<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সবুজপত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতিকে জনপ্রিয় ও প্রতিষ্ঠিত করার পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত এই পত্রিকার।</li>
<li>১৯১৪ সালে প্রকাশিত এই পত্রিকাটি বাংলা গদ্যের চলিত রূপকে মানদণ্ড হিসেবে গ্রহণ করতে সাহিত্যিকদের উদ্বুদ্ধ করে।</li>
<li>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে চলিত ভাষারীতির প্রথম মুখপাত্র হিসেবে <strong>সবুজপত্র</strong>-কে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
৮৪২
ঢাকার 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'- এর মুখপাত্র ছিল কোন পত্রিকা?
<p>ঢাকার 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ'-এর মুখপাত্র ছিল <strong>শিখা</strong> পত্রিকা। ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এই সাহিত্য আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল মুক্তবুদ্ধির চর্চা করা।</p>
<ul>
<li><strong>শিখা</strong> পত্রিকাটির মাধ্যমেই এই সংগঠনের আদর্শ ও চিন্তাধারা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হতো।</li>
<li>এই পত্রিকার মূল স্লোগান ছিল <strong>'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'</strong>।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠনে এবং বুদ্ধিবৃত্তিক জাগরণে এই পত্রিকা ও সংগঠনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষার প্রথম সংবাদপত্র হলো <strong>সমাচার দর্পন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>জন ক্লার্ক মার্শম্যান ছিলেন এর সম্পাদক।</li>
<li>বাংলা ভাষায় নিয়মিত প্রকাশিত প্রথম সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে এটি ইতিহাসের পাতায় জায়গা করে নিয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসের কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>সমাচার দর্পন</strong>-কে বেছে নেবেন!</p>
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম সাময়িকপত্র হলো <strong>দিগদর্শন</strong>। এই বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৮১৮ সালে শ্রীরামপুর মিশন থেকে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি মূলত একটি শিক্ষামূলক মাসিক পত্রিকা ছিল, যা সাধারণ মানুষের জ্ঞান বৃদ্ধির জন্য তৈরি করা হয়েছিল।</li>
<li>অনেকে সমাচার দর্পণকে প্রথম পত্রিকা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু মনে রাখবেন—<strong>দিগদর্শন</strong> ছিল প্রথম 'সাময়িকপত্র' বা ম্যাগাজিন, আর সমাচার দর্পণ ছিল প্রথম 'বাংলা সংবাদপত্র'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ইতিহাসের পাতায় সাময়িকপত্র হিসেবে <strong>দিগদর্শন</strong>-এর নামই সবার আগে আসে।</p>
<p>বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম দৈনিক সংবাদপত্র হলো <strong>সংবাদ প্রভাকর</strong>। ১৮৩৯ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের সম্পাদনায় এটি দৈনিক পত্রিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>সংবাদ প্রভাকর</strong> ছিল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম সফল দৈনিক পত্রিকা।</li>
<li>এর আগে প্রকাশিত পত্রিকাগুলো মূলত সাপ্তাহিক বা মাসিক ছিল, কিন্তু দৈনিক হিসেবে নিয়মিত প্রকাশের কৃতিত্ব সংবাদ প্রভাকরেরই।</li>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের হাত ধরে এটি তৎকালীন সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।</li>
</ul>
৮৪৬
কোন পত্রিকার সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছিল 'বঙ্গীয় মুসলমান ভ্রাতাগণ ঘোর আলস্য শয্যায় শায়িত হইয়া যেরূপ ভোগ বিলাসে জীবন অতিবাহিত করিতেছেন, তাহাতে অচিরে তাহারা যে একেবারে ধ্বংস সাগরে নিমজ্জিত হইবেন তদ্বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই.'
