<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অনন্বয়ী অব্যয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যের অন্য পদের সাথে কোনো সম্পর্ক না রেখে যে অব্যয় মনের ভাব বা আবেগ প্রকাশ করে, তাকেই অনন্বয়ী অব্যয় বলে।</li>
<li>এখানে 'ভারি' শব্দটি বাক্যের অন্য পদের সাথে সরাসরি কোনো ব্যাকরণগত সম্পর্কে যুক্ত নেই, বরং এটি বাক্যের মধ্যে একটি বিশেষ আবেগ বা জোর (emphasis) প্রকাশ করছে।</li>
<li>যেহেতু এই অব্যয়টি বাক্যের গঠন বা পদের সাথে অন্বিত বা যুক্ত নয়, তাই এটি অনন্বয়ী অব্যয়ের অন্তর্ভুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তিনটি</strong>। বাক্যটিতে বানান ও প্রয়োগগত তিনটি ভুল রয়েছে যা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>সুনামী:</strong> সঠিক বানান হবে <strong>সুনামি</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে 'ই' কার ব্যবহার করা হয়।</li>
<li><strong>তান্ডবে:</strong> সঠিক বানান হবে <strong>তাণ্ডবে</strong>। 'তান্ডব' শব্দে 'ণ' এর পরিবর্তে 'ণ্ড' ব্যবহার করা সঠিক।</li>
<li><strong>সর্বশান্ত:</strong> সঠিক বানান হবে <strong>সর্বস্বান্ত</strong>। 'সর্ব' এবং 'স্বান্ত' মিলে শব্দটি গঠিত হয়, তাই এখানে একটি 'স' যুক্ত হওয়া জরুরি।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, বাক্যটির শুদ্ধ রূপ হবে: <strong>‘সুনামির তাণ্ডবে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়েছে।’</strong></p>
<p>কৃদন্ত পদের সাথে যে বিশেষ্য পদটি যুক্ত থাকে, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>উপপদ</strong> বলা হয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>কৃদন্ত পদ হলো এমন শব্দ যা কোনো ধাতুর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে তৈরি হয়।</li>
<li>এই কৃদন্ত পদের ঠিক আগে যে বিশেষ্য পদটি বসে নতুন অর্থ তৈরি করে, সেটিই <strong>উপপদ</strong>।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'পঙ্কজ' শব্দটি ভাঙলে পাওয়া যায় 'পঙ্ক' (কাদা) + 'জ' (জন্মে যা)। এখানে 'জ' হলো কৃদন্ত পদ এবং এর আগের 'পঙ্ক' শব্দটি হলো <strong>উপপদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কৃদন্ত পদের আগের পদটিই হলো উপপদ, যা মূলত উপপদ তৎপুরুষ সমাস গঠনের মূল ভিত্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সর্বনাম</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ বিশেষ্য বা নামের পরিবর্তে বসে প্রশ্ন তৈরি করে, তখন তাকে <strong>প্রশ্নবাচক সর্বনাম</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'কী' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট নাম বা বস্তুর পরিবর্তে বসেছে, তাই এটি একটি সর্বনাম।</li>
<li>সহজ কথায়, যদি কোনো শব্দ দিয়ে কাউকে কিছু জিজ্ঞেস করা হয় এবং সেটি কোনো কিছুর নামকে নির্দেশ করে, তবে চোখ বন্ধ করে তাকে সর্বনাম হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গরল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘সরল’ শব্দের অর্থ হলো যা সোজা বা সহজ। এর বিপরীত শব্দগুলো সাধারণত এমন কিছু বোঝায় যা প্যাঁচানো বা কঠিন, যেমন—কুটিল, জটিল বা বক্র।</p>
<ul>
<li><strong>সরল</strong> শব্দের বিপরীত শব্দগুলো হলো: কুটিল, জটিল, বক্র।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>গরল</strong> শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল।</li>
<li>যেহেতু ‘গরল’ শব্দটি ‘সরল’ শব্দের বিপরীত কোনো অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
<p>‘Rank’ শব্দের সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো <strong>পদমর্যাদা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সাধারণত কোনো অফিস, সেনাবাহিনী বা সামাজিক অবস্থানে কারো যে নির্দিষ্ট স্তর বা মর্যাদা থাকে, তাকেই ইংরেজিতে 'Rank' বলা হয়।</li>
<li>বাংলায় এই অবস্থানের গুরুত্ব বোঝাতে আমরা 'পদমর্যাদা' শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো (যেমন: পদ, মাত্রা বা উচ্চতা) ভিন্ন ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত হলেও, 'Rank' বা পদবিগত অবস্থান বোঝাতে <strong>পদমর্যাদা</strong>-ই সবচেয়ে উপযুক্ত ও নির্ভুল শব্দ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লক্ষ্মণ সেনের</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>কবি জয়দেব ছিলেন সেন বংশের শেষ শক্তিশালী রাজা লক্ষ্মণ সেনের রাজসভার পঞ্চরত্নের একজন অন্যতম প্রধান কবি।</li>
<li>তার বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ <strong>‘গীতগোবিন্দ’</strong> মূলত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত, যা সেই সময়ের সংস্কৃত সাহিত্যের এক অনন্য নিদর্শন।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় লক্ষ্মণ সেনের রাজসভাকে ‘নবরত্ন’ বা ‘পঞ্চরত্ন’ সভার জন্য বিশেষভাবে চেনা যায়, আর জয়দেব ছিলেন সেই সভার অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।</li>
</ul>
<p>‘বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>বিনয় ঘোষ</strong>। তিনি মূলত সমাজবিজ্ঞানী এবং ইতিহাসবিদ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিনয় ঘোষের লেখা এই বইটি ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলার নবজাগরণ এবং বিদ্যাসাগরের জীবন ও কর্ম নিয়ে লেখা অন্যতম সেরা গবেষণামূলক কাজ।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও সমাজতাত্ত্বিক আলোচনার ক্ষেত্রে বিনয় ঘোষের এই বইটি একটি আকর গ্রন্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৬৮১৯
প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে?
