<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের বিকাশে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'শকুন্তলা'</strong> অন্যতম একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। এটি মূলত কালিদাসের বিখ্যাত সংস্কৃত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ভাবানুবাদ।</p>
<p>১৮৫৫ সালে প্রকাশিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের এই বইটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>সহজবোধ্য পদ্ধতি:</strong> বর্ণমালা শেখানোর জন্য বিদ্যাসাগর যে বৈজ্ঞানিক ও সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন, তা আজও অতুলনীয়।</li>
<li><strong>শিক্ষার ভিত্তি:</strong> বাংলা ভাষা ও বর্ণমালা শিক্ষার জন্য এটি এমন একটি কাঠামো তৈরি করে দিয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান অবলম্বন হয়ে আছে।</li>
<li><strong>কালজয়ী আবেদন:</strong> এর সহজবোধ্যতা এবং গঠনশৈলীর কারণেই বইটি প্রকাশের পর থেকেই ক্লাসিক বা ধ্রুপদী মর্যাদা পেয়ে আসছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালা শেখার ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম আধুনিক ও সুশৃঙ্খল বই, যা আজও আমাদের শিক্ষার মূল ভিত্তি হিসেবে টিকে আছে।</p>
<p>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে আমরা <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-কে চিনি। এর কারণ হলো, তার আগে বাংলা গদ্যের ভাষা ছিল বেশ জটিল এবং অগোছালো। তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল, মার্জিত এবং সহজবোধ্য কাঠামোয় নিয়ে আসেন।</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শৈলীকে আধুনিক রূপ দেন।</li>
<li>তার রচিত গ্রন্থগুলো বাংলা গদ্যের বিকাশে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল বাক্য গঠনের মাধ্যমে তিনি বাংলা ভাষাকে সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী করে তোলেন।</li>
</ul>
<p>তাই বাংলা গদ্যের শৈল্পিক ও কাঠামোগত ভিত্তি স্থাপনের জন্য তিনিই সর্বজনস্বীকৃত জনক।</p>
<p>বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের ব্যবহারের পথিকৃৎ হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। তিনি বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল ও পাঠযোগ্য করার জন্য ইংরেজি যতিচিহ্নের আদলে বাংলা ভাষায় কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের সফল প্রয়োগ ঘটান।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাইয়ের আগে বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না।</li>
<li>তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong> গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতিচিহ্নের যথাযথ ব্যবহার করেন।</li>
<li>তার এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা বাক্য গঠন ও পড়ার ভঙ্গি অনেক বেশি স্পষ্ট ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম গল্পধর্মী বই হিসেবে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এই বইটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি মূলত হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসী' গ্রন্থের অবলম্বনে লেখা, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল।</li>
<li>এর আগে বাংলা ভাষায় মূলত ধর্মীয় বা শাস্ত্রীয় আলোচনার প্রাধান্য থাকলেও, এই বইটির মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথমবার চমৎকার সব গল্পের অবতারণা করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, গল্পের ছলে নীতিশিক্ষা দেওয়ার এই ধারাটিই বাংলা সাহিত্যে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-কে অনন্য করে তুলেছে।</p>
৮৭৬
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ কোন ধরনের রচনা?
