<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাহিত্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা একাডেমীর মূল কাজই হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়ন এবং চর্চা করা।</p>
<ul>
<li>বাংলা একাডেমী প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে বিভিন্ন শাখায় <strong>বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার</strong> প্রদান করে।</li>
<li>এই পুরস্কারটি মূলত কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষণা, অনুবাদ, নাটক ও শিশুসাহিত্যের মতো সৃজনশীল ও মননশীল কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।</li>
<li>তাই বাংলা একাডেমীর সাথে সাহিত্যের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী আবদুল ওদুদ</strong>। এর কারণটা বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে <strong>'বুদ্ধির মুক্তি'</strong> আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ।</li>
<li>তিনি কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন এবং মুক্তচিন্তার চর্চাকে তার লেখনীর মাধ্যমে জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>তার রচিত <strong>'শাশ্বত বঙ্গ'</strong> এবং বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি যে যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার পরিচয় দিয়েছেন, তা তাকে মুক্তবুদ্ধির লেখক হিসেবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী ধারার কথা বললেই কাজী আবদুল ওদুদের নাম সবার আগে চলে আসে।</p>
<p>শিখা পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯২৭</strong> খ্রিস্টাব্দে। এটি ছিল তৎকালীন সময়ের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা, যা 'শিখা গোষ্ঠী'র মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল।</p>
<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই পত্রিকাটি সে সময়কার প্রগতিশীল চিন্তাধারা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ১৯২৭ সালটি মনে রাখা সহজ, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত।</li>
</ul>
৮৫৯
নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়--
<p>নজরুলের কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল <strong>বিজলী</strong> পত্রিকায়। ১৯২১ সালের ৬ জানুয়ারি এটি প্রথমবার পাঠকদের সামনে আসে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> বিজলী</li>
<li><strong>প্রকাশের তারিখ:</strong> ৬ জানুয়ারি, ১৯২১</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এই কবিতাটি প্রকাশের পর নজরুল রাতারাতি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি পান এবং বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: বিদ্রোহী কবির তেজ বা বিদ্যুৎ চমকানোর মতো প্রভাব ছিল বলেই এটি <strong>বিজলী</strong> পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রিকা</strong>। বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় ১৯৩৫ সালে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কবিতা</strong> নামটি শুনলে মনে হতে পারে এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ, কিন্তু আসলে এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী <strong>সাহিত্য পত্রিকা</strong>।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই আধুনিক বাংলা কবিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল এবং অনেক নতুন কবি পরিচিতি পেয়েছিলেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে <strong>১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ</strong> একটি মাইলফলক।</li>
<li>এই বছরেই শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনের উদ্যোগে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে <strong>সমাচার দর্পণ</strong> প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে খবর পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই পত্রিকাটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৮১৮ সালটি মনে রাখলেই আপনি এই প্রশ্নের উত্তরটি অনায়াসেই মনে রাখতে পারবেন।</p>
৮৬২
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, তার নাম ----
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাসন্তিকা</strong>। বুদ্ধদেব বসু যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকতেন, তখন তিনি এই পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>বুদ্ধদেব বসু ১৯২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন।</li>
<li>জগন্নাথ হলে থাকাকালীন সময়েই তিনি তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে এই <strong>বাসন্তিকা</strong> পত্রিকাটি সম্পাদনা করেছিলেন।</li>
<li>এটি তাঁর ছাত্রজীবনের সৃজনশীলতার একটি দারুণ নিদর্শন।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাস্যরসাত্মক</strong>। ‘শনিবারের চিঠি’ মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক সাহিত্য পত্রিকা হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>এই পত্রিকার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল সমসাময়িক সাহিত্যিকদের লেখা বা বিভিন্ন ঘটনার ওপর তীক্ষ্ণ ও মজাদার ব্যঙ্গ করা।</li>
