<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দিরুক্ত শব্দ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষায় কোনো শব্দ বা পদ যখন পরপর দুইবার ব্যবহৃত হয়ে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে <strong>দিরুক্ত শব্দ</strong> বলা হয়।</li>
<li>এখানে 'জ্বর' শব্দটি দুইবার ব্যবহৃত হয়ে সামান্য বা হালকা জ্বর বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, একই শব্দ পরপর দুইবার বসে যদি বিশেষ কোনো ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে, তবে তাকে দিরুক্ত শব্দ হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একই শব্দ দুইবার ব্যবহার করে যখন কোনো বিশেষ অনুভূতি বা অবস্থা বোঝানো হয়, সেটাই দিরুক্ত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অঅকারণে ঋণ করিও না</strong>। বাক্যটি অশুদ্ধ হওয়ার কারণ খুব সহজ—বানান ভুল।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'অকারণ' শব্দটি গঠিত হয় 'অ' এবং 'কারণ' যোগে।</li>
<li>এখানে অতিরিক্ত একটি 'অ' যুক্ত করে <strong>অঅকারণে</strong> লেখা হয়েছে, যা একটি বানানগত ভুল।</li>
<li>সঠিক শব্দটি হবে <strong>অকারণে</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে অপ্রয়োজনীয় বর্ণ ব্যবহার করায় বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। তাই শুদ্ধ বাক্য নয় হিসেবে এটিই সঠিক উত্তর।</p>
<p>কৃষ্টি শব্দের সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>কৃষ্ + তি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, <strong>কৃষ্</strong> ধাতুর সাথে <strong>তি</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'কৃষ্টি' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>এখানে <strong>কৃষ্</strong> হলো প্রকৃতি (ধাতু) এবং <strong>তি</strong> হলো প্রত্যয়।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কাজ বা সৃষ্টি করার মূল ভাবটি <strong>কৃষ্</strong> ধাতু থেকে আসে, আর তার সাথে <strong>তি</strong> যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ তৈরি করে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সঠিক উত্তর হিসেবে <strong>কৃষ্ + তি</strong> বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
৭৪৭৪
“উলুবনে মুক্তা ছড়ানো” প্রচলিত এমন শব্দগুলোকে কী বলে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবাদ প্রবচন</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। আমাদের সমাজে প্রচলিত এমন কিছু ছোট ছোট বাক্য বা খণ্ডবাক্য আছে, যা কোনো গভীর সত্য বা অভিজ্ঞতার কথা খুব সংক্ষেপে প্রকাশ করে। এগুলোকে আমরা প্রবাদ বা প্রবচন বলে থাকি।</p>
<ul>
<li><strong>প্রবাদ প্রবচন:</strong> এগুলো বংশপরম্পরায় চলে আসা অভিজ্ঞতালব্ধ কথা। যেমন— "উলুবনে মুক্তা ছড়ানো" এর অর্থ হলো অযোগ্য ব্যক্তিকে ভালো কিছু দেওয়া।</li>
<li>এগুলো সাধারণত অলঙ্কার হিসেবে ভাষার সৌন্দর্য বাড়াতে এবং কথাকে আরও জোরালো করতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
৭৪৭৫
মানুষের দেহের যেসব অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ধ্বনি তৈরিতে সাহায্য করে তাকে কী বলে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাক প্রত্যঙ্গ</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—আমরা যখন কথা বলি, তখন ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখগহ্বর, জিহ্বা, তালু, দাঁত ও ঠোঁটের মধ্য দিয়ে বেরিয়ে আসার সময় বিভিন্ন ধ্বনি তৈরি হয়।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বাক</strong> মানে হলো কথা বা ভাষা।</li>
<li><strong>প্রত্যঙ্গ</strong> মানে হলো শরীরের অঙ্গ।</li>
<li>অর্থাৎ, যে অঙ্গগুলো আমাদের কথা বলতে বা ধ্বনি তৈরি করতে সাহায্য করে, তাদের সমষ্টিগত নামই হলো <strong>বাক প্রত্যঙ্গ</strong>।</li>
