<p>বাংলা গীতিকবিতার ধারায় <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>-কে ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেই বিহারীলালকে এই উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে আধুনিক গীতিকবিতার সূচনা তাঁর হাত ধরেই হয়েছিল, ঠিক যেমন ভোরের আলো ফুটে উঠলে নতুন দিনের সূচনা হয়।</li>
<li>তাঁর কবিতার স্নিগ্ধতা এবং প্রকৃতিপ্রেমের কারণেই তাঁকে ভোরের পাখির সাথে তুলনা করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক আলোচনায় যখনই ‘ভোরের পাখি’র কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>বিহারীলাল চক্রবর্তী</strong>-কে বেছে নিতে পারেন। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>একটা গোপনীয় কথা বলি</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষ্য পদের আগে বিশেষণ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে বেশি শ্রুতিমধুর ও শুদ্ধ।</p>
<ul>
<li>'গোপন' শব্দটি সাধারণত বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু কোনো কথা বা বিষয়কে বোঝাতে বিশেষণ হিসেবে 'গোপনীয়' শব্দটিই যথাযথ।</li>
<li>বাক্যের গঠনশৈলী ও চলিত ভাষারীতি অনুযায়ী 'একটা গোপনীয় কথা' বলাটাই সবচেয়ে স্বাভাবিক ও মার্জিত শোনায়।</li>
<li>অন্যান্য বিকল্পগুলোতে শব্দের প্রয়োগে কিছুটা অসামঞ্জস্য রয়েছে, তাই ব্যাকরণগত শুদ্ধতা ও ব্যবহারের সাবলীলতার বিচারে এটিই সেরা পছন্দ।</li>
</ul>
<p>বিষয়টা খুব সহজ। ‘সংশয়’ শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু নিয়ে সন্দেহ বা দ্বিধা থাকা। এর বিপরীত অবস্থা হলো কোনো কিছু সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া বা দৃঢ় বিশ্বাস রাখা। এই দৃঢ় বিশ্বাস বা নিশ্চয়তাকেই বলা হয় ‘প্রত্যয়’।</p>
<ul>
<li><strong>সংশয়:</strong> সন্দেহ বা অনিশ্চয়তা।</li>
<li><strong>প্রত্যয়:</strong> দৃঢ় বিশ্বাস বা নিশ্চয়তা।</li>
</ul>
<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে সংশয়ের বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয় সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>‘ক্ষমার যোগ্য’ বা যাকে ক্ষমা করা যায়, তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>ক্ষমার্হ</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘ক্ষমা’ শব্দের সাথে ‘অহ’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণগতভাবে কোনো কিছু পাওয়ার বা হওয়ার যোগ্য বোঝাতে আমরা প্রায়ই শব্দের শেষে ‘অহ’ বা ‘ইত’ যুক্ত করি।</li>
<li>তাই ‘ক্ষমা’ + ‘অহ’ মিলে খুব সহজেই মনে রাখা যায় শব্দটি হবে <strong>ক্ষমার্হ</strong>।</li>
</ul>
<p>পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে <strong>সৈয়দ হামজা</strong>-কে গণ্য করা হয়। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পুঁথি সাহিত্য মূলত মধ্যযুগের শেষভাগে এবং আধুনিক যুগের শুরুর দিকে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>পুঁথি সাহিত্যের ধারায় সৈয়দ হামজা তাঁর <strong>'মধুমালতী'</strong> কাব্যের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।</li>
<li>তিনি বাংলা ও ফারসি ভাষার সংমিশ্রণে এক অনন্য কাব্যশৈলী তৈরি করেছিলেন, যা সেই সময়ের সাধারণ মানুষের কাছে খুব জনপ্রিয় ছিল।</li>
<li>সাহিত্যিক মানদণ্ডে পুঁথি সাহিত্যের আদি ধারার কবিদের মধ্যে তাঁর নামই ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে আগে উঠে আসে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার প্রশ্নের ক্ষেত্রে পুঁথি সাহিত্যের প্রাচীনতম লেখক হিসেবে চোখ বন্ধ করে <strong>সৈয়দ হামজা</strong>-কে বেছে নিতে পারেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘চাচা কাহিনী’ বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রম্য রচনা।</li>
<li>এই বইটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক <strong>সৈয়দ মুজতবা আলী</strong>।</li>
