eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু

এসএসসি ২০২৬ এর রেজাল্ট সবার আগে পেতে এখনই বুকিং করো

বুক করো
MCQ: ৩৪৫১৩ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৮৬

শকুন্তলা কে অনুবাদ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বিদ্যাসাগর</strong>।</p>

<p>বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত সাহিত্যের কালজয়ী নাটক 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম'-কে সহজ ও সাবলীল বাংলায় অনুবাদ করেন। তাঁর এই অনবদ্য অনুবাদের নামই হলো <strong>'শকুন্তলা'</strong>, যা ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।</p>

<ul>
<li>মূল লেখক: মহাকবি কালিদাস।</li>
<li>অনুবাদক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।</li>
<li>প্রকাশকাল: ১৮৫৪ সাল।</li>
</ul>

<p>বিদ্যাসাগরের এই অনুবাদটি সেই সময়কার বাংলা সাহিত্যে এক নতুন ধারার সৃষ্টি করেছিল, কারণ তিনি সংস্কৃতের জটিলতা এড়িয়ে সাধারণ মানুষের পড়ার উপযোগী করে এটি লিখেছিলেন।</p>
৮৮৭

বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ প্রথম কোন বাঙালি রচনা করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা ব্যাকরণ নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে <strong>রাজা রামমোহন রায়</strong> ছিলেন পথিকৃৎ। তিনি ১৮৩৩ সালে ইংরেজি ভাষায় <strong>'Bengali Grammar in the English Language'</strong> নামে একটি ব্যাকরণ গ্রন্থ রচনা করেন, যা পরবর্তীতে ১৮৪৫ সালে বাংলা ভাষায় <strong>'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'</strong> নামে প্রকাশিত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা হিসেবে রাজা রামমোহন রায়কে গণ্য করা হয়।</li>
<li>তার এই বইটি মূলত বাংলা ভাষাকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে আনার জন্য লেখা হয়েছিল।</li>
<li>বাংলা গদ্যের বিকাশে এবং ব্যাকরণ চর্চায় তার এই অবদান আজও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
৮৮৮

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোন গ্রন্থটি বাংলায় অনুবাদ করেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ভ্রান্তিবলাস
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ভ্রান্তিবলাস</strong>।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের <em>'The Comedy of Errors'</em> নাটকটিকে বাংলায় অনুবাদ করেন। এই অনুবাদগ্রন্থটির নামই হলো <strong>ভ্রান্তিবলাস</strong>।</p>

<ul>
<li>মূল ইংরেজি নাটক: <em>The Comedy of Errors</em></li>
<li>অনুবাদক: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</li>
<li>বাংলা নাম: <strong>ভ্রান্তিবলাস</strong></li>
</ul>

<p>বিদ্যাসাগর মশাই মূলত ইংরেজি সাহিত্যের রস ও কাহিনীকে বাংলা পাঠকদের কাছে সহজবোধ্য করে তুলতেই এই চমৎকার অনুবাদটি করেছিলেন।</p>
৮৮৯

কারা ঈশ্বরচন্দ্রকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি দেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
সংস্কৃত কলেজ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>সংস্কৃত কলেজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>

<p>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮৪১ সালে সংস্কৃত কলেজ থেকে তাঁর অসাধারণ পাণ্ডিত্য ও মেধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই উপাধিটি লাভ করেন। এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো:</p>

<ul>
<li>তিনি সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য দখল অর্জন করেছিলেন।</li>
<li>কলেজের অধ্যাপক ও কর্তৃপক্ষ তাঁর গভীর জ্ঞান দেখে মুগ্ধ হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁকে <strong>'বিদ্যাসাগর'</strong> উপাধিতে ভূষিত করেন।</li>
<li>এই উপাধিটি মূলত তাঁর নামের সাথে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িয়ে আছে, যা তাঁর পাণ্ডিত্যের এক অনন্য পরিচয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সংস্কৃত কলেজের শিক্ষকমণ্ডলীই তাঁর অসামান্য মেধার সম্মান জানাতে এই উপাধিটি প্রদান করেছিলেন।</p>
৮৯০

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের রামায়ণের 'অযোদ্ধা কাণ্ড' -এর বঙ্গানুবাদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঋজুপাঠ(দ্বিতীয় ভাগ)
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঋজুপাঠ (দ্বিতীয় ভাগ)</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের বিখ্যাত পাঠ্যপুস্তক সিরিজ 'ঋজুপাঠ'-এর তিনটি ভাগ রয়েছে। এর মধ্যে:</p>