<li>সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটির প্রধান লক্ষ্যই ছিল হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরা।</li>
<li>এর লেখার ধরণ ছিল বেশ চটুল, যা পাঠকদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি চিন্তার খোরাকও জোগাত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও হাস্যরসের মিশেলে তৈরি অন্যতম সেরা পত্রিকা হলো এটি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাময়িকপত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'সবুজপত্র' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'চলতি ভাষারীতি' বা কথ্য ভাষার প্রচলনে এই সাময়িকপত্রটি বিপ্লব ঘটিয়েছিল।</li>
<li>এটি কেবল একটি পত্রিকা ছিল না, বরং বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নে এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'সবুজপত্র' দেখলেই চোখ বন্ধ করে একে <strong>সাময়িকপত্র</strong> হিসেবে দাগিয়ে দেবেন!</p>
৮৬৫
কোন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। বাংলা গদ্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা গদ্য ছিল অনেকটা আড়ষ্ট এবং সাধু-চলিত ভাষার মিশ্রণে অগোছালো।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই প্রথমবার বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং বাক্যের গঠনশৈলীতে শৃঙ্খলা নিয়ে আসেন।</li>
<li>এই বইটির মাধ্যমেই বাংলা গদ্য তার শৈল্পিক রূপ পায়, যা পরবর্তীতে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে পড়ার উপযোগী এবং প্রাণবন্ত করার ক্ষেত্রে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-এর অবদানই সবচেয়ে বেশি, তাই একে নতুন যুগের সূচনা বলা হয়।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই এই বইটির নাম আসে। এটি মূলত হিন্দি 'বেতাল পচ্চীসী' গ্রন্থের অবলম্বনে লেখা একটি অনুবাদমূলক গদ্যগ্রন্থ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাংলা গদ্যের শৈলী গঠনে এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিদ্যাসাগরের গদ্য রচনার ধারায় এটি একটি মাইলফলক, তাই পরীক্ষার জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনার কথা বললে সবার আগে আসে <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি তাঁর লেখা একমাত্র মৌলিক গদ্যগ্রন্থ। কেন এটি মৌলিক, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ রচনাই ছিল অনুবাদ বা অন্য কোনো গ্রন্থের ভাবানুবাদ।</li>
<li><strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> মূলত তাঁর ব্যক্তিগত শোকের বহিঃপ্রকাশ, যা তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লিখেছিলেন।</li>
<li>এটি তাঁর ব্যক্তিগত আবেগ ও সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা কোনো বিদেশি বা সংস্কৃত সাহিত্যের অনুবাদ নয়।</li>
</ul>
<p>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই তাঁর একমাত্র মৌলিক সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর নিজস্ব গদ্যশৈলীর অনন্য নিদর্শনগুলোর মধ্যে ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ অন্যতম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>এটি বিদ্যাসাগরের লেখা একটি শোকগাথা বা শোকমূলক রচনা।</li>
<li>তাঁর বাল্যবন্ধু রামগোপাল ঘোষের অকালপ্রয়াত কন্যা প্রভাবতীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তিনি এটি লিখেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে শোকগাথা হিসেবে এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-এর নাম মনে রাখবেন!</p>
৮৬৯
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তবিলাস’ কোন নাটকের গন্য অনুবাদ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমেডি অব এররস</strong>। কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস' (The Comedy of Errors)-এর কাহিনী অবলম্বনেই তাঁর 'ভ্রান্তবিলাস' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি ঘরানার নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস'।</li>
<li><strong>অনুবাদ শৈলী:</strong> বিদ্যাসাগর মহাশয় হুবহু অনুবাদ না করে মূল নাটকের কাহিনীকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে মিলিয়ে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li><strong>নামকরণ:</strong> 'ভ্রান্তি' বা ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট হাস্যরসই এই নাটকের মূল উপজীব্য, তাই এর নাম 'ভ্রান্তবিলাস' রাখা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>শেক্সপিয়ারের নাটকের বাংলা গদ্যরূপ দিয়েছেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই মূলত ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত সব গল্প ও নাটককে সহজবোধ্য বাংলা গদ্যে রূপান্তরের জন্য পরিচিত।</li>
<li>শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক <strong>'কমেডি অফ এররস'</strong>-এর কাহিনী অবলম্বনে তিনি রচনা করেছিলেন <strong>'ভ্রান্তিবিলাস'</strong>।</li>
<li>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে তিনি ইংরেজি সাহিত্যের জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণ পাঠকদের উপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।