<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জাত</strong>। বিশেষণ পদ বলতে আমরা বুঝি যা কোনো বিশেষ্য বা সর্বনামের দোষ, গুণ, অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'জন্ম' একটি বিশেষ্য পদ, যা কোনো কিছুর সৃষ্টি বা উৎপত্তির নাম বোঝায়।</li>
<li>যখন আমরা বলি 'জাত ফল' বা 'জাত শত্রু', তখন এই শব্দটি বিশেষ্যটির অবস্থা বা ধরনকে নির্দেশ করে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, জন্ম থেকে উৎপন্ন বা জাত কোনো কিছু বোঝাতে <strong>জাত</strong> শব্দটিই বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকসংস্কৃতির অন্যতম প্রধান অংশ হলো <strong>জারি গান</strong>। এই গান মূলত শোকাবহ বা করুণ রসের কাহিনী নিয়ে গাওয়া হয়।</p>
<ul>
<li><strong>জারি গান</strong> মূলত কারবালার বিয়োগান্তক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত।</li>
<li>ময়মনসিংহ অঞ্চলের গ্রামীণ জনপদে এই গানের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে।</li>
<li>গায়ক বা বয়াতিরা দলবদ্ধভাবে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে এই গান পরিবেশন করেন, যা শ্রোতাদের আবেগপ্রবণ করে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ময়মনসিংহ অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী লোকগানের কথা বললে সবার আগে <strong>জারি গানের</strong> নামই চলে আসে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হানের উপন্যাস</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>'হাজার বছর ধরে' বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও কালজয়ী উপন্যাস।</li>
<li>এই কালজয়ী সৃষ্টিটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার <strong>জহির রায়হান</strong>।</li>
<li>উপন্যাসটি মূলত গ্রামীণ সমাজের কুসংস্কার, জীবনসংগ্রাম এবং মানুষের টিকে থাকার লড়াইকে কেন্দ্র করে লেখা হয়েছে।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই এই নামটি দেখবেন, সরাসরি জহির রায়হানের নাম মনে রাখলেই আপনার উত্তরটি একদম সঠিক হবে।</p>
৯২৫৯
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে সরাসরি অংশগ্রহণ করেছেন কোন সাহিত্যিক?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জহির রায়হান</strong>। ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে জহির রায়হানের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সরাসরি।</p>
<ul>
<li>১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারির ঐতিহাসিক মিছিলে তিনি সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন।</li>
<li>ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট নিয়ে তিনি কালজয়ী উপন্যাস <strong>'আরেক ফাল্গুন'</strong> রচনা করেন, যা আমাদের ভাষা সংগ্রামের এক জীবন্ত দলিল।</li>
<li>তৎকালীন সময়ে ছাত্রনেতা ও লেখক হিসেবে তিনি আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন, যা তাকে অন্য সবার থেকে আলাদা করে তুলেছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জহির রায়হান কেবল একজন সাহিত্যিকই ছিলেন না, বরং তিনি ছিলেন ভাষা আন্দোলনের একজন সাহসী সৈনিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ময়ূখ</strong>। কারণ 'ময়ূখ' শব্দের অর্থ হলো 'রশ্মি' বা 'কিরণ', যা বিষের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>কালকূট</strong>, <strong>গরল</strong> এবং <strong>জহর</strong>—এই তিনটি শব্দই বিষ বা তীব্র বিষাক্ত কোনো কিছু বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>ময়ূখ</strong> শব্দটি আলোর বা সূর্যের কিরণের সমার্থক।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় এই ধরনের প্রশ্ন আসলে শব্দগুলোর অর্থ একবার মনে করে নিলেই খুব সহজে সঠিক উত্তরটি বেছে নেওয়া সম্ভব।</p>
<p>'তুমি সুন্দর, তাই চেয়ে থাকি' - কালজয়ী এই গানটির রচয়িতা হলেন <strong>কাজী নজরুল ইসলাম</strong>।</p>
<p>গানটি মনে রাখার জন্য কিছু সহজ তথ্য:</p>
<ul>
<li>এটি নজরুল ইসলামের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় আধুনিক গান।</li>
<li>নজরুল সংগীতে তাঁর এই ধরনের রোমান্টিক ও সুরের মূর্ছনা আজও শ্রোতাদের মুগ্ধ করে।</li>
<li>পরীক্ষার জন্য মনে রাখা সহজ: নজরুলের গানে যেমন বিদ্রোহ আছে, তেমনি এমন গভীর প্রেমের সুরও রয়েছে।</li>
</ul>
<p>ঠাকুরমার ঝুলি বাংলা শিশুসাহিত্যের এক অমূল্য সম্পদ। এর রচয়িতা হলেন <strong>দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা লোককথা ও রূপকথার গল্পগুলোকে সংগ্রহ করে তিনি প্রথম বই আকারে প্রকাশ করেন।</li>
<li>এই কালজয়ী বইটি ১৯০৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।</li>
<li>দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার মূলত বাংলার গ্রামীণ জনপদ থেকে মুখে মুখে প্রচলিত গল্পগুলো সংগ্রহ করে আমাদের উপহার দিয়েছেন, যা আজও সব বয়সী পাঠকের কাছে সমান জনপ্রিয়।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</p>
