<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জল</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ 'অম্বু' হলো জলের একটি সংস্কৃত প্রতিশব্দ।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য কিছু টিপস:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণ বা শব্দভাণ্ডারে 'অম্বু' শব্দটি সরাসরি জল বা পানি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
<li>এর সাথে সম্পর্কিত আরও কিছু শব্দ হলো অম্বুধি (সমুদ্র) বা অম্বুবাহ (মেঘ), যেখানে মূল ভিত্তি হিসেবে 'অম্বু' বা জলকে নির্দেশ করা হয়।</li>
</ul>
<p>তাই যখনই কোথাও 'অম্বু' শব্দটি দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>জল</strong> বা <strong>পানি</strong>-কে বোঝাচ্ছে।</p>
<p>ময়নামতি গোপীচন্দ্রের কাহিনী সংগ্রহের ক্ষেত্রে <strong>চন্দ্রকুমার দে</strong>-এর নাম সবার আগে আসে। তিনি মূলত ময়মনসিংহ গীতিকা সংগ্রহের জন্য বিখ্যাত হলেও, লোকসাহিত্যের এই অমূল্য সম্পদগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণে তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>চন্দ্রকুমার দে</strong> ছিলেন একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগ্রাহক।</li>
<li>তিনি গ্রাম-বাংলার মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত লোকগাথাগুলো সরাসরি তাদের কাছ থেকে শুনে লিপিবদ্ধ করতেন।</li>
<li>ময়নামতি গোপীচন্দ্রের কাহিনীসহ বাংলার লোকসংস্কৃতির অনেক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান তার হাত ধরেই সংগৃহীত হয়েছে।</li>
</ul>
৯২৮৯
‘তোমাকে দেখব বলে যতোবারই চোখ খুলতে বাইছি ততোবারই রক্তের ঝাপটায় সব গুলিয়ে একাকার হয়ে যাচ্ছে।’ উক্তিটি কার?
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ইব্রাহীম কার্দি</strong>।</p>
<p>সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর বিখ্যাত উপন্যাস <strong>'কাঁদো নদী কাঁদো'</strong>-এর প্রেক্ষাপটে এই উক্তিটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ইব্রাহীম কার্দি চরিত্রটি যখন তার জীবনের চরম সংকটময় মুহূর্তে বা মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকে, তখন তার মানসিক অস্থিরতা ও চারপাশের পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে লেখক এই লাইনটি ব্যবহার করেছেন।</p>
<ul>
<li><strong>মূল ভাব:</strong> এখানে 'রক্তের ঝাপটা' বলতে মূলত যুদ্ধের ভয়াবহতা বা জীবনের শেষ মুহূর্তের অস্পষ্টতাকে বোঝানো হয়েছে।</li>
<li><strong>চরিত্রের গভীরতা:</strong> ইব্রাহীম কার্দির এই উক্তিটি তার অসহায়ত্ব এবং চারপাশের জগতকে দেখার অক্ষমতাকে ফুটিয়ে তোলে, যা উপন্যাসের ট্র্যাজিক আবহকে আরও জোরালো করে।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পরা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ উপসর্গ সবসময় শব্দের শুরুতে বসে নতুন অর্থ তৈরি করে।</p>
<ul>
<li>মূল শব্দটি হলো <strong>জয়</strong>।</li>
<li>এই শব্দের শুরুতে যখন <strong>পরা</strong> যুক্ত হয়, তখন শব্দটি হয়ে যায় <strong>পরাজয়</strong>।</li>
<li>এখানে <strong>পরা</strong> একটি সংস্কৃত উপসর্গ, যা মূল শব্দের আগে বসে অর্থের পরিবর্তন ঘটিয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের শুরুতে যে অংশটি যুক্ত হয়ে নতুন অর্থ তৈরি করে, সেটিই উপসর্গ। তাই এখানে <strong>পরা</strong>-ই হলো সঠিক উপসর্গ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চূড়ামণিদাস</strong>।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যের জীবন ও লীলা নিয়ে রচিত জীবনীগ্রন্থগুলোর মধ্যে 'গৌরাঙ্গ বিজয়' অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গ্রন্থটি সম্পর্কে মনে রাখার সহজ উপায়গুলো হলো:</p>
<ul>
<li>এটি শ্রীচৈতন্যের জীবনীভিত্তিক একটি আকর গ্রন্থ।</li>
<li>গ্রন্থটির রচয়িতা হিসেবে <strong>চূড়ামণিদাস</strong>-এর নাম ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>অনেক সময় বিভ্রান্তি হতে পারে, কিন্তু মনে রাখবেন চৈতন্যদেবের জীবনী নিয়ে লেখা এই নির্দিষ্ট গ্রন্থটির রচয়িতা চূড়ামণিদাসই।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, পরীক্ষার জন্য এই তথ্যটি সরাসরি মনে রাখলে খুব দ্রুত উত্তর দেওয়া সম্ভব।</p>
