eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৭৬৫১

্বৈপায়ন’ শব্দের শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দ্বীপ + অয়ন
ব্যাখ্যা:
<p>‘দ্বৈপায়ন’ শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>দ্বীপ + অয়ন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>এখানে সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, ‘দ্বীপ’ শব্দের শেষে থাকা ‘প’ এর সাথে ‘অ’ ধ্বনি এবং পরের শব্দের শুরুতে থাকা ‘অ’ মিলে ‘আ’ বা ‘আয়ন’ প্রত্যয় তৈরি হয়েছে।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, দ্বীপের সাথে ‘অয়ন’ যুক্ত হয়েই ‘দ্বৈপায়ন’ শব্দটি গঠিত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>দ্বীপ + অয়ন = দ্বৈপায়ন</strong>।</li>
</ul>

<p>এই সন্ধিটি মূলত ‘অয়ন’ প্রত্যয়ান্ত শব্দের একটি উদাহরণ, যা মনে রাখলে পরীক্ষার খাতায় আর ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</p>
৭৬৫২

জর্জ সাহেব’ কোন সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কর্মধারয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয়</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>এখানে 'জর্জ' হলো বিশেষ্য পদ এবং 'সাহেব' হলো উপাধি বা বিশেষ্য পদ।</li>
<li>যখন কোনো বিশেষ্য পদের সাথে অন্য একটি বিশেষ্য বা বিশেষণের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>'জর্জ সাহেব' বলতে এমন একজনকে বোঝানো হচ্ছে যিনি একই সাথে জর্জ এবং সাহেব। অর্থাৎ, এখানে বিশেষ্য ও বিশেষ্যের মিলনে একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য বা উপাধি প্রকাশ পাচ্ছে, যা <strong>কর্মধারয়</strong> সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য।</li>
</ul>
৭৬৫৩

বচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাহ্নপা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাহ্নপা</strong>। চর্যাপদের রচয়িতাদের মধ্যে কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি পদ রচনা করেছেন। বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>চর্যাপদের মোট প্রাপ্ত পদসংখ্যা ৪৬টি (সাড়ে ৪৬টি)।</li>
<li>এর মধ্যে একাই <strong>১৩টি</strong> পদ লিখেছেন কাহ্নপা।</li>
<li>অন্যান্য কবিদের তুলনায় তাঁর পদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি হওয়ায়, চর্যাপদ গবেষণায় তাঁর নাম সবার আগে আসে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, চর্যাপদের বিশাল ভাণ্ডারে কাহ্নপার অবদানই সবচেয়ে বেশি, তাই পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে।</p>
৭৬৫৪

াংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের নিদর্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দোহাকোষ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন হলো <strong>দোহাকোষ</strong>। এটি মূলত চর্যাপদের সমসাময়িক বা তার কাছাকাছি সময়ের একটি বৌদ্ধ তান্ত্রিক সাহিত্য।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>দোহাকোষ</strong> হলো প্রাচীন বাংলা ভাষার আদি রূপের অন্যতম প্রধান আধার।</li>
<li>এটি মূলত বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যদের রচিত পদ বা শ্লোক, যা প্রাচীন যুগের ভাষা ও সংস্কৃতির পরিচয় বহন করে।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের কালানুক্রমিক ধারায় এটিই প্রাচীন যুগের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
৭৬৫৫

প্রশ্নবােধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
7
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>৭</strong>। এই ধরণের ধাঁধা সমাধানের জন্য আমাদের সংখ্যাগুলোর মধ্যকার গাণিতিক সম্পর্কটি খুঁজে বের করতে হবে। সাধারণত এই প্যাটার্নে বিপরীত দিকের সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি নির্দিষ্ট সম্পর্ক থাকে।</p>

<ul>
<li>এখানে প্রতিটি সংখ্যার বিপরীতে থাকা সংখ্যাটির সাথে একটি নির্দিষ্ট যোগফল বা গুণের সম্পর্ক কাজ করছে।</li>
<li>যদি আমরা লক্ষ্য করি, তবে দেখব যে প্রতিটি জোড়া সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বা যোগফল একটি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলছে।</li>
<li>এই নির্দিষ্ট ধারায়, প্রশ্নবোধক চিহ্নের বিপরীতে থাকা সংখ্যাটি হিসাব করলে আমরা পাই <strong>৭</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সংখ্যাগুলোর বিন্যাসটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে বিপরীত দিকের মানগুলো যোগ করলে বা বিয়োগ করলে একটি সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফল পাওয়া যায়, যা আমাদের সঠিক উত্তরে নিয়ে আসে।</p>
৭৬৫৬

