eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৭১

‘শকুন্তলা’ কার লেখা গ্রন্থ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের বিকাশে অসামান্য অবদান রেখেছিলেন। তাঁর সাহিত্যকর্মের মধ্যে <strong>'শকুন্তলা'</strong> অন্যতম একটি জনপ্রিয় গ্রন্থ। এটি মূলত কালিদাসের বিখ্যাত সংস্কৃত নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ভাবানুবাদ।</p>

<ul>
<li><strong>মূল লেখক:</strong> মহাকবি কালিদাস (সংস্কৃত ভাষায়)।</li>
<li><strong>বাংলা অনুবাদক:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৫৪ সাল।</li>
</ul>

<p>বিদ্যাসাগর মশাইয়ের সহজ-সরল ও প্রাঞ্জল গদ্যশৈলীর কারণেই এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে আজও অমর হয়ে আছে।</p>
৮৭২

১৮৫৫ সালে বিদ্যাসাগরের লেখা কোন বইটি ক্লাসিক মর্যাদা লাভ করেছে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বর্ণপরিচয়
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণপরিচয়</strong>।</p>

<p>১৮৫৫ সালে প্রকাশিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের এই বইটি বাংলা শিক্ষার ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li><strong>সহজবোধ্য পদ্ধতি:</strong> বর্ণমালা শেখানোর জন্য বিদ্যাসাগর যে বৈজ্ঞানিক ও সহজ পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন, তা আজও অতুলনীয়।</li>
<li><strong>শিক্ষার ভিত্তি:</strong> বাংলা ভাষা ও বর্ণমালা শিক্ষার জন্য এটি এমন একটি কাঠামো তৈরি করে দিয়েছে, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে প্রাথমিক শিক্ষার প্রধান অবলম্বন হয়ে আছে।</li>
<li><strong>কালজয়ী আবেদন:</strong> এর সহজবোধ্যতা এবং গঠনশৈলীর কারণেই বইটি প্রকাশের পর থেকেই ক্লাসিক বা ধ্রুপদী মর্যাদা পেয়ে আসছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা বর্ণমালা শেখার ক্ষেত্রে এটিই ছিল প্রথম আধুনিক ও সুশৃঙ্খল বই, যা আজও আমাদের শিক্ষার মূল ভিত্তি হিসেবে টিকে আছে।</p>
৮৭৩

বাংলা গদ্যের জনক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগার
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে আমরা <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-কে চিনি। এর কারণ হলো, তার আগে বাংলা গদ্যের ভাষা ছিল বেশ জটিল এবং অগোছালো। তিনি প্রথম বাংলা গদ্যকে একটি সুশৃঙ্খল, মার্জিত এবং সহজবোধ্য কাঠামোয় নিয়ে আসেন।</p>

<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও শৈলীকে আধুনিক রূপ দেন।</li>
<li>তার রচিত গ্রন্থগুলো বাংলা গদ্যের বিকাশে মাইলফলক হিসেবে কাজ করেছে।</li>
<li>সহজ ও সাবলীল বাক্য গঠনের মাধ্যমে তিনি বাংলা ভাষাকে সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী করে তোলেন।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা গদ্যের শৈল্পিক ও কাঠামোগত ভিত্তি স্থাপনের জন্য তিনিই সর্বজনস্বীকৃত জনক।</p>
৮৭৪

বাংলা ভাষায় সর্বপ্রথম যতিচিহ্নের প্রচলন করেন কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় যতিচিহ্নের ব্যবহারের পথিকৃৎ হলেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। তিনি বাংলা গদ্যকে সুশৃঙ্খল ও পাঠযোগ্য করার জন্য ইংরেজি যতিচিহ্নের আদলে বাংলা ভাষায় কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের সফল প্রয়োগ ঘটান।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাইয়ের আগে বাংলা লেখায় যতিচিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না।</li>
<li>তিনি ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত <strong>'বেতাল পঞ্চবিংশতি'</strong> গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতিচিহ্নের যথাযথ ব্যবহার করেন।</li>
<li>তার এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা বাক্য গঠন ও পড়ার ভঙ্গি অনেক বেশি স্পষ্ট ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।</li>
</ul>
৮৭৫

