<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগীজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ আমরা সাধারণত মনে করি 'ইংরেজ' শব্দটি ইংরেজি ভাষা থেকেই এসেছে, কিন্তু আসলে তা নয়।</p>
<ul>
<li>'ইংরেজ' শব্দটি পর্তুগীজ শব্দ <strong>Inglês</strong> থেকে বাংলায় এসেছে।</li>
<li>ইতিহাসের পাতায় তাকালে দেখা যায়, পর্তুগীজ বণিকরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে আসে, তখন থেকেই এই শব্দটি আমাদের ভাষায় স্থায়ীভাবে জায়গা করে নেয়।</li>
<li>তাই পরীক্ষার খাতায় কনফিউজড না হয়ে সরাসরি 'পর্তুগীজ' দাগিয়ে দেবেন।</li>
</ul>
<p>‘জায়া ও পতি’ এর সঠিক সমাসবদ্ধ রূপ হলো <strong>দম্পতি</strong>। এটি একটি নিত্য সমাসের উদাহরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন ‘জায়া’ ও ‘পতি’ শব্দ দুটি একত্রে সমাসবদ্ধ হয়, তখন ‘জায়া’ শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে <strong>‘দম্প’</strong> রূপ ধারণ করে।</li>
<li>এই প্রক্রিয়ায় ‘জায়া ও পতি’ মিলে তৈরি হয় <strong>দম্পতি</strong>।</li>
<li>এটি নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত, কারণ এখানে সমাসবদ্ধ পদগুলো সবসময়ই সমাসবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং আলাদা করে ব্যাসবাক্য করার প্রয়োজন হয় না।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>দুহিতা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'আত্মজা' শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো নিজের শরীর থেকে জাত বা কন্যা।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>'আত্মজা' শব্দটির মূল অর্থ হলো মেয়ে বা কন্যা সন্তান।</li>
<li>'দুহিতা' শব্দটিও একইভাবে কন্যা বা মেয়েকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণে সমার্থক শব্দ মনে রাখার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো শব্দের মূল অর্থটি বুঝে নেওয়া, যেখানে 'আত্মজা' এবং 'দুহিতা' উভয়ই একই অর্থ প্রকাশ করে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দ পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে, যার মধ্যে ‘আনারস’ অন্যতম।</p>
<p>সহজ কিছু কৌশলে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন সমুদ্রপথে বাণিজ্য করতে এসেছিল, তখন তারা অনেক নতুন ফল ও জিনিসের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দেয়।</li>
<li>‘আনারস’ ছাড়াও <strong>পাউরুটি</strong>, <strong>সাবান</strong>, <strong>আলমারি</strong> এবং <strong>চাবি</strong>—এই শব্দগুলোও পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় ‘আনারস’ দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>পর্তুগিজ</strong> দাগিয়ে দেবেন!</p>
<p>অর্থাৎ, মানুষের শক্তিতে চালিত বাহন বা 'মানুষের টানা গাড়ি' থেকেই রিকশা শব্দের উৎপত্তি। মজার ব্যাপার হলো, এই বাহনটি জাপানে উদ্ভাবিত হলেও পরবর্তীতে এটি আমাদের দেশে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক শব্দই ফারসি থেকে এসেছে যা আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মিশে আছে।</p>
<ul>
<li>'সওদাগর' শব্দটি মূলত ফারসি <strong>'সওদাগর' (Saudagar)</strong> শব্দ থেকে এসেছে।</li>
<li>ফারসি ভাষায় 'সওদা' শব্দের অর্থ হলো পণ্য বা কেনাবেচা, আর 'গর' প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে পেশাজীবী বা ব্যবসায়ী বোঝায়।</li>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত অনেক পেশা বা ব্যবসায়িক শব্দ যেমন—দোকানদার, কারিগর বা সওদাগর—এগুলো ফারসি ভাষার প্রভাব থেকেই আমাদের ভাষায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার হলে এই ধরনের শব্দ দেখলে মনে রাখবেন, ব্যবসায়িক বা পেশা সংক্রান্ত অনেক শব্দই ফারসি থেকে আগত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>জাপান</strong>। হাইকু মূলত জাপানি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং সংক্ষিপ্ত কাব্যধারা। এই কবিতার বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা একে অনন্য করে তুলেছে:</p>
<ul>
<li>হাইকু কবিতায় সাধারণত মাত্র <strong>১৭টি</strong> অক্ষর বা ধ্বনি থাকে।</li>
<li>কবিতাটি তিনটি চরণে বিভক্ত থাকে, যার বিন্যাস হলো <strong>৫-৭-৫</strong>।</li>
<li>এটি প্রকৃতির সৌন্দর্য বা কোনো মুহূর্তের গভীর অনুভূতিকে খুব অল্প কথায় ফুটিয়ে তোলে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, জাপানি সংস্কৃতির এই সংক্ষিপ্ত ও অর্থবহ কাব্যশৈলীই বিশ্বজুড়ে 'হাইকু' নামে পরিচিত।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>১৯০৯ সালে বাঁকুড়া জেলার কাঁঠালবাড়ি গ্রামের এক গোয়ালঘর থেকে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ এই পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।</li>