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের <strong>‘ভ্রান্তিবিলাস’</strong> হলো একটি চমৎকার <strong>অনুবাদগ্রন্থ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক <strong>‘দ্য কমেডি অফ এররস’ (The Comedy of Errors)</strong> অবলম্বনে লেখা।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই মূল ইংরেজি নাটকের কাহিনীকে বাংলা ভাষায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু এটি অন্য ভাষার সাহিত্য থেকে বাংলায় ভাষান্তর করা হয়েছে, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি অনুবাদধর্মী রচনা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শেক্সপিয়রের গল্পের ভাবধারাকে বাঙালির পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্যই তিনি এই অনুবাদটি করেছিলেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৫৬ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই আইনটি ছিল তৎকালীন সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই আইনটি পাস হয়।</li>
<li>ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিংয়ের শাসনামলে <strong>১৮৫৬</strong> সালের ১৬ জুলাই এই আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়।</li>
<li>আইনটির মূল নাম ছিল 'হিন্দু উইডো রিম্যারেজ অ্যাক্ট' (Hindu Widows' Remarriage Act, 1856), যা বিধবাদের পুনরায় বিয়ের আইনি স্বীকৃতি দেয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিদ্যাসাগরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে <strong>১৮৫৬</strong> সালটি বিধবা বিবাহের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হিসেবে <strong>বিদ্যাসাগরচরিত</strong>-কে গণ্য করা হয়। এটি মূলত চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবনীগ্রন্থ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা এই গ্রন্থটিই বাংলা ভাষায় আত্মজীবনীমূলক ধারার সূচনা করে।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনীমূলক রচনার মর্যাদা পায়।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ—বিদ্যাসাগরের জীবন নিয়ে লেখা এই বইটিই প্রথম আত্মজীবনীমূলক কাজ।</li>
</ul>
<p>বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রথম শোকগাঁথা হলো <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি রচনা করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।</p>
<p>এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> মূলত বিদ্যাসাগরের বাল্যসখী প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুতে লেখা একটি শোকমূলক গদ্য রচনা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে শোকের আবহ এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির এমন শৈল্পিক প্রকাশ গদ্যের ক্ষেত্রে এটিই প্রথম।</li>
<li>সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি অনন্য সৃষ্টি, যা বাংলা গদ্যকে কেবল তথ্যের গণ্ডি থেকে বের করে আবেগের গভীরতায় নিয়ে এসেছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি বিখ্যাত শোকগাথা বা শোকমূলক রচনা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাইয়ের গদ্য রচনার মধ্যে <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> একটি অন্যতম মৌলিক সৃষ্টি।</li>
<li>এটি তিনি তাঁর বাল্যসখী প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে লিখেছিলেন।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (যেমন: প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত বা প্রান্তিক) মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, তাই এগুলো বিদ্যাসাগরের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
৮৮১
নিচের কোন গ্রন্থে যতি চিহ্নের সার্থক প্রয়োগ করা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। বাংলা গদ্যের ইতিহাসে যতি চিহ্নের সঠিক ও সার্থক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়, কারণ তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> (১৮৪৭) গ্রন্থটিই ছিল বাংলা সাহিত্যে যতি চিহ্নের প্রথম সার্থক ও বিধিবদ্ধ প্রয়োগের নিদর্শন।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় যতি চিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না, যা এই গ্রন্থের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্নের সার্থক ও সুশৃঙ্খল ব্যবহার শুরু করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>১৮৪৭ সালে প্রকাশিত <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বিরাম চিহ্নের ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না, যা পড়ার সময় জটিলতা তৈরি করত।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের ধারণা নিয়ে বাংলা গদ্যকে সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল করে তোলেন।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ এবং বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের শুরুটা হয়েছিল এই বইটির মাধ্যমেই।</p>
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবী হলো <strong>বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। অনেকেই ভুল করে 'বিদ্যাসাগর'কে তাঁর পদবী মনে করেন, কিন্তু আসলে এটি তাঁর উপাধি।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মূল নাম:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>উপাধি:</strong> সংস্কৃত কলেজে তাঁর পাণ্ডিত্য ও জ্ঞানের গভীরতার জন্য তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li><strong>পারিবারিক পরিচয়:</strong> তিনি রাঢ়ী ব্রাহ্মণ বংশের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সন্তান ছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে যখনই তাঁর পারিবারিক পদবী জানতে চাওয়া হবে, সঠিক উত্তর হবে <strong>বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
৮৮৪
বাংলা ভাষায় বাক্যের অর্থ উদ্ধারের সুবিধার্থে কে প্রথমে দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদির প্রবর্তন করেন?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বাংলা গদ্যকে সহজবোধ্য এবং পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্য তিনিই প্রথম বিরামচিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু করেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপকার হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পড়ার সময় কোথায় থামতে হবে, তা বোঝাতে তিনি ইংরেজি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ও কোলনের মতো চিহ্নগুলো বাংলা ভাষায় প্রবর্তন করেন।</li>
<li>তাঁর এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা ভাষা পড়ার ক্ষেত্রে এক নতুন গতি ও শৃঙ্খলা তৈরি হয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শকুন্তলা</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত সাহিত্যের কালজয়ী নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ভাবানুবাদ করে ১৮৫৪ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের মৌলিক ও অনুবাদমূলক রচনার মধ্যে <strong>শকুন্তলা</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম।</li>
<li>এটি মূলত কালিদাসের বিখ্যাত নাটক অবলম্বনে রচিত, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই <strong>শকুন্তলা</strong>, <strong>সীতার বনবাস</strong> এবং <strong>ভ্রান্তিবিলাস</strong>—এই তিনটি নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।