<p>‘জিজীবিষা’ শব্দটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বেঁচে থাকার ইচ্ছা</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘জীব’ ধাতু থেকে ‘জিজীবিষা’ শব্দটি এসেছে।</li>
<li>এর মূল অর্থ হলো কোনো প্রাণীর বেঁচে থাকার প্রবল আকাঙ্ক্ষা বা টিকে থাকার তীব্র ইচ্ছা।</li>
<li>সহজ কথায়, জীবনকে আঁকড়ে ধরে রাখার যে মানসিক তাড়না, তাকেই এক কথায় বলা হয় <strong>জিজীবিষা</strong>।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্যঞ্জনদ্বিত্ব</strong>। বিষয়টি একদম সহজ—যখন কোনো শব্দের মাঝখানের ব্যঞ্জনবর্ণটি উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা জোর দেওয়ার জন্য দুইবার উচ্চারিত হয়, তখন তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।</p>
<p>সহজভাবে বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>মূল শব্দ ছিল 'বড়'।</li>
<li>এখানে 'ড়' বর্ণটি দ্বিত্ব হয়ে (অর্থাৎ দুইবার উচ্চারিত হয়ে) 'বড্ড' শব্দে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>একই ব্যঞ্জনবর্ণের পুনরাবৃত্তি ঘটার কারণেই একে <strong>ব্যঞ্জনদ্বিত্ব</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো শব্দের একটি ব্যঞ্জনবর্ণ যখন জোড়া লেগে বা দ্বিগুণ হয়ে যায়, তখনই সেটি ব্যঞ্জনদ্বিত্বের উদাহরণ হয়ে ওঠে।</p>
<p>‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>বৃহৎ বিষয়</strong>।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রামায়ণ মহাকাব্যটি আকারে অনেক বিশাল এবং এতে সাতটি কাণ্ড বা খণ্ড রয়েছে।</li>
<li>এই বিশালতা থেকেই বাগধারাটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>যখন কোনো বিষয় অনেক বড়, জটিল বা বিস্তারিত বোঝাতে হয়, তখন আমরা মজা করে বা রূপক অর্থে ‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ কথাটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা বাস্তব জীবনে যখনই এই বাগধারাটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি কোনো <strong>বিশাল বা দীর্ঘ বিষয়কে</strong> নির্দেশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সত্যায়িত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘Attested’ শব্দটির মূল অর্থ হলো কোনো নথিপত্র বা কাগজের সত্যতা যাচাই করে স্বাক্ষর করা।</li>
<li>বাংলায় যখন কোনো দলিলে সত্যতা নিশ্চিত করা হয়, তখন তাকে আমরা পারিভাষিক শব্দ হিসেবে <strong>সত্যায়িত</strong> বলি।</li>
<li>সহজ কথায়, সত্যতা যাচাই করে যা নিশ্চিত করা হয়েছে, সেটাই হলো সত্যায়িত।</li>
</ul>
৭৬২৫
‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।’-এ বাক্যে ‘ডেকে ডেকে’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পৌনঃপুনিকতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণে যখন কোনো শব্দ বা ক্রিয়াপদ পরপর দুইবার ব্যবহার করা হয়, তখন তা সাধারণত কাজের পুনরাবৃত্তি বা বারবার ঘটা বোঝায়।</li>
<li>এখানে ‘ডেকে ডেকে’ কথাটি দিয়ে বোঝানো হচ্ছে যে, ডাকাডাকি একবার হয়নি, বরং বারবার বা ক্রমাগত করা হয়েছে।</li>
<li>এই যে কোনো কাজ বারবার বা ক্রমাগত ঘটার প্রবণতা, একেই ব্যাকরণের ভাষায় বলা হয় <strong>পৌনঃপুনিকতা</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু বারবার ঘটছে বোঝাতে আমরা যে দ্বিরুক্ত শব্দ ব্যবহার করি, তা-ই পৌনঃপুনিকতা প্রকাশ করে।</p>
৭৬২৬
‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্ব আদরণীয়।’- এটি কোন ধরনের বাক্য?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জটিল বাক্য</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় যদি আমরা বাক্যের গঠন লক্ষ করি।</p>
<p>একটি বাক্যকে জটিল বাক্য বলার মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এই বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য এবং একটি সাপেক্ষ খণ্ডবাক্য থাকে।</li>
