<p>বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ। বাংলা নাট্যসাহিত্যে ঐতিহাসিক নাটক রচনার জন্য ডি এল রায় বা দ্বিজেন্দ্রলাল রায় বিখ্যাত। তাঁর লেখা কালজয়ী নাটকগুলোর মধ্যে 'পলাশীর যুদ্ধ' অন্যতম, যা মূলত ঐতিহাসিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে রচিত।</p>
<ul>
<li>লেখক: <strong>দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (ডি এল রায়)</strong></li>
<li>বিষয়বস্তু: পলাশীর যুদ্ধের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট।</li>
<li>মনে রাখার কৌশল: দ্বিজেন্দ্রলাল রায়ের ঐতিহাসিক নাটকগুলোর নামের তালিকায় 'পলাশীর যুদ্ধ' একটি প্রধান নাম, তাই এটি সহজেই মনে রাখা যায়।</li>
</ul>
<p>চন্দ্রানন শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>চন্দ্র + আনন</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় সন্ধির নিয়মের মাধ্যমে:</p>
<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে আছে 'অ' ধ্বনি (চন্দ্র্ + অ) এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে আছে 'আ' ধ্বনি।</li>
<li>সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, অ + আ মিলে হয় 'আ' (আ-কার)।</li>
<li>অর্থাৎ: $অ + আ = আ$</li>
<li>এই নিয়মেই 'চন্দ্র' এবং 'আনন' মিলে তৈরি হয় 'চন্দ্রানন'।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, যখনই কোনো শব্দের শেষে আ-কার যুক্ত হয়, তখন সন্ধি বিচ্ছেদের সময় খেয়াল রাখতে হয় যে মূল শব্দ দুটি অর্থপূর্ণ কি না। এখানে 'চন্দ্র' এবং 'আনন' (মুখ) দুটিই অর্থপূর্ণ শব্দ, তাই এটিই সঠিক।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সমুদ্র</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা অভিধানে 'আকর' শব্দটি মূলত কোনো কিছুর উৎস বা খনি বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও, কাব্যিক বা আভিধানিক অর্থে এটি সমুদ্রের একটি চমৎকার প্রতিশব্দ হিসেবে পরিচিত।</p>
<p>সহজে মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করুন:</p>
<ul>
<li><strong>আকর</strong> শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো আধার বা ভাণ্ডার।</li>
<li>সমুদ্রকে বলা হয় রত্নাকর, অর্থাৎ রত্নের আকর বা রত্নের ভাণ্ডার।</li>
<li>এই সম্পর্কের কারণেই 'আকর' শব্দটি সমুদ্রের সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>প্রভা</strong>। কারণ শব্দার্থের দিক থেকে 'অংশু' শব্দের অর্থ হলো আলো বা কিরণ।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>'অংশু' মানেই হলো আলোক রশ্মি বা দীপ্তি।</li>
<li>'প্রভা' শব্দটির অর্থও হলো আলো বা জ্যোতি।</li>
<li>তাই সমার্থক শব্দ হিসেবে 'অংশু' এবং 'প্রভা' একে অপরের পরিপূরক।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>সূর্য</strong>। বিষয়টি মনে রাখা খুব সহজ, কারণ বাংলা সাহিত্যে বা অভিধানে ‘ভানু’ শব্দটি মূলত সূর্যের সমার্থক শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।</p>
<ul>
<li>‘ভানু’ শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো দীপ্তিমান বা উজ্জ্বল বস্তু, যা সরাসরি সূর্যকে নির্দেশ করে।</li>
<li>রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে আমরা প্রায়ই ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে চিনি, যেখানে ‘ভানু’ বলতে সূর্যকেই বোঝানো হয়েছে।</li>
<li>সহজ কথায়, যেখানেই ‘ভানু’ দেখবেন, চোখ বন্ধ করে ধরে নেবেন এটি <strong>সূর্য</strong>-এর কথা বলা হচ্ছে।</li>
</ul>
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ঢেউ</strong>। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলোর উৎস চিনতে পারাটা বেশ মজার। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অনেক শব্দই সরাসরি দেশি বা অস্ট্রিক ভাষা থেকে এসেছে।</p>
<p>সহজে মনে রাখার কিছু কৌশল:</p>
<ul>
<li><strong>ঢেউ</strong> শব্দটি একটি খাঁটি দেশি শব্দ।</li>
<li>বাংলায় ব্যবহৃত দেশি শব্দের তালিকায় আরও কিছু পরিচিত শব্দ হলো: কুলা, ডাব, টোপর, ঝোল, পেট, চুলা ইত্যাদি।</li>
<li>এই শব্দগুলো আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির সাথে মিশে আছে, তাই এগুলোকে আলাদাভাবে মুখস্থ না করে ব্যবহারের মাধ্যমে মনে রাখা সবচেয়ে সহজ।</li>
</ul>
৯৪৭৩
‘শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই’ -কবিতাংশটি রচনা করেন-
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চন্ডীদাস</strong>। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি চন্ডীদাস তাঁর বিখ্যাত পদাবলীতে মানবতার জয়গান গেয়েছেন।</p>
<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>এই অমোঘ বাণীটি চন্ডীদাসের <strong>'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন'</strong> বা তাঁর পদাবলীর দর্শনের মূল ভিত্তি।</li>
<li>মধ্যযুগের কবিদের মধ্যে তিনিই প্রথম মানুষকে ধর্মের চেয়েও বড় স্থান দিয়েছিলেন।</li>
<li>পরীক্ষায় এই লাইনটি দেখলে চোখ বন্ধ করে <strong>চন্ডীদাস</strong> দাগিয়ে দেবেন, কারণ এটি তাঁর অমর সৃষ্টি।</li>
</ul>
৯৪৭৪
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম কোন উপন্যাসটির উপজীব্য বিষয়?