<p>এই বিখ্যাত ছড়াটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের <strong>'শিশু'</strong> কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় একটি কবিতা। মনে রাখার সহজ উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>কবিতাটির নাম: <strong>বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর</strong>।</li>
<li>রচয়িতা: বিশ্বকবি <strong>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর</strong>।</li>
<li>এটি মূলত শিশুদের জন্য লেখা একটি কালজয়ী সৃষ্টি, যা ছোটবেলায় আমাদের সবারই পাঠ্য ছিল।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নজরুল ইসলাম</strong>। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার লেখনীর মাধ্যমে সমাজের অবহেলিত ও মেহনতি মানুষের জয়গান গেয়েছেন।</p>
<p>এই লাইনটি তার বিখ্যাত <strong>'চাষী'</strong> কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। নজরুলের কবিতায় চাষীদের প্রতি যে গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ফুটে উঠেছে, তা এই পঙক্তিটির মাধ্যমেই সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। তিনি চাষীদের 'ছোট লোক' বলার মানসিকতাকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করে তাদের দেশের আসল প্রাণশক্তি হিসেবে তুলে ধরেছেন।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজ! ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যে শব্দগুলো প্রকৃতি ও প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়েও সাধারণ অর্থ প্রকাশ না করে নির্দিষ্ট কোনো বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে, তাকেই যোগরূঢ় শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li>'জলধি' শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: জল + ধি (ধারণ করা)।</li>
<li>সাধারণ অর্থে এটি 'জল ধারণ করে এমন যেকোনো কিছু' বোঝাতে পারতো।</li>
<li>কিন্তু যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে এটি নির্দিষ্টভাবে কেবল <strong>সমুদ্র</strong>-কেই বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই 'জলধি' শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি বিশেষ অর্থে সরাসরি সমুদ্রকেই নির্দেশ করছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জল ধারণ করে যে</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>‘জলধি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘জল’ এবং ‘ধি’—এই দুটি অংশের সমন্বয়ে।</li>
<li>এখানে ‘জল’ মানে পানি এবং ‘ধি’ ধাতুটির অর্থ হলো ধারণ করা বা আধার।</li>
<li>যেহেতু সমুদ্র বিশাল জলরাশিকে নিজের মধ্যে ধারণ করে রাখে, তাই ব্যুৎপত্তিগতভাবে এর অর্থ দাঁড়ায়—<strong>জল ধারণ করে যে</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যা জলকে ধরে রাখে বা ধারণ করে, সেটিই হলো জলধি।</p>
<p>যৌগিক শব্দ চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো শব্দের গঠন বিশ্লেষণ করা। যে সব শব্দের অর্থ তার প্রকৃতি ও প্রত্যয়জাত অর্থের অনুগামী হয়, তাদেরই যৌগিক শব্দ বলে। গায়ক শব্দটির ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব পরিষ্কার:</p>
<ul>
<li>শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: <strong>গৈ + অক = গায়ক</strong>।</li>
<li>এখানে 'গৈ' ধাতু বা প্রকৃতির অর্থ হলো 'গান করা' এবং 'অক' প্রত্যয়টি 'কর্তৃবাচ্য' বোঝায়।</li>
<li>অর্থাৎ, যে গান করে সেই হলো গায়ক।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই হওয়ায় এটি একটি যৌগিক শব্দ।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>কুম্ভকার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ যৌগিক শব্দ চেনার একটি দারুণ কৌশল আছে।</p>
<ul>
<li>যৌগিক শব্দ হলো সেই শব্দ, যার অর্থ তার প্রকৃতি ও প্রত্যয়জাত অর্থের অনুগামী।</li>
<li><strong>কুম্ভকার</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা পাই: <strong>কুম্ভ + কার</strong>।</li>
<li>এখানে 'কুম্ভ' মানে কলস এবং 'কার' মানে যে তৈরি করে। অর্থাৎ, যে ব্যক্তি কলস তৈরি করে, তাকেই কুম্ভকার বলা হয়।</li>
<li>যেহেতু শব্দটির অর্থ তার গঠন বা উপাদানের অর্থের সাথে সরাসরি মিলে যাচ্ছে, তাই এটি একটি যৌগিক শব্দ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, সেটিই যৌগিক শব্দ।</p>
<p>বিষয়টি খুব সহজ। মৌলিক শব্দ চেনার উপায় হলো:</p>
<ul>
<li>যেসব শব্দকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, সেগুলোই মৌলিক শব্দ।</li>
<li><strong>মা</strong> শব্দটিকে ভাঙলে আমরা কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাই না, তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, বাঁশি, তৈল বা জলধি শব্দগুলো বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থ পাওয়া যায়, তাই এগুলো মৌলিক শব্দ নয়।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।