<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জলধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>
<ul>
<li>'জল' শব্দের সাথে যখন 'ধি' যুক্ত হয়, তখন সেটি হয়ে যায় 'জলধি'।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ধি' মানে হলো আধার বা ধারণকারী। অর্থাৎ, যে জল ধারণ করে বা যেখানে জল জমা থাকে, তাকেই বলা হয় জলধি।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>জলধি</strong> বলতে মূলত সমুদ্রকে বোঝানো হয়, জলকে নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, সলিল, উদক এবং নীর—এই তিনটি শব্দই সরাসরি জল বা পানির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>তাই জলধি শব্দটি এখানে আলাদা এবং এটি জলের সমার্থক নয়।</p>
<p>‘দামিনী’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>বিদ্যুৎ</strong>। বাংলা সাহিত্যে এবং অভিধানে ‘দামিনী’ শব্দটি মূলত মেঘের বুক চিরে জ্বলে ওঠা আলোর ঝলকানি বা বিদ্যুৎ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘দামিনী’ শব্দটি এসেছে ‘দমন’ বা ‘দাম’ থেকে, যার অর্থ দীপ্তি বা আলো।</li>
<li>আকাশে মেঘের গর্জনের সাথে যে ক্ষণস্থায়ী আলোর রেখা দেখা যায়, তাকেই কাব্যিক ভাষায় দামিনী বলা হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন: <strong>দামিনী = বিদ্যুৎ</strong>।</li>
</ul>
<p>‘আফতাব’ শব্দের অর্থ হলো সূর্য। তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>অর্ক</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>
<ul>
<li>‘আফতাব’ একটি ফারসি শব্দ, যার বাংলা অর্থ সূর্য বা রবি।</li>
<li>‘অর্ক’ সংস্কৃত শব্দ, যা দিয়েও সূর্যকে বোঝানো হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য বা রবি সংক্রান্ত সমার্থক শব্দ আসে, তাই অর্ক, দিনমণি, সবিতা বা ভাস্কর—এই শব্দগুলো একসাথে মনে রাখলে সুবিধা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শৈবালিনী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>
<p>নদীকে কেন শৈবালিনী বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>
<ul>
<li>'শৈবাল' মানে হলো জলজ উদ্ভিদ বা শ্যাওলা। নদী যেহেতু শ্যাওলা বা জলজ উদ্ভিদ ধারণ করে বয়ে চলে, তাই একে কাব্যিক ভাষায় <strong>শৈবালিনী</strong> বলা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে নদীকে নারীবাচক বিশেষণে ভূষিত করার সময় এই শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত সমুদ্র বা মেঘের সাথে সম্পর্কিত, তাই নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে শৈবালিনীই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
<p>পদ্মের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>অরবিন্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ পদ্মফুলকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে 'অরবিন্দ' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও মার্জিত শব্দ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>পদ্ম শব্দের আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো: পঙ্কজ, রাজীব, নলিনী, উৎপল এবং সরোজ।</li>
<li>'অরবিন্দ' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যা সরাসরি পদ্মফুলকে নির্দেশ করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দগুলোর সাথে 'অরবিন্দ' নামটি মাথায় গেঁথে নিলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
৯২৭৬
'আষাঢ়ে মেঘ থেকে আসার নামে'- এ বাক্যে 'আসার' শব্দের অর্থ কি?
<p>পদ্ম ফুলকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে 'অরবিন্দ' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সুন্দর নাম। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত জল বা কাদা থেকে উৎপন্ন হওয়ার অর্থ বহন করে।</li>
<li><strong>অরবিন্দ</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা অরণ্য বা জল থেকে জন্ম নেয়।</li>
<li>পদ্মের আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো: পঙ্কজ, রাজীব, নলিনী, উৎপল এবং সরোজ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পরীক্ষার খাতায় 'পদ্ম' দেখলেই মনে রাখবেন এটি জলজ ফুল, তাই এর নামের সাথে প্রায়ই 'জ' বা 'অরবিন্দ'-এর মতো শব্দগুলো যুক্ত থাকে।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘হস্তী’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো হাতি।</p>
<ul>
<li>‘হস্ত’ শব্দের অর্থ হলো হাত।</li>
<li>হাতির শুঁড়কে অনেক সময় হাতের মতো ব্যবহার করা হয় বলে একে ‘হস্তী’ বলা হয়।</li>
<li>একইভাবে, হাতিকে বাংলায় আমরা <strong>গজ</strong> বা করী বলেও ডেকে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই শব্দভাণ্ডার মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখলেই চলবে যে, হস্তী মানেই হলো গজ বা হাতি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়ে পড়া</strong>। উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>
<ul>
<li>উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের শেষে 'পড়া', 'কর', 'দ', 'চর' বা 'কার' জাতীয় ধাতু বা ক্রিয়াবাচক অংশ থাকে, তখন সেটি উপপদ তৎপুরুষ হয়।</li>
<li>এখানে 'গায়ে' হলো উপপদ এবং 'পড়া' হলো কৃদন্ত পদ। এই দুইয়ের মিলনে গঠিত হয়েছে 'গায়ে পড়া', যা একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ ট্রিক হলো, শব্দের শেষে যদি কোনো ক্রিয়া বা কাজের ভাব প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে উপপদ তৎপুরুষ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
<p>‘আকাশ’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>গগন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>‘আকাশ’ বলতে আমরা যা বুঝি, তার আরও অনেক সুন্দর নাম আছে যেমন—অম্বল, নভোমণ্ডল, শূন্য বা গগন।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথাবার্তায় ‘গগন’ শব্দটি আকাশ বোঝাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের অর্থ আকাশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এখানে গগনই একমাত্র সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৯২৮১
‘জল’ শব্দের সাথে বিভিন্ন প্রত্যয় যোগে বিশেষণ হয়। কোনটি ভুল বিশেষণ?
