<p>‘মিলির হাতে স্টেনগান’ গল্পটি বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক <strong>আখতারুজ্জামান ইলিয়াস</strong>-এর লেখা। মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক এই গল্পটি তাঁর অন্যতম আলোচিত একটি সৃষ্টি।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের গল্পগুলোতে সাধারণত মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট এবং সাধারণ মানুষের জীবনের টানাপোড়েন খুব নিপুণভাবে ফুটে ওঠে।</li>
<li>‘মিলির হাতে স্টেনগান’ গল্পটি তাঁর <strong>‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’</strong> নামক গল্পগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই লেখকের নামের সাথে গল্পের শিরোনামটি একবার ভালো করে মিলিয়ে নিলে মনে রাখা সহজ হবে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দৈন্য সর্বদা মহত্ত্বের পরিচায়ক নয়</strong>। বিষয়টি ব্যাকরণগতভাবে খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>দৈন্যতা</strong> শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল। 'দীন' শব্দের সাথে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'দৈন্য' শব্দটি গঠিত হয়, তাই এর সাথে পুনরায় 'তা' প্রত্যয় যোগ করার প্রয়োজন নেই।</li>
<li><strong>মহত্ত্ব</strong> বানানে সবসময় ত-এর নিচে একটি ব-ফলা থাকে, যা শুদ্ধ রূপ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'দৈন্য' নিজেই একটি পূর্ণাঙ্গ শব্দ এবং 'মহত্ত্ব' বানানে ব-ফলা থাকা আবশ্যক। তাই এই বাক্যটিই ভাষাগতভাবে সবচেয়ে নির্ভুল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর কারাবন্দি জীবনের স্মৃতি ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা লিখেছিলেন, যা পরবর্তীতে <strong>'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'</strong> নামে প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর জীবনের এক অনন্য দলিল। মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>গ্রন্থটির নাম: <strong>অসমাপ্ত আত্মজীবনী</strong>।</li>
<li>লেখক: <strong>বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান</strong>।</li>
<li>প্রকাশকাল: ২০১২ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>এই বইটি মূলত তাঁর আত্মজীবনীমূলক রচনার সংকলন, যা বাংলা সাহিত্যে এক ঐতিহাসিক মর্যাদা পেয়েছে।</p>
<p>জনপ্রিয় এই গানটির গীতিকার হলেন <strong>শেখ ওয়াহিদ</strong>। গানটি মূলত লোকসংগীতের ধারায় অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি সৃষ্টি।</p>
<ul>
<li>গানটির কথা ও সুরের যে বিশেষ আবেদন, তা মূলত শেখ ওয়াহিদের নিজস্ব শৈল্পিক ভাবনার ফসল।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে এই গানটি বিভিন্ন শিল্পীর কণ্ঠে জনপ্রিয় হলেও এর মূল রচয়িতা হিসেবে শেখ ওয়াহিদের নামই স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>তারেক মাসুদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>তারেক মাসুদ</strong> বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত মেধাবী এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন।</li>
<li>তার পরিচালিত অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হলো <strong>‘মাটির ময়না’</strong>।</li>
<li>এই চলচ্চিত্রটি ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে 'ফিপ্রেসি' (FIPRESCI) পুরস্কার জিতে বাংলাদেশের জন্য গৌরব বয়ে আনে।</li>
</ul>
<p>তাই চলচ্চিত্রটির নাম শুনলেই নির্মাতা হিসেবে তারেক মাসুদের নাম মনে রাখাটা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ!</p>
<p>‘হুলিয়া’ কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় কবি <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>-এর লেখা। এটি তার কালজয়ী সৃষ্টিগুলোর মধ্যে অন্যতম।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li>কবিতাটি মূলত সত্তরের দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে লেখা।</li>
<li>নির্মলেন্দু গুণের কাব্যশৈলীতে এই কবিতাটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হলো <strong>নির্মলেন্দু গুণ</strong>।</li>
</ul>
৭৬৭২
িচের কোন সাহিত্যিক আততায়ীর হাতে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সোমেন চন্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি একজন অত্যন্ত প্রতিভাবান এবং প্রগতিশীল লেখক ছিলেন।</p>
<ul>
<li>১৯৪২ সালের ৮ মার্চ ঢাকায় ফ্যাসিবিরোধী এক মিছিলে যাওয়ার পথে তিনি আততায়ীর হাতে নির্মমভাবে নিহত হন।</li>
<li>তার এই অকাল মৃত্যু তৎকালীন সাহিত্যিক মহলে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।</li>
<li>তিনি মূলত তার ছোটগল্পের জন্য পরিচিত ছিলেন, যেখানে সমাজের নিচুতলার মানুষের জীবন ও সংগ্রামের কথা ফুটে উঠত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রগতিশীল সাহিত্য চর্চার কারণেই তাকে সেই সময় টার্গেট করা হয়েছিল, যা বাংলা সাহিত্যের এক অপূরণীয় ক্ষতি।</p>
৭৬৭৩
