<p>ঘড়িয়াল শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>ঘড়ি + ইয়াল</strong>। সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী এটি খুব সহজেই বোঝা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে 'ঘড়ি' শব্দের শেষে 'ই' কার আছে।</li>
<li>এর সাথে 'ইয়াল' যুক্ত হওয়ার সময় সন্ধির প্রভাবে শব্দের গঠনটি এমন হয়।</li>
<li>সহজ কথায়, ঘড়ি এবং ইয়াল মিলে ঘড়িয়াল শব্দটি গঠিত হয়েছে, যেখানে কোনো বাড়তি ধ্বনি লোপ বা পরিবর্তন ছাড়াই শব্দ দুটি পাশাপাশি বসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার জন্য শুধু এই অংশটি খেয়াল রাখলেই হবে: <strong>ঘড়ি + ইয়াল = ঘড়িয়াল</strong>।</p>
<p>ঘটকালি শব্দটির সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো <strong>ঘটক + আলি</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>এখানে <strong>ঘটক</strong> হলো মূল শব্দ বা প্রকৃতি, যার অর্থ যিনি বিয়ের সম্বন্ধ বা ঘটকালি করেন।</li>
<li>এর সাথে <strong>আলি</strong> প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে নতুন শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য পদের সাথে 'আলি' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে সাধারণত পেশা বা কাজ বোঝায়। যেমন: ঘটক + আলি = ঘটকালি।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, ঘটক যে কাজ করেন বা যে পেশায় নিয়োজিত থাকেন, তাকেই আমরা এক কথায় বলি ঘটকালি। তাই সঠিক উত্তরটি হলো <strong>ঘটক + আলি</strong>।</p>
<p>শব্দকে গঠনমূলক দিক দিয়ে মূলত <strong>২ ভাগে</strong> ভাগ করা যায়। বিষয়টি খুব সহজ, নিচে দেখে নিন:</p>
<ul>
<li><strong>মৌলিক শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না। যেমন: হাত, বই, কলম।</li>
<li><strong>সাধিত শব্দ:</strong> যে শব্দগুলোকে ভাঙলে বা বিশ্লেষণ করলে আলাদা অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায়। যেমন: চলন্ত (চল্ + অন্ত), নীলাকাশ (নীল + আকাশ)।</li>
</ul>
<p>অর্থাৎ, গঠন অনুযায়ী শব্দের এই দুটি শ্রেণিবিভাগই ব্যাকরণের মূল ভিত্তি।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>নমঃ + কার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি নিয়ম।</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, অ-কারান্ত শব্দের পর যদি 'ক' বা 'প' থাকে, তবে বিসর্গ (ঃ) অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>এখানে 'নমঃ' শব্দের শেষে বিসর্গ আছে এবং তার পরের বর্ণটি 'ক'।</li>
<li>তাই সন্ধি করার সময় বিসর্গটি বজায় থাকে এবং শব্দ দুটি মিলে তৈরি হয় <strong>নমঃ + কার = নমস্কার</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই বিশেষ নিয়মের কারণেই এখানে বিসর্গটি লোপ পায় না।</p>
৯৫১৫
সন্ধিতে 'ম' এর পর বর্গীয় বর্ণ আসলে 'ম' এর স্থলে কোন বর্ণ হয় ?