<ul>
<li><strong>ঋজুপাঠ (প্রথম ভাগ)</strong>-এ মূলত নীতিশিক্ষামূলক বিভিন্ন ছোট গল্প ও প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে।</li>
<li><strong>ঋজুপাঠ (দ্বিতীয় ভাগ)</strong>-এ রামায়ণের 'অযোধ্যা কাণ্ড'-এর সারসংক্ষেপ বা বঙ্গানুবাদ সংকলিত হয়েছে।</li>
<li><strong>ঋজুপাঠ (তৃতীয় ভাগ)</strong>-এ মূলত কালিদাসের রঘুবংশম থেকে বিভিন্ন অংশ অনূদিত হয়েছে।</li>
</ul>

<p>তাই পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, রামায়ণের অংশটি বিদ্যাসাগর মশাই তাঁর <strong>ঋজুপাঠ (দ্বিতীয় ভাগ)</strong> বইটিতেই অন্তর্ভুক্ত করেছিলেন।</p>
৮৯১

আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা:
<p>আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক হলেন <strong>বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়</strong>। এর কারণ হলো বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসের ধারাটি তিনিই প্রথম সুপ্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।</p>

<ul>
<li>১৮৬৫ সালে প্রকাশিত তার <strong>'দুর্গেশনন্দিনী'</strong> বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>তার হাত ধরেই বাংলা উপন্যাসের গঠনশৈলী, চরিত্র চিত্রণ এবং ভাষার আধুনিক রূপ পূর্ণতা পায়।</li>
<li>তিনিই প্রথম বাংলা উপন্যাসকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম না রেখে একে শিল্পসম্মত উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন।</li>
</ul>

<p>তাই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে আধুনিক উপন্যাসের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের জন্য তাকেই এর জনক বলা হয়।</p>
৮৯২

'বর্ণ-পরিচয়' গ্রন্থের লেখক কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>

<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার আধুনিক রূপ এবং শিশুদের শিক্ষার জন্য বর্ণমালার সঠিক বিন্যাস নিয়ে বিদ্যাসাগর মশাই ১৮৫৫ সালে <strong>'বর্ণপরিচয়'</strong> বইটি রচনা করেন।</li>
<li>বাংলা ভাষা ও শিক্ষার প্রসারে তাঁর এই অবদান আজও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাই বাংলা সাহিত্যের যেকোনো পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।</li>
</ul>
৮৯৩

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম সাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮২৪ সাল
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের সঠিক জন্ম সাল হলো <strong>১৮২৪ সাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের আধুনিক ধারার এই প্রবাদপ্রতিম কবির জন্ম তারিখটি মনে রাখতে <strong>১৮২৪</strong> সংখ্যাটি মাথায় গেঁথে নিন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, উনিশ শতকের শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৮২৪ সালেই বাংলা সাহিত্যের এই মহান কবির জন্ম হয়েছিল।</p>
৮৯৪

মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮২৪-১৮৭৫
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের জীবনকাল হলো <strong>১৮২৪-১৮৭৩</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হিসেবে <strong>১৮২৪-১৮৭৩</strong>-কে বিবেচনা করা হয়।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>জন্ম: ২৫ জানুয়ারি <strong>১৮২৪</strong> সাল।</li>
<li>মৃত্যু: ২৯ জুন <strong>১৮৭৩</strong> সাল।</li>
</ul>

<p>বাংলা সাহিত্যের আধুনিকতার এই রূপকার মাত্র ৪৯ বছর বেঁচে ছিলেন। পরীক্ষার খাতায় বা বইয়ে অনেক সময় মুদ্রণজনিত কারণে সাল নিয়ে সামান্য পার্থক্য থাকতে পারে, তবে মনে রাখবেন তার সঠিক সময়কাল হলো <strong>১৮২৪</strong> থেকে <strong>১৮৭৩</strong> সাল পর্যন্ত।</p>
৮৯৫

মাইকেল মধুসূদন দত্ত কোন শতাব্দীতে জীবিত ছিলেন?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উনবিংশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>উনবিংশ শতাব্দী</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্ম হয়েছিল <strong>১৮২৪</strong> সালে এবং তিনি মৃত্যুবরণ করেন <strong>১৮৭৩</strong> সালে।</li>
<li>আমরা জানি, ১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে বলা হয় <strong>উনবিংশ শতাব্দী</strong>।</li>
<li>যেহেতু কবির জীবনের পুরো সময়টাই ১৮০০ থেকে ১৮৯৯ সালের মধ্যে সীমাবদ্ধ, তাই তিনি মূলত উনবিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত কবি ও নাট্যকার।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ১৮০০-এর ঘরের যেকোনো সাল মানেই হলো উনবিংশ শতাব্দী!</p>
৮৯৬

