eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৫৬

কোন বিষয়ের উপর বাংলা একাডেমী প্রতি বছর পুরস্কার প্রদান করে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাহিত্য
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সাহিত্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা একাডেমীর মূল কাজই হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উন্নয়ন এবং চর্চা করা।</p>

<ul>
<li>বাংলা একাডেমী প্রতি বছর অমর একুশে বইমেলা উপলক্ষে বিভিন্ন শাখায় <strong>বাংলা একাডেমী সাহিত্য পুরস্কার</strong> প্রদান করে।</li>
<li>এই পুরস্কারটি মূলত কবিতা, কথাসাহিত্য, প্রবন্ধ, গবেষণা, অনুবাদ, নাটক ও শিশুসাহিত্যের মতো সৃজনশীল ও মননশীল কাজের স্বীকৃতি হিসেবে দেওয়া হয়।</li>
<li>তাই বাংলা একাডেমীর সাথে সাহিত্যের সম্পর্ক অবিচ্ছেদ্য।</li>
</ul>
৮৫৭

মুক্তবুদ্ধির লেখক হিসেবে বিশেষ উল্লেখযোগ্য

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কাজী আবদুল ওদুদ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কাজী আবদুল ওদুদ</strong>। এর কারণটা বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে <strong>'বুদ্ধির মুক্তি'</strong> আন্দোলনের অন্যতম প্রধান পুরোধা ছিলেন কাজী আবদুল ওদুদ।</li>
<li>তিনি কুসংস্কারমুক্ত সমাজ গঠন এবং মুক্তচিন্তার চর্চাকে তার লেখনীর মাধ্যমে জোরালোভাবে তুলে ধরেছিলেন।</li>
<li>তার রচিত <strong>'শাশ্বত বঙ্গ'</strong> এবং বিভিন্ন প্রবন্ধের মাধ্যমে তিনি যে যুক্তিবাদী ও প্রগতিশীল চিন্তাধারার পরিচয় দিয়েছেন, তা তাকে মুক্তবুদ্ধির লেখক হিসেবে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মুক্তচিন্তা ও যুক্তিবাদী ধারার কথা বললেই কাজী আবদুল ওদুদের নাম সবার আগে চলে আসে।</p>
৮৫৮

শিখা পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
1927
ব্যাখ্যা:
<p>শিখা পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯২৭</strong> খ্রিস্টাব্দে। এটি ছিল তৎকালীন সময়ের একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী সাহিত্য পত্রিকা, যা 'শিখা গোষ্ঠী'র মুখপত্র হিসেবে পরিচিত ছিল।</p>

<ul>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ।</li>
<li><strong>গুরুত্ব:</strong> এই পত্রিকাটি সে সময়কার প্রগতিশীল চিন্তাধারা এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চায় এক অনন্য ভূমিকা পালন করেছিল।</li>
<li><strong>মনে রাখার কৌশল:</strong> ১৯২৭ সালটি মনে রাখা সহজ, কারণ এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'বুদ্ধির মুক্তি' আন্দোলনের সাথে সরাসরি যুক্ত।</li>
</ul>
৮৫৯

নজরুলের 'বিদ্রোহী' কবিতা প্রথম প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকায়--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিজলী
ব্যাখ্যা:
<p>নজরুলের কালজয়ী 'বিদ্রোহী' কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল <strong>বিজলী</strong> পত্রিকায়। ১৯২১ সালের ৬ জানুয়ারি এটি প্রথমবার পাঠকদের সামনে আসে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের তথ্যটি খেয়াল করুন:</p>

<ul>
<li><strong>পত্রিকার নাম:</strong> বিজলী</li>
<li><strong>প্রকাশের তারিখ:</strong> ৬ জানুয়ারি, ১৯২১</li>
<li><strong>বিশেষত্ব:</strong> এই কবিতাটি প্রকাশের পর নজরুল রাতারাতি 'বিদ্রোহী কবি' হিসেবে পরিচিতি পান এবং বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সূচনা হয়।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য একটি ছোট ট্রিক ব্যবহার করতে পারেন: বিদ্রোহী কবির তেজ বা বিদ্যুৎ চমকানোর মতো প্রভাব ছিল বলেই এটি <strong>বিজলী</strong> পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল।</p>
৮৬০

বদ্ধদেব বসু কর্তৃক প্রকাশিত 'কবিতা' একটি--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পত্রিকা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পত্রিকা</strong>। বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় ১৯৩৫ সালে এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকাটির প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয়।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কবিতা</strong> নামটি শুনলে মনে হতে পারে এটি কোনো কাব্যগ্রন্থ, কিন্তু আসলে এটি ছিল বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী <strong>সাহিত্য পত্রিকা</strong>।</li>
<li>এই পত্রিকার মাধ্যমেই আধুনিক বাংলা কবিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছিল এবং অনেক নতুন কবি পরিচিতি পেয়েছিলেন।</li>
<li>দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হওয়ার কারণে এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
৮৬১