নিম্নোক্ত কোন উপন্যাসে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দেবেশ রায়ের ‘তিস্তাপাড়ের বৃত্তান্ত’</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত উত্তরবঙ্গের তিস্তা নদীকে কেন্দ্র করে লেখা হলেও, এর প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধোত্তর সময়ের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার এক চমৎকার প্রতিফলন ঘটেছে।</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটিতে তিস্তাপাড়ের মানুষের জীবনসংগ্রামের পাশাপাশি দেশভাগের ক্ষত এবং মুক্তিযুদ্ধের পরবর্তী সময়ের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।</li>
<li>লেখক অত্যন্ত নিপুণভাবে তৎকালীন সময়ের রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রভাব এবং সাধারণ মানুষের বেঁচে থাকার লড়াইকে এই উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।</li>
<li>এটি কেবল একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের গল্প নয়, বরং ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রতিযােগিতা</strong>। বানানটি শুদ্ধ হওয়ার পেছনে সহজ একটি ব্যাকরণগত নিয়ম কাজ করে:</p>
<ul>
<li>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো শব্দের শেষে যদি 'ই' কারান্ত কোনো প্রত্যয় যুক্ত হয়, তবে সাধারণত দীর্ঘ 'ঈ' কারের পরিবর্তে হ্রস্ব 'ই' কার ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>'প্রতিযোগী' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠিত হওয়ার সময় দীর্ঘ 'ঈ' কারটি পরিবর্তিত হয়ে হ্রস্ব 'ই' কারে পরিণত হয়।</li>
<li>তাই <strong>প্রতিযোগী</strong> (দীর্ঘ ঈ-কার) হলেও, এর সাথে 'তা' যুক্ত হয়ে শব্দটি হয় <strong>প্রতিযােগিতা</strong> (হ্রস্ব ই-কার)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শেষে 'তা' প্রত্যয় থাকলে আগের বর্ণে সাধারণত হ্রস্ব 'ই' কার বসাতে হয়, যা এই শব্দটির ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্বশুর</strong>। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী এই শব্দটি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>শব্দটির শুরুতে যুক্তবর্ণ হিসেবে <strong>শ্ব</strong> (শ + ব-ফলা) ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর পরের অংশটি হলো <strong>শুর</strong>।</li>
<li>পুরো শব্দটি একসাথে লিখলে হয় <strong>শ্বশুর</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, 'শ্ব' এবং 'শুর'—এই দুই অংশ মিলিয়েই শব্দটি গঠিত, তাই এটিই শুদ্ধ রূপ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চক্ষু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>শব্দ শোনার জন্য আমাদের যেমন <strong>কর্ণ</strong> বা কানের প্রয়োজন হয়, ঠিক তেমনি আলো দেখার জন্য আমাদের <strong>চক্ষু</strong> বা চোখের প্রয়োজন।</li>
<li>এখানে সম্পর্কটি হলো—কোনো কিছু অনুভব বা গ্রহণ করার জন্য শরীরের নির্দিষ্ট অঙ্গের ব্যবহার।</li>
<li>শব্দ ও কর্ণ যে সম্পর্কে যুক্ত, আলো ও চক্ষু ঠিক একই লজিক্যাল সম্পর্কে যুক্ত।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ভোগ্যপণ্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ইংরেজি 'Consumer goods' শব্দটির আক্ষরিক ও ব্যবসায়িক অর্থ হলো এমন সব পণ্য যা সরাসরি চূড়ান্ত ভোক্তা ব্যবহার বা ভোগ করার জন্য কেনেন।</p>
<ul>
<li><strong>Consumer</strong> শব্দের অর্থ হলো ভোক্তা বা যে ভোগ করে।</li>
<li><strong>Goods</strong> শব্দের অর্থ হলো পণ্য বা সামগ্রী।</li>
<li>তাই এই দুইয়ের সমন্বয়ে <strong>Consumer goods</strong>-এর সবচেয়ে উপযুক্ত বাংলা পরিভাষা হলো <strong>ভোগ্যপণ্য</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে পণ্যগুলো আমরা দৈনন্দিন জীবনে সরাসরি ব্যবহারের জন্য বাজার থেকে কিনি, সেগুলোই হলো ভোগ্যপণ্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জলধি</strong>। কারণটা খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>'জলধি' শব্দটির অর্থ হলো সমুদ্র বা সাগর।</li>
<li>অন্যদিকে, সলিল, উদক এবং নীর—এই তিনটি শব্দই সরাসরি 'জল' বা 'পানি'র সমার্থক।</li>
<li>যেহেতু প্রশ্নটিতে জানতে চাওয়া হয়েছে কোনটি সমার্থক নয়, তাই সমুদ্র বোঝানোয় 'জলধি' এখানে আলাদা বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জল আর সমুদ্র এক জিনিস নয়, তাই জলধি এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হৃষ্ট-পুষ্ট</strong>। কারণটা খুব সহজ—বাকি শব্দজোড়গুলো একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করলেও, এই শব্দজোড়টি আসলে সমার্থক।</p>
<ul>
<li><strong>হৃষ্ট</strong> মানে হলো আনন্দিত বা সন্তুষ্ট।</li>
<li><strong>পুষ্ট</strong> মানে হলো যা সুগঠিত বা পরিপুষ্ট।</li>
<li>সাধারণত 'হৃষ্টপুষ্ট' শব্দটি একসাথে ব্যবহার করা হয় কোনো সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ব্যক্তিকে বোঝাতে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এই দুটি শব্দ বিপরীত নয়, বরং একই ধরনের অর্থ বা ভাব প্রকাশ করে। তাই এটি বিপরীতার্থক শব্দজোড় নয়।</p>
<p>‘পরশ্ব’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>পরশু</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘শ্ব’ (svah) মানে হলো আগামীকাল।</li>
<li>এর সাথে ‘পর’ যুক্ত হয়ে ‘পরশ্ব’ শব্দটি গঠিত হয়েছে, যার অর্থ দাঁড়ায় আগামীকালের পরের দিন বা সহজ কথায় <strong>পরশু</strong>।</li>
<li>পুরানো বাংলা বা সাধু ভাষায় সময়ের হিসাব বোঝাতে এই ধরনের শব্দ প্রায়ই ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।