<li>তার লেখার নিজস্ব এক ধরণের হাস্যরস ও ভ্রমণের অভিজ্ঞতার মিশেল থাকে, যা ‘চাচা কাহিনী’ পড়লেই বোঝা যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, রম্য রচনার কথা আসলেই সৈয়দ মুজতবা আলীর নাম সবার আগে মাথায় আসা উচিত। এটি মনে রাখার জন্য আপনি চাইলে ‘চাচা’ এবং ‘মুজতবা’ শব্দ দুটিকে একসাথে মনে রাখতে পারেন!</p>
<p>বাক্যে ব্যবহৃত বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকে বলা হয় <strong>পদ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমরা যখন কোনো শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভক্তি যোগ করি, তখন সেটি বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী হয়ে ওঠে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিভক্তিহীন শব্দ বা ধাতু বাক্যে সরাসরি বসতে পারে না।</li>
<li>তাই শব্দ বা ধাতুর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়ে যখন তা বাক্যে স্থান পায়, তখনই তাকে আমরা <strong>পদ</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, <strong>শব্দ/ধাতু + বিভক্তি = পদ</strong>। এই সূত্রটি মনে রাখলেই বিষয়টি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। বাংলা সাহিত্যের কালজয়ী চরিত্র 'রাজলক্ষ্মী' মূলত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'শ্রীকান্ত'</strong>-এর প্রধান নারী চরিত্র।</p>
<ul>
<li>শরৎচন্দ্রের লেখনীতে রাজলক্ষ্মী চরিত্রটি একাধারে প্রেমময়ী, মমতাময়ী এবং রহস্যময়ী হিসেবে ফুটে উঠেছে।</li>
<li>শ্রীকান্তের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে রাজলক্ষ্মীর উপস্থিতি এবং তাদের সম্পর্কের টানাপোড়েন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।</li>
<li>তাই রাজলক্ষ্মী চরিত্রের স্রষ্টা হিসেবে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের নামই অবিচ্ছেদ্য।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সৈয়দ আলাওল</strong>।</p>
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি সৈয়দ আলাওল তাঁর পাণ্ডিত্য এবং কাব্যশৈলীর জন্য বিখ্যাত। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে <strong>‘হপ্ত পয়কর’</strong> অন্যতম। এটি মূলত ফারসি কবি নিজামীর ‘হপ্ত পয়কর’ কাব্যের ভাবানুবাদ।</p>
<ul>
<li><strong>মূল তথ্য:</strong> সৈয়দ আলাওল আরাকান রাজসভার কবি ছিলেন।</li>
<li><strong>কাব্য বৈশিষ্ট্য:</strong> ‘হপ্ত পয়কর’ কাব্যটি সাতটি উপাখ্যানের সমন্বয়ে গঠিত, যা তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান বা অনুবাদ সাহিত্যের কথা বললেই সৈয়দ আলাওলের নাম সবার আগে আসে, তাই এই প্রশ্নের উত্তর মনে রাখা বেশ সহজ।</p>
৭৬৪৫
পুরষ্কার-বিতরণী অনুষ্ঠানের পরিবেশ এত অপরিস্কার”। বাক্যটির নিম্নরেখ পদে য/সব্যবহার –
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুটোই অশুদ্ধ</strong>। কারণ বানানগুলো ব্যাকরণগতভাবে ভুল। চলুন দেখে নিই সঠিক রূপ কী হবে:</p>
<ul>
<li><strong>পুরষ্কার:</strong> এটি ভুল বানান। সঠিক বানান হলো <strong>পুরস্কার</strong>। এখানে 'স'-এর পরিবর্তে 'ষ' হবে না, কারণ 'পুরস' ধাতুর সাথে 'কার' যুক্ত হয়ে এই শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li><strong>অপরিস্কার:</strong> এটিও ভুল বানান। সঠিক বানান হলো <strong>অপরিষ্কার</strong>। 'পরিষ্কার' শব্দে সবসময় মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহৃত হয়, দন্ত্য-স (স) নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পুরস্কারে দন্ত্য-স এবং পরিষ্কারে মূর্ধন্য-ষ ব্যবহার করাই হলো শুদ্ধ নিয়ম। তাই প্রদত্ত বাক্যের দুটি শব্দই ভুল।</p>
