<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা হলো <strong>২১ টি</strong>। এটি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ ব্যাকরণের এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটি আমাদের মুখস্থ রাখতে হয়।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য আপনি এই তালিকাটি একবার দেখে নিতে পারেন:</p>
<p>এই <strong>২১ টি</strong> উপসর্গই মূলত খাঁটি বাংলা শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। পরীক্ষার জন্য এই সংখ্যাটি সরাসরি মনে রাখাই সবচেয়ে কার্যকর কৌশল।</p>
৮৮৫২
বাংলাভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে প্রধানত কয়ভাগে ভাগ করা হয় ?
<p>বাংলাভাষার মৌলিক ধ্বনিগুলোকে প্রধানত <strong>২ ভাগে</strong> ভাগ করা হয়। বিষয়টি একদম সহজ:</p>
<ul>
<li><strong>স্বরধ্বনি:</strong> যে ধ্বনিগুলো অন্য কোনো ধ্বনির সাহায্য ছাড়াই নিজে নিজে উচ্চারিত হতে পারে।</li>
<li><strong>ব্যঞ্জনধ্বনি:</strong> যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় স্বরধ্বনির সাহায্য নিতে হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ধ্বনিবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনির এই দুটি প্রধান রূপই আমাদের উচ্চারণের মূল ভিত্তি। তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>২ ভাগে</strong>।</p>
<p>গঠনভেদে শব্দ মূলত <strong>২ প্রকার</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ। এই দুই প্রকার হলো:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> যে শব্দকে বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না। যেমন: হাত, বই, মা।</li>
<li><strong>সাধিত শব্দ:</strong> যে শব্দকে বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক শব্দ পাওয়া যায়। যেমন: চলন্ত (চল + অন্ত), নীল আকাশ (নীল যে আকাশ)।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করলে আমরা কেবল এই দুই ধরনের কাঠামোই দেখতে পাই। তাই গঠনভেদে শব্দের শ্রেণিবিভাগ হলো <strong>২</strong>।</p>
<p>বাংলা ব্যাকরণে অপ্রধান সমাস হলো মোট <strong>৪টি</strong>। সমাস প্রধানত ৬ প্রকার হলেও, এর মধ্যে কিছু সমাসকে অপ্রধান বা গৌণ সমাস হিসেবে গণ্য করা হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য অপ্রধান সমাসগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>প্রাদি সমাস</strong></li>
<li><strong>নিত্য সমাস</strong></li>
<li><strong>উপপদ তৎপুরুষ সমাস</strong></li>
<li><strong>অলুক সমাস</strong></li>
</ul>
<p>এই ৪টি সমাসকে ব্যাকরণবিদরা অপ্রধান বা গৌণ সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন, কারণ এগুলো সাধারণ সমাসের নিয়মের চেয়ে কিছুটা ভিন্নভাবে গঠিত হয়।</p>
<p>এইডস (AIDS) রোগটি প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত হয় <strong>১৯৮১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (CDC) ১৯৮১ সালের ৫ জুন প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাবের কথা জানায়।</li>
<li>সেসময় লস অ্যাঞ্জেলেসের কয়েকজন রোগীর মধ্যে বিরল ধরনের নিউমোনিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের লক্ষণ দেখা গিয়েছিল, যা পরবর্তীতে এইডস হিসেবে শনাক্ত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে ১৯৮১ সালটি এইডস শনাক্তকরণের বছর হিসেবে পরিচিত এবং এর প্রথম কেন্দ্রবিন্দু ছিল যুক্তরাষ্ট্র।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।</li>
<li>এটি আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে <strong>৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫</strong> সালে।</li>
<li>সহজ কথায়, ভাষা আন্দোলনের তিন বছর পর ১৯৫৫ সালেই আমাদের এই প্রাণের প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।</li>
</ul>
৮৮৫৭
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কত সালে 'মহামহোপাধ্যায়' উপাধি লাভ করে?
<p>হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮৯৮ সালে 'মহামহোপাধ্যায়' উপাধি লাভ করেন। ব্রিটিশ সরকার তাঁর পাণ্ডিত্য এবং সংস্কৃত সাহিত্যের প্রতি অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই সম্মানজনক উপাধিতে ভূষিত করেছিল।</p>
<ul>
<li><strong>সাল:</strong> ১৮৯৮</li>
<li><strong>উপাধি:</strong> মহামহোপাধ্যায়</li>
<li><strong>কারণ:</strong> সংস্কৃত ভাষা ও প্রাচীন পুঁথি উদ্ধারে তাঁর অসাধারণ কাজের স্বীকৃতি।</li>
</ul>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য, ১৮৯৮ সালটি তাঁর কর্মজীবনের শুরুর দিকের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে মাথায় রাখতে পারেন।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯০৯ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই আবিষ্কারটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি মাইলফলক।</p>
<ul>
<li>বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এই পুঁথিটি উদ্ধার করেন।</li>
<li>পুঁথিটি উদ্ধারের সালটি হলো <strong>১৯০৯</strong>।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই সালটি গুলিয়ে না ফেলে মনে রাখুন, আবিষ্কারের বছরটি হলো <strong>১৯০৯</strong>।</p>
৮৮৫৯
সম্পাদিত হওয়ার পর শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৬ সালে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ এই সালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বেশ গুরুত্বপূর্ণ।</p>
<ul>
<li>শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যটি বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ কর্তৃক সম্পাদিত হয়।</li>
<li>সম্পাদনার কাজ শেষ হওয়ার পর বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১৬</strong> সালে।</li>
<li>এটি মূলত বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের এক গৃহস্থের গোয়ালঘর থেকে আবিষ্কৃত হয়েছিল, যা পরে বাংলা সাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।</li>
</ul>
৮৮৬০
জগদীশ চন্দ্র বসু কত সালে ভারত সরকার কর্তৃক নাইট উপাধি পান?
