<p>সারাংশের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো বড় রচনার মূল কথা বা ভাবকে সংক্ষেপে প্রকাশ করা। এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তর্নিহিত তাৎপর্য তুলে ধরা</strong>, কারণ:</p>
<ul>
<li>সারাংশ মানেই হলো মূল বিষয়বস্তুর নির্যাস বের করে আনা।</li>
<li>এটি কোনো বড় লেখার অপ্রয়োজনীয় অংশ বাদ দিয়ে ভেতরের গভীর অর্থ বা মূল সুরটি পাঠকের সামনে স্পষ্ট করে তোলে।</li>
<li>সহজ কথায়, মূল রচনার মূলভাব বা অন্তর্নিহিত তাৎপর্যটুকু অল্প কথায় গুছিয়ে লেখাই হলো সারাংশের কাজ।</li>
</ul>
<p>তৎপুরুষ সমাসে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<p>তৎপুরুষ সমাসের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এখানে ব্যাসবাক্যের বিভক্তি লোপ পায় এবং অর্থের দিক থেকে পরের পদটিই বেশি গুরুত্ব পায়। সহজ কথায়:</p>
<ul>
<li>সমাসবদ্ধ পদে দুটি অংশ থাকে: পূর্বপদ ও পরপদ।</li>
<li>তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: কে, রে, দ্বারা, দিয়া, হইতে, চেয়ে, র, এর) লোপ পেয়ে পরপদের অর্থই প্রাধান্য বিস্তার করে।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ, 'বই পড়া' বলতে মূলত 'পড়া' কাজটিকে বোঝানো হচ্ছে, তাই এখানে 'পড়া' বা পরপদটিই প্রধান।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই দেখবেন বিভক্তি লোপ পেয়ে পরের পদের অর্থ প্রধান হয়ে উঠছে, চোখ বন্ধ করে সেটাকে তৎপুরুষ সমাস হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>দ্বিগু সমাসে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরপদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ।</p>
<ul>
<li>দ্বিগু সমাস মূলত সংখ্যাবাচক বিশেষণ দিয়ে গঠিত হয়।</li>
<li>এই সমাসে পূর্বপদটি সংখ্যাবাচক হলেও, পুরো সমাসবদ্ধ পদটি মূলত পরপদের অর্থকেই প্রাধান্য দেয়।</li>
<li>যেমন: 'তিন কালের সমাহার = ত্রিকাল'। এখানে 'কাল' বা পরপদটিই প্রধান হিসেবে কাজ করছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানেই সংখ্যার সাথে বিশেষ্য পদের মিলন ঘটে এবং পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, সেখানেই দ্বিগু সমাস হয়।</p>
<p>‘অন্বেষণ’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>অনু + এষণ</strong>। এটি মূলত সন্ধির একটি সহজ নিয়ম মেনে চলে। বিষয়টি বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যখন 'উ' বা 'ঊ' কারের পরে অন্য কোনো স্বরবর্ণ (এখানে 'এ') থাকে, তখন 'উ' বা 'ঊ' পরিবর্তিত হয়ে 'ব' বা 'ব-ফলা' হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে, <strong>অনু</strong> শব্দের শেষে থাকা 'উ' এবং <strong>এষণ</strong> শব্দের শুরুতে থাকা 'এ' মিলে 'বে' (ব + এ) তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়: $উ + এ = বে$।</li>
</ul>
<p>তাই, <strong>অনু + এষণ</strong> যুক্ত হয়েই 'অন্বেষণ' শব্দটি গঠিত হয়েছে। এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো 'ব-ফলা' যুক্ত সন্ধি বিচ্ছেদ করা আপনার জন্য একদম সহজ হয়ে যাবে!</p>
<p>ভারতচন্দ্রের শ্রেষ্ঠ প্রতিভার নিদর্শন হলো <strong>অন্নদামঙ্গল</strong>। এটি মূলত তিনটি খণ্ডে বিভক্ত একটি কাব্যগ্রন্থ, যা মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে এক অনন্য সংযোজন।</p>