<p>সন্ধির নিয়মে 'ম' এর পর যদি কোনো বর্গীয় বর্ণ (ক থেকে ম পর্যন্ত) আসে, তবে 'ম' পরিবর্তিত হয়ে সেই বর্গেরই নাসিক্য বা পঞ্চম বর্ণে পরিণত হয়। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে মনে রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>'ম' এর পরে যদি ক-বর্গের কোনো বর্ণ (ক, খ, গ, ঘ) আসে, তবে 'ম' পরিবর্তিত হয়ে ক-বর্গের পঞ্চম বর্ণ অর্থাৎ <strong>ঙ</strong> হয়ে যায়।</li>
<li>যেমন: সম + কল্প = <strong>সংকল্প</strong>। এখানে 'ম' এর জায়গায় <strong>ঙ</strong> বসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>ঙ</strong>। এই নিয়মটি মনে রাখলে যেকোনো বর্গীয় বর্ণের ক্ষেত্রে সন্ধি করা আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে!</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মহাভারত</strong>। মাইকেল মধুসূদন দত্তের লেখা 'শর্মিষ্ঠা' নাটকটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক, যা মূলত মহাভারতের আদিপর্বের কাহিনী অবলম্বনে রচিত।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>নাটকটির মূল উপজীব্য হলো রাজা যযাতি, শর্মিষ্ঠা ও দেবযানীকে নিয়ে আবর্তিত পৌরাণিক কাহিনী।</li>
<li>মহাভারতের আদিপর্বে এই রাজা যযাতির বংশ ও তার জীবনের বিভিন্ন ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা রয়েছে।</li>
<li>মধুসূদন দত্ত এই ধ্রুপদী কাহিনীকেই আধুনিক নাট্যরীতিতে মঞ্চের উপযোগী করে তুলেছিলেন।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>পর্তুগিজ</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<p>বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অনেক বিদেশি শব্দের মধ্যে পর্তুগিজ শব্দগুলো আমাদের দৈনন্দিন জীবনে মিশে আছে। এর পেছনে একটি সহজ কৌশল বা মনে রাখার উপায় আছে:</p>
<ul>
<li>পর্তুগিজরা যখন বাংলায় বাণিজ্য করতে এসেছিল, তখন তারা অনেক নতুন ফল ও জিনিসের সাথে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল।</li>
<li><strong>পেয়ারা</strong> ছাড়াও আনারস, আলমারি, চাবি, বালতি, সাবান এবং পাউরুটির মতো শব্দগুলোও পর্তুগিজ ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে।</li>
</ul>
<p>তাই পরীক্ষার খাতায় যখনই 'পেয়ারা' শব্দটি দেখবেন, মনে রাখবেন এটি পর্তুগিজ বণিকদের হাত ধরে আমাদের ভাষায় আসা একটি শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ফারসি</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ।</p>
<ul>
<li>'Ballad' শব্দটি মূলত এসেছে মধ্যযুগীয় ফরাসি শব্দ <strong>'Ballade'</strong> থেকে।</li>
<li>এই শব্দটি আবার ল্যাটিন শব্দ <strong>'Ballare'</strong> থেকে উদ্ভূত, যার অর্থ হলো 'নাচ করা'।</li>
<li>ঐতিহাসিকভাবে ব্যালাড বা গীতিকাগুলো নাচের ছন্দে গাওয়ার উপযোগী গান হিসেবেই পরিচিত ছিল, তাই এর উৎস হিসেবে ফারসি বা ফরাসি মূলকে প্রাধান্য দেওয়া হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শব্দের ব্যুৎপত্তিগত বিবর্তনে এটি ফরাসি ভাষার মাধ্যমেই ইংরেজি সাহিত্যে প্রবেশ করেছে।</p>
৯৫২১
প্রদত্ত অংশে রূপক, উপমা ইত্যাদি থাকলে ভাব-সম্প্রসারণকালে সেগুলো কী করতে হয়?
