eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৬৭৯৬

ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কোন গ্রন্থের চরিত্র?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কমলাকান্ত
ব্যাখ্যা:
<p>ভীষ্মদেব খোশনবীশ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনা <strong>কমলাকান্ত</strong>-এর একটি অবিস্মরণীয় চরিত্র। বঙ্কিমচন্দ্র তাঁর এই গ্রন্থে কমলাকান্তের জবানিতে সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন, যেখানে ভীষ্মদেব খোশনবীশ চরিত্রটি অত্যন্ত চতুর এবং স্বার্থপর প্রকৃতির মানুষ হিসেবে চিত্রিত হয়েছে।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>গ্রন্থ:</strong> কমলাকান্তের দপ্তর বা কমলাকান্ত।</li>
<li><strong>চরিত্রের বৈশিষ্ট্য:</strong> ভীষ্মদেব খোশনবীশ মূলত একজন ধূর্ত এবং সুবিধাবাদী ব্যক্তি, যাকে বঙ্কিমচন্দ্র অত্যন্ত নিপুণভাবে তাঁর রচনায় ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য শুধু এইটুকু মাথায় রাখুন—বঙ্কিমচন্দ্রের রসবোধের অন্যতম সেরা নিদর্শন এই <strong>কমলাকান্ত</strong> গ্রন্থেই ভীষ্মদেব খোশনবীশের দেখা মেলে।</p>
৬৭৯৭

দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকের ইংরেজি অনুবাদক –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মাইকেল মধুসূদন দত্ত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>দীনবন্ধু মিত্রের বিখ্যাত নাটক <strong>‘নীলদর্পণ’</strong> ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের কাহিনী বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরার জন্য এর ইংরেজি অনুবাদের প্রয়োজন ছিল।</li>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্ত অত্যন্ত দ্রুততার সাথে এই নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন, যার নাম ছিল <strong>‘The Indigo Planting Mirror’</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, নীল বিদ্রোহের প্রেক্ষাপটে লেখা এই কালজয়ী নাটকের ইংরেজি রূপ দিয়েছিলেন বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।</p>
৬৭৯৮

রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন নাটকের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রক্তকরবী
ব্যাখ্যা:
<p>রঞ্জন চরিত্রটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত নাটক <strong>রক্তকরবী</strong>-র প্রধান পুরুষ চরিত্র। এই নাটকটি বোঝার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>রক্তকরবী</strong> নাটকে রঞ্জন হলো প্রাণশক্তির প্রতীক, যে যক্ষপুরীর যান্ত্রিক ও প্রাণহীন শাসনের বিপরীতে তারুণ্য ও ভালোবাসার বার্তা নিয়ে আসে।</li>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো মানুষের স্বাভাবিক আবেগ ও প্রকৃতির সাথে যন্ত্রসভ্যতার দ্বন্দ্ব, যেখানে রঞ্জন তার অদম্য সাহসের মাধ্যমে সেই অচলায়তন ভাঙার ইঙ্গিত দেয়।</li>
<li>রঞ্জন চরিত্রটি মূলত নন্দিনী নামের প্রধান নারী চরিত্রের ভালোবাসার মানুষ, যে যক্ষপুরীর অন্ধকার জগতের মাঝেও সজীবতার পরিচয় বহন করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই রঞ্জন বা নন্দিনীর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন সেটি <strong>রক্তকরবী</strong> নাটকের অংশ।</p>
৬৭৯৯

‘তৈল’ প্রবন্ধটি লিখেছেন –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী</strong>।</p>

<p>বাংলা সাহিত্যের বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘তৈল’ মূলত হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও ব্যঙ্গাত্মক রচনা। এই প্রবন্ধটি তাঁর <strong>‘বেনামী সে লেখা’</strong> নামক প্রবন্ধ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত।</p>

