভাবে জুড়ে যায়।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৩৯</strong> সাল।</p>
৬১৯২
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কোন প্রতিষ্ঠান বিদ্যাসাগর উপাধি প্রদান করে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত কলেজ</strong>। বিষয়টি বেশ সহজ, কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নিজেই এই প্রতিষ্ঠানের ছাত্র ছিলেন এবং পরবর্তীতে এখানেই শিক্ষকতা ও অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।</p>
<ul>
<li>১৮৩৯ সালে তিনি যখন সংস্কৃত কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন, তখন তার অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে <strong>'বিদ্যাসাগর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করে।</li>
<li>এই উপাধিটি তার নামের সাথে এমনভাবে মিশে যায় যে, পরবর্তীকালে তিনি এই নামেই বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করেন।</li>
</ul>
৬১৯৩
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ ইংরেজি কোন গ্রন্থের গদ্য-অনুবাদ ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কমেডি অব এররস</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক <strong>'The Comedy of Errors'</strong>-এর কাহিনী অবলম্বনে বাংলা গদ্যে <strong>'ভ্রান্তিবিলাস'</strong> রচনা করেন।</li>
<li>১৮৬৯ সালে প্রকাশিত এই গ্রন্থটি মূলত শেক্সপিয়রের মূল নাটকের ঘটনার সারসংক্ষেপ এবং চরিত্রগুলোর নাম পরিবর্তন করে বাংলা সাহিত্যের উপযোগী করে লেখা হয়েছে।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় গদ্য অনুবাদ হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৬১৯৪
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কমেডি অব এররস</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক <strong>'The Comedy of Errors'</strong>-এর কাহিনী অবলম্বনে ১৮৬৯ সালে তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>'ভ্রান্তিবিলাস'</strong> রচনা করেন। এটি মূলত শেক্সপিয়রের মূল নাটকের একটি চমৎকার গদ্যরূপ বা অনুবাদ।</p>
<ul>
<li>মূল ইংরেজি নাটক: <strong>The Comedy of Errors</strong></li>
<li>বাংলা অনুবাদ বা গদ্যরূপ: <strong>ভ্রান্তিবিলাস</strong></li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শেক্সপিয়রের এই কমেডি নাটকটির বাংলা নামই হলো ভ্রান্তিবিলাস।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভ্রান্তিবিলাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিদ্যাসাগর মশাই শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক 'দ্য কমেডি অফ এররস' (The Comedy of Errors) অবলম্বনে এই বইটি লিখেছিলেন।</p>
<ul>
<li>মূল ইংরেজি নাটক: <strong>The Comedy of Errors</strong></li>
<li>অনুবাদ গ্রন্থ: <strong>ভ্রান্তিবিলাস</strong></li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শেক্সপিয়রের কমেডি বা হাস্যরসের নাটকটির ভাবার্থ বজায় রেখেই তিনি এর নামকরণ করেছিলেন 'ভ্রান্তিবিলাস'। সাহিত্যিক এই তথ্যটি মনে রাখলে পরীক্ষায় খুব সহজেই উত্তরটি দাগিয়ে ফেলা যায়।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।