<li>পরবর্তীতে ১৯১৬ সালে <strong>বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ</strong> থেকে এটি প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।</li>
<li>এই কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসের এক অমূল্য সম্পদ, যা বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদের মাধ্যমেই জনসমক্ষে আসে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পাণ্ডিত্য</strong>। কারণ, 'জ্ঞান' বলতে সাধারণত কোনো বিষয়ে গভীর পাণ্ডিত্য বা বিদ্যাবত্তাকে বোঝায়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'জ্ঞান' একটি বিশেষ্য পদ, যা কোনো বিষয়ের গভীরতা বা পাণ্ডিত্যকে নির্দেশ করে।</li>
<li>বাকি অপশনগুলো হয় বিশেষণ (যেমন: জ্ঞানী) অথবা ক্রিয়াবাচক শব্দ (যেমন: বোঝা বা জানা), যা সরাসরি 'জ্ঞান' শব্দের সমার্থক হিসেবে বসে না।</li>
<li>তাই অর্থ ও ব্যাকরণগত দিক থেকে <strong>পাণ্ডিত্য</strong> শব্দটির সাথেই এর সবচেয়ে বেশি মিল পাওয়া যায়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>রুগ্ন, শিহরণ, বাল্মীকি</strong>। এই শব্দগুলোর বানান কেন শুদ্ধ, তা নিচে সহজভাবে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li><strong>রুগ্ন:</strong> এটি একটি তৎসম শব্দ, যেখানে 'গ' এর সাথে 'ন' যুক্ত হয়ে সঠিক রূপ গঠন করেছে।</li>
<li><strong>শিহরণ:</strong> এই শব্দে 'শ' এর সাথে ই-কার এবং 'হ' এর সাথে 'ণ' যুক্ত হয়েছে, যা বানানের নিয়ম অনুযায়ী একদম নির্ভুল।</li>
<li><strong>বাল্মীকি:</strong> এটি একটি বহুল প্রচলিত শব্দ, যেখানে 'ল' এর সাথে দীর্ঘ-ঈ কার এবং 'ক' এর সাথেও দীর্ঘ-ঈ কার ব্যবহার করা হয়। অনেকেই ভুল করে এখানে হ্রস্ব-ই কার ব্যবহার করেন, কিন্তু শুদ্ধ রূপটি হলো দীর্ঘ-ঈ কার।</li>
</ul>
<p>অন্যান্য অপশনগুলোতে বানানগত ভুল থাকার কারণে সেগুলো সঠিক নয়। যেমন— 'অদ্যবধি' এর বদলে 'অদ্যাবধি' হয়, 'দারুন' এর বদলে 'দারুণ' হয় এবং 'দৈন্যতা' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ (সঠিক রূপ 'দৈন্য' বা 'দীনতা')।</p>
<p>রাজপুত শব্দের বুৎপত্তিগত অর্থ হলো <strong>রাজারপুত্র</strong>। শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি সংস্কৃত ‘রাজপুত্র’ শব্দ থেকে এসেছে।</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় ‘রাজপুত্র’ শব্দের অর্থ হলো রাজার সন্তান বা রাজকুমার।</li>
<li>কালক্রমে প্রাকৃত ও অপভ্রংশ ভাষার পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে এটি বাংলায় ‘রাজপুত’ শব্দে রূপ নিয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, রাজবংশীয় বা রাজার সন্তান বোঝাতেই এই শব্দটি ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>‘রাজপুত’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো <strong>জাতিবিশেষ</strong>।</p>
<p>বিষয়টা খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>যদিও শব্দটির গঠন বিশ্লেষণ করলে 'রাজার পুত্র' অর্থটি সামনে আসে, কিন্তু বাংলা ব্যাকরণ ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে এটি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>ভাষাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যখন কোনো শব্দ তার আক্ষরিক অর্থ ছাপিয়ে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায় বা গোষ্ঠীকে নির্দেশ করে, তখন তাকে <strong>জাতিবিশেষ</strong> হিসেবেই গণ্য করা হয়।</li>
<li>তাই পরীক্ষায় যখনই এই শব্দটি আসবে, তখন এর ব্যুৎপত্তিগত বা পারিভাষিক অর্থ হিসেবে 'জাতিবিশেষ' উত্তরটিই সবচেয়ে সঠিক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>যথাংশ</strong>। তবে আপনার দেওয়া অপশনগুলোতে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে, তাই বিষয়টি পরিষ্কার করে দিচ্ছি:</p>
<ul>
<li>'Quota' শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো কোনো নির্দিষ্ট কাজের জন্য নির্ধারিত অংশ বা কোটা।</li>
<li>বাংলা পরিভাষায় একে সাধারণত <strong>'যথাংশ'</strong> বা <strong>'নির্ধারিত অংশ'</strong> বলা হয়।</li>
<li>অন্যদিকে, 'উদ্ধৃতি-চিহ্ন' হলো Quotation mark-এর বাংলা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিষয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন কোনো নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে কাউকে কোনো সুযোগ বা অংশ বরাদ্দ দেওয়া হয়, তাকেই আমরা কোটা বা যথাংশ বলে থাকি। তাই সঠিক পরিভাষা হিসেবে <strong>যথাংশ</strong>-ই সবচেয়ে মানানসই।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।