<ul>
<li>প্রবন্ধটির মূল বিষয়বস্তু হলো সমাজের মানুষের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং তৈল বা তোষামোদ করার প্রবণতা।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত রসাত্মক ভাষায় দেখিয়েছেন যে, কীভাবে মানুষ নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য অন্যের তোষামোদ বা 'তৈল' মর্দন করে থাকে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায় হলো, বাংলা সাহিত্যে 'তৈল' বা তোষামোদ নিয়ে এমন তীক্ষ্ণ ও বুদ্ধিদীপ্ত রচনার কথা মনে পড়লেই হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর নাম মাথায় আসা উচিত।</p>
৬৮০০

“নাম রেখেছি কোমল গান্ধার” কাব্যের রচয়িতা –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিষ্ণু দে</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বিষ্ণু দে আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম প্রধান কবি, যিনি তাঁর কাব্যশৈলীতে নতুনত্ব ও বুদ্ধিবৃত্তিক ধারার জন্য পরিচিত। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>"নাম রেখেছি কোমল গান্ধার"</strong> অন্যতম।</p>

<ul>
<li>কবি: বিষ্ণু দে।</li>
<li>কাব্যগ্রন্থ: নাম রেখেছি কোমল গান্ধার।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: বিষ্ণু দে-র কাব্যধারায় প্রায়ই সংগীত ও শিল্পের গভীর ছোঁয়া পাওয়া যায়, যা এই কাব্যগ্রন্থের নামকরণের মধ্যেও ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>
৬৮০১

‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ -গানটির রচয়িতা –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>

<p>এই বিখ্যাত গানটি নিয়ে কিছু মজার তথ্য যা মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>গানটি বাংলা সাহিত্যের জাতীয় কবি <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>-এর লেখা।</li>
<li>এটি কেবল একটি গান নয়, বরং বাঙালির ঈদ উদযাপনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</li>
<li>গানটি প্রথম রেকর্ড করা হয়েছিল ১৯৩২ সালে, যা আজও সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ঈদের আনন্দ আর নজরুল ইসলামের এই কালজয়ী সৃষ্টি যেন একে অপরের পরিপূরক। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে এই গানটির রচয়িতা হিসেবে চোখ বন্ধ করে কাজী নজরুল ইসলামকেই বেছে নিতে পারেন!</p>
৬৮০২

শামসুর রাহমানের রচিত উপন্যাস –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অদ্ভুত আঁধার এক
ব্যাখ্যা:
<p>শামসুর রাহমানের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই আমাদের মাথায় আসে তাঁর কবিতার কথা, তবে তিনি গদ্যেও দারুণ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছেন। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অদ্ভুত আঁধার এক</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>শামসুর রাহমানের লেখা একমাত্র উপন্যাস হলো <strong>অদ্ভুত আঁধার এক</strong>।</li>
<li>এটি তাঁর গদ্য রচনার একটি অনন্য নিদর্শন, যা তাঁর কাব্যিক শৈলীর মতোই গভীর ও চিন্তাশীল।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটি মনে রাখার জন্য শুধু এই নামটির সাথে লেখকের নামটি একবার মিলিয়ে নিলেই চলবে।</li>
</ul>
৬৮০৩

সেলিম আল দীনের নাটকে অনুসৃত শিল্পতত্ত্ব –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বৈতাদ্বৈতবাদ
ব্যাখ্যা:
<p>সেলিম আল দীনের নাট্যতত্ত্বের মূল ভিত্তি হলো <strong>দ্বৈতাদ্বৈতবাদ</strong>। তিনি তাঁর নাটকে বিশ্বজগত এবং মানুষের অস্তিত্বকে এক অদ্ভুত দ্বান্দ্বিক ও অদ্বৈত সম্পর্কের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>

<p>সহজ কথায় বিষয়টি বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>সেলিম আল দীন মনে করতেন, মানুষ ও প্রকৃতি আলাদা কিছু নয়, বরং তারা একে অপরের পরিপূরক।</li>
<li>তাঁর নাটকে বস্তুগত জগত (দ্বৈত) এবং আধ্যাত্মিক বা চেতনার জগত (অদ্বৈত) মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়।</li>
<li>এই দর্শনটিই তাঁর নাটকের ভাষা, চরিত্র এবং কাহিনী বিন্যাসে এক অনন্য মাত্রা যোগ করেছে, যা বাংলা নাট্যসাহিত্যে সম্পূর্ণ নতুন।</li>
</ul>