<li>এখানে <strong>'যিনি'</strong> এবং <strong>'তিনি'</strong>—এই সাপেক্ষ সর্বনাম জোড়াটি ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্যই হলো সাপেক্ষ সর্বনাম বা অব্যয় (যেমন: যিনি-তিনি, যে-সে, যদি-তবে) ব্যবহার করে দুটি অংশকে যুক্ত করা।</li>
</ul>
<p>যেহেতু এখানে 'যিনি' দিয়ে বাক্য শুরু হয়েছে এবং 'তিনি' দিয়ে তা পূর্ণতা পেয়েছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবেই একটি জটিল বাক্য।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কর্মধারয় সমাস</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এর ব্যাসবাক্য থেকে।</p>
<p>‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ শব্দটির ব্যাসবাক্য করলে হয়: <strong>চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র</strong>। এখানে লক্ষ্য করুন:</p>
<ul>
<li>প্রথম পদটি (চিকিৎসা) দ্বিতীয় পদটির (শাস্ত্র) একটি বিশেষ গুণ বা বিষয়কে নির্দেশ করছে।</li>
<li>যখন কোনো সমাসে বিশেষ্য বা বিশেষণের সাথে বিশেষ্যের সম্পর্ক থাকে এবং পরপদের অর্থ প্রধানভাবে প্রকাশ পায়, তখন তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।</li>
<li>এখানে ‘শাস্ত্র’ শব্দটিই প্রধান, আর ‘চিকিৎসা’ শব্দটি সেই শাস্ত্রের ধরন বা বিষয়বস্তু বোঝাচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কোনো কিছুর নাম বা বিষয় যখন কোনো শাস্ত্র বা বিদ্যার সাথে যুক্ত হয়ে একটি বিশেষ রূপ পায়, তখন সেটি কর্মধারয় সমাসের নিয়মেই গঠিত হয়।</p>
৭৬২৮
‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’-এ বাকাটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো: <strong>তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে।</strong></p>
<p>অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-বোধক বাক্যে রূপান্তরের সময় আমাদের খেয়াল রাখতে হয় যেন মূল বাক্যের অর্থ ঠিক থাকে। বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মূল বাক্যটি ছিল না-বোধক (নেতিবাচক), অর্থাৎ 'সমাজজীবন চলে না'।</li>
<li>এর বিপরীত শব্দ ব্যবহার করে হ্যাঁ-বোধক রূপ দিতে হলে 'চলে না'-এর পরিবর্তে 'অচল হয়ে পড়ে' শব্দটি ব্যবহার করতে হয়।</li>
<li>এতে বাক্যের মূল ভাব বা অর্থ অপরিবর্তিত থাকে এবং বাক্যটি হ্যাঁ-বোধক বা অস্তিবাচক রূপ পায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উপরের সবকটি</strong>। কারণ আমাদের কথা বলার জন্য বা ধ্বনি উচ্চারণের জন্য যে অঙ্গগুলো কাজ করে, তাদের সমষ্টিকেই বাগযন্ত্র বলা হয়। বিষয়টি সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>ফুসফুস:</strong> কথা বলার জন্য প্রয়োজনীয় বাতাস বা বায়ুপ্রবাহ এখান থেকেই আসে।</li>
<li><strong>স্বরযন্ত্র:</strong> ফুসফুস থেকে আসা বাতাস এখানে বাধা পেয়ে ধ্বনি বা আওয়াজ তৈরি করে।</li>
<li><strong>দাত:</strong> জিহ্বা ও ঠোঁটের পাশাপাশি দাত উচ্চারণকে স্পষ্ট ও নিখুঁত করতে সাহায্য করে।</li>
</ul>
<p>মূলত ফুসফুস থেকে শুরু করে মুখগহ্বর পর্যন্ত যে অঙ্গগুলো ধ্বনি তৈরিতে সরাসরি ভূমিকা রাখে, তার প্রতিটিই বাগযন্ত্রের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই এখানে সবকটি অপশনই সঠিক।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অপটিক্যাল ফাইবার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ অপটিক্যাল ফাইবার মূলত আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের নীতিতে কাজ করে।</p>
<ul>
<li>অপটিক্যাল ফাইবারে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বৈদ্যুতিক সংকেতের পরিবর্তে <strong>আলোর পালস (Light Pulse)</strong> ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এর ভেতরে কাঁচ বা প্লাস্টিকের তৈরি অত্যন্ত সরু কোর থাকে, যার মধ্য দিয়ে আলো খুব দ্রুত এবং অনেক দূর পর্যন্ত ভ্রমণ করতে পারে।</li>