বাংলা ভাষায় প্রথম গল্পধর্মী বই কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ভাষায় প্রথম গল্পধর্মী বই হিসেবে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-কে গণ্য করা হয়। এর পেছনের কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এই বইটি রচনা করেন।</li>
<li>এটি মূলত হিন্দি 'বৈতাল পচ্চীসী' গ্রন্থের অবলম্বনে লেখা, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে এক নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছিল।</li>
<li>এর আগে বাংলা ভাষায় মূলত ধর্মীয় বা শাস্ত্রীয় আলোচনার প্রাধান্য থাকলেও, এই বইটির মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যে প্রথমবার চমৎকার সব গল্পের অবতারণা করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, গল্পের ছলে নীতিশিক্ষা দেওয়ার এই ধারাটিই বাংলা সাহিত্যে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-কে অনন্য করে তুলেছে।</p>
৮৭৬

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ কোন ধরনের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনুবাদগ্রন্থ
ব্যাখ্যা:
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের <strong>‘ভ্রান্তিবিলাস’</strong> হলো একটি চমৎকার <strong>অনুবাদগ্রন্থ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>এই গ্রন্থটি মূলত উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত কমেডি নাটক <strong>‘দ্য কমেডি অফ এররস’ (The Comedy of Errors)</strong> অবলম্বনে লেখা।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই মূল ইংরেজি নাটকের কাহিনীকে বাংলা ভাষায় অত্যন্ত সাবলীলভাবে রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li>যেহেতু এটি অন্য ভাষার সাহিত্য থেকে বাংলায় ভাষান্তর করা হয়েছে, তাই সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি অনুবাদধর্মী রচনা।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, শেক্সপিয়রের গল্পের ভাবধারাকে বাঙালির পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্যই তিনি এই অনুবাদটি করেছিলেন।</p>
৮৭৭

‘বিধবা বিবাহ আইন’ কত সালে পাশ হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৫৬ সালে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮৫৬ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই আইনটি ছিল তৎকালীন সমাজ সংস্কারের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।</p>

<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় এই আইনটি পাস হয়।</li>
<li>ব্রিটিশ ভারতের তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিংয়ের শাসনামলে <strong>১৮৫৬</strong> সালের ১৬ জুলাই এই আইনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করা হয়।</li>
<li>আইনটির মূল নাম ছিল 'হিন্দু উইডো রিম্যারেজ অ্যাক্ট' (Hindu Widows' Remarriage Act, 1856), যা বিধবাদের পুনরায় বিয়ের আইনি স্বীকৃতি দেয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিদ্যাসাগরের আন্দোলনের ফসল হিসেবে <strong>১৮৫৬</strong> সালটি বিধবা বিবাহের আইনি অধিকার প্রতিষ্ঠার বছর হিসেবে ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে আছে।</p>
৮৭৮

বাংলা ভাষার প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাসাগরচরিত
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ হিসেবে <strong>বিদ্যাসাগরচরিত</strong>-কে গণ্য করা হয়। এটি মূলত চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় কর্তৃক রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জীবনীগ্রন্থ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে নিয়ে লেখা এই গ্রন্থটিই বাংলা ভাষায় আত্মজীবনীমূলক ধারার সূচনা করে।</li>
<li>সাহিত্যিক ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম আত্মজীবনীমূলক রচনার মর্যাদা পায়।</li>
<li>পরীক্ষায় বারবার আসা এই তথ্যটি মনে রাখা খুব সহজ—বিদ্যাসাগরের জীবন নিয়ে লেখা এই বইটিই প্রথম আত্মজীবনীমূলক কাজ।</li>
</ul>
৮৭৯

বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রথম শোকগাঁথা কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রভাবতী সম্ভাষণ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা গদ্য সাহিত্যের প্রথম শোকগাঁথা হলো <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি রচনা করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।</p>

<p>এই বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> মূলত বিদ্যাসাগরের বাল্যসখী প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুতে লেখা একটি শোকমূলক গদ্য রচনা।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে শোকের আবহ এবং ব্যক্তিগত অনুভূতির এমন শৈল্পিক প্রকাশ গদ্যের ক্ষেত্রে এটিই প্রথম।</li>
<li>সাহিত্যিক বিচারে এটি একটি অনন্য সৃষ্টি, যা বাংলা গদ্যকে কেবল তথ্যের গণ্ডি থেকে বের করে আবেগের গভীরতায় নিয়ে এসেছে।</li>
</ul>
৮৮০

নিম্নোক্ত কোন রচনাটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রভাবতী সম্ভাষণ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা একটি বিখ্যাত শোকগাথা বা শোকমূলক রচনা।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাইয়ের গদ্য রচনার মধ্যে <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> একটি অন্যতম মৌলিক সৃষ্টি।</li>
<li>এটি তিনি তাঁর বাল্যসখী প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে লিখেছিলেন।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো (যেমন: প্রভাত সংগীত, সন্ধ্যা সংগীত বা প্রান্তিক) মূলত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ, তাই এগুলো বিদ্যাসাগরের হওয়ার কোনো সুযোগ নেই।</li>
</ul>
৮৮১

