<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রাতিপদিক</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের সাথে বিভক্তি যুক্ত না থাকলে তাকে <strong>প্রাতিপদিক</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের মূল রূপটিই হলো প্রাতিপদিক। যেমন: 'হাত', 'বই', বা 'কলম'—এগুলোর সাথে কোনো বিভক্তি নেই, তাই এগুলো প্রাতিপদিক।</li>
<li>যখনই এই শব্দগুলোর সাথে বিভক্তি (যেমন: -এ, -কে, -র) যুক্ত হয়, তখনই তা <strong>পদ</strong>-এ পরিণত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ কৌশল হলো: <strong>বিভক্তিহীন শব্দ = প্রাতিপদিক</strong>।</p>
৬৭৬৭
‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক।’ বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনন্বয়ী অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাক্যের শুরুতে ব্যবহৃত <strong>‘তুমি তো’</strong>—এখানে ‘তো’ শব্দটি বাক্যের অন্য কোনো পদের সাথে সরাসরি সম্পর্ক তৈরি করছে না।</li>
<li>এটি মূলত বাক্যে জোর বা বিশেষ ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যেসব অব্যয় পদ বাক্যের অন্য পদের সাথে কোনো সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাদেরই <strong>অনন্বয়ী অব্যয়</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই অব্যয়টি বাক্যের অর্থের সাথে মিশে গিয়ে একটি বিশেষ আবেগ বা জোর তৈরি করছে, তাই এটি অনন্বয়ী অব্যয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে</strong>। অপাদান কারক চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কোনো কিছু থেকে বিচ্যুত, গৃহীত, জাত, ভীত বা আরম্ভ হওয়া বোঝানো।</p>
<ul>
<li><strong>ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে</strong> বাক্যে ট্রেনটি স্টেশন থেকে দূরে সরে যাচ্ছে বা বিচ্যুত হচ্ছে।</li>
<li>যখন কোনো স্থান থেকে কোনো কিছু আলাদা হয়ে যায় বা ছেড়ে চলে যায়, তখন সেই স্থানটিই অপাদান কারক হয়।</li>
<li>এখানে স্টেশন থেকে ট্রেনটি বিচ্ছিন্ন হচ্ছে বলেই এটি অপাদান কারকের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু থেকে কোনো কিছু 'ছেড়ে যাওয়া' বা 'দূরে সরে যাওয়া' বোঝালেই চোখ বন্ধ করে সেটাকে অপাদান কারক হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বশুচি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>‘আগুন’ বা অগ্নি সব কিছুকে পুড়িয়ে পবিত্র বা শুদ্ধ করে ফেলে, তাই একে বলা হয় <strong>সর্বশুচি</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, যা সবকিছুকে দহন করে পবিত্র করে তোলে, সেই অর্থেই আগুনকে সর্বশুচি বলা হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই ধরনের শব্দ মনে রাখার জন্য শব্দের মূল অর্থ বা বিশেষণের দিকে খেয়াল রাখলে খুব দ্রুত উত্তর বের করা যায়।</p>
<p>‘Hand out’ এর সঠিক পরিভাষা হলো <strong>জ্ঞাপনপত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সাধারণত কোনো সভা, সেমিনার বা ক্লাসে উপস্থিত সবাইকে তথ্য জানানোর জন্য যে কাগজ বা লিফলেট দেওয়া হয়, তাকেই ইংরেজিতে ‘Hand out’ বলা হয়।</li>
<li>বাংলায় কোনো কিছু জানানোর বা জ্ঞাপন করার জন্য ব্যবহৃত এই কাগজকে তাই প্রাতিষ্ঠানিক ভাষায় <strong>জ্ঞাপনপত্র</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যা হাতে হাতে বিলি করে কোনো তথ্য জানানো হয়, সেটিই জ্ঞাপনপত্র।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ আলী আহসান</strong>। তিনি একজন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, কবি এবং গবেষক।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সৈয়দ আলী আহসান বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের একজন দিকপাল।</li>
<li>তিনি তার অসাধারণ সাহিত্যকর্ম এবং শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৮৭ সালে <strong>স্বাধীনতা পুরস্কার</strong> লাভ করেন।</li>
<li>তার কর্মজীবন এবং সৃজনশীলতা তাকে জাতীয় পর্যায়ে এই সম্মানজনক পুরস্কারের যোগ্য করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>‘জীবন থেকে নেওয়া’ চলচ্চিত্রটির পরিচালক হলেন <strong>জহির রায়হান</strong>। এটি বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও কালজয়ী সিনেমা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>পরিচালক:</strong> জহির রায়হান।</li>
<li><strong>মুক্তি:</strong> ১৯৭০ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিনেমাটি মূলত বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।</li>
