<p>বাংলা ব্যাকরণের সন্ধি নিয়মে ও-কারের পর যদি কোনো স্বরধ্বনি থাকে, তবে ও-কারটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>অব</strong> হয়ে যায়। এটি মূলত অয়াদি সন্ধির একটি বিশেষ নিয়ম। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের ধাপটি দেখুন:</p>
<ul>
<li>যখন কোনো পদের শেষে <strong>ও</strong> থাকে এবং তার পরের পদে কোনো স্বরবর্ণ থাকে, তখন <strong>ও + স্বরধ্বনি = অব</strong> হয়।</li>
<li>উদাহরণস্বরূপ: <strong>পো + অন = পবন</strong>। এখানে 'পো' থেকে ও-কার এবং 'অন' থেকে অ মিলে <strong>অব</strong> তৈরি হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সিডর (SIDR) শব্দটি মূলত সিংহলি ভাষা থেকে এসেছে। এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো <strong>চোখ</strong> বা <strong>Eye</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>২০০৭ সালে আঘাত হানা এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টির নামকরণ করেছিল শ্রীলঙ্কা।</li>
<li>সিংহলি ভাষায় 'সিডর' বলতে চোখের মণি বা চোখকে বোঝানো হয়।</li>
<li>ঘূর্ণিঝড়ের কেন্দ্রের অংশটিকেও আমরা ইংরেজিতে 'Eye' বা চোখ বলে থাকি, তাই এই নামটি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>The wonderful work</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ইংরেজি ব্যাকরণ অনুযায়ী বিশেষণ বা Adjective সাধারণত বিশেষ্য বা Noun-এর আগেই বসে।</p>
<ul>
<li>এখানে 'অবাক' বা 'চমৎকার' বোঝাতে <strong>wonderful</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে।</li>
<li>'কাজ' এর ইংরেজি হলো <strong>work</strong>।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী, <strong>wonderful</strong> শব্দটি <strong>work</strong>-এর আগে বসে সঠিক গঠনটি তৈরি করেছে: <strong>The wonderful work</strong>।</li>
</ul>
<p>উপসর্গকে ইংরেজিতে বলা হয় <strong>Prefix</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>Pre</strong> মানে হলো 'পূর্বে' বা 'আগে'।</li>
<li><strong>Fix</strong> মানে হলো 'বসানো'।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, কোনো শব্দের শুরুতে নতুন কোনো বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়ে যখন নতুন অর্থ তৈরি করে, তাকেই ইংরেজিতে <strong>Prefix</strong> বলা হয়। যেমন: 'Happy' শব্দের আগে 'Un' যোগ করলে হয় 'Unhappy'। ঠিক একইভাবে বাংলায় 'কাজ' শব্দের আগে 'অ' যোগ করলে হয় 'অকাজ'। তাই ব্যাকরণের এই নিয়মটি উভয় ভাষাতেই একই রকম কাজ করে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Option B: Look before you leap.</strong></p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ! ইংরেজি প্রবাদ অনুযায়ী, কোনো বড় কাজ বা পদক্ষেপ নেওয়ার আগে তার ফলাফল সম্পর্কে আগেভাগে সতর্ক থাকা বা ভালো করে ভেবে নেওয়াকে বোঝাতে এই প্রবাদটি ব্যবহার করা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>Look</strong> মানে হলো ভালো করে দেখা বা পর্যবেক্ষণ করা।</li>
<li><strong>Leap</strong> মানে হলো লাফ দেওয়া বা কোনো কাজে ঝাঁপিয়ে পড়া।</li>
<li>অর্থাৎ, লাফ দেওয়ার আগে চারপাশ দেখে নেওয়া বা কোনো কাজ শুরুর আগে তার পরিণাম চিন্তা করাই হলো বুদ্ধিমানের কাজ।</li>
</ul>
<p>তাই "কিছু করার আগে ভালো করে ভেবে নাও" এর সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ হলো <strong>Look before you leap.</strong></p>
৮৭৩৬
The correct translation of the sentence ‘তাহারা আসিতে রাজী হইল না’ is -
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>The baby came to me laughing</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবে:</p>
<ul>
<li>বাক্যে যখন কোনো কাজ করার সময় অন্য একটি কাজ চলমান থাকে, তখন সেই চলমান কাজটিকে বোঝাতে <strong>Present Participle</strong> (মূল ভার্ব + ing) ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>এখানে শিশুটি আসার সময় 'হাসছিল', তাই 'হাসতে হাসতে' বোঝাতে সরাসরি <strong>laughing</strong> শব্দটি বসবে।</li>
<li>ইংরেজি গ্রামারের নিয়ম অনুযায়ী, এখানে কোনো অতিরিক্ত preposition বা to-এর প্রয়োজন নেই। তাই <strong>came to me laughing</strong> লিখলেই বাক্যটি একদম সঠিক ও সাবলীল শোনায়।</li>
</ul>
৮৭৩৮
a rocket flying to the moon does not need wings because (চন্দ্রগামী রকেটের ডানার প্রয়োজন নেই কারণ.........
