eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯২৭১

‘জল’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জলধি
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জলধি</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, একটু খেয়াল করলেই বুঝতে পারবেন:</p>

<ul>
<li>'জল' শব্দের সাথে যখন 'ধি' যুক্ত হয়, তখন সেটি হয়ে যায় 'জলধি'।</li>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, 'ধি' মানে হলো আধার বা ধারণকারী। অর্থাৎ, যে জল ধারণ করে বা যেখানে জল জমা থাকে, তাকেই বলা হয় জলধি।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>জলধি</strong> বলতে মূলত সমুদ্রকে বোঝানো হয়, জলকে নয়।</li>
<li>অন্যদিকে, সলিল, উদক এবং নীর—এই তিনটি শব্দই সরাসরি জল বা পানির সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই জলধি শব্দটি এখানে আলাদা এবং এটি জলের সমার্থক নয়।</p>
৯২৭২

‘দামিনী’ শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ
ব্যাখ্যা:
<p>‘দামিনী’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>বিদ্যুৎ</strong>। বাংলা সাহিত্যে এবং অভিধানে ‘দামিনী’ শব্দটি মূলত মেঘের বুক চিরে জ্বলে ওঠা আলোর ঝলকানি বা বিদ্যুৎ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>‘দামিনী’ শব্দটি এসেছে ‘দমন’ বা ‘দাম’ থেকে, যার অর্থ দীপ্তি বা আলো।</li>
<li>আকাশে মেঘের গর্জনের সাথে যে ক্ষণস্থায়ী আলোর রেখা দেখা যায়, তাকেই কাব্যিক ভাষায় দামিনী বলা হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় মনে রাখার জন্য মনে রাখতে পারেন: <strong>দামিনী = বিদ্যুৎ</strong>।</li>
</ul>
৯২৭৩

‘আফতাব’শব্দের সমার্থ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অর্ক
ব্যাখ্যা:
<p>‘আফতাব’ শব্দের অর্থ হলো সূর্য। তাই এর সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>অর্ক</strong>।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের বিষয়গুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>‘আফতাব’ একটি ফারসি শব্দ, যার বাংলা অর্থ সূর্য বা রবি।</li>
<li>‘অর্ক’ সংস্কৃত শব্দ, যা দিয়েও সূর্যকে বোঝানো হয়।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই সূর্য বা রবি সংক্রান্ত সমার্থক শব্দ আসে, তাই অর্ক, দিনমণি, সবিতা বা ভাস্কর—এই শব্দগুলো একসাথে মনে রাখলে সুবিধা হয়।</li>
</ul>
৯২৭৪

কোনটি 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
শৈবালিনী
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>শৈবালিনী</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ!</p>

<p>নদীকে কেন শৈবালিনী বলা হয়, তার কারণগুলো নিচে দেওয়া হলো:</p>

<ul>
<li>'শৈবাল' মানে হলো জলজ উদ্ভিদ বা শ্যাওলা। নদী যেহেতু শ্যাওলা বা জলজ উদ্ভিদ ধারণ করে বয়ে চলে, তাই একে কাব্যিক ভাষায় <strong>শৈবালিনী</strong> বলা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে নদীকে নারীবাচক বিশেষণে ভূষিত করার সময় এই শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়।</li>
<li>অন্যান্য অপশনগুলো মূলত সমুদ্র বা মেঘের সাথে সম্পর্কিত, তাই নদীর সমার্থক শব্দ হিসেবে শৈবালিনীই সবচেয়ে উপযুক্ত।</li>
</ul>
৯২৭৫

পদ্মের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অরবিন্দ
ব্যাখ্যা:
<p>পদ্মের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>অরবিন্দ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ পদ্মফুলকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে 'অরবিন্দ' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও মার্জিত শব্দ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li>পদ্ম শব্দের আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো: পঙ্কজ, রাজীব, নলিনী, উৎপল এবং সরোজ।</li>
<li>'অরবিন্দ' শব্দটি মূলত সংস্কৃত থেকে এসেছে, যা সরাসরি পদ্মফুলকে নির্দেশ করে।</li>
<li>পরীক্ষায় প্রায়ই এই ধরনের শব্দগুলো থেকে প্রশ্ন আসে, তাই মূল শব্দগুলোর সাথে 'অরবিন্দ' নামটি মাথায় গেঁথে নিলে খুব সহজেই উত্তর করা সম্ভব।</li>
</ul>
৯২৭৬

'আষাঢ়ে মেঘ থেকে আসার নামে'- এ বাক্যে 'আসার' শব্দের অর্থ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জলকণা
৯২৭৭