”সমাচার দর্পণ” পত্রিকার প্রকাশকাল---

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সংবাদপত্রের ইতিহাসে <strong>১৮১৮ খ্রিস্টাব্দ</strong> একটি মাইলফলক।</li>
<li>এই বছরেই শ্রীরামপুর ব্যাপটিস্ট মিশনের উদ্যোগে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রথম বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে <strong>সমাচার দর্পণ</strong> প্রকাশিত হয়।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে সাধারণ মানুষের কাছে খবর পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই পত্রিকাটি ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৮১৮ সালটি মনে রাখলেই আপনি এই প্রশ্নের উত্তরটি অনায়াসেই মনে রাখতে পারবেন।</p>
৮৬২

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নথ হলে থাকাবস্থায় বুদ্ধদেব বসু যে পত্রিকা সম্পাদনা করতেন, তার নাম ----

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বাসন্তিকা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বাসন্তিকা</strong>। বুদ্ধদেব বসু যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে থাকতেন, তখন তিনি এই পত্রিকাটি সম্পাদনা করতেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>বুদ্ধদেব বসু ১৯২৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন।</li>
<li>জগন্নাথ হলে থাকাকালীন সময়েই তিনি তাঁর সাহিত্যিক জীবনের শুরুর দিকে এই <strong>বাসন্তিকা</strong> পত্রিকাটি সম্পাদনা করেছিলেন।</li>
<li>এটি তাঁর ছাত্রজীবনের সৃজনশীলতার একটি দারুণ নিদর্শন।</li>
</ul>
৮৬৩

‘শনিবারের চিঠি' কি ধরনের সাহিত্য পত্রিকা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
হাস্যরসাত্মক
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>হাস্যরসাত্মক</strong>। ‘শনিবারের চিঠি’ মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক সাহিত্য পত্রিকা হিসেবেই বাংলা সাহিত্যে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>এই পত্রিকার মূল বৈশিষ্ট্য ছিল সমসাময়িক সাহিত্যিকদের লেখা বা বিভিন্ন ঘটনার ওপর তীক্ষ্ণ ও মজাদার ব্যঙ্গ করা।</li>
<li>সজনীকান্ত দাসের সম্পাদনায় এই পত্রিকাটির প্রধান লক্ষ্যই ছিল হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজের অসঙ্গতিগুলো তুলে ধরা।</li>
<li>এর লেখার ধরণ ছিল বেশ চটুল, যা পাঠকদের আনন্দ দেওয়ার পাশাপাশি চিন্তার খোরাকও জোগাত।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ ও হাস্যরসের মিশেলে তৈরি অন্যতম সেরা পত্রিকা হলো এটি।</p>
৮৬৪

”সবুজপত্র” কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সাময়িকপত্র
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সাময়িকপত্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে 'সবুজপত্র' একটি অত্যন্ত প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় পত্রিকা হিসেবে পরিচিত।</p>

<ul>
<li>প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে এই পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে 'চলতি ভাষারীতি' বা কথ্য ভাষার প্রচলনে এই সাময়িকপত্রটি বিপ্লব ঘটিয়েছিল।</li>
<li>এটি কেবল একটি পত্রিকা ছিল না, বরং বাংলা গদ্যের আধুনিকায়নে এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার খাতায় 'সবুজপত্র' দেখলেই চোখ বন্ধ করে একে <strong>সাময়িকপত্র</strong> হিসেবে দাগিয়ে দেবেন!</p>
৮৬৫

কোন গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন যুগের সূচনা হয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। বাংলা গদ্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪৭ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন।</li>
<li>এর আগে বাংলা গদ্য ছিল অনেকটা আড়ষ্ট এবং সাধু-চলিত ভাষার মিশ্রণে অগোছালো।</li>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই প্রথমবার বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার এবং বাক্যের গঠনশৈলীতে শৃঙ্খলা নিয়ে আসেন।</li>
<li>এই বইটির মাধ্যমেই বাংলা গদ্য তার শৈল্পিক রূপ পায়, যা পরবর্তীতে আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা গদ্যকে পড়ার উপযোগী এবং প্রাণবন্ত করার ক্ষেত্রে <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>-এর অবদানই সবচেয়ে বেশি, তাই একে নতুন যুগের সূচনা বলা হয়।</p>
৮৬৬

কোনটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বেতাল পঞ্চবিংশতি
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong>। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সাহিত্যকর্মের কথা বললে প্রথমেই এই বইটির নাম আসে। এটি মূলত হিন্দি 'বেতাল পচ্চীসী' গ্রন্থের অবলম্বনে লেখা একটি অনুবাদমূলক গদ্যগ্রন্থ।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>বেতাল পঞ্চবিংশতি</strong> ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এটি বিদ্যাসাগরের প্রথম গদ্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>বাংলা গদ্যের শৈলী গঠনে এই বইটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিদ্যাসাগরের গদ্য রচনার ধারায় এটি একটি মাইলফলক, তাই পরীক্ষার জন্য এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।</p>
৮৬৭

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনা

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রভাবতী সম্ভাষণ
ব্যাখ্যা:
<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মৌলিক রচনার কথা বললে সবার আগে আসে <strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong>। এটি তাঁর লেখা একমাত্র মৌলিক গদ্যগ্রন্থ। কেন এটি মৌলিক, তা খুব সহজে বুঝে নেওয়া যাক:</p>

<ul>
<li>বিদ্যাসাগরের অধিকাংশ রচনাই ছিল অনুবাদ বা অন্য কোনো গ্রন্থের ভাবানুবাদ।</li>
<li><strong>প্রভাবতী সম্ভাষণ</strong> মূলত তাঁর ব্যক্তিগত শোকের বহিঃপ্রকাশ, যা তিনি নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার আলোকে লিখেছিলেন।</li>
<li>এটি তাঁর ব্যক্তিগত আবেগ ও সৃজনশীলতার এক অনন্য নিদর্শন, যা কোনো বিদেশি বা সংস্কৃত সাহিত্যের অনুবাদ নয়।</li>
</ul>

<p>তাই সাহিত্যিক বিচারে এটিই তাঁর একমাত্র মৌলিক সৃষ্টি হিসেবে স্বীকৃত।</p>
৮৬৮

‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বিদ্যাসাগর মশাই বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর নিজস্ব গদ্যশৈলীর অনন্য নিদর্শনগুলোর মধ্যে ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’ অন্যতম।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>এটি বিদ্যাসাগরের লেখা একটি শোকগাথা বা শোকমূলক রচনা।</li>
<li>তাঁর বাল্যবন্ধু রামগোপাল ঘোষের অকালপ্রয়াত কন্যা প্রভাবতীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে তিনি এটি লিখেছিলেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে শোকগাথা হিসেবে এটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ’-এর কথা আসবে, চোখ বন্ধ করে <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>-এর নাম মনে রাখবেন!</p>
৮৬৯

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তবিলাস’ কোন নাটকের গন্য অনুবাদ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কমেডি অব এররস
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কমেডি অব এররস</strong>। কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস' (The Comedy of Errors)-এর কাহিনী অবলম্বনেই তাঁর 'ভ্রান্তবিলাস' গ্রন্থটি রচনা করেছিলেন।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>মূল উৎস:</strong> উইলিয়াম শেক্সপিয়রের কমেডি ঘরানার নাটক 'দ্য কমেডি অব এররস'।</li>
<li><strong>অনুবাদ শৈলী:</strong> বিদ্যাসাগর মহাশয় হুবহু অনুবাদ না করে মূল নাটকের কাহিনীকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে মিলিয়ে অত্যন্ত সাবলীল ভাষায় রূপান্তর করেছিলেন।</li>
<li><strong>নামকরণ:</strong> 'ভ্রান্তি' বা ভুল বোঝাবুঝি থেকে সৃষ্ট হাস্যরসই এই নাটকের মূল উপজীব্য, তাই এর নাম 'ভ্রান্তবিলাস' রাখা হয়েছে।</li>
</ul>
৮৭০

শেক্সপিয়ারের নাটকের বাংলা গদ্যরূপ দিয়েছেন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>শেক্সপিয়ারের নাটকের বাংলা গদ্যরূপ দিয়েছেন <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বিদ্যাসাগর মশাই মূলত ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত সব গল্প ও নাটককে সহজবোধ্য বাংলা গদ্যে রূপান্তরের জন্য পরিচিত।</li>
<li>শেক্সপিয়ারের বিখ্যাত নাটক <strong>'কমেডি অফ এররস'</strong>-এর কাহিনী অবলম্বনে তিনি রচনা করেছিলেন <strong>'ভ্রান্তিবিলাস'</strong>।</li>
<li>বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে তিনি ইংরেজি সাহিত্যের জটিল বিষয়গুলোকে সাধারণ পাঠকদের উপযোগী করে তোলার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।