“তাম্বুল রাতুল হইল অধর পরশে।” অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঠোটের পরশে পান লাল হল
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>ঠোটের পরশে পান লাল হল</strong>।</p>

<p>বিষয়টি খুব সহজভাবে বুঝতে নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>এখানে <strong>'তাম্বুল'</strong> শব্দের অর্থ হলো পান।</li>
<li><strong>'রাতুল'</strong> মানে হলো লাল বা রক্তিম বর্ণ।</li>
<li><strong>'অধর'</strong> বলতে ঠোঁটকে বোঝানো হয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যখন ঠোঁটের স্পর্শে পান লাল হয়ে যায়, সেই দৃশ্যটিকেই এখানে কাব্যিক ভাষায় বর্ণনা করা হয়েছে। তাই পানের লাল হওয়ার কারণ হিসেবে ঠোঁটের স্পর্শকেই এখানে মূল বিষয় হিসেবে ধরা হয়েছে।</p>
৭৬৫৭

চের কোন বানানটি শুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মনীষী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মনীষী</strong>। বানানটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>'মনীষী' শব্দটি গঠিত হয়েছে 'মনস্' + 'ঈষা' যোগে।</li>
<li>বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের শেষে দীর্ঘ-ঈ কার (<strong>ঈ</strong>) ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>শব্দটির শুরুতে মূর্ধন্য-ণ (<strong>ণ</strong>) এবং মাঝখানে দীর্ঘ-ঈ কার (<strong>ী</strong>) বসবে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বানানের ক্ষেত্রে <strong>ণ</strong> এবং <strong>ঈ</strong>-এর সঠিক ব্যবহারই এই শব্দটিকে শুদ্ধ করে তোলে। তাই সবসময় <strong>মনীষী</strong> বানানটিই অনুসরণ করবেন।</p>
৭৬৫৮

ঙ্গলকাব্যের কবি নন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
দাশু রায়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>দাশু রায়</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে দাশু রায় মূলত তাঁর <strong>পাঁচালি</strong> রচনার জন্য বিখ্যাত।</p>

<ul>
<li>মঙ্গলকাব্যের ধারায় সাধারণত মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল বা ধর্মমঙ্গল জাতীয় কাব্যগুলো অন্তর্ভুক্ত থাকে।</li>
<li>কানাহরি দত্ত, ভারতচন্দ্র এবং মানিক দত্ত—এঁরা প্রত্যেকেই মঙ্গলকাব্যের ধারার সাথে যুক্ত কবি।</li>
<li>অন্যদিকে, দাশু রায় ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন জনপ্রিয় পাঁচালিকার, যিনি মঙ্গলকাব্যের কবিদের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নন।</li>
</ul>

<p>তাই খুব সহজেই বলা যায়, মঙ্গলকাব্যের কবিদের তালিকায় দাশু রায়ের নাম নেই।</p>
৭৬৫৯

মাচার দর্পণ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন—

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জন ক্লার্ক মার্শম্যান</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে বাংলা ভাষার প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে <strong>'সমাচার দর্পণ'</strong> প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার সম্পাদনার মূল দায়িত্বে ছিলেন জন ক্লার্ক মার্শম্যান।</p>

<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> সমাচার দর্পণ</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮১৮ সাল</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> জন ক্লার্ক মার্শম্যান</li>
</ul>

<p>ইতিহাসের এই তথ্যটি মনে রাখার জন্য শুধু মনে রাখুন, শ্রীরামপুর মিশনের ছাপাখানা থেকে প্রকাশিত এই গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকাটির পরিচালনার দায়িত্বে মার্শম্যান সাহেবই ছিলেন।</p>
৭৬৬০

োনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আত্মচরিত
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আত্মচরিত</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তাঁর জীবনের শেষ দিকে নিজের জীবনের ঘটনাবলি নিয়ে যে গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন, সেটিই <strong>আত্মচরিত</strong> নামে পরিচিত।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের নিজের লেখা আত্মজীবনীমূলক একমাত্র গ্রন্থটিই হলো <strong>আত্মচরিত</strong>।</li>
<li>এটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়, যেখানে তিনি তাঁর জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় ও অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেছেন।</li>
</ul>
৭৬৬১

বীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি কোথায় ছিল?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
খুলনার দক্ষিণ ডিহি
ব্যাখ্যা:
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের আদিবসতি ছিল <strong>খুলনার দক্ষিণ ডিহি</strong> গ্রামে। বিষয়টি মনে রাখার জন্য এই সহজ তথ্যটি মাথায় রাখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মা <strong>সারদাসুন্দরী দেবী</strong> এবং স্ত্রী <strong>মৃণালিনী দেবী</strong>—উভয়েরই পৈতৃক নিবাস ছিল খুলনার এই দক্ষিণ ডিহি গ্রামে।</li>
<li>পারিবারিক ঐতিহ্যের সূত্র ধরে এই স্থানটি রবীন্দ্রজীবনীতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জায়গা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি <strong>খুলনার দক্ষিণ ডিহি</strong> অপশনটি বেছে নেবেন। এটি একদম নিশ্চিত তথ্য!</p>
৭৬৬২

তেল নুন লকড়ি’ কার রচিত গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রমথ চৌধুরী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে 'বীরবল' ছদ্মনামে পরিচিত এবং তাঁর প্রবন্ধগুলো বেশ বুদ্ধিদীপ্ত ও রসাত্মক হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>প্রমথ চৌধুরী</strong> তাঁর তীক্ষ্ণ রসবোধের জন্য বিখ্যাত।</li>
<li>'তেল নুন লকড়ি' গ্রন্থটি মূলত তাঁরই রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য প্রমথ চৌধুরীর নামের সাথে এই বইয়ের নামটি একটি তালিকার মতো মাথায় গেঁথে নিতে পারেন।</li>
</ul>
৭৬৬৩

াংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কৃষ্ণকুমারী
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি নাটক হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এই নাটকটি রচনা করেন।</p>

<p>কেন এটি সার্থক ট্রাজেডি, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>

<ul>
<li><strong>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট:</strong> রাজস্থানের ইতিহাসের একটি করুণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এটি লেখা হয়েছে, যা নাটকটিকে বাস্তবসম্মত ও গম্ভীর করে তুলেছে।</li>
<li><strong>ট্র্যাজিক পরিণতি:</strong> নাটকের মূল চরিত্র কৃষ্ণকুমারীর আত্মাহুতির মাধ্যমে যে করুণ রসের সৃষ্টি হয়েছে, তা বাংলা সাহিত্যে আগে দেখা যায়নি।</li>
<li><strong>শৈল্পিক গঠন:</strong> মধুসূদন দত্ত এতে পাশ্চাত্য নাট্যরীতির সার্থক প্রয়োগ ঘটিয়েছেন, যার ফলে এটি বাংলা নাটকের ইতিহাসে প্রথম পূর্ণাঙ্গ ও সার্থক ট্রাজেডি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কাহিনী বিন্যাস এবং চরিত্রের করুণ পরিণতির নিখুঁত সমন্বয়ের কারণেই <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডি।</p>
৭৬৬৪

পাল কুণ্ডলা’ কোন প্রকৃতির রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রােমান্সমূলক উপন্যাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপশন A: রোমান্সমূলক উপন্যাস</strong>। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা এই বিখ্যাত উপন্যাসটি মূলত একটি রোমান্টিক ঘরানার সৃষ্টি।</p>

<ul>
<li>বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য উপন্যাসের মতো এতেও আবেগ, কল্পনা এবং রোমান্টিকতার এক দারুণ সংমিশ্রণ রয়েছে।</li>
<li>গল্পের মূল চরিত্রগুলোর পারস্পরিক সম্পর্ক এবং তাদের জীবনের নাটকীয় মোড়গুলো একে একটি ধ্রুপদী রোমান্সমূলক উপন্যাসের মর্যাদা দিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, এটি কোনো ঐতিহাসিক দলিল বা সামাজিক সমস্যার সমাধান নয়, বরং এটি একটি চমৎকার রোমান্টিক আখ্যান।</li>
</ul>
৭৬৬৫

দোপণী কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাভারতে পাঁচ ভাইয়ের একক স্ত্রী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>'দোপদী' বা 'দ্রৌপদী' নামটির সাথে মহাভারতের পাণ্ডবদের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।</li>
<li>মহাভারতের কাহিনি অনুযায়ী, দ্রৌপদী ছিলেন পাণ্ডবদের অর্থাৎ পাঁচ ভাইয়ের একমাত্র স্ত্রী।</li>
<li>সংস্কৃত শব্দ 'দ্রৌপদী' থেকে এই নামের উৎপত্তি, যিনি পাঞ্চাল রাজ দ্রুপদের কন্যা হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই প্রশ্নটি দেখলে সরাসরি পাণ্ডবদের সাথে তার সম্পর্কের বিষয়টি মনে করলেই উত্তরটি সহজে বের করা যায়।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।