<p>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদ বলতে কোনো কিছুর নামকে বোঝায়। এখানে বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>'বণ' বা 'লবণ' শব্দটির বিশেষ্য রূপ হলো <strong>লাবণ্য</strong>, যা মূলত সৌন্দর্য বা রূপের মাধুর্যকে প্রকাশ করে।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত বিশেষণ পদ, কারণ সেগুলো কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থা প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যখনই কোনো শব্দের বিশেষ্য রূপ খুঁজতে বলা হবে, তখন সেই শব্দটি দিয়ে কোনো কিছুর নাম বা গুণবাচক নাম তৈরি করা যায় কি না তা যাচাই করে দেখা।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আসক্তি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ একটি সার্থক বাক্যের তিনটি প্রধান গুণ বা বৈশিষ্ট্য থাকে, যা ব্যাকরণগতভাবে নির্ধারিত। সেগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>আকাঙ্ক্ষা:</strong> বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার ইচ্ছা।</li>
<li><strong>আসত্তি:</strong> বাক্যের অর্থ ঠিক রাখার জন্য পদগুলোকে সঠিক জায়গায় বা ক্রমানুসারে সাজানো।</li>
<li><strong>যোগ্যতা:</strong> বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থের সামঞ্জস্য ও ভাবের মিল থাকা।</li>
</ul>
<p>এখানে <strong>আসক্তি</strong> শব্দটি মূলত কোনো কিছুর প্রতি তীব্র টান বা নেশাকে বোঝায়, যা ব্যাকরণ অনুযায়ী বাক্যের কোনো বৈশিষ্ট্য নয়। তাই এটিই সঠিক উত্তর। মনে রাখার জন্য শুধু এই তিনটি শব্দ (আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি, যোগ্যতা) মাথায় রাখলেই চলবে!</p>
<p>কার্টাগেনা প্রটোকল হলো মূলত <strong>জৈব নিরাপত্তা বা বায়োসেফটি</strong> নিশ্চিত করার একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। সহজ কথায়, জেনেটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম (GMO) বা জীবপ্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি পণ্যগুলো এক দেশ থেকে অন্য দেশে নেওয়ার সময় পরিবেশ ও মানবস্বাস্থ্যের যেন কোনো ক্ষতি না হয়, তা নিশ্চিত করাই এই চুক্তির মূল লক্ষ্য।</p>
<ul>
<li>এটি ২০০০ সালে গৃহীত হয় এবং ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।</li>
<li>এর মূল উদ্দেশ্য হলো আধুনিক জীবপ্রযুক্তির নিরাপদ ব্যবহার ও আদান-প্রদান নিশ্চিত করা।</li>
<li>এটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা করার জন্য 'কনভেনশন অন বায়োলজিক্যাল ডাইভারসিটি' (CBD)-এর একটি অংশ হিসেবে কাজ করে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার সহজ উপায় হলো—<strong>কার্টাগেনা = জৈব নিরাপত্তা</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>খন্ডিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলেই আমরা এর রহস্য ধরতে পারি।</p>
<ul>
<li><strong>খন্ডিত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>খন্ড + ইত</strong> প্রত্যয় যোগে।</li>
<li>এখানে <strong>ইত</strong> হলো একটি কৃৎ প্রত্যয়, যা শব্দের শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করেছে।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো উপসর্গ বা সন্ধিজাত হলেও, শুধুমাত্র এই শব্দটিতেই আমরা স্পষ্টত প্রত্যয়ের ব্যবহার দেখতে পাই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশের সাথে যখন কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই আমরা প্রত্যয় বলি। তাই <strong>খন্ডিত</strong> শব্দটিই এখানে সঠিক উদাহরণ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সুন জু</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এটি সামরিক কৌশলের ওপর লেখা পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং বিখ্যাত একটি বই।</p>
<ul>
<li><strong>সুন জু</strong> ছিলেন প্রাচীন চীনের একজন সামরিক কৌশলবিদ এবং দার্শনিক।</li>
<li>তার লেখা এই বইটি মূলত যুদ্ধের কৌশল, মনস্তত্ত্ব এবং নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।</li>
<li>হাজার বছর পেরিয়ে গেলেও আজও বিশ্বের বিভিন্ন সামরিক একাডেমি এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে এই বইটির কৌশলগুলো গুরুত্বের সাথে পড়ানো হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যুদ্ধের ময়দানে জয়ী হওয়ার প্রাচীন ও কার্যকর সব কৌশল নিয়ে লেখা এই কালজয়ী বইটির লেখকই হলেন সুন জু।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।