<p>জগদীশ চন্দ্র বসুর বিজ্ঞান গবেষণায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার তাকে নাইট উপাধিতে ভূষিত করে। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল <strong>১৯১৫ সালে</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে, অর্থাৎ <strong>১৯১৫ সালে</strong> তিনি এই সম্মানজনক উপাধিটি লাভ করেন।</li>
<li>তার এই নাইটহুড প্রাপ্তি ছিল তৎকালীন সময়ে ভারতীয় বিজ্ঞানীদের জন্য এক বিশাল আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।</li>
</ul>
৮৮৬১
ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক রবীন্দ্রনাথ কবে 'নাইটহুড' উপাধি পান?
<p>ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'নাইটহুড' উপাধি পাওয়ার সঠিক তারিখটি হলো <strong>১৯১৫ সালের ৩ জুন</strong>।</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রিটিশ সরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মানজনক উপাধিতে ভূষিত করে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই বিশেষ দিনটি অর্থাৎ <strong>১৯১৫ সালের ৩ জুন</strong> তারিখটিই আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত রয়েছে।</li>
</ul>
<p>পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি এই উপাধি ত্যাগ করেছিলেন, যা আমাদের ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।</p>
৮৮৬২
‘আনোয়ারা’ উপন্যাসটি খ্রিষ্টীয় কত সালে প্রথম প্রকাশিত হয়?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>১৯১৪ সালে</strong>। বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় এই উপন্যাসটি সম্পর্কে মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক <strong>মোহাম্মদ নজিবর রহমান</strong>।</li>
<li>এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় <strong>১৯১৪</strong> সালে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে অর্থাৎ ১৯১৪ সালেই এই কালজয়ী উপন্যাসটি পাঠকের হাতে পৌঁছায়। এটি মনে রাখার জন্য ১৯১৪ সালটি মাথায় গেঁথে নিন!</p>
<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার পেছনের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম সাহিত্যিকদের একত্রিত করা এবং বাংলা সাহিত্যে তাদের অবদানকে আরও গতিশীল করা। এই ঐতিহাসিক ঘটনাটি ঘটেছিল ১৯১১ সালে।</p>
<ul>
<li><strong>প্রতিষ্ঠার সময়:</strong> ১৯১১ সাল।</li>
<li><strong>উদ্দেশ্য:</strong> মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সাহিত্যের চর্চা বৃদ্ধি করা।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ১৯১১ সালটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে মুসলিমদের প্রাতিষ্ঠানিক সাহিত্যচর্চার শুরুর বছর হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্র যুগ বলতে মূলত <strong>১৯০১ থেকে ১৯৪০</strong> সাল পর্যন্ত সময়কালকে বোঝানো হয়। এই সময়টি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সমৃদ্ধ একটি অধ্যায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>১৯০১ সাল:</strong> এই বছর থেকেই রবীন্দ্র প্রতিভার পূর্ণ বিকাশ এবং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের নতুন ধারার সূচনা ঘটে।</li>
<li><strong>১৯৪০ সাল:</strong> রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণের ঠিক আগের সময় পর্যন্ত এই যুগটি বিস্তৃত ছিল।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, সাহিত্যের বিচারে এই ৪০ বছরের সময়সীমাকেই রবীন্দ্র যুগ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।</p>
৮৮৬৫
শ্রীরামপুর মিশনে মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপিত হয় কত সালে?
<p>শ্রীরামপুর মিশনে মুদ্রণ যন্ত্র স্থাপিত হওয়ার সঠিক সালটি হলো <strong>১৮০০ সাল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>উইলিয়াম কেরি, উইলিয়াম ওয়ার্ড এবং জোশুয়া মার্শম্যান—যাঁরা 'শ্রীরামপুর ত্রয়ী' নামে পরিচিত, তাঁরা ১৮০০ সালেই শ্রীরামপুরে তাঁদের বিখ্যাত ছাপাখানাটি প্রতিষ্ঠা করেন।</li>
<li>এই মুদ্রণ যন্ত্রটি স্থাপনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বাইবেল এবং অন্যান্য শিক্ষামূলক বই স্থানীয় ভাষায় ছাপিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় এই ঘটনাটি আধুনিক বাংলা মুদ্রণ শিল্পের বিকাশে একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।