মাইকেল মধুসূদন দত্তের বাড়ি যশোর জেলার কোন উপজেলায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কেশবপুর
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের জন্মস্থান হলো যশোর জেলার <strong>কেশবপুর</strong> উপজেলার সাগরদাঁড়ি গ্রাম। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্তের স্মৃতিবিজড়িত এই গ্রামটি কপোতাক্ষ নদের তীরে অবস্থিত।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই প্রশ্নটি আসে, তাই মনে রাখার জন্য 'সাগরদাঁড়ি' এবং 'কেশবপুর' এই দুটি নাম একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
৮৯৭

মধুসূদন খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হন-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের খ্রিস্টধর্মে দীক্ষিত হওয়ার সঠিক সময়কাল হলো <strong>১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দ</strong>। এই ঘটনাটি তাঁর জীবনের এক বড় মোড় ছিল, যা তাঁর সাহিত্যিক ও ব্যক্তিগত জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলেছিল।</p>

<ul>
<li>মধুসূদন দত্ত ১৮৪৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি কলকাতার ওল্ড মিশন চার্চে গিয়ে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন।</li>
<li>এই সিদ্ধান্তের ফলে তিনি তাঁর পারিবারিক নাম ও পরিচয় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন এবং পরবর্তীতে ইংরেজি সাহিত্যে নিজের দক্ষতা প্রমাণ করেন।</li>
<li>মনে রাখার সহজ উপায়: ১৮৪২ সালে তিনি হিন্দু কলেজে পড়াশোনা শেষ করেন এবং ঠিক তার পরের বছরই, অর্থাৎ <strong>১৮৪৩</strong> সালে তিনি এই ধর্মান্তরিত হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।</li>
</ul>
৮৯৮

মধুসূদনের মৃত্যু হয় কোথায়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলিপুর হাসপাতালে
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের মৃত্যুর সঠিক স্থান হলো <strong>আলিপুর হাসপাতাল</strong>। তাঁর জীবনের শেষ সময়টা ছিল খুবই কষ্টের। দারিদ্র্য আর অসুস্থতার সাথে লড়াই করতে করতে ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন কলকাতার এই হাসপাতালেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।</p>

<p>সহজে মনে রাখার জন্য বিষয়টি এভাবে দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li><strong>সময়কাল:</strong> ১৮৭৩ সালের ২৯ জুন।</li>
<li><strong>স্থান:</strong> আলিপুর হাসপাতাল, কলকাতা।</li>
<li><strong>প্রেক্ষাপট:</strong> দীর্ঘ অসুস্থতা ও চরম আর্থিক সংকটের কারণে তিনি এই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।</li>
</ul>
৮৯৯

মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান অবদান কোনটি

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মহাকাব্য রচনা
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের প্রধান অবদান হলো <strong>মহাকাব্য রচনা</strong>। বাংলা সাহিত্যে তিনি প্রথম সার্থক মহাকাব্য <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong> রচনা করে এক নতুন ধারার সূচনা করেন।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক হিসেবে তিনি পরিচিত।</li>
<li>তার এই অমর সৃষ্টি <strong>'মেঘনাদবধ কাব্য'</strong> বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মহাকাব্যের অভাব পূরণ করে তাকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।</li>
<li>তাই সাহিত্যের ইতিহাসে তার সবচেয়ে বড় ও প্রধান অবদান হিসেবে মহাকাব্য রচনাকেই ধরা হয়।</li>
</ul>
৯০০

মধুসূদন দত্ত যে সাহিত্য রচনা করে অমর হয়ে রয়েছেন তা হলো

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মেঘনাদ বধ
ব্যাখ্যা:
<p>মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর কীর্তি হলো <strong>মেঘনাদ বধ কাব্য</strong>। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। এই মহাকাব্যটি কেন এত বিশেষ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li><strong>অমিত্রাক্ষর ছন্দ:</strong> মধুসূদন দত্ত বাংলা কাব্যে প্রথমবারের মতো এই ছন্দের সফল প্রয়োগ করেন, যা বাংলা কবিতায় এক নতুন যুগের সূচনা করে।</li>
<li><strong>পৌরাণিক প্রেক্ষাপট:</strong> রামায়ণের কাহিনীকে সম্পূর্ণ নতুন দৃষ্টিভঙ্গিতে উপস্থাপন করে তিনি মেঘনাদ চরিত্রটিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।</li>
<li><strong>সাহিত্যিক প্রভাব:</strong> এই মহাকাব্যটি প্রকাশের পর থেকেই বাংলা সাহিত্যে মধুসূদন দত্তের নাম চিরস্থায়ী হয়ে যায় এবং তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার জনক হিসেবে স্বীকৃত হন।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বাংলা সাহিত্যের আঙ্গিক ও বিষয়বস্তুতে যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন তিনি এনেছিলেন, তার প্রধান ভিত্তিই হলো এই <strong>মেঘনাদ বধ কাব্য</strong>।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।