‘পদ্মের’ সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
অরবিন্দ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>অরবিন্দ</strong>।</p>

<p>পদ্ম ফুলকে আমরা বিভিন্ন নামে চিনি, যার মধ্যে 'অরবিন্দ' একটি অত্যন্ত পরিচিত ও সুন্দর নাম। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের কৌশলটি দেখতে পারেন:</p>

<ul>
<li>পদ্ম শব্দের সমার্থক শব্দগুলো সাধারণত জল বা কাদা থেকে উৎপন্ন হওয়ার অর্থ বহন করে।</li>
<li><strong>অরবিন্দ</strong> শব্দটির অর্থ হলো যা অরণ্য বা জল থেকে জন্ম নেয়।</li>
<li>পদ্মের আরও কিছু জনপ্রিয় সমার্থক শব্দ হলো: পঙ্কজ, রাজীব, নলিনী, উৎপল এবং সরোজ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, পরীক্ষার খাতায় 'পদ্ম' দেখলেই মনে রাখবেন এটি জলজ ফুল, তাই এর নামের সাথে প্রায়ই 'জ' বা 'অরবিন্দ'-এর মতো শব্দগুলো যুক্ত থাকে।</p>
৯২৭৮

‘হস্তী’ শব্দটির প্রতিশব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গজ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>গজ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ ‘হস্তী’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো হাতি।</p>

<ul>
<li>‘হস্ত’ শব্দের অর্থ হলো হাত।</li>
<li>হাতির শুঁড়কে অনেক সময় হাতের মতো ব্যবহার করা হয় বলে একে ‘হস্তী’ বলা হয়।</li>
<li>একইভাবে, হাতিকে বাংলায় আমরা <strong>গজ</strong> বা করী বলেও ডেকে থাকি।</li>
</ul>

<p>তাই শব্দভাণ্ডার মনে রাখার জন্য এই ছোট কৌশলটি মাথায় রাখলেই চলবে যে, হস্তী মানেই হলো গজ বা হাতি।</p>
৯২৭৯

নিচের কোনটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গায়ে পড়া
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গায়ে পড়া</strong>। উপপদ তৎপুরুষ সমাস চেনার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো এর গঠনটি খেয়াল করা।</p>

<ul>
<li>উপপদ তৎপুরুষ সমাসে কৃদন্ত পদের সাথে উপপদের সমাস হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, যখন কোনো শব্দের শেষে 'পড়া', 'কর', 'দ', 'চর' বা 'কার' জাতীয় ধাতু বা ক্রিয়াবাচক অংশ থাকে, তখন সেটি উপপদ তৎপুরুষ হয়।</li>
<li>এখানে 'গায়ে' হলো উপপদ এবং 'পড়া' হলো কৃদন্ত পদ। এই দুইয়ের মিলনে গঠিত হয়েছে 'গায়ে পড়া', যা একটি উপপদ তৎপুরুষ সমাসের নিখুঁত উদাহরণ।</li>
</ul>

<p>সহজ ট্রিক হলো, শব্দের শেষে যদি কোনো ক্রিয়া বা কাজের ভাব প্রকাশ পায়, তবে চোখ বন্ধ করে সেটিকে উপপদ তৎপুরুষ হিসেবে ধরে নিতে পারেন।</p>
৯২৮০

‘আকাশ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
গগন
ব্যাখ্যা:
<p>‘আকাশ’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো <strong>গগন</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>

<ul>
<li>‘আকাশ’ বলতে আমরা যা বুঝি, তার আরও অনেক সুন্দর নাম আছে যেমন—অম্বল, নভোমণ্ডল, শূন্য বা গগন।</li>
<li>সাহিত্যে বা সাধারণ কথাবার্তায় ‘গগন’ শব্দটি আকাশ বোঝাতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>অন্যান্য শব্দের অর্থ আকাশ থেকে সম্পূর্ণ আলাদা, তাই এখানে গগনই একমাত্র সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৯২৮১

‘জল’ শব্দের সাথে বিভিন্ন প্রত্যয় যোগে বিশেষণ হয়। কোনটি ভুল বিশেষণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জলতা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জলতা</strong>। কারণটি বেশ সহজ:</p>