</ul>
<p>আমাদের শরীরের এই বিশেষ অঙ্গগুলো (যেমন: জিহ্বা, ঠোঁট, দন্তমূল) সম্মিলিতভাবে কাজ করে বলেই আমরা স্পষ্টভাবে শব্দ উচ্চারণ করতে পারি। তাই ধ্বনি তৈরির সাথে জড়িত সব অঙ্গকে একত্রে বাক প্রত্যঙ্গ বলা হয়।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তুর্কি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত কিছু বিশেষ শব্দ আছে যা সরাসরি তুর্কি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তালিকাটি দেখুন:</p>
<ul>
<li><strong>বাবা</strong> শব্দটি একটি তুর্কি শব্দ।</li>
<li>একইভাবে, তুর্কি ভাষার আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: <strong>বেগম, চাকর, বাবুর্চি, কুলি, তোপ, এবং বন্দুক</strong>।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এই শব্দগুলো প্রায়ই আসে, তাই 'বাবা' শব্দটির সাথে এই তালিকাটি মনে রাখলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>উপত্যকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li><strong>অধিত্যকা</strong> বলতে বোঝায় পাহাড় বা পর্বতের ওপরের সমতল ভূমিকে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>উপত্যকা</strong> হলো পাহাড় বা পর্বতের দুই পাশের নিচু বা ঢালু অংশ।</li>
</ul>
<p>ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে একটি পাহাড়ের চূড়া বা ওপরের অংশ (অধিত্যকা) এবং পাহাড়ের পাদদেশের নিচু অংশ (উপত্যকা) একে অপরের বিপরীত। তাই শব্দার্থের বিচারে অধিত্যকার বিপরীত শব্দ হিসেবে উপত্যকাই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রজ্ঞাপন</strong>। সরকারি বা দাপ্তরিক কাজের ক্ষেত্রে যখন কোনো গুরুত্বপূর্ণ আদেশ বা সিদ্ধান্ত আনুষ্ঠানিকভাবে জনসাধারণের জন্য প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে পরিভাষায় <strong>প্রজ্ঞাপন</strong> বলা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>বিজ্ঞপ্তি</strong> সাধারণত সাধারণ কোনো তথ্য বা খবরের জন্য ব্যবহৃত হয়।</li>
<li><strong>প্রজ্ঞাপন</strong> শব্দটি মূলত সরকারি গেজেট বা উচ্চপর্যায়ের আনুষ্ঠানিক আদেশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্টভাবে ব্যবহৃত হয়, যা 'Notification'-এর সঠিক দাপ্তরিক রূপ।</li>
</ul>
<p>বাংলাদেশের ছয় ঋতুর সঠিক অনুক্রম হলো: <strong>গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত</strong>। আমাদের ঋতুচক্রটি মূলত বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী সাজানো, যা প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে তাল মিলিয়ে চলে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য এই ক্রমটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>গ্রীষ্ম ও বর্ষা:</strong> বছরের শুরুটা হয় প্রচণ্ড গরম আর বৃষ্টির দাপটে।</li>
<li><strong>শরৎ ও হেমন্ত:</strong> এরপর আসে স্নিগ্ধ শরৎ আর ফসল কাটার হেমন্ত।</li>
<li><strong>শীত ও বসন্ত:</strong> সবশেষে আসে হাড়কাঁপানো শীত আর ঋতুরাজ বসন্তের আগমন।</li>
</ul>
<p>এই ছয়টি ঋতু পর্যায়ক্রমে আবর্তিত হয়ে আমাদের প্রকৃতির রূপ বদলায়, আর এই নির্দিষ্ট ধারাবাহিকতাই হলো আমাদের ঋতুচক্রের সঠিক নিয়ম।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শেখ আব্দুর রহিম</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। উনিশ শতকের শেষভাগে মুসলিম সাহিত্য ও সাংবাদিকতায় যারা অগ্রণী ভূমিকা রেখেছিলেন, তাদের মধ্যে <strong>শেখ আব্দুর রহিম</strong> ছিলেন অন্যতম। তিনি ১৮৮৯ সালে কুষ্টিয়া থেকে 'সাপ্তাহিক সুধাকর' পত্রিকাটি প্রকাশ ও সম্পাদনা শুরু করেন। তৎকালীন সময়ে মুসলিম সমাজের জাগরণ ও সমাজ সংস্কারমূলক লেখালেখির জন্য এই পত্রিকাটি বেশ জনপ্রিয় ছিল। তাই যখনই 'সাপ্তাহিক সুধাকর'-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে শেখ আব্দুর রহিমের নাম মনে রাখলেই চলবে!</p>