<p>প্যারীচাঁদ মিত্রের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>‘আলালের ঘরের দুলাল’</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক। এই কালজয়ী গ্রন্থটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় <strong>১৮৫৮ সালে</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির রচয়িতা প্যারীচাঁদ মিত্র, যিনি 'টেকচাঁদ ঠাকুর' ছদ্মনামে লিখতেন।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>১৮৫৮ সালটি মনে রাখলে আপনি খুব সহজেই এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন।</li>
</ul>
৬৮২০
‘তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু’- এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?
<p>এই বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক কবিতাংশটির রচয়িতা হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত</strong>। তিনি মূলত তার শ্লেষাত্মক ও ব্যঙ্গধর্মী কবিতার জন্য বাংলা সাহিত্যে বিশেষভাবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তকে বলা হয় বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ব্যঙ্গকবি।</li>
<li>তিনি সমসাময়িক সমাজের নানা অসঙ্গতি ও ভণ্ডামিকে তার ছড়ার মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলতেন।</li>
<li>‘তুমি মা কল্পতরু, আমরা সব পোষাগরু’—এই লাইনটির মাধ্যমে তিনি তৎকালীন সমাজের মানুষের তোষামোদকারী মনোভাবকে দারুণভাবে বিদ্রূপ করেছেন।</li>
</ul>
৬৮২১
‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে</strong>।</p>
<p>মোতাহের হোসেন চৌধুরীর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলা হয়েছে। এর পেছনের কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যে এবং তাঁর জীবনদর্শনে প্রকৃতির সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্কের কথা বারবার উঠে এসেছে।</li>
<li>তিনি শান্তিনিকেতনে যে তপোবন আদর্শের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলেছিলেন, তা মূলত বৃক্ষ ও প্রকৃতির সান্নিধ্যেই গড়ে উঠেছিল।</li>
<li>প্রবন্ধকার এখানে রবীন্দ্রনাথের সেই বৃক্ষপ্রীতি এবং প্রকৃতির প্রতি গভীর অনুরাগকে নির্দেশ করতে গিয়েই তাঁকে তপোবন-প্রেমিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।</li>
</ul>
৬৮২২
‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস।’- এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ কামালকে</strong>। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ পড়লে বিষয়টি খুব সহজে বোঝা যায়।</p>
<ul>
<li>১৯৪৯ সালে যখন বঙ্গবন্ধু জেলে যান, তখন তাঁর বড় ছেলে শেখ কামালের বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস।</li>
<li>বঙ্গবন্ধু তাঁর বইয়ে বিভিন্ন জায়গায় পরিবারের সদস্যদের নিয়ে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এই তথ্যটি উল্লেখ করেছেন।</li>
<li>মূলত, জেলজীবনের কষ্ট এবং পরিবারের প্রতি তাঁর গভীর টান থেকেই তিনি এই কথাটি বলেছিলেন।</li>
</ul>
৬৮২৩
মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রূপায়ণ?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে যে অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন, তার মূল ভিত্তি হলো <strong>অক্ষরবৃত্ত ছন্দ</strong>।</li>
<li>অক্ষরবৃত্ত ছন্দের বৈশিষ্ট্য হলো এর চাল ধীর এবং গম্ভীর, যা মহাকাব্য বা দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতার জন্য সবচেয়ে উপযোগী।</li>
<li>মধুসূদন এই ছন্দের প্রবাহকে স্তবকের সীমাবদ্ধতা থেকে মুক্ত করে এক নতুন রূপ দিয়েছিলেন, যা বাংলা সাহিত্যে 'অমিত্রাক্ষর' নামে পরিচিতি পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অক্ষরবৃত্তের সুশৃঙ্খল কাঠামোকে ব্যবহার করেই তিনি বাংলা কবিতায় নতুন এক গতির সঞ্চার করেছিলেন।</p>
৬৮২৪
‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
<p>‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন <strong>শামসুর রাহমান</strong>।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানকে বলা হয় বাংলাদেশের নাগরিক কবি।</li>
<li>তার কবিতায় বারবার উঠে এসেছে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ, দেশপ্রেম এবং সাধারণ মানুষের কথা।</li>
<li>‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থটি তার সেই দেশপ্রেমের এক অনন্য নিদর্শন, যা আমাদের জাতীয় চেতনার সাথে গভীরভাবে মিশে আছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল ফজল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আবুল ফজল বাংলা সাহিত্যের একজন প্রখ্যাত বুদ্ধিজীবী এবং লেখক, যিনি তাঁর বিভিন্ন স্মৃতিচারণমূলক রচনার জন্য পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>দুর্দিনের দিনলিপি</strong> মূলত আবুল ফজলের লেখা একটি বিখ্যাত স্মৃতিগ্রন্থ।</li>
<li>এই গ্রন্থে তিনি তৎকালীন সময়ের রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার দিনগুলোর কথা অত্যন্ত সাবলীলভাবে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য এটি মনে রাখার একটি সহজ কৌশল হলো— আবুল ফজলের নামের সাথে 'দিনলিপি' বা 'স্মৃতিচারণ' জাতীয় শব্দগুলো প্রায়ই যুক্ত থাকে, যা তাঁর গদ্যশৈলীর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।