<p>তাই তাঁর শিল্পতত্ত্বের মূল জায়গাটি হলো এই <strong>দ্বৈতাদ্বৈতবাদ</strong>, যেখানে তিনি জীবন ও জগতকে একই সুতোয় গেঁথেছেন।</p>
৬৮০৪

‘পৃথক পালঙ্ক’ কাব্যগ্রন্থের কবি –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবুল হাসান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আবুল হাসান</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আবুল হাসান তার কাব্যিক শৈলী এবং আবেগী শব্দচয়নের জন্য বাংলা সাহিত্যে বেশ পরিচিত।</p>

<p>সহজ কিছু তথ্য মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>পৃথক পালঙ্ক</strong> কাব্যগ্রন্থটি ১৯৭৫ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি আবুল হাসানের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ।</li>
<li>তার প্রথম কাব্যগ্রন্থের নাম <strong>রাজা যায় রাজা আসে</strong>, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য কবির এই দুটি কাব্যগ্রন্থের নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা একদমই থাকবে না!</p>
৬৮০৫

কোন গল্পকারের গল্পে ম্যাজিক রিয়েলিজমের প্রতিফলন ঘটেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শহীদুল জহির
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শহীদুল জহির</strong>। বাংলা সাহিত্যে ম্যাজিক রিয়েলিজম বা জাদুবাস্তবতার সার্থক প্রয়োগের জন্য তিনি সবচেয়ে বেশি পরিচিত।</p>

<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>শহীদুল জহিরের গল্পে বাস্তব জীবনের সাধারণ ঘটনার সাথে অতিপ্রাকৃত বা অবাস্তব উপাদানের এক অদ্ভুত মিশেল দেখা যায়।</li>
<li>তার লেখায় কল্পনা এবং বাস্তবতার সীমানা এমনভাবে মিলেমিশে থাকে যে পাঠক সহজেই জাদুবাস্তবতার স্বাদ পান।</li>
<li>তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ যেমন 'ডুমুরখেকো মানুষ' বা 'কোথায় পাবো তারে'-তে এই শৈলীটি দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যে জাদুবাস্তবতার জাদুকর বলতেই শহীদুল জহিরের নাম সবার আগে আসে।</p>
৬৮০৬

“একুশ মানে মাথা নত না করা” – এই অমর পঙ্ক্তির রচয়িতা –

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আবুল ফজল
ব্যাখ্যা:
<p>এই অমর পঙ্ক্তিটির রচয়িতা হলেন <strong>আবুল ফজল</strong>। আমাদের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে লেখা এই বিখ্যাত উক্তিটি মূলত একুশের চেতনার প্রতীক।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>একুশের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার ধারক হিসেবে আবুল ফজল পরিচিত।</li>
<li>তার লেখা প্রবন্ধ ও সাহিত্যকর্মের মধ্যে এই পঙ্ক্তিটি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় এবং এটি প্রায়ই বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আসে।</li>
<li>তাই নামটি মনে রাখতে চাইলে এভাবে ভাবতে পারেন: <strong>"একুশের মাথা নত না করার সাহস জুগিয়েছেন আবুল ফজল।"</strong></li>
</ul>
৬৮০৭

‘ধ্বনি’ সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ধ্বনি দৃশ্যমান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধ্বনি দৃশ্যমান</strong>, কারণ এটি একটি ভুল তথ্য। ধ্বনি আসলে দৃশ্যমান কোনো বস্তু নয়, বরং এটি একটি শ্রবণযোগ্য বিষয়। বিষয়টি সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li><strong>ধ্বনি অদৃশ্য:</strong> ধ্বনি বা সাউন্ড আমরা কেবল কানে শুনতে পাই, কিন্তু খালি চোখে একে দেখা সম্ভব নয়।</li>
<li><strong>উচ্চারণ ও শ্রবণ:</strong> ধ্বনি তৈরি হয় আমাদের বাগযন্ত্রের মাধ্যমে এবং এটি বাতাসের কম্পনের ফলে তৈরি হয়, যা আমরা কান দিয়ে শুনি।</li>
<li><strong>ভাষার ভিত্তি:</strong> মানুষের ভাষার মূল ভিত্তিই হলো ধ্বনি। আমরা যখন কথা বলি, তখন মুখ দিয়ে যে অর্থবোধক শব্দ বা ধ্বনি বের হয়, সেগুলোই ভাষার বাগ্‌ধ্বনি হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ধ্বনি হলো শোনার বিষয়, দেখার বিষয় নয়। তাই 'ধ্বনি দৃশ্যমান' বাক্যটি ভুল।</p>
৬৮০৮