<p>বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস হলো <strong>একটি কালো মেয়ের কথা</strong>। এই উপন্যাসটি মূলত লেখক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সৃষ্টি, যেখানে তিনি তৎকালীন সমাজব্যবস্থা এবং মানুষের সংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন।</p>
<p>সহজ কথায় মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উপন্যাসটির মূল উপজীব্য বিষয় হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং এর সাথে জড়িত সাধারণ মানুষের জীবনযুদ্ধ।</li>
<li>সাহিত্যের পাতায় এই উপন্যাসটি আমাদের জাতীয় ইতিহাসের সেই উত্তাল দিনগুলোর এক অনন্য দলিল হিসেবে পরিচিত।</li>
</ul>
<p>বাল্মীকি রামায়ণ রচনার সময়কাল নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ থাকলেও, অধিকাংশ গবেষক ও ঐতিহাসিকদের মতে এটি <strong>খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীতে</strong> রচিত হয়েছিল। এই সময়কালটি মূলত প্রাচীন ভারতের মহাকাব্যিক ধারার বিকাশের প্রাথমিক পর্যায় হিসেবে পরিচিত।</p>
<ul>
<li>রামায়ণের ভাষা ও শৈলী বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এটি মৌখিক ঐতিহ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে যা খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দীর দিকে একটি সুসংহত রূপ পায়।</li>
<li>ঐতিহাসিক তথ্যানুযায়ী, এই সময়টি ছিল সংস্কৃত সাহিত্যের বিকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ, যখন মহাকাব্যিক কাহিনীগুলো লিখিত রূপ পেতে শুরু করে।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, প্রাচীন ভারতের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করলে <strong>খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী</strong>-ই রামায়ণের আদি রচনার সময় হিসেবে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য।</p>
<p>‘খদ্যোত’ শব্দের সঠিক অর্থ হলো <strong>জোনাকি</strong>।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ভাষায় ‘খ’ মানে আকাশ এবং ‘দ্যোত’ মানে দীপ্তি বা আলো।</li>
<li>যেহেতু জোনাকি পোকা রাতের আকাশে নিজের শরীর থেকে আলো ছড়ায়, তাই এদের কাব্যিক ভাষায় ‘খদ্যোত’ বলা হয়।</li>
<li>বাংলা সাহিত্যে বা কবিতায় জোনাকি বোঝাতে এই শব্দটি প্রায়ই ব্যবহার করা হয়।</li>
</ul>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>অপটু</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'ঝানু' শব্দের অর্থ হলো কোনো কাজে অত্যন্ত দক্ষ, অভিজ্ঞ বা পটু।</p>
<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>ঝানু</strong> মানে হলো যে কোনো কাজে খুব দক্ষ বা ওস্তাদ।</li>
<li>এর বিপরীত বা উল্টো অর্থ বোঝাতে আমরা এমন শব্দ খুঁজব যা অদক্ষতা প্রকাশ করে।</li>
<li>যেহেতু <strong>অপটু</strong> মানে হলো অদক্ষ বা যার কাজের হাত ভালো নয়, তাই এটিই ঝানু শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ।</li>
</ul>
<p>‘গোয়ার গোবিন্দ’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো <strong>নির্বোধ</strong>।</p>
<p>সহজ কথায়, যারা কোনো যুক্তি বা ভালো কথা শুনতে চায় না এবং নিজের জেদ বা বোকামির ওপর অটল থাকে, তাদের বোঝাতে এই বাগধারাটি ব্যবহার করা হয়। এর পেছনের মূল কারণগুলো হলো:</p>
<ul>
<li><strong>গোয়ার</strong> শব্দের অর্থ হলো একগুঁয়ে বা জেদি।</li>