<p>মাসিক মোহাম্মদী পত্রিকাটির প্রকাশকাল হলো <strong>১৯২৬</strong> সাল। এটি বাংলা সাহিত্য ও সাংবাদিকতার ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাম।</p>
<ul>
<li>পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় বাংলা ১৩৩৩ সনে, যা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুযায়ী <strong>১৯২৬</strong> সাল।</li>
<li>মোহাম্মদ আকরাম খাঁ এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন, যা তৎকালীন মুসলিম সমাজে সাহিত্যচর্চা ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে বিশাল ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, ১৯২৬ সালটি মনে রাখলেই চলবে, কারণ এটিই পত্রিকাটির যাত্রা শুরুর সঠিক সময়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দাম</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর উৎস চিনতে পারাটা বেশ মজার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই বিদেশি ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li><strong>দাম</strong> শব্দটি মূলত গ্রিক শব্দ <strong>drachme</strong> থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী, গ্রিক ভাষার এই শব্দটি কালক্রমে পরিবর্তিত হয়ে আমাদের ভাষায় 'দাম' হিসেবে স্থায়ী হয়েছে।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার সহজ উপায় হলো, গ্রিক শব্দ খুব কমই বাংলায় আছে, তাই 'দাম' শব্দটি একটু ভালো করে মনে রাখলেই চলবে।</li>
</ul>
৭৪৮৩
শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছােটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।’- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমাপ্তি' গল্পের প্রধান চরিত্র মৃন্ময়ী। মৃন্ময়ীর দুরন্তপনা, চঞ্চল স্বভাব এবং বাঁধনহারা জীবনকে বোঝাতে লেখক তাকে 'ছোটখাট বর্গির উপদ্রব' হিসেবে বর্ণনা করেছেন। গল্পটি পড়লে দেখা যায়:</p>
<ul>
<li>মৃন্ময়ী সাধারণ শান্ত-শিষ্ট মেয়েদের মতো ছিল না, বরং সে ছিল বুনো স্বভাবের।</li>
<li>তার এই চঞ্চলতা এবং আশেপাশের মানুষের ওপর তার প্রভাবকে লেখক খুব চমৎকারভাবে এই সংলাপটির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যের এই বিখ্যাত সংলাপটি সরাসরি <strong>সমাপ্তি</strong> গল্পের সাথেই যুক্ত।</p>
৭৪৮৪
কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?
<p>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মর্যাদাপূর্ণ <strong>জগত্তারিণী স্বর্ণপদক</strong> লাভ করেন। বাংলা সাহিত্যে তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাঁকে এই সম্মানে ভূষিত করে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য একটি ছোট কৌশল:</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের সাহিত্যিক জীবনের অন্যতম মাইলফলক হলো এই পুরস্কার প্রাপ্তি।</li>
<li>সালটি মনে রাখতে এভাবে ভাবতে পারেন: ১৯২০-এর দশকের শুরুর দিকে (অর্থাৎ <strong>১৯২৩</strong> সালে) তিনি এই স্বীকৃতি পান।</li>
</ul>
<p>রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম হলো <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>। এটি বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>রচনাকাল:</strong> ১৮৩৩ সালে এটি প্রকাশিত হয়।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> ইংরেজি জানা পাঠকদের বাংলা ভাষা শেখানোর সুবিধার্থে তিনি এটি ইংরেজিতে লিখেছিলেন, যা পরে বাংলায় অনূদিত হয়।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনার ক্ষেত্রে এই বইটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন, রাজা রামমোহন রায় মানেই <strong>গৌড়ীয় ব্যাকরণ</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।