<p>চন্দ্রগামী রকেটের ডানার প্রয়োজন নেই কারণ মহাকাশে কোনো বায়ুমণ্ডল নেই। বিষয়টি খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে উড়োজাহাজ ওড়ার সময় ডানার সাহায্যে বাতাসের ধাক্কা বা <strong>Lift</strong> তৈরি করতে হয়।</li>
<li>কিন্তু মহাকাশ বা স্পেস হলো সম্পূর্ণ বায়ুশূন্য বা <strong>Airless</strong>।</li>
<li>যেহেতু সেখানে কোনো বাতাস নেই, তাই ডানার মাধ্যমে বাতাসের ধাক্কা পাওয়ার কোনো সুযোগই নেই।</li>
<li>রকেট সেখানে নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী জ্বালানি পুড়িয়ে প্রচণ্ড বেগে গ্যাস পেছনে ফেলে সামনের দিকে এগিয়ে যায়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যেখানে বাতাসই নেই, সেখানে ডানা দিয়ে কোনো কাজই করা সম্ভব নয়!</p>
৮৭৩৯
পোলিও টিকা আবিষ্কারক জোনস সাল্ক যুক্তরাষ্ট্রের এক শহরে মারা যান, শহরটার নাম-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>La Zola</strong>। পোলিও টিকার জনক জোনাস সাল্ক ১৯৯৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যের এই শহরটিতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>জোনাস সাল্ক:</strong> পোলিও টিকার আবিষ্কারক।</li>
<li><strong>মৃত্যুর স্থান:</strong> লা জোলা (La Jolla), ক্যালিফোর্নিয়া।</li>
</ul>
<p>সাধারণত উচ্চারণের ভিন্নতার কারণে অনেক সময় একে 'লা জোলা' বা 'লা জোলার' হিসেবে লেখা হয়, যা ভৌগোলিকভাবে সান ডিয়েগোর একটি বিখ্যাত এলাকা।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Rhyme</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ছড়া বলতে সাধারণত ছন্দময় বা মিলযুক্ত ছোট কবিতাকে বোঝায়।</p>
<ul>
<li><strong>Rhyme</strong> শব্দটি মূলত ছন্দ বা মিল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা ছড়ার প্রধান বৈশিষ্ট্য।</li>
<li>কবিতা বা বড় কোনো সাহিত্যকর্মের ক্ষেত্রে <strong>Poem</strong> বা <strong>Poetry</strong> শব্দটি ব্যবহার করা হয়, কিন্তু ছোটদের ছড়া বা ছন্দবদ্ধ পংক্তির জন্য <strong>Rhyme</strong> সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।</li>
</ul>
<p>তাই ছড়া বা ছড়া কাটার ইংরেজি হিসেবে আমরা অনায়াসেই <strong>Rhyme</strong> ব্যবহার করতে পারি।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>Rizia</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের সাহিত্যকর্মের তালিকায় এটি একটি বিশেষ নাম।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>মধুসূদন দত্তের অধিকাংশ নাটক বা কাব্যগ্রন্থ প্রকাশিত হলেও, <strong>Rizia</strong> নাটকটি তিনি সম্পূর্ণ করতে পারেননি বা এটি ছাপা হওয়ার সুযোগ পায়নি।</li>