<li><strong>বৈশিষ্ট্য:</strong> রূপকধর্মী এই চলচ্চিত্রটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হান</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘সরল’ শব্দের অর্থ হলো যা সোজা বা সহজ। এর বিপরীত শব্দ হিসেবে আমরা সাধারণত বক্র, কুটিল বা জটিল ব্যবহার করি। কিন্তু ‘গরল’ শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল, যা ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক কোনো শব্দই নয়।</p>
<ul>
<li><strong>সরল</strong> শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো: বক্র, কুটিল, জটিল।</li>
<li><strong>গরল</strong> শব্দের অর্থ হলো বিষ, তাই এটি এখানে অসামঞ্জস্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেহেতু গরল কোনোভাবেই সরল শব্দের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুহম্মদ আবদুল হাই</strong>।</p>
<p>বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ নিয়ে যারা পড়াশোনা করেন, তাদের কাছে এই বইটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ রেফারেন্স। এই বইটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ কিছু বিষয় হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মুহম্মদ আবদুল হাই</strong> ছিলেন বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞানের একজন পথিকৃৎ।</li>
<li>তার এই বিখ্যাত গ্রন্থটি বাংলা ভাষার ধ্বনি ও উচ্চারণ রীতি নিয়ে বৈজ্ঞানিক আলোচনার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
<li>বাংলা ধ্বনিতত্ত্বের জটিল বিষয়গুলোকে তিনি অত্যন্ত সহজ ও প্রাঞ্জলভাবে এই বইটিতে তুলে ধরেছেন, যা আজও শিক্ষার্থীদের কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরবর্ণের সংখ্যা হলো <strong>২টি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালায় মৌলিক স্বরবর্ণ ৭টি হলেও যৌগিক স্বরবর্ণ মাত্র দুটি।</li>
<li>এই দুটি বর্ণ হলো <strong>ঐ</strong> এবং <strong>ঔ</strong>।</li>
<li>এদের যৌগিক স্বর বলার কারণ হলো, এগুলো উচ্চারণের সময় দুটি স্বরধ্বনি মিলে একটি ধ্বনি তৈরি করে। যেমন: <strong>ঐ</strong> = $অ + ই$ এবং <strong>ঔ</strong> = $অ + উ$।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শাখামৃগ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>যোগরূঢ় শব্দ</strong> বলতে সেই সব শব্দকে বোঝায়, যেগুলোর অর্থ প্রকৃতি ও প্রত্যয়জাত অর্থের অনুগামী না হয়ে একটি নির্দিষ্ট অর্থকে বোঝায়।</li>
<li>'শাখা' এবং 'মৃগ' শব্দ দুটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'শাখার মৃগ' বা গাছে থাকা পশু। কিন্তু এই শব্দটি দিয়ে বিশেষভাবে শুধু <strong>বানরকে</strong> বোঝানো হয়।</li>
<li>যেহেতু শব্দটি তার সাধারণ অর্থ ছেড়ে একটি বিশেষ অর্থ (বানর) প্রকাশ করছে, তাই এটি যোগরূঢ় শব্দের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সরোবরে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ বিভক্তি চেনার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের শেষে বাড়তি কোনো বর্ণ বা চিহ্ন আছে কি না তা দেখা।</p>
<ul>
<li><strong>সরোবর</strong> মূল শব্দের সাথে এখানে <strong>'এ'</strong> বিভক্তি যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণ অনুযায়ী, শব্দের শেষে যখন 'এ', 'য়', বা 'তে' যোগ হয়, তখন তাকে সপ্তমী বিভক্তি বলা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোতে (চশমা, সরোজ, চম্পক) শব্দের শেষে কোনো বাড়তি বিভক্তি চিহ্ন নেই, এগুলো মূল শব্দ বা নামপদ মাত্র।</li>
</ul>
<p>তাই, যেহেতু <strong>সরোবর + এ = সরোবরে</strong>, তাই এটিই বিভক্তিযুক্ত শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঐকিক</strong>। কারণ শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলেই বিষয়টি পরিষ্কার হয়ে যায়।</p>
<ul>
<li><strong>ঐকিক</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>এক + ইক</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>এখানে মূল শব্দ 'এক'-এর সাথে 'ইক' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন একটি অর্থবোধক শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে প্রত্যয়-সাধিত শব্দ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মূল শব্দের সাথে প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার কারণেই এটি প্রত্যয়-সাধিত শব্দের একটি নিখুঁত উদাহরণ।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।