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>হাফেজ</strong> পত্রিকা। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে প্রকাশিত এই পত্রিকায় তৎকালীন মুসলিম সমাজের অবক্ষয় এবং অলস জীবনযাপন নিয়ে বেশ কড়া ভাষায় সমালোচনা করা হয়েছিল।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>হাফেজ</strong> পত্রিকার সম্পাদকীয়তে তৎকালীন মুসলিম সমাজের সামাজিক ও নৈতিক অধঃপতনের চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছিল।</li>
<li>লেখকের মূল উদ্দেশ্য ছিল অলসতায় নিমজ্জিত সমাজকে সচেতন করা এবং তাদের ধ্বংসের হাত থেকে সতর্ক করা।</li>
<li>ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এই উক্তিটি তৎকালীন মুসলিম জাগরণ ও সংস্কার আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে বিবেচিত হয়।</li>
</ul>
৮৪৭
কোন পত্রিকাটির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বধর্ম, স্বদেশ ও মাতৃভাষার সেবা করা?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>আল এসলাম</strong>। এই পত্রিকাটির মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং দেশপ্রেমমূলক। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>আল এসলাম</strong> পত্রিকাটির প্রধান ব্রত ছিল মুসলিম সমাজের মধ্যে স্বধর্মের চেতনা জাগ্রত করা।</li>
<li>পাশাপাশি, নিজের দেশের প্রতি ভালোবাসা বা স্বদেশপ্রেম এবং মাতৃভাষার মর্যাদা ও সেবাকে তারা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছিল।</li>
<li>সেই সময়ের প্রেক্ষাপটে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চায় এই পত্রিকা এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে দেশপ্রেম এবং বাংলা ভাষার প্রতি গভীর মমত্ববোধের সমন্বয় ঘটানোই ছিল এই পত্রিকার মূল দর্শন।</p>
৮৪৮
সুকান্ত ভট্টাচার্য 'দৈনিক স্বাধীনতা' পত্রিকার কোন বিভাগের আজীবন সম্পাদক ছিলেন?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কিশোর সভা বিভাগ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ সুকান্ত ভট্টাচার্যকে বলা হয় 'কিশোর কবি'।</p>
<ul>
<li>সুকান্ত ভট্টাচার্য তাঁর কর্মজীবনের বড় একটা সময় সাম্যবাদী আদর্শে বিশ্বাসী <strong>'দৈনিক স্বাধীনতা'</strong> পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।</li>
<li>তিনি এই পত্রিকার <strong>'কিশোর সভা'</strong> নামক বিশেষ বিভাগটির দায়িত্ব পালন করতেন এবং আমৃত্যু এর সম্পাদক হিসেবে কাজ করে গেছেন।</li>
<li>তাঁর এই বিভাগটি তৎকালীন কিশোরদের মধ্যে দেশপ্রেম ও সচেতনতা তৈরিতে দারুণ ভূমিকা রেখেছিল।</li>
</ul>
৮৪৯
অক্ষয়কুমার দত্ত কত সাল পর্যন্ত 'তত্ত্ববোধিনী' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৫৫ সাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ অক্ষয়কুমার দত্ত ১৮৪৩ সালে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ ১২ বছর অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে এই পত্রিকার সম্পাদনার কাজ চালিয়ে যান।</p>
<p>অর্থাৎ, ১৮৪৩ থেকে ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত তিনি এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়কালটি বাংলা সাময়িকপত্রের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</p>
৮৫০
রবীন্দ্রনাথের প্রথম কাব্য 'বনফুল' প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়?