<p>ভাব-সম্প্রসারণ করার সময় মূল অংশে যদি কোনো রূপক বা উপমা থাকে, তবে সেগুলোকে সরাসরি বাদ দেওয়া যাবে না। বরং সেগুলোর অন্তর্নিহিত অর্থ বা <strong>সার্থকতা</strong> স্পষ্টভাবে ফুটিয়ে তুলতে হয়।</p>
<ul>
<li>ভাব-সম্প্রসারণের মূল উদ্দেশ্য হলো কোনো ছোট ভাব বা রূপকের আড়ালে থাকা গভীর অর্থকে সহজ ভাষায় বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা।</li>
<li>তাই রূপক বা উপমাগুলো কেন ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন, তা বিশ্লেষণ করাই হলো এর প্রধান কাজ।</li>
<li>সহজ কথায়, রূপক বা উপমার আড়ালে লুকিয়ে থাকা মূল ভাবটি পাঠকের কাছে সহজবোধ্য করে তোলাই হলো এর সার্থকতা।</li>
</ul>
<p>‘গ্রন্থাগার’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>গ্রন্থ + আগার</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, নিচে এর নিয়মটি দেখে নিন:</p>
<ul>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ-ধ্বনি (গ্রন্থ-এর শেষে) এবং আ-ধ্বনি (আগার-এর শুরুতে) মিলে একটি দীর্ঘ স্বর 'আ' তৈরি করে।</li>
<li>অর্থাৎ: $অ + আ = আ$।</li>
<li>এই নিয়মেই 'গ্রন্থ' শব্দের সাথে 'আগার' যুক্ত হয়ে 'গ্রন্থাগার' শব্দটি গঠিত হয়।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখন দুটি শব্দের মিলনে দীর্ঘ স্বর তৈরি হয়, তখন আমরা সেটিকে সন্ধির নিয়মে এভাবে ভেঙে ফেলি।</p>
<p>কবি জয়ানন্দ রচিত বিখ্যাত জীবনী কাব্যটি হলো <strong>চৈতন্যমঙ্গল</strong>। এটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন। এই কাব্যটি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল মাথায় রাখতে পারেন:</p>
<ul>
<li>জয়ানন্দের কাব্যের নাম মনে রাখতে <strong>'জয়-মঙ্গল'</strong> এই ছন্দটি ব্যবহার করুন।</li>
<li>যেহেতু জয়ানন্দের নামের শুরুতে 'জয়' আছে, তাই তার লেখা কাব্যের নামের সাথে 'মঙ্গল' শব্দটি জুড়ে দিলেই সহজে মনে থাকবে যে এটিই <strong>চৈতন্যমঙ্গল</strong>।</li>
</ul>
<p>এই কাব্যে চৈতন্যদেবের জীবনের বিভিন্ন ঘটনার পাশাপাশি সমসাময়িক সমাজের অনেক বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে, যা একে অন্যান্য জীবনী কাব্য থেকে আলাদা ও অনন্য করে তুলেছে।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>গোলাপ</strong>। কারণ, যে শব্দকে বিশ্লেষণ বা ভাঙলে আর কোনো অর্থবোধক অংশ পাওয়া যায় না, তাকেই মৌলিক শব্দ বলে।</p>
<ul>
<li><strong>গোলাপ</strong> শব্দটিকে ভাঙলে 'গো' বা 'লাপ'-এর আলাদা কোনো অর্থ থাকে না। তাই এটি একটি মৌলিক শব্দ।</li>
<li>অন্যদিকে, শীতল (শীত + ল), নেয়ে (নৌকা + এ), এবং গৌরব (গুরু + অ) শব্দগুলো সাধিত শব্দ, কারণ এগুলো প্রত্যয় বা সন্ধি যোগে গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যে শব্দগুলো একদম অবিভাজ্য এবং যাদের নিজস্ব কোনো অর্থ নেই ভেঙে ফেললে, সেগুলোই মৌলিক শব্দ।</p>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ:</p>
<ul>
<li>কৃষ্ণদাস কবিরাজ ছিলেন মধ্যযুগের একজন বিখ্যাত কবি।</li>
<li>তিনি শ্রী চৈতন্যদেবের জীবনী ও দর্শন নিয়ে যে কালজয়ী গ্রন্থটি রচনা করেছেন, সেটিই হলো <strong>শ্রী চৈতন্য চরিতামৃত</strong>।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলী ও জীবনী সাহিত্যের ইতিহাসে এই গ্রন্থটি সবচেয়ে প্রামাণিক ও জনপ্রিয় হিসেবে স্বীকৃত।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, শ্রী চৈতন্যদেবের জীবন ও তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে লেখা সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বইটিই হলো কৃষ্ণদাস কবিরাজের এই অমর সৃষ্টি।</p>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।