<li>আলোর গতি অনেক বেশি হওয়ায় এটি ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য সবচেয়ে আধুনিক ও দ্রুত মাধ্যম হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৭৬৩১
বৈরাগ্য সাধনে ___ সে আমার নয়। শূন্যস্থান পূরণ করুন।
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>মুক্তি</strong>। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত কবিতা 'বৈরাগ্য সাধনে' থেকে এই লাইনটি নেওয়া হয়েছে। পুরো লাইনটি হলো: "বৈরাগ্য সাধনে মুক্তি, সে আমার নয়।"</p>
<p>সহজ কথায়, কবি এখানে বোঝাতে চেয়েছেন যে, সংসার ত্যাগ করে বা সন্ন্যাসী হয়ে ঈশ্বরকে পাওয়া বা মুক্তি লাভ করা তার পথ নয়। তিনি মানুষের ভিড়ে, সংসারের কাজের মাঝেই পরমাত্মাকে খুঁজে পেতে চান। তাই এই শূন্যস্থানে <strong>মুক্তি</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সংক্ষিপ্ত করে</strong>। সমাসের মূল কাজই হলো বড় কোনো বাক্য বা বাক্যাংশকে ছোট করে একটি শব্দে রূপান্তর করা।</p>
<ul>
<li><strong>সহজ কথায়:</strong> অনেকগুলো পদের মিলন ঘটিয়ে একটি মাত্র পদে পরিণত করাই সমাসের কাজ।</li>
<li><strong>উদাহরণ:</strong> 'সিংহাসন' শব্দটি আসলে 'সিংহ চিহ্নিত আসন'—এই বড় বাক্যটির সংক্ষিপ্ত রূপ।</li>
<li><strong>কেন এটি কার্যকর:</strong> সমাস ব্যবহারের ফলে ভাষার বাহুল্য কমে এবং কথা বলা বা লেখার সময় অনেক বেশি শ্রুতিমধুর ও সংক্ষিপ্ত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আদিত্য</strong>। সূর্যকে বিভিন্ন নামে ডাকা হয়, যার মধ্যে 'আদিত্য' অন্যতম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়টি খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, অদিতির গর্ভজাত সন্তান বলেই সূর্যকে <strong>আদিত্য</strong> বলা হয়।</li>
<li>সূর্যের আরও কিছু পরিচিত প্রতিশব্দ হলো: রবি, ভাস্কর, দিনমণি, সবিতা এবং দিবাকর।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলো (সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু) মূলত চাঁদের প্রতিশব্দ, তাই সেগুলো এখানে প্রযোজ্য নয়।</p>
<p>‘অর্ধচন্দ্র’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>গলাধাক্কা দেয়া</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। এর পেছনের কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li>বাস্তব জীবনে কাউকে যখন অপমান করে বের করে দেওয়া হয়, তখন হাত দিয়ে ঘাড় বা গলা চেপে ধরা হয়।</li>
<li>এই হাত বাঁকানো অবস্থায় দেখতে অনেকটা অর্ধচন্দ্র বা অর্ধেক চাঁদের মতো লাগে।</li>
<li>এ কারণেই কাউকে অপমান করে বের করে দেওয়া বা তাড়িয়ে দেওয়াকে রূপক অর্থে <strong>গলাধাক্কা দেওয়া</strong> বা ‘অর্ধচন্দ্র’ বলা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, কাউকে ঘাড় ধরে বের করে দেওয়ার দৃশ্যটিই এই বাগধারার মূল ভিত্তি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অবরোধবাসিনী</strong>। বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের লেখা এই বিখ্যাত গ্রন্থটি মূলত তৎকালীন সমাজের নারীদের ওপর চাপিয়ে দেওয়া কঠোর পর্দা প্রথা ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে একটি তীব্র প্রতিবাদ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বেগম রোকেয়াকে বলা হয় নারী জাগরণের অগ্রদূত।</li>
<li>তাঁর লেখনীর মূল উপজীব্য ছিল নারীর মুক্তি ও অবরোধ প্রথার সমালোচনা।</li>
<li><strong>অবরোধবাসিনী</strong> নামটি দেখলেই বোঝা যায় এটি নারীদের বন্দিদশা নিয়ে লেখা, যা বেগম রোকেয়ার আদর্শের সাথে পুরোপুরি মিলে যায়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।