<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবীরা</strong>।</p>
<p>খুব সহজেই মনে রাখার জন্য:</p>
<ul>
<li>যে নারীর স্বামী নেই, তাকে বলা হয় 'অবরা' বা পতিহীনা।</li>
<li>আর যার স্বামী এবং পুত্র—দুটিই নেই, সেই বিশেষ অবস্থাকে বা নারীকে এক কথায় <strong>অবীরা</strong> বলা হয়।</li>
</ul>
৮৪৯২
‘কর্মে যাহার ক্লান্তি নাই’ এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্লান্ত কর্মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যাংশটিতে দুটি মূল বৈশিষ্ট্য রয়েছে: প্রথমত, যার কোনো ক্লান্তি নেই (অক্লান্ত), এবং দ্বিতীয়ত, সে একজন কর্মী বা কাজ করা ব্যক্তি।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে যখন কোনো বিশেষ গুণ বা স্বভাব বোঝাতে গিয়ে বিশেষ্য পদ যুক্ত হয়, তখন পুরো বাক্যাংশটি একটি সংক্ষিপ্ত রূপ পায়।</li>
<li>যেহেতু এখানে কাজের কথা বলা হচ্ছে, তাই শুধু 'অক্লান্ত' না বলে 'অক্লান্ত কর্মী' বললে পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে প্রকাশ পায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ক্লান্তিহীনভাবে যে কাজ করে যায়, তাকেই আমরা এক কথায় বলি <strong>অক্লান্ত কর্মী</strong>।</p>
৮৪৯৩
কর্মে ক্লান্তি নেই এই বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কী?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অক্লান্ত কর্মী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>বাক্যাংশটিতে দুটি মূল বিষয় আছে—একটি হলো <strong>'কর্মে ক্লান্তি নেই'</strong> এবং অন্যটি হলো <strong>'ব্যক্তি বা কর্মী'</strong>।</li>
<li>সাধারণত 'কর্মে ক্লান্তি নেই যার' তাকে এক কথায় বলা হয় <strong>অক্লান্ত</strong>।</li>
<li>কিন্তু যখন আমরা পুরো বাক্যাংশটি অর্থাৎ 'কর্মে ক্লান্তি নেই যে কর্মীর' বা 'কর্মে ক্লান্তি নেই এমন কর্মী' বোঝাতে চাই, তখন সঠিক সংক্ষিপ্ত রূপটি হয় <strong>অক্লান্ত কর্মী</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, এখানে বিশেষ্য পদ হিসেবে 'কর্মী' যুক্ত থাকায় এটিই সবচেয়ে নির্ভুল ও পূর্ণাঙ্গ উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অবিমৃশ্যকারী</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই মনে থাকবে:</p>
<ul>
<li>‘অবিমৃশ্য’ শব্দের অর্থ হলো যা ভালোভাবে চিন্তা করা হয়নি বা বিচার-বিবেচনা করা হয়নি।</li>
<li>যে ব্যক্তি কোনো কাজ করার আগে তার ফলাফল বা ভবিষ্যৎ নিয়ে মাথা ঘামায় না, তাকেই এক কথায় <strong>অবিমৃশ্যকারী</strong> বলা হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, হঠকারী বা অপরিনামদর্শী স্বভাবের মানুষকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এমন প্রশ্ন দেখলে সরাসরি <strong>অবিমৃশ্যকারী</strong> দাগিয়ে দেবে, কারণ এটিই সবচেয়ে নির্ভুল ও মানসম্মত শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বলিষ্ঠ</strong>। 'উদ্যত' শব্দটির অর্থ হলো কোনো কাজের জন্য প্রস্তুত, উদ্যমী, প্রবল বা বলিষ্ঠ। তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে 'বলিষ্ঠ' নামটিই এখানে সবচেয়ে উপযোগী ও সঠিক।</p>
<p>‘যা চিরস্থায়ী নয়’—এর এক কথায় প্রকাশ হলো <strong>নশ্বর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>নশ্বর</strong> শব্দটি মূলত সেই সব বস্তুর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যার বিনাশ বা ধ্বংস অনিবার্য।</li>
<li>সহজ কথায়, যা কোনো না কোনো সময় শেষ হয়ে যাবে বা টিকে থাকবে না, তাকেই ব্যাকরণের ভাষায় <strong>নশ্বর</strong> বলা হয়।</li>
<li>এটি মূলত নশ (বিনাশ) থেকে এসেছে, তাই যা ধ্বংসশীল বা নশ্বর, তা-ই চিরস্থায়ী নয়।</li>
</ul>
৮৪৯৭
Select the approprite mening of hte word. Inefficient
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অদক্ষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Inefficient</strong>-এর মূল অংশ হলো <strong>Efficient</strong>, যার অর্থ দক্ষ বা কর্মক্ষম।</li>
<li>শব্দটির শুরুতে <strong>In-</strong> যুক্ত হয়ে এটি নেতিবাচক বা বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।</li>
<li>তাই <strong>Inefficient</strong> মানে হলো যে কাজে দক্ষ নয় বা যার কাজের মান আশানুরূপ নয়, অর্থাৎ <strong>অদক্ষ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কেউ কোনো কাজ সঠিকভাবে বা দ্রুত করতে পারে না, তাকেই আমরা <strong>অদক্ষ</strong> বা <strong>Inefficient</strong> বলে থাকি।</p>
<p>‘অলীক’ শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো <strong>বাস্তব</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, ‘অলীক’ মানে হলো যা কল্পনাপ্রসূত, মিথ্যা বা যার কোনো ভিত্তি নেই। অন্যদিকে, ‘বাস্তব’ বলতে আমরা এমন কিছু বুঝি যা সত্য, যার অস্তিত্ব আছে এবং যা আমরা বাস্তবে দেখতে পাই। তাই অর্থের দিক থেকে এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীত।</p>
