eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৮৫৫১

সারাংশের মূল উদ্দেশ্য কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা
ব্যাখ্যা:
<p>সারাংশের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বড় রচনার মূল কথা বা ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা</strong>, কারণ:</p>

<ul>
<li>সারাংশ মানেই হলো মূল বিষয়বস্তুর নির্যাস বের করে আনা।</li>
<li>এটি কোনো বড় লেখার অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে ভেতরের গভীর অর্থ বা মূল সুরটি পাঠকের সামনে স্পষ্ট করে তোলে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল রচনার মূলভাব বা অন্তর্নিহিত তাৎপর্যটুকু অল্প কথায় গুছিয়ে লেখাই হলো সারাংশের কাজ।</li>
</ul>
৮৫৫২

তৎপুরুষ সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরপদ
ব্যাখ্যা:
<p>তৎপুরুষ সমাসে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>

<p>তৎপুরুষ সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে ব্যাসবাক্যের বিভক্তি লোপ পায় এবং অর্থের দিক থেকে পরের পদটিই বেশি গুরুত্ব পায়। সহজ কথায়:</p>

<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদে দুটি অংশ থাকে: পূর্বপদ ও পরপদ।</li>
<li>তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, চেয়ে, র, এর) লোপ পেয়ে পরপদের অর্থই প্রাধান্য বিস্তার করে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'বই পড়া' বলতে মূলত 'পড়া' কাজটিকে বোঝানো হচ্ছে, তাই এখানে 'পড়া' বা পরপদটিই প্রধান।</li>
</ul>

<p>তাই যখনই দেখবেন বিভক্তি লোপ পেয়ে পরের পদের অর্থ প্রধান হয়ে উঠছে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
৮৫৫৩

দ্বিগু সমাসে কোন পদ প্রধান?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
পরপদ
ব্যাখ্যা:
<p>দ্বিগু সমাসে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>

<ul>
<li>দ্বিগু সমাস মূলত সংখ্যাবাচক বিশেষণ দিয়ে গঠিত হয়।</li>
<li>এই সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হলেও, পুরো সমাসবদ্ধ পদটি মূলত পরপদের অর্থকেই প্রাধান্য দেয়।</li>
<li>যেমন: 'তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল'। এখানে 'কাল' বা পরপদটিই প্রধান হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যেখানেই সংখ্যার সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, সেখানেই দ্বিগু সমাস হয়।</p>
৮৫৫৪

'অন্বেষণ' এর সন্ধি বিচ্ছেদ -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অনু + এষণ
ব্যাখ্যা:
<p>‘অন্বেষণ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>অনু + এষণ</strong>। এটি মূলত সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন 'উ' বা 'ঊ' কারের পরে অন্য কোনো স্বরবর্ণ (এখানে 'এ') থাকে, তখন 'উ' বা 'ঊ' পরিবর্তিত হয়ে 'ব' বা 'ব-ফলা' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>অনু</strong> শব্দের শেষে থাকা 'উ' এবং <strong>এষণ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে 'বে' (ব + এ) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $উ + এ = বে$।</li>
</ul>

<p>তাই, <strong>অনু + এষণ</strong> যুক্ত হয়েই 'অন্বেষণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো 'ব-ফলা' যুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ করা আপনার জন্য একদম সহজ হয়ে যাবে!</p>
৮৫৫৫

ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রতিভার নিদির্শন কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা:
<p>ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রতিভার নিদর্শন হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। এটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন।</p>

<p>কেন এটি শ্রেষ্ঠ, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>শব্দশৈলী ও অলঙ্কার:</strong> ভারতচন্দ্রকে বলা হয় 'রায়গুণাকর'। অন্নদামঙ্গলে তিনি সংস্কৃত শব্দ ও অলঙ্কারের যে চমৎকার ব্যবহার করেছেন, তা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে ছিল অভাবনীয়।</li>
<li><strong>কাব্যিক দক্ষতা:</strong> এই কাব্যে তিনি পৌরাণিক কাহিনীর সাথে সমসাময়িক বাস্তবতার এক দারুণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যা তার সৃজনশীলতার চূড়ান্ত পরিচয় দেয়।</li>
<li><strong>ভাষা ও ছন্দ:</strong> অন্নদামঙ্গলের ভাষা অত্যন্ত পরিশীলিত এবং এর ছন্দবিন্যাস অত্যন্ত সাবলীল, যা পাঠককে মুগ্ধ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, ভারতচন্দ্রের কবিত্বশক্তি, শব্দ নিয়ে খেলা এবং কাহিনী বর্ণনার মুন্সিয়ানা—সবকিছুর চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই <strong>অন্নদামঙ্গল</strong> কাব্যেই।</p>
৮৫৫৬

মধ্যযুগের অন্যতম সাহিত্য--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মঙ্গলকাব্য
ব্যাখ্যা:
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, <strong>মঙ্গলকাব্য</strong> ছিল সেই সময়ের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় ধারার সাহিত্য। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>মধ্যযুগের সমাজব্যবস্থায় দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য এই কাব্যগুলো রচিত হতো।</li>
<li>মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল বা ধর্মমঙ্গলের মতো কাব্যগুলো তৎকালীন মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির এক জীবন্ত দলিল।</li>
<li>দীর্ঘ সময় ধরে এই কাব্যধারা বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তাই একে মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্য হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের মানুষের ধর্মবোধ ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বুঝতে <strong>মঙ্গলকাব্য</strong> সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।</p>
৮৫৫৭

কোন বাক্যটি অশুদ্ধ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লোকটি নিরপরাধী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকটি নিরপরাধী</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'নিরপরাধ' শব্দটি নিজেই একটি বিশেষণ, যার অর্থ যে অপরাধ করেনি। এর সাথে বাড়তি 'ঈ' প্রত্যয় যোগ করে 'নিরপরাধী' শব্দটি গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।</p>