<li><strong>গোবিন্দ</strong> এখানে একটি সাধারণ নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।</li>
<li>যখন কেউ নিজের বোকামির কারণে কোনো ভুল পথে জেদ ধরে বসে থাকে, তখন তাকেই আমরা মজা করে ‘গোয়ার গোবিন্দ’ বলে থাকি।</li>
</ul>
<p>তাই মনে রাখার জন্য শুধু এটুকুই যথেষ্ট যে, এটি মূলত এমন একজন মানুষকে বোঝায় যে নিজের বোকামিতেই অটল থাকে।</p>
<p>‘চতুষ্পদ’ শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>চতুঃ + পদ</strong>। এটি মূলত বিসর্গ সন্ধির একটি চমৎকার উদাহরণ। বিষয়টি সহজভাবে বোঝার জন্য নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>
<ul>
<li>বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গের আগে যদি 'অ' বা 'আ' থাকে এবং পরে যদি 'ক', 'খ', 'প' বা 'ফ' থাকে, তবে বিসর্গ অপরিবর্তিত থাকে।</li>
<li>কিন্তু এখানে বিসর্গের পর 'প' থাকায় এবং সন্ধির বিশেষ নিয়মে বিসর্গটি অনেক সময় মূর্ধন্য 'ষ' (ষ) এ পরিণত হয়।</li>
<li>অর্থাৎ, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>চতুঃ + পদ</strong> যুক্ত হয়ে বিসর্গটি 'ষ' হয়ে যায় এবং শব্দটি দাঁড়ায় <strong>চতুষ্পদ</strong>।</li>
</ul>
<p>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির এই রূপান্তরটি মনে রাখলেই আপনি যেকোনো সময় এমন শব্দ সহজেই ভেঙে ফেলতে পারবেন।</p>
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>চতুঃ + অঙ্গ</strong>। সন্ধি বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>
<ul>
<li>সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গের আগে 'অ' বা 'আ' ছাড়া অন্য কোনো স্বরধ্বনি থাকলে এবং পরে কোনো স্বরধ্বনি বা বর্গের তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম বর্ণ বা য, র, ল, ব, হ থাকলে বিসর্গটি 'র' (রেফ) হয়ে যায়।</li>
<li>এখানে <strong>চতুঃ</strong> শব্দের বিসর্গের সাথে <strong>অঙ্গ</strong> শব্দের 'অ' যুক্ত হয়ে 'র' কার বা রেফ তৈরি করেছে।</li>
<li>সহজ কথায়, বিসর্গ সন্ধির নিয়ম মেনে <strong>চতুঃ + অঙ্গ = চতুরঙ্গ</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে।</li>
</ul>
MCQ পরীক্ষা সেটিংস
বাংলা
eProstuti
সহজ ও দ্রুত ক্লাস করতে অ্যাপটি ইনস্টল করুন
iPhone / iPad এ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Safari ব্রাউজারের নিচে থাকা Share ( ) বাটনে চাপ দিন।
২নিচের দিকে স্ক্রোল করে 'Add to Home Screen' ( ) নির্বাচন করুন।
৩উপরে ডানে থাকা 'Add' বাটনে ট্যাপ করুন।
Android এ অ্যাপ ইনস্টল করুন
eProstuti
১Chrome ব্রাউজারের উপরে ডানে থাকা থ্রি-ডট ( ) মেনু চাপুন।
২তালিকায় 'Install app' বা 'Add to Home screen' ( ) এ ট্যাপ করুন।
ডাউনলোড সম্পন্ন হলে ফাইলটি ওপেন করে Install চাপুন।
যদি "Install unknown apps" বা "Unknown sources" অনুমতি চায়, তাহলে সেটি Allow করে আবার ইনস্টল করুন।
ইনস্টল শেষ হলে অ্যাপটি খুলে আপনার অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।
অ্যাপের সুবিধা:
সকল লাইভ ক্লাস
রেকর্ডেড ক্লাস
অনলাইন পরীক্ষা
ই-বুক ও নোটিশ
সবকিছু এক জায়গা থেকেই সহজে ব্যবহার করুন!
ব্রাউজারে খুলুন
⚠️ মনে হচ্ছে আপনি এই ওয়েবসাইটটি ফেসবুক বা অন্য কোনো অ্যাপের ভেতরের ব্রাউজার থেকে খুলেছেন।
ভালোভাবে কাজ করার জন্য দয়া করে এটি আপনার মূল ব্রাউজারে (যেমন Chrome) খুলুন।
👉 উপরে থাকা ⋮ বা ••• বাটনে চাপ দিন → তারপর “Open in Browser” সিলেক্ট করুন।