<ul>
<li><strong>অলীক:</strong> কাল্পনিক বা মিথ্যে।</li>
<li><strong>বাস্তব:</strong> সত্য বা বিদ্যমান।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় বা যেকোনো জায়গায় এই ধরনের শব্দের বিপরীত শব্দ খুঁজতে গেলে সরাসরি এর বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দটি বেছে নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উন্মীলন - নিমীলন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>উন্মীলন</strong> শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু চোখ মেলে দেখা বা ফুটে ওঠা।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>নিমীলন</strong> শব্দের অর্থ হলো চোখ বন্ধ করা বা মুদে ফেলা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, একটি হলো খোলার প্রক্রিয়া আর অন্যটি হলো বন্ধ করার প্রক্রিয়া। তাই এই দুটি শব্দ একে অপরের বিপরীতার্থক হিসেবে নিখুঁতভাবে বসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ব্রজবুলি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>জয়দেবের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'গীতগোবিন্দ' মূলত রাধা-কৃষ্ণের লীলা নিয়ে রচিত।</li>
<li>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলি রচনার ক্ষেত্রে কবিরা এক বিশেষ কৃত্রিম ভাষার ব্যবহার করতেন, যা <strong>ব্রজবুলি</strong> নামে পরিচিত।</li>
<li>মৈথিলি এবং বাংলার সংমিশ্রণে তৈরি এই মিষ্টি ভাষার মাধ্যমেই গীতগোবিন্দের ভাবধারা ও সুর ফুটে উঠেছে, যা তৎকালীন সময়ে অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল।</li>
</ul>
<p>‘যবনিকা’ শব্দের অর্থ হলো পর্দা বা আড়াল। নাটকের শেষে যখন পর্দা নামিয়ে দেওয়া হয়, তখন নাটকের সমাপ্তি বা শেষ বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়। তাই এর সমার্থক শব্দ হিসেবে ‘অবসান’ সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>যবনিকা</strong> মানেই হলো কোনো কিছুর সমাপ্তি বা শেষ হওয়া।</li>
<li>নাটকের শেষে পর্দা নামার সাথে সাথে নাটকের <strong>অবসান</strong> ঘটে।</li>
<li>তাই সাহিত্যিক ভাষায় কোনো বিষয়ের শেষ বোঝাতে আমরা সরাসরি ‘অবসান’ শব্দটি ব্যবহার করতে পারি।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গরমিল</strong>। বাংলা ব্যাকরণে কিছু শব্দে ফারসি বা আরবি ভাষার প্রভাব দেখা যায়, যা বিদেশী উপসর্গ হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li><strong>গরমিল</strong> শব্দটিতে <strong>'গর'</strong> একটি ফারসি উপসর্গ।</li>
<li>'গর' শব্দের অর্থ হলো 'অভাব' বা 'বিপরীত'।</li>
<li>যখন আমরা 'মিল' শব্দের আগে 'গর' যোগ করি, তখন এটি 'গরমিল' বা অমিল অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেসব শব্দে বাংলা বা সংস্কৃতের বাইরের ভাষার উপসর্গ যুক্ত থাকে, সেগুলোই বিদেশী উপসর্গ। এখানে 'গর' উপসর্গটি সরাসরি ফারসি ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।</p>
৮৫০৪
কালিদাসের 'মেঘদূত' কাব্যের বঙ্গানুবাদ করেন নিচের কোন লেখক?
<p>কালিদাসের অমর সৃষ্টি 'মেঘদূত' কাব্যের চমৎকার বঙ্গানুবাদ করেছিলেন <strong>দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>। তিনি ১৮৭৫ সালে এটি অনুবাদ করেন, যা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসেবে বিবেচিত হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু তথ্য:</p>
<ul>
<li><strong>মূল রচয়িতা:</strong> মহাকবি কালিদাস।</li>
<li><strong>অনুবাদক:</strong> দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর।</li>
<li><strong>প্রকাশকাল:</strong> ১৮৭৫ সাল।</li>
</ul>
<p>দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মূলত কাব্যগ্রন্থটির ভাবগাম্ভীর্য বজায় রেখে অত্যন্ত নিপুণভাবে বাংলায় রূপান্তর করেছিলেন, যা আজও পাঠকদের কাছে সমাদৃত।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সলিল</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘জল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো পানি, আর ‘সলিল’ শব্দটিও পানিরই একটি প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সলিল</strong> সরাসরি জলের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলোর দিকে তাকালে দেখবেন, ‘জলদ’ বা ‘জলধর’ বলতে সাধারণত মেঘকে বোঝায়, কারণ মেঘ জল ধারণ করে।</li>
<li>‘অবনী’ শব্দটি আবার পৃথিবীর সমার্থক, তাই এটি এখানে প্রযোজ্য নয়।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় সরাসরি <strong>সলিল</strong> দাগিয়ে দিলেই আপনার উত্তরটি সঠিক হবে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।