<p>বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্রাজেডী নাটক হলো <strong>কৃষ্ণকুমারী</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬১ সালে এটি রচনা করেন।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>বাংলা নাটকের ইতিহাসে ট্রাজেডী বা বিয়োগান্তক ধারার সূচনা হয় মধুসূদন দত্তের হাত ধরেই।</li>
<li>রাজস্থানের ইতিহাসের কাহিনী অবলম্বনে লেখা এই নাটকটিই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ট্রাজেডী হিসেবে স্বীকৃত।</li>
<li>এর আগে অনেক নাটক লেখা হলেও, ট্রাজেডীর সকল বৈশিষ্ট্য সঠিকভাবে ফুটে উঠেছে এই নাটকের মাধ্যমেই।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জেলে</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ প্রত্যয় যোগ করার সময় যখন কোনো শব্দের মাধ্যমে পেশা বা জীবিকা বোঝানো হয়, তখন তাকে উপজীবিকা অর্থে প্রত্যয় বলা হয়।</p>
<ul>
<li><strong>জেলে</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে 'জাল' শব্দের সাথে 'ইয়া' (বা ই) প্রত্যয় যুক্ত হয়ে।</li>
<li>যেহেতু জাল দিয়ে মাছ ধরা তার পেশা বা উপজীবিকা, তাই এখানে 'ইয়া' প্রত্যয়টি উপজীবিকা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যে ব্যক্তি জাল ব্যবহার করে জীবিকা নির্বাহ করে, তাকেই আমরা <strong>জেলে</strong> বলি।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>জমা ও খরচ</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ এটি একটি <strong>দ্বন্দ্ব সমাস</strong>।</p>
<ul>
<li>দ্বন্দ্ব সমাসে সাধারণত দুটি পদেরই অর্থ প্রধান থাকে এবং ব্যাসবাক্যে মাঝখানে 'ও', 'এবং' বা 'আর' অব্যয় যুক্ত হয়।</li>
<li>'জমাখরচ' শব্দটিতে 'জমা' এবং 'খরচ'—এই দুটি পদেরই সমান গুরুত্ব রয়েছে।</li>
<li>তাই নিয়ম অনুযায়ী, এদের মাঝখানে 'ও' অব্যয় বসিয়ে ব্যাসবাক্যটি দাঁড়ায়: <strong>জমা ও খরচ</strong>।</li>
</ul>
<p>'জমানো' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জমা+আনো</strong>। এটি মূলত একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় গঠিত শব্দ, যেখানে দুটি অংশ মিলে একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়।</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম অংশ <strong>জমা</strong> এবং দ্বিতীয় অংশ <strong>আনো</strong> যুক্ত হয়ে 'জমানো' শব্দটি তৈরি হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বিশেষ্য বা ক্রিয়াপদের সাথে প্রত্যয় বা অন্য শব্দাংশ যুক্ত হয়, তখন সন্ধির এই নিয়মটি কাজ করে।</li>
<li>সহজ কথায়, <strong>জমা</strong> এর সাথে <strong>আনো</strong> যোগ করলে উচ্চারণ ও অর্থের দিক থেকে এটিই সবচেয়ে সঠিক ও গ্রহণযোগ্য রূপ।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কাগজ-পত্র</strong>। সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস চেনার উপায় খুব সহজ। যখন দুটি পদের অর্থ একই বা কাছাকাছি হয় এবং তারা মিলে একটি সাধারণ ধারণা প্রকাশ করে, তখন তাকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।</p>
<ul>
<li><strong>কাগজ</strong> এবং <strong>পত্র</strong>—এই দুটি শব্দের অর্থই প্রায় একই, অর্থাৎ কোনো কিছু লেখার মাধ্যম বা নথিপত্র।</li>
<li>যেহেতু এখানে দুটি সমার্থক শব্দ মিলে একটি জোড়া তৈরি করেছে, তাই এটি সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দ একই জাতীয় বা সমার্থক অর্থ বহন করে পাশাপাশি বসে, তখন চোখ বন্ধ করে সেটিকে সমার্থক দ্বন্দ্ব সমাস হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।</p>
<p>‘জমানো’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>জমা+আনো</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>
<ul>
<li>এখানে ‘জমা’ শব্দের শেষে একটি ‘আ’ ধ্বনি আছে।</li>
<li>পরবর্তী শব্দের শুরুতে ‘আ’ ধ্বনি থাকায় সন্ধির নিয়মে দুটি ‘আ’ মিলে একটি ‘আ’ কারে পরিণত হয়েছে।</li>
<li>অর্থাৎ, $আ + আ = আ$।</li>
<li>এই নিয়মেই ‘জমা’ এবং ‘আনো’ যুক্ত হয়ে ‘জমানো’ শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের মূল অংশগুলো আলাদা করলে আমরা পাই <strong>জমা+আনো</strong>, যা সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী মিলে গিয়ে পূর্ণ শব্দ তৈরি করে।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।