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জলতা</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দের সাথে প্রত্যয় যোগ করে যখন বিশেষণ তৈরি করা হয়, তখন সেটি বিশেষ্যকে বিশেষিত করে।</li>
<li>'জলীয়', 'জলা' এবং 'জলো'—এই শব্দগুলো দিয়ে কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থা বোঝানো যায়, তাই এগুলো বিশেষণ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>জলতা</strong> শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। 'জল' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি 'জলত্ব' বা জলের গুণবাচক বিশেষ্য তৈরি করেছে, বিশেষণ নয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিশেষণ হতে হলে শব্দটিকে কোনো কিছুর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে হয়, যা 'জলতা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।</p>
<p>‘যা জল দেয়’ এর এক কথায় প্রকাশ হলো <strong>জলদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘দ’ প্রত্যয়টির অর্থ হলো ‘দানকারী’ বা ‘যে দেয়’।</li>
<li>যেহেতু মেঘ আকাশ থেকে জল দান করে বা বর্ষণ করে, তাই মেঘের অপর নাম হলো জলদ।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শেষে ‘দ’ থাকলে সেটি সাধারণত ‘দানকারী’ বা ‘প্রদানকারী’ বোঝায়।</li>
</ul>
<p>তাই, জল যে প্রদান করে অর্থাৎ মেঘ বা <strong>জলদ</strong>-ই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
<p>‘জলৌকা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর যদি ও-কার বা ঔ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে ঔ-কার হয়। এই নিয়মটি এখানে খুব সহজভাবে কাজ করেছে:</p>
<ul>
<li>শব্দের শেষে থাকা 'ল' এর সাথে একটি অ-কার আছে।</li>
<li>পরের শব্দের শুরুতে ও-কার আছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী: অ + ও = ঔ।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, <strong>জল + ওকা</strong> মিলে হয়ে যায় <strong>জলৌকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যখনই কোনো শব্দের মাঝে ঔ-কার (ৌ) দেখবেন, তখন সেটিকে ভেঙে অ + ও বা অ + ঔ এর সংমিশ্রণ হিসেবে চিন্তা করলেই সন্ধি বিচ্ছেদটি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
<p>‘জলৌকা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি দেখুন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর ও-কার বা ঔ-কার থাকলে উভয় মিলে <strong>ঔ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘জল’ শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে এবং তার সাথে ‘ওকা’ যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $অ + ও = ঔ$।</li>
<li>তাই, $জল + ওকা = জলৌকা$।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, অ-কারের সাথে ও-কার যুক্ত হয়েই এখানে ঔ-কার তৈরি হয়েছে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</p>
<p>‘জলৌকা’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। এটি মূলত বাংলা সন্ধির ‘অ’ বা ‘আ’-এর সাথে ‘ও’ বা ‘ঔ’ যুক্ত হয়ে ‘ঔ’ কার হওয়ার নিয়ম মেনে চলে।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘জল’ শব্দের শেষে একটি অ আছে: $জল = জল্ + অ$</li>
<li>পরের অংশটি হলো ‘ওকা’।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, $অ + ও = ঔ$ হয়।</li>
<li>তাই, $জল + ওকা = জলৌকা$।</li>
</ul>
<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দের ক্ষেত্রে ‘ঔ’ কারের সন্ধিবিচ্ছেদ করা আপনার জন্য একদম পানির মতো সহজ হয়ে যাবে!</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।