<p>কেন এটি শ্রেষ্ঠ, তা খুব সহজে বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li><strong>শব্দশৈলী ও অলঙ্কার:</strong> ভারতচন্দ্রকে বলা হয় 'রায়গুণাকর'। অন্নদামঙ্গলে তিনি সংস্কৃত শব্দ ও অলঙ্কারের যে চমৎকার ব্যবহার করেছেন, তা তৎকালীন বাংলা সাহিত্যে ছিল অভাবনীয়।</li>
<li><strong>কাব্যিক দক্ষতা:</strong> এই কাব্যে তিনি পৌরাণিক কাহিনীর সাথে সমসাময়িক বাস্তবতার এক দারুণ মেলবন্ধন ঘটিয়েছেন, যা তার সৃজনশীলতার চূড়ান্ত পরিচয় দেয়।</li>
<li><strong>ভাষা ও ছন্দ:</strong> অন্নদামঙ্গলের ভাষা অত্যন্ত পরিশীলিত এবং এর ছন্দবিন্যাস অত্যন্ত সাবলীল, যা পাঠককে মুগ্ধ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ভারতচন্দ্রের কবিত্বশক্তি, শব্দ নিয়ে খেলা এবং কাহিনী বর্ণনার মুন্সিয়ানা—সবকিছুর চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে এই <strong>অন্নদামঙ্গল</strong> কাব্যেই।</p>
<p>মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, <strong>মঙ্গলকাব্য</strong> ছিল সেই সময়ের অন্যতম প্রধান এবং জনপ্রিয় ধারার সাহিত্য। এর কারণগুলো খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>মধ্যযুগের সমাজব্যবস্থায় দেব-দেবীর মাহাত্ম্য প্রচারের জন্য এই কাব্যগুলো রচিত হতো।</li>
<li>মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল বা ধর্মমঙ্গলের মতো কাব্যগুলো তৎকালীন মানুষের জীবনযাত্রা, বিশ্বাস এবং সংস্কৃতির এক জীবন্ত দলিল।</li>
<li>দীর্ঘ সময় ধরে এই কাব্যধারা বাংলা সাহিত্যে আধিপত্য বিস্তার করেছিল, তাই একে মধ্যযুগের অন্যতম প্রধান সাহিত্য হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মধ্যযুগের মানুষের ধর্মবোধ ও সামাজিক প্রেক্ষাপট বুঝতে <strong>মঙ্গলকাব্য</strong> সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>লোকটি নিরপরাধী</strong>। কারণ বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী 'নিরপরাধ' শব্দটি নিজেই একটি বিশেষণ, যার অর্থ যে অপরাধ করেনি। এর সাথে বাড়তি 'ঈ' প্রত্যয় যোগ করে 'নিরপরাধী' শব্দটি গঠন করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>নিরপরাধ</strong> শব্দটিই শুদ্ধ রূপ।</li>
<li>বিশেষণ হিসেবে 'নিরপরাধ' ব্যবহার করাই সঠিক, তাই 'নিরপরাধী' শব্দটি অপ্রয়োজনীয় এবং অশুদ্ধ।</li>
</ul>
৮৫৫৮
সর্বপ্রথম বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের আবির্ভাব ঘটে কোন যুগে?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মধ্যযুগে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে মূলত তিনটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়: প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক যুগ।</li>
<li>বাংলা ভাষায় সাহিত্যচর্চার বিকাশ মূলত শুরু হয় মধ্যযুগ থেকেই।</li>
<li>সুলতানি আমল ও হোসেন শাহী আমলে বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়।</li>
<li>এই সময়েই শাহ মুহম্মদ সগীর, দৌলত উজির বাহরাম খানসহ অনেক মুসলিম কবি বাংলা সাহিত্যে তাদের অমর সৃষ্টি উপহার দেন।</li>
</ul>
<p>তাই ঐতিহাসিকভাবে বাংলা সাহিত্যে মুসলিম কবিদের পদচারণা ও সাহিত্যিক অবদানের সূচনা মূলত <strong>মধ্যযুগেই</strong> হয়েছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা বিশেষ করে বর্ষাকালের বর্ণনায় 'আসার' শব্দটি মূলত বর্ষার অঝোর ধারায় ঝরা বৃষ্টিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>আষাঢ় মাসে আকাশ থেকে যে প্রবল বেগে বৃষ্টি ঝরে পড়ে, তাকেই কাব্যিক ভাষায় 'আসার' বলা হয়।</li>