শুদ্ধ বানানের গুচ্ছ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দগুলো কেন শুদ্ধ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>শিরশ্ছেদ:</strong> সন্ধির নিয়মে 'শিরঃ' + 'ছেদ' মিলে হয় 'শিরশ্ছেদ'। এখানে বিসর্গ সন্ধির ফলে 'শ্' যুক্ত হওয়াটা জরুরি।</li>
<li><strong>দরিদ্রতা:</strong> 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে 'দরিদ্রতা' হয়। অনেকে ভুল করে 'দারিদ্র্য' লিখতে গিয়ে 'দরিদ্রতা' শব্দটিকে ভুল মনে করেন, কিন্তু ব্যাকরণ অনুযায়ী 'দরিদ্রতা' একটি শুদ্ধ শব্দ।</li>
<li><strong>সমীচীন:</strong> এই শব্দটিতে দুটি 'ঈ' কারই দীর্ঘ (দীর্ঘ-ই) হয়। এটি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, শব্দটি উচ্চারণ করার সময় দুই জায়গাতেই দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>

<p>এই তিনটি শব্দই বাংলা একাডেমি কর্তৃক নির্ধারিত প্রমিত বানানরীতি অনুযায়ী সম্পূর্ণ সঠিক।</p>
৬৮০৯

‘ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।’ মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সুকুমার সেন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুকুমার সেন</strong>।</p>

<p>ভাষাতত্ত্ব নিয়ে কাজ করতে গিয়ে প্রখ্যাত ভাষাবিদ সুকুমার সেন এই চমৎকার মন্তব্যটি করেছিলেন। তার মতে, ভাষা কেবল আমাদের মনের ভাব প্রকাশের মাধ্যম বা বাহন নয়, বরং আমাদের চিন্তা বা ভাবনার জন্মও হয় ভাষার মাধ্যমেই। অর্থাৎ, ভাষা ও চিন্তা একে অপরের সাথে গভীরভাবে জড়িয়ে আছে।</p>

<ul>
<li><strong>মূল কথা:</strong> ভাষা ছাড়া গভীর চিন্তার বিকাশ সম্ভব নয়।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> এই বিখ্যাত উক্তিটি ভাষাবিজ্ঞানী <strong>সুকুমার সেনের</strong> মৌলিক চিন্তাধারার একটি অংশ, যা বাংলা ভাষা ও ব্যাকরণ বিষয়ক আলোচনায় প্রায়ই উদ্ধৃত করা হয়।</li>
</ul>
৬৮১০

উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
এ
ব্যাখ্যা:
<p>উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো <strong>এ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য জিহ্বার অবস্থানের দিকে খেয়াল করলেই হয়:</p>

<ul>
<li>বাংলা স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বা কোথায় অবস্থান করছে, তার ওপর ভিত্তি করে এদের ভাগ করা হয়।</li>
<li><strong>এ</strong> ধ্বনিটি উচ্চারণের সময় জিহ্বা সামনের দিকে এগিয়ে থাকে এবং মুখ কিছুটা কম খোলা থাকে, তাই একে <strong>সম্মুখ স্বরধ্বনি</strong> বলা হয়।</li>
<li>আবার, জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী এটি মাঝামাঝি অবস্থানে থাকে বলে একে <strong>উচ্চমধ্য</strong> পর্যায়ের ধ্বনি হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, জিহ্বার অবস্থান ও মুখের আকৃতি বিবেচনা করলে <strong>এ</strong>-ই হলো একমাত্র ধ্বনি যা উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনির শর্ত পূরণ করে।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।