eProstuti
স্বাগতম শিক্ষার্থী!

অনলাইন কোর্স ও পরীক্ষায় অংশ নিতে লগইন করুন

লগইন / রেজিস্টার
ওয়েবসাইট মেন্যু
MCQ: ৩৪৫১৮ টি
সকল বিষয়
বাংলা
সঠিক উত্তর বাছাই করে আপনার প্রস্তুতি যাচাই করুন
৯৪৯৬

'সংকুচিত' -এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
প্রসারিত
ব্যাখ্যা:
<p>'সংকুচিত' শব্দের সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ হলো <strong>প্রসারিত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে মনে রাখা যায়:</p>

<ul>
<li>'সংকুচিত' মানে হলো কোনো কিছুকে গুটিয়ে ফেলা বা ছোট করে আনা।</li>
<li>অন্যদিকে, 'প্রসারিত' মানে হলো কোনো কিছুকে ছড়িয়ে দেওয়া বা বড় করা।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো কিছু গুটিয়ে নেওয়া (সংকুচিত) এবং ছড়িয়ে দেওয়া (প্রসারিত) একে অপরের বিপরীত অবস্থা নির্দেশ করে।</li>
</ul>

<p>তাই ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থের দিক থেকে 'সংকুচিত' এর বিপরীত হিসেবে <strong>প্রসারিত</strong> শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।</p>
৯৪৯৭

নিচের কোনটি তালব্য বর্ণ গুচ্ছ ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চ,ছ,জ,ঝ,ঞ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চ, ছ, জ, ঝ, ঞ</strong>। এই বর্ণগুলোকে তালব্য বর্ণ বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার অগ্রভাগ তালুর সামনের অংশে স্পর্শ করে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার একটি দারুণ কৌশল হলো:</p>
<ul>
<li>বাংলা বর্ণমালার বর্গের ক্রম অনুযায়ী, <strong>চ-বর্গীয়</strong> সব বর্ণই তালব্য বর্ণ।</li>
<li>উচ্চারণের সময় খেয়াল করে দেখবেন, এই বর্ণগুলো বলার সময় জিহ্বা তালুর সাথে লেগে যায়, তাই এদের নাম তালব্য বর্ণ।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, <strong>চ</strong> থেকে <strong>ঞ</strong> পর্যন্ত এই পাঁচটি বর্ণই তালব্য ধ্বনির অন্তর্ভুক্ত।</p>
৯৪৯৮

কোনগুলো কন্ঠধ্বনি ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক,খ,গ,ঘ,ঙ
ব্যাখ্যা:
<p>বাংলা বর্ণমালায় <strong>ক, খ, গ, ঘ, ঙ</strong>—এই পাঁচটি বর্ণকে বলা হয় কন্ঠধ্বনি। এর কারণ হলো, এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করার সময় আমাদের জিহ্বার গোড়া আলজিহ্বার কাছাকাছি তালুর কোমল অংশে স্পর্শ করে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উচ্চারণ করার সময় খেয়াল করুন, শব্দগুলো সরাসরি গলা বা কন্ঠনালীর গভীর থেকে আসছে।</li>
<li>ব্যাকরণের ভাষায় এগুলোকে <strong>ক-বর্গীয় ধ্বনি</strong> বলা হয়, আর সব ক-বর্গীয় ধ্বনিই মূলত কন্ঠধ্বনি।</li>
</ul>
৯৪৯৯

কোনগুলো জিহ্বামূলীয় ধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ক, খ, গ, ঘ, ঙ
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>ক, খ, গ, ঘ, ঙ</strong>। এই বর্ণগুলোকে জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্য ধ্বনি বলা হয় কারণ এগুলো উচ্চারণের সময় আমাদের জিহ্বার মূল বা গোড়ার অংশ তালুর পেছনের দিকে অর্থাৎ কোমল তালু স্পর্শ করে।</p>