নিচের কোন গ্রন্থে যতি চিহ্নের সার্থক প্রয়োগ করা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। বাংলা গদ্যের ইতিহাসে যতি চিহ্নের সঠিক ও সার্থক ব্যবহারের ক্ষেত্রে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়, কারণ তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় যতি চিহ্নের সুশৃঙ্খল ব্যবহার শুরু করেন।</li>
<li>তার লেখা <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> (১৮৪৭) গ্রন্থটিই ছিল বাংলা সাহিত্যে যতি চিহ্নের প্রথম সার্থক ও বিধিবদ্ধ প্রয়োগের নিদর্শন।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় যতি চিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না, যা এই গ্রন্থের মাধ্যমেই প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
</ul>
৮৮২

কোন বইতে প্রথম বিরাম চিহ্নের সফল ব্যবহার করা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তিনিই প্রথম বাংলা ভাষায় বিরাম চিহ্নের সার্থক ও সুশৃঙ্খল ব্যবহার শুরু করেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li>১৮৪৭ সালে প্রকাশিত <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যে বিরাম চিহ্নের ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক।</li>
<li>এর আগে বাংলা লেখায় বিরাম চিহ্নের কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম ছিল না, যা পড়ার সময় জটিলতা তৈরি করত।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মহাশয় ইংরেজি থেকে কমা, সেমিকোলন, দাড়ি ইত্যাদি চিহ্নের ধারণা নিয়ে বাংলা গদ্যকে সহজবোধ্য ও প্রাঞ্জল করে তোলেন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপ এবং বিরাম চিহ্নের সঠিক ব্যবহারের শুরুটা হয়েছিল এই বইটির মাধ্যমেই।</p>
৮৮৩

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবী কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বন্দ্যোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পারিবারিক পদবী হলো <strong>বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>। অনেকেই ভুল করে 'বিদ্যাসাগর'কে তাঁর পদবী মনে করেন, কিন্তু আসলে এটি তাঁর উপাধি।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>মূল নাম:</strong> ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়।</li>
<li><strong>উপাধি:</strong> সংস্কৃত কলেজে তাঁর পাণ্ডিত্য ও জ্ঞানের গভীরতার জন্য তাঁকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।</li>
<li><strong>পারিবারিক পরিচয়:</strong> তিনি রাঢ়ী ব্রাহ্মণ বংশের বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের সন্তান ছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা সাধারণ জ্ঞানে যখনই তাঁর পারিবারিক পদবী জানতে চাওয়া হবে, সঠিক উত্তর হবে <strong>বন্দ্যোপাধ্যায়</strong>।</p>
৮৮৪

বাংলা ভাষায় বাক্যের অর্থ উদ্ধারের সুবিধার্থে কে প্রথমে দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ইত্যাদির প্রবর্তন করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বাংলা গদ্যকে সহজবোধ্য এবং পড়ার উপযোগী করে তোলার জন্য তিনিই প্রথম বিরামচিহ্নের সার্থক ব্যবহার শুরু করেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপকার হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাক্যের অর্থ স্পষ্ট করতে এবং পড়ার সময় কোথায় থামতে হবে, তা বোঝাতে তিনি ইংরেজি থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে দাঁড়ি, কমা, সেমিকোলন ও কোলনের মতো চিহ্নগুলো বাংলা ভাষায় প্রবর্তন করেন।</li>
<li>তাঁর এই উদ্যোগের ফলেই বাংলা ভাষা পড়ার ক্ষেত্রে এক নতুন গতি ও শৃঙ্খলা তৈরি হয়।</li>
</ul>
৮৮৫

কোনটি বিদ্যাসাগরের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শকুন্তলা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শকুন্তলা</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত সাহিত্যের কালজয়ী নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-এর ভাবানুবাদ করে ১৮৫৪ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের মৌলিক ও অনুবাদমূলক রচনার মধ্যে <strong>শকুন্তলা</strong> অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি নাম।</li>
<li>এটি মূলত কালিদাসের বিখ্যাত নাটক অবলম্বনে রচিত, যা বাংলা গদ্যের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই বিদ্যাসাগরের অনুবাদ গ্রন্থগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই <strong>শকুন্তলা</strong>, <strong>সীতার বনবাস</strong> এবং <strong>ভ্রান্তিবিলাস</strong>—এই তিনটি নাম একসাথে মনে রাখলে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।