<li>এটি মূলত তার একটি অসমাপ্ত নাট্যপ্রয়াস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>সাহিত্যিকদের জীবনী বা তাদের সৃষ্টিকর্মের তালিকা পড়ার সময় এই ধরনের 'অপ্রকাশিত' বা 'অসমাপ্ত' কাজগুলো আলাদা করে মনে রাখলে পরীক্ষায় ভুল হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।</li>
</ul>
<p>দক্ষিণ মেরু বা সাউথ পোল মূলত <strong>অ্যান্টার্কটিকা (Antarctic)</strong> মহাদেশের কেন্দ্রে অবস্থিত। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>পৃথিবীর উত্তর দিকে অবস্থিত অঞ্চলকে বলা হয় আর্কটিক (Arctic)।</li>
<li>ঠিক তার বিপরীত দিকে, অর্থাৎ দক্ষিণ গোলার্ধের সবচেয়ে নিচের অংশটি হলো অ্যান্টার্কটিক (Antarctic) অঞ্চল।</li>
<li>এই পুরো অঞ্চলটি বরফে ঢাকা এবং ভৌগোলিকভাবে এটিই দক্ষিণ মেরুর অবস্থান নির্দেশ করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, দক্ষিণ মেরু মানেই অ্যান্টার্কটিকা মহাদেশের বিশাল বরফশীতল এলাকা।</p>
৮৭৪৪
ঐতিহাসিক গ্রন্থ ‘আইন-ই-আকবরি’- এর রচয়িতা কে? অথবা,Ain-i-Akbori is written by
<p>ঐতিহাসিক গ্রন্থ <strong>‘আইন-ই-আকবরি’</strong>-এর রচয়িতা হলেন <strong>আবুল ফজল</strong>। মুঘল সম্রাট আকবরের রাজত্বকাল এবং তাঁর প্রশাসনিক ব্যবস্থার খুঁটিনাটি জানার জন্য এটি একটি অমূল্য দলিল।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>আবুল ফজল ছিলেন সম্রাট আকবরের রাজসভার একজন অত্যন্ত জ্ঞানী এবং বিশ্বস্ত নবরত্ন।</li>
<li>তাঁর লেখা এই বিশাল গ্রন্থটি মূলত আকবরের শাসনব্যবস্থা, আইন-কানুন এবং তৎকালীন সামাজিক অবস্থার একটি বিস্তারিত বিবরণ।</li>
<li>এটি বিখ্যাত গ্রন্থ <strong>‘আকবরনামা’</strong>-এরই তৃতীয় খণ্ড হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘আইন-ই-আকবরি’ দেখলেই চোখ বন্ধ করে <strong>আবুল ফজল</strong>-কে বেছে নিতে পারেন!</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>Minority</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'সংখ্যালঘু' শব্দটির আক্ষরিক অর্থই হলো এমন একটি গোষ্ঠী যাদের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম।</p>
<ul>
<li><strong>সংখ্যালঘু</strong> বা <strong>Minority</strong> বলতে সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট জনগোষ্ঠীর সেই অংশকে বোঝায়, যাদের সংখ্যা মোট জনসংখ্যার তুলনায় কম।</li>
<li>ইংরেজি শব্দ <strong>Minority</strong>-এর মূল অংশ হলো <strong>Minor</strong>, যার অর্থই হলো ছোট বা কম।</li>
<li>তাই যখনই কোনো জনতাত্ত্বিক বা সামাজিক প্রেক্ষাপটে কম সংখ্যক মানুষের কথা বলা হয়, তখনই আমরা <strong>Minority</strong> শব্দটি ব্যবহার করি।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।