<p>সহজে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li>উচ্চারণের সময় খেয়াল করুন, এই বর্ণগুলো উচ্চারণ করতে জিহ্বার গোড়া বা মূল অংশটি সক্রিয় থাকে।</li>
<li>বাংলা বর্ণমালার প্রথম বর্গ বা <strong>ক-বর্গ</strong>-এর পাঁচটি বর্ণই জিহ্বামূলীয় ধ্বনি হিসেবে পরিচিত।</li>
<li>এগুলো কণ্ঠনালির একদম কাছে থেকে উচ্চারিত হয় বলে এদের কণ্ঠ্য ধ্বনিও বলা হয়।</li>
</ul>
৯৫০০

নিচের কোনটি অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চ
৯৫০১

'বাদলের জলে নাহিয়া সে মেয়ে হেসে কুটি কুটি হয়' -মেয়েটি কে?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
কদম ফুল
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>কদম ফুল</strong>।</p>

<p>কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বর্ষামঙ্গল' বা বর্ষা নিয়ে লেখা বিভিন্ন কবিতায় কদম ফুলকে বর্ষার প্রতীক হিসেবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এখানে মেয়েটির হাসির সাথে কদম ফুলের প্রস্ফুটিত হওয়ার একটি চমৎকার রূপক ব্যবহার করা হয়েছে। বিষয়টি সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>

<ul>
<li>বর্ষার আগমনে কদম ফুল ফোটে, যা বৃষ্টির জলে ভিজে সতেজ হয়ে ওঠে।</li>
<li>কদম ফুলের গোলাকার রূপ এবং এর সাদা-হলুদ মিশ্রিত পাপড়িগুলো যেন বৃষ্টির দিনে এক চঞ্চল হাসির বহিঃপ্রকাশ।</li>
<li>সাহিত্যের ভাষায় বৃষ্টির জলে কদম ফুলের এই সতেজতাকে মেয়েটির হাসির সাথে তুলনা করা হয়েছে, যা বর্ষার প্রাণবন্ত পরিবেশকে নির্দেশ করে।</li>
</ul>
৯৫০২

Transparent

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
স্বচ্ছ
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>স্বচ্ছ</strong>। ইংরেজি শব্দ <strong>Transparent</strong>-এর অর্থ হলো এমন কিছু যার ভেতর দিয়ে আলো বা অন্য কিছু পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। বাংলায় একেই আমরা বলি স্বচ্ছ।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>Transparent</strong> মানে হলো যা একদম পরিষ্কার বা কাঁচের মতো।</li>
<li>যেহেতু <strong>স্বচ্ছ</strong> শব্দের অর্থও একই, তাই এটিই সঠিক উত্তর।</li>
</ul>
৯৫০৩

'অশ্ব' শব্দের প্রতিশব্দ নয় কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
বিভা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>বিভা</strong>। বিষয়টি খুব সহজ, কারণ 'বিভা' শব্দের অর্থ হলো আলো বা কিরণ, যা ঘোড়ার সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।</p>

<p>সহজ মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>অশ্ব</strong> শব্দের অর্থ হলো ঘোড়া।</li>
<li>এর সমার্থক শব্দগুলো হলো: <strong>তুরঙ্গ</strong>, <strong>ঘোটক</strong>, <strong>বাজি</strong>, <strong>সৈন্ধব</strong> ইত্যাদি।</li>
<li>অন্যদিকে, <strong>বিভা</strong> শব্দটি মূলত দীপ্তি বা প্রভা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।</li>
</ul>

<p>তাই অশ্বের প্রতিশব্দ হিসেবে বিভা শব্দটি সম্পূর্ণ আলাদা এবং ভুল।</p>
৯৫০৪

provoke

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
উস্কানি দেওয়া
ব্যাখ্যা:
<p><strong>Provoke</strong> শব্দটির অর্থ হলো কাউকে কোনো কাজ করার জন্য উত্তেজিত করা বা প্ররোচিত করা। সহজ কথায়, কাউকে রাগিয়ে দিয়ে বা উসকে দিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া তৈরি করাই হলো এর মূল কাজ।</p>