<li>তাই যখনই কোথাও 'আসার' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে বুঝে নেবেন এটি বর্ষার প্রবল বর্ষণ বা বৃষ্টিপাতকে নির্দেশ করছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>লোচন</strong>। কারণ ‘চক্ষু’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো চোখ বা নয়ন। বাংলা ভাষায় সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দগুলোর মূল অর্থ বুঝে নেওয়া।</p>
<ul>
<li>‘চক্ষু’ এবং ‘লোচন’—উভয়ই চোখের সমার্থক শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, আমরা দেখার জন্য যা ব্যবহার করি, তাকেই চক্ষু বা লোচন বলা হয়।</li>
</ul>
<p>পরীক্ষায় এমন প্রশ্ন আসলে মূল শব্দের সাথে মিল আছে এমন শব্দগুলো খুঁজে বের করলেই খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অন্তরীক্ষ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ মেঘের প্রতিশব্দগুলো সাধারণত জল বা বারি ধারণকারী অর্থ প্রকাশ করে।</p>
<ul>
<li><strong>জলদ</strong>, <strong>বারিদ</strong> এবং <strong>জীমূত</strong>—এই শব্দগুলো সরাসরি মেঘকে বোঝায়, কারণ এগুলোর অর্থ হলো যারা জল বা বারি দান করে।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>অন্তরীক্ষ</strong> মানে হলো আকাশ বা স্বর্গ ও মর্ত্যের মধ্যবর্তী স্থান। এটি মেঘের কোনো প্রতিশব্দ নয়, বরং এটি একটি বিশাল শূন্যস্থান বা আকাশকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, মেঘ হলো আকাশের একটি উপাদান, কিন্তু আকাশ বা অন্তরীক্ষ নিজে মেঘ নয়। তাই এখানে অন্তরীক্ষই সঠিক উত্তর।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বহিরঙ্গ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>'অন্তরঙ্গ' শব্দটি দিয়ে সাধারণত গভীর বা ভেতরের কোনো সম্পর্ক বা বিষয়কে বোঝায়।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ প্রকাশ করতে আমরা 'বহিঃ' বা 'বহির' উপসর্গটি ব্যবহার করি, যার অর্থ হলো বাইরের দিক।</li>
<li>তাই 'অন্তর' (ভিতরের) এর বিপরীত হিসেবে 'বহির' (বাইরের) যুক্ত হয়ে শব্দটি হয় <strong>বহিরঙ্গ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যা ভেতরের তা 'অন্তরঙ্গ', আর যা বাইরের তা-ই হলো <strong>বহিরঙ্গ</strong>।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong>।</p>
<p>শব্দটির অর্থ বুঝতে নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li>'অসার' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো যা সারহীন বা অন্তঃসারশূন্য।</li>
<li>তবে বাংলা অভিধান ও সাহিত্যিক প্রয়োগ অনুযায়ী, বিশেষ করে কাব্যিক বা আঞ্চলিক ভাষায় 'অসার' শব্দটি অনেক সময় <strong>প্রবল বৃষ্টিপাত</strong> বা বর্ষণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন আকাশ থেকে অঝোর ধারায় বৃষ্টি পড়ে, তখন সেই প্রবল বর্ষণকে বোঝাতে এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বর্ণ</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>আমরা মুখ দিয়ে যা উচ্চারণ করি, তা হলো <strong>ধ্বনি</strong>।</li>
<li>এই ধ্বনিগুলোকে যখন লিখে প্রকাশ করার জন্য নির্দিষ্ট কোনো চিহ্ন বা প্রতীক ব্যবহার করি, তখন তাকেই বলা হয় <strong>বর্ণ</strong>।</li>
<li>সহজ কথায়, ধ্বনির লিখিত রূপই হলো বর্ণ। যেমন: 'অ', 'ক', 'খ' ইত্যাদি।</li>
</ul>
<p>তাই ধ্বনি হলো মৌখিক রূপ, আর বর্ণ হলো তার লিখিত প্রতীক।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।