<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণে কোনো শব্দের সাথে প্রত্যয় যোগ করে যখন বিশেষণ তৈরি করা হয়, তখন সেটি বিশেষ্যকে বিশেষিত করে।</li>
<li>'জলীয়', 'জলা' এবং 'জলো'—এই শব্দগুলো দিয়ে কোনো কিছুর গুণ বা অবস্থা বোঝানো যায়, তাই এগুলো বিশেষণ।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>জলতা</strong> শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ। 'জল' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে এটি 'জলত্ব' বা জলের গুণবাচক বিশেষ্য তৈরি করেছে, বিশেষণ নয়।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, বিশেষণ হতে হলে শব্দটিকে কোনো কিছুর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাতে হয়, যা 'জলতা' শব্দের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।</p>
৯২৮২

‘যা জল দেয়’ এর এক কথায় প্রকাশ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জলদ
ব্যাখ্যা:
<p>‘যা জল দেয়’ এর এক কথায় প্রকাশ হলো <strong>জলদ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুবই সহজ:</p>

<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘দ’ প্রত্যয়টির অর্থ হলো ‘দানকারী’ বা ‘যে দেয়’।</li>
<li>যেহেতু মেঘ আকাশ থেকে জল দান করে বা বর্ষণ করে, তাই মেঘের অপর নাম হলো জলদ।</li>
<li>সহজ কথায়, শব্দের শেষে ‘দ’ থাকলে সেটি সাধারণত ‘দানকারী’ বা ‘প্রদানকারী’ বোঝায়।</li>
</ul>

<p>তাই, জল যে প্রদান করে অর্থাৎ মেঘ বা <strong>জলদ</strong>-ই এখানে সঠিক উত্তর।</p>
৯২৮৩

‘জলৌকা’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কানটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জল+ওকা
ব্যাখ্যা:
<p>‘জলৌকা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর যদি ও-কার বা ঔ-কার থাকে, তবে উভয় মিলে ঔ-কার হয়। এই নিয়মটি এখানে খুব সহজভাবে কাজ করেছে:</p>

<ul>
<li>শব্দের শেষে থাকা 'ল' এর সাথে একটি অ-কার আছে।</li>
<li>পরের শব্দের শুরুতে ও-কার আছে।</li>
<li>নিয়ম অনুযায়ী: অ + ও = ঔ।</li>
</ul>

<p>অর্থাৎ, <strong>জল + ওকা</strong> মিলে হয়ে যায় <strong>জলৌকা</strong>। বিষয়টি মনে রাখার সহজ উপায় হলো, যখনই কোনো শব্দের মাঝে ঔ-কার (ৌ) দেখবেন, তখন সেটিকে ভেঙে অ + ও বা অ + ঔ এর সংমিশ্রণ হিসেবে চিন্তা করলেই সন্ধি বিচ্ছেদটি একদম পরিষ্কার হয়ে যাবে।</p>
৯২৮৪

‘জলৌকা’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জল+ওকা
ব্যাখ্যা:
<p>‘জলৌকা’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখার জন্য নিচের নিয়মটি দেখুন:</p>

<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-কার বা আ-কারের পর ও-কার বা ঔ-কার থাকলে উভয় মিলে <strong>ঔ-কার</strong> হয়।</li>
<li>এখানে ‘জল’ শব্দের শেষে একটি অ-কার আছে এবং তার সাথে ‘ওকা’ যুক্ত হয়েছে।</li>
<li>সূত্রটি হলো: $অ + ও = ঔ$।</li>
<li>তাই, $জল + ওকা = জলৌকা$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, অ-কারের সাথে ও-কার যুক্ত হয়েই এখানে ঔ-কার তৈরি হয়েছে, যা শব্দটিকে পূর্ণতা দিয়েছে।</p>
৯২৮৫

‘জলৌকা’ সন্ধিবিচ্ছেদ হবে -

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
জল + ওকা
ব্যাখ্যা:
<p>‘জলৌকা’ শব্দটির সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ হলো <strong>জল + ওকা</strong>। এটি মূলত বাংলা সন্ধির ‘অ’ বা ‘আ’-এর সাথে ‘ও’ বা ‘ঔ’ যুক্ত হয়ে ‘ঔ’ কার হওয়ার নিয়ম মেনে চলে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার কৌশল:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘জল’ শব্দের শেষে একটি অ আছে: $জল = জল্‌ + অ$</li>
<li>পরের অংশটি হলো ‘ওকা’।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, $অ + ও = ঔ$ হয়।</li>
<li>তাই, $জল + ওকা = জলৌকা$।</li>
</ul>

<p>এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো শব্দের ক্ষেত্রে ‘ঔ’ কারের সন্ধিবিচ্ছেদ করা আপনার জন্য একদম পানির মতো সহজ হয়ে যাবে!</p>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।