<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিরপরাধ</strong> শব্দটিই শুদ্ধ রূপ।</li>
<li>বিশেষণ হিসেবে 'নিরপরাধ' ব্যবহার করাই সঠিক, তাই 'নিরপরাধী' শব্দটি অপ্রয়োজনীয় এবং অশুদ্ধ।</li>
</ul>
৮৫৫৮

সর্বপ্রথম বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের আবির্ভাব ঘটে কোন যুগে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মধ্যযুগে
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ।</li>
<li>বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চার বিকাশ মূলত শুরু হয় মধ্যযুগ থেকেই।</li>
<li>সুলতানি আমল ও হোসেন শাহী আমলে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।</li>
<li>এই সময়েই শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত উজির বাহরাম খানসহ অনেক মুসলিম কবি বাংলা সাহিত্যে তাদের অমর সৃষ্টি উপহার দেন।</li>
</ul>

<p>তাই ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের পদচারণা ও সাহিত্যিক অবদানের সূচনা মূলত <strong>মধ্যযুগেই</strong> হয়েছে।</p>
৮৫৫৯

‘তিমির’ এর বিপরীতার্থক শব্দ-

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আলো
৮৫৬০

'আসার' শব্দের অর্থ কী?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রবল বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা বিশেষ করে বর্ষাকালের বর্ণনায় 'আসার' শব্দটি মূলত বর্ষার অঝোর ধারায় ঝরা বৃষ্টিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>আষাঢ় মাসে আকাশ থেকে যে প্রবল বেগে বৃষ্টি ঝরে পড়ে, তাকেই কাব্যিক ভাষায় 'আসার' বলা হয়।</li>
<li>তাই যখনই কোথাও 'আসার' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে বুঝে নেবেন এটি বর্ষার প্রবল বর্ষণ বা বৃষ্টিপাতকে নির্দেশ করছে।</li>
</ul>
৮৫৬১

‘চক্ষু’ শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
লোচন
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লোচন</strong>। কারণ ‘চক্ষু’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো চোখ বা নয়ন। বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দগুলোর মূল অর্থ বুঝে নেওয়া।</p>

<ul>
<li>‘চক্ষু’ এবং ‘লোচন’—উভয়ই চোখের সমার্থক শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, আমরা দেখার জন্য যা ব্যবহার করি, তাকেই চক্ষু বা লোচন বলা হয়।</li>
</ul>

<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে মূল শব্দের সাথে মিল আছে এমন শব্দগুলো খুঁজে বের করলেই খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
৮৫৬২

কোনটি ‘মেঘ’ শব্দের প্রতিশব্দ নয়?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অন্তরীক্ষ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তরীক্ষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মেঘের প্রতিশব্দগুলো সাধারণত জল বা বারি ধারণকারী অর্থ প্রকাশ করে।</p>

<ul>
<li><strong>জলদ</strong>, <strong>বারিদ</strong> এবং <strong>জীমূত</strong>—এই শব্দগুলো সরাসরি মেঘকে বোঝায়, কারণ এগুলোর অর্থ হলো যারা জল বা বারি দান করে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অন্তরীক্ষ</strong> মানে হলো আকাশ বা স্বর্গ ও মর্ত্যের মধ্যবর্তী স্থান। এটি মেঘের কোনো প্রতিশব্দ নয়, বরং এটি একটি বিশাল শূন্যস্থান বা আকাশকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, মেঘ হলো আকাশের একটি উপাদান, কিন্তু আকাশ বা অন্তরীক্ষ নিজে মেঘ নয়। তাই এখানে অন্তরীক্ষই সঠিক উত্তর।</p>
৮৫৬৩

'অন্তরঙ্গ' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বহিরঙ্গ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহিরঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'অন্তরঙ্গ' শব্দটি দিয়ে সাধারণত গভীর বা ভেতরের কোনো সম্পর্ক বা বিষয়কে বোঝায়।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে আমরা 'বহিঃ' বা 'বহির' উপসর্গটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো বাইরের দিক।</li>
<li>তাই 'অন্তর' (ভিতরের) এর বিপরীত হিসেবে 'বহির' (বাইরের) যুক্ত হয়ে শব্দটি হয় <strong>বহিরঙ্গ</strong>।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, যা ভেতরের তা 'অন্তরঙ্গ', আর যা বাইরের তা-ই হলো <strong>বহিরঙ্গ</strong>।</p>
৮৫৬৪

'অসার' শব্দের অর্থ কি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রবল বৃষ্টিপাত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong>।</p>

<p>শব্দটির অর্থ বুঝতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'অসার' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো যা সারহীন বা অন্তঃসারশূন্য।</li>
<li>তবে বাংলা অভিধান ও সাহিত্যিক প্রয়োগ অনুযায়ী, বিশেষ করে কাব্যিক বা আঞ্চলিক ভাষায় 'অসার' শব্দটি অনেক সময় <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong> বা বর্ষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন আকাশ থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে, তখন সেই প্রবল বর্ষণকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
৮৫৬৫

ধ্বনির প্রতীককে কি বলে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বর্ণ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li>আমরা মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করি, তা হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>এই ধ্বনিগুলোকে যখন লিখে প্রকাশ করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করি, তখন তাকেই বলা হয় <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ধ্বনির লিখিত রূপই হলো বর্ণ। যেমন: 'অ', 'ক', 'খ' ইত্যাদি।</li>
</ul>

<p>তাই ধ্বনি হলো মৌখিক রূপ, আর বর্ণ হলো তার লিখিত প্রতীক।</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।