<p>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো <strong>'বনফুল'</strong>। এটি ১৮৭৫ সালে <strong>'জ্ঞানাঙ্কুর'</strong> নামক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>রবীন্দ্রনাথের সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকের কাজগুলো মনে রাখতে চাইলে এই পত্রিকাটির নাম খুব গুরুত্বপূর্ণ।</li>
<li><strong>'জ্ঞানাঙ্কুর'</strong> পত্রিকাটি সেই সময়ে তরুণ কবিদের লেখা প্রকাশের একটি বড় মাধ্যম ছিল, যেখানে রবীন্দ্রনাথের এই প্রথম কাব্যটি আত্মপ্রকাশ করে।</li>
</ul>
৮৫১
বঙ্কিমচন্দ্র সম্পাদিত 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার প্রকাশ কাল-
<p>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় বিখ্যাত <strong>'বঙ্গদর্শন'</strong> পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৮৭২</strong> সালে। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এই পত্রিকাটির গুরুত্ব অপরিসীম, কারণ এটি তৎকালীন বাঙালি সমাজে চিন্তার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিল।</p>
<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৭২ সাল (বৈশাখ মাস)।</li>
<li><strong>সম্পাদক:</strong> বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই পত্রিকার মাধ্যমেই বঙ্কিমচন্দ্রের বিখ্যাত উপন্যাস 'বিষবৃক্ষ' ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, ১৮৭২ সালটি বাংলা সাময়িক পত্রের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে মনে রাখতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ধূমকেতু</strong>। কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালে এই পত্রিকাটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>নজরুল ইসলামকে বলা হয় <strong>'বিদ্রোহী কবি'</strong>।</li>
<li>তার অগ্নিঝরা লেখা ও ব্রিটিশবিরোধী চেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটেছিল এই <strong>ধূমকেতু</strong> পত্রিকার মাধ্যমে।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই তিনি তার বিখ্যাত কবিতা <strong>'আনন্দময়ীর আগমনে'</strong> প্রকাশ করেছিলেন, যার জন্য তাকে কারাবরণ করতে হয়েছিল।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, নজরুলের বিদ্রোহী সত্তার প্রধান মুখপত্রই ছিল এই ধূমকেতু পত্রিকা।</p>
<p>সবুজপত্র পত্রিকা প্রকাশের সঠিক সাল হলো <strong>১৯১৪</strong>। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষারীতি প্রবর্তনে এক বৈপ্লবিক ভূমিকা পালন করেছিল।</p>
<p>মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরুর বছর অর্থাৎ <strong>১৯১৪</strong> সালেই এই পত্রিকার যাত্রা শুরু হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি মাইলফলক, কারণ এর মাধ্যমেই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপটি প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
</ul>
৮৫৪
১৯৯৪ সালে যে প্রবন্ধাকার বাংলা একাডেমী পুরস্কার পেয়েছেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ওয়াকিল আহমদ</strong>।</p>
<p>বাংলা একাডেমী পুরস্কারের ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যায়, ১৯৯৪ সালে প্রবন্ধ সাহিত্যে অবদানের জন্য এই সম্মাননাটি ওয়াকিল আহমদকে প্রদান করা হয়। বিষয়টি মনে রাখার জন্য আপনি নিচের সহজ কৌশলটি অনুসরণ করতে পারেন:</p>
<p>মূলত তাঁর গবেষণাধর্মী ও বিশ্লেষণাত্মক প্রবন্ধের জন্যই তিনি এই স্বীকৃতি পেয়েছিলেন। সাহিত্যিকদের পুরস্কারের তালিকা মনে রাখার ক্ষেত্রে সাল এবং সংশ্লিষ্ট বিভাগটি আলাদাভাবে নোট করে রাখলে পরীক্ষার হলে খুব দ্রুত উত্তর খুঁজে পাওয়া যায়।</p>
৮৫৫
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়নে বর্তমানে কোন প্রতিষ্ঠানের সমধিক খ্যাতি বিদ্যমান?
<p>বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা এবং প্রসারের ক্ষেত্রে বর্তমানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান হলো <strong>বাংলা একাডেমী</strong>। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>গবেষণা ও প্রকাশনা:</strong> বাংলা ভাষার অভিধান প্রণয়ন, বানানরীতি নির্ধারণ এবং সাহিত্যের মানসম্মত বই প্রকাশের ক্ষেত্রে এটি দেশের প্রধান কেন্দ্র।</li>
<li><strong>অমর একুশে বইমেলা:</strong> প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত এই মেলা বাংলা একাডেমীর তত্ত্বাবধানেই হয়, যা আমাদের সাহিত্য ও সংস্কৃতির সবচেয়ে বড় মিলনমেলা।</li>
<li><strong>ভাষার মর্যাদা:</strong> বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরা এবং ভাষার অধিকার রক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি ঐতিহাসিকভাবেই অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, আমাদের ভাষার শুদ্ধ চর্চা এবং সাহিত্যের বিকাশে <strong>বাংলা একাডেমী</strong>-ই বর্তমানে সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও জনপ্রিয় প্রতিষ্ঠান।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।