<p>তাই সঠিক উত্তর হলো <strong>উস্কানি দেওয়া</strong>। বিষয়টি মনে রাখার জন্য নিচের পয়েন্টগুলো খেয়াল করতে পারেন:</p>

<ul>
<li><strong>Provoke</strong> শব্দটির মূল ভাব হলো কাউকে কোনো নির্দিষ্ট কাজের দিকে ঠেলে দেওয়া।</li>
<li>বাংলায় একে আমরা প্রায়ই 'উসকে দেওয়া' বা 'প্ররোচনা দেওয়া' হিসেবে ব্যবহার করি।</li>
<li>সহজ কথায়, কাউকে উত্তেজিত করে কোনো কিছু করতে বাধ্য করাই হলো <strong>উস্কানি দেওয়া</strong>।</li>
</ul>
৯৫০৫

'ঘর্মার্ত' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ--

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ঘাম + ঋত
ব্যাখ্যা:
<p>'ঘর্মার্ত' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ হলো <strong>ঘর্ম + ঋত</strong>। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় সন্ধির নিয়মটি খেয়াল করলে:</p>

<ul>
<li>এখানে প্রথম শব্দের শেষে থাকা 'অ' এবং দ্বিতীয় শব্দের শুরুতে থাকা 'ঋ' মিলে 'অর' (র্‌) হয়ে যায়।</li>
<li>অর্থাৎ, $অ + ঋ = অ + র্‌ = অর্$।</li>
<li>এই নিয়ম অনুযায়ী: $ঘর্ম (অ) + ঋত (ঋ) = ঘর্ম + অর্ + ত = ঘর্মার্ত$।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, সন্ধির নিয়ম মেনে 'ঘর্ম' এবং 'ঋত' যুক্ত হয়েই 'ঘর্মার্ত' শব্দটি গঠিত হয়েছে।</p>
৯৫০৬

বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
চামার
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>চামার</strong>। এটি একটি বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত শব্দ। বিষয়টি খুব সহজভাবে বোঝা যায় এভাবে:</p>

<ul>
<li><strong>চাম</strong> একটি বিশেষ্য পদ, যার সাথে <strong>-আর</strong> প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ <strong>চামার</strong> গঠিত হয়েছে।</li>
<li>ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, বিশেষ্য বা বিশেষণ পদের সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাকেই তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।</li>
<li>এখানে <strong>চাম + আর = চামার</strong>, যা পেশা বা বৃত্তি নির্দেশ করছে। তাই এটি তদ্ধিত প্রত্যয়ের একটি চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৯৫০৭

কোনটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
ডুবন্ত
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>ডুবন্ত</strong>। কারণ, কৃৎ প্রত্যয় মূলত ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। বিষয়টি খুব সহজভাবে এভাবে বোঝা যায়:</p>

<ul>
<li><strong>ডুবন্ত</strong> শব্দটি গঠিত হয়েছে <strong>ডুব্</strong> (ধাতু) + <strong>অন্ত</strong> (প্রত্যয়) যোগে।</li>
<li>যেহেতু 'ডুব্' একটি ক্রিয়াবাচক ধাতু, তাই এর সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে শব্দটি তৈরি হয়েছে, তা-ই কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ।</li>
<li>সহজ কথায়, কোনো শব্দের মূল যদি কোনো কাজ বা ক্রিয়া বোঝায়, তবে সেটিই কৃৎ প্রত্যয়। এখানে 'ডুব' একটি কাজ, তাই এটি কৃৎ প্রত্যয়ের চমৎকার উদাহরণ।</li>
</ul>
৯৫০৮

নিচের কোন শব্দটি সমাসের মাধ্যমে গঠিত?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
আমরা
ব্যাখ্যা:
<p>এখানে সঠিক উত্তর হলো <strong>আমরা</strong>। এটি সমাসবদ্ধ একটি পদ, যা মূলত 'আমি' ও 'আমরা'—এই দুইয়ের সমষ্টি বা সমষ্টিবাচক সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এটি 'আমি' শব্দের বহুবচন রূপ হলেও সমাস প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এর গঠন সম্পন্ন হয়েছে।</p>

<p>সহজভাবে মনে রাখার উপায়:</p>
<ul>
<li><strong>আমরা</strong> শব্দটি 'আমি' ও 'আমরা' পদের মিলনে গঠিত, যা ব্যাকরণে নিত্য সমাসের অন্তর্ভুক্ত।</li>
<li>অন্যান্য শব্দগুলো মূলত প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত হলেও, সমাসের সংজ্ঞায় 'আমরা' শব্দটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত উদাহরণ।</li>
</ul>
৯৫০৯

কোনটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
তেলেভাজা
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>তেলেভাজা</strong>। এটি তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের একটি দারুণ উদাহরণ। খুব সহজে বিষয়টি বুঝতে নিচের ধাপগুলো দেখুন:</p>

<ul>
<li>তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস চেনার সহজ উপায় হলো ব্যাসবাক্যে 'দ্বারা', 'দিয়ে' বা 'কর্তৃক' বিভক্তির ব্যবহার।</li>
<li>এখানে 'তেলেভাজা' শব্দটিকে ভাঙলে পাওয়া যায়: <strong>তেল দিয়ে ভাজা</strong>।</li>
<li>যেহেতু এখানে 'দিয়ে' অনুসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে, তাই এটি নিয়ম অনুযায়ী তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাস।</li>
</ul>

<p>সহজ কথায়, কোনো কিছু যখন কোনো উপকরণের সাহায্যে বা দ্বারা সম্পন্ন হয়, তখনই তা তৃতীয়া তৎপুরুষ সমাসের অন্তর্ভুক্ত হয়।</p>
৯৫১০

চণ্ডীমঙ্গল কাব্য কার রচনা?

উত্তর সিলেক্ট করলে সঠিক ও ভুল দেখাবে।
বিস্তারিত
সঠিক উত্তর:
মুকুন্দরাম
ব্যাখ্যা:
<p>সঠিক উত্তর হলো <strong>মুকুন্দরাম</strong>। বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেন কবিকঙ্কণ মুকুন্দরাম চক্রবর্তী।</p>

<p>বিষয়টি মনে রাখার জন্য একটি সহজ কৌশল অনুসরণ করতে পারেন:</p>

<ul>
<li>চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রধান রচয়িতা হিসেবে <strong>মুকুন্দরাম চক্রবর্তী</strong> ঐতিহাসিকভাবে স্বীকৃত।</li>
<li>তাঁর রচিত কাব্যের নাম 'অভয়া মঙ্গল' বা 'চণ্ডীমঙ্গল'।</li>
<li>সাহিত্য পরীক্ষায় এই প্রশ্নটি বারবার আসে, তাই কবির উপাধি <strong>কবিকঙ্কণ</strong> এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্য <strong>চণ্ডীমঙ্গল</strong>—এই দুটি তথ্য একসাথে মনে রাখলে আর ভুল হবে না।</li>
</ul>
Support
Curiosity AI Assistant
24/7 লাইভ
eProstuti ডেটাবেস ও অটোমেশন ইঞ্জিন
এআই চ্যাট WhatsApp Messenger Instagram
👋 আসসালামু আলাইকুম শিক্ষার্থী !

আমি eProstuti Curiosity AI। আমাদের সকল লাইভ কোর্স, মডেল টেস্ট, ই-বুক, নোটিশ এবং পেমেন্ট সংক্রান্ত তথ্য নিমেষেই জানতে পারবেন।

দ্রুত উত্তরের জন্য নিচের টপিক চাপুন অথবা নিচে লিখুন:

উত্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করা হচ্ছে...
eProstuti AI সহকারী
সার্বক্ষণিক সহায়তায় প্রস্তুত
লগইন আবশ্যক

ব্যক্তিগত সহায়তা এবং আপনার কোর্স, পরীক্ষা ও পেমেন্ট হিস্ট্রি দেখতে অ্যাকাউন্টে লগইন করুন।

* চ্যাটবট সরাসরি অ্যাকাউন